গোপালগঞ্জে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে মোটরসাইকেলের ধাক্কা, নিহত ২
Published: 10th, November 2025 GMT
গোপালগঞ্জে দাঁড়িয়ে থাকে গ্যাস সিলিন্ডার ভর্তি ট্রাকে ধাক্কা দিয়েছে দ্রুত গতির একটি মোটরসাইকেল। এ ঘটনায় মোটরসাইকেলটির দুই আরোহী মারা গেছেন।
রবিবার (৯ নভেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে সদর উপজেলার গোপালগঞ্জ-টেকেরহাট আঞ্চলিক মহাসড়কের গান্ধিয়াসুর এলাকায় দুর্ঘটনার শিকার হন তারা।
আরো পড়ুন:
খুলনায় ইজিবাইকের চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে তরুণীর মৃত্যু
সড়ক পার হওয়ার সময় বাসের ধাক্কায় নিহত ১
নিহতরা হলেন- গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ডালনিয়া গ্রামের ত্রিনাথ বিশ্বাসের ছেলে বিজয় বিশ্বাস (২২) ও একই গ্রামের সতীশ ভট্টাচার্যের ছেলে সরোজ ভট্টাচার্য (৫০)।
গোপালগঞ্জ বৌলতলী পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক আফজাল হোসেন জানান, রাতে বিজয় বিশ্বাস ও সরোজ ভট্টাচার্য মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফিরছিলেন। গান্ধিয়াসুর এলাকায় চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে মোটরসাইকেলটি সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা গ্যাস সিলিন্ডার ভর্তি ট্রাকে ধাক্কা দেয়। ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেল চালক বিজয় বিশ্বাস মারা যান।
আহত সরোজ ভট্টাচার্যকে স্থানীয়ার উদ্ধার করে একটি ক্লিনিকে নিয়ে যান। সেখানকার চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ ২৫০-শয্যাবিশিষ্ট জেলারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।
ঢাকা/বাদল/মাসুদ
.উৎস: Risingbd
কীওয়ার্ড: চ কর চ কর সড়ক দ র ঘটন ন হত গ প লগঞ জ
এছাড়াও পড়ুন:
রাজশাহীতে ছুরিকাঘাতে জামায়াতের কর্মী নিহত
রাজশাহী নগরে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে ওমর ফারুক (২৬) নামের এক তরুণ নিহত হয়েছেন। গতকাল বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে নগরের আলীগঞ্জ পূর্বপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
ওমর ফারুক ওরফে শান্ত জামায়াতে ইসলামীর কর্মী ছিলেন বলে জানিয়েছে মহানগর জামায়াত। দলটি এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ওমর ফারুকের শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছুরিকাঘাত করা হয়। এতে গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
হাসপাতালের মুখপাত্র শংকর কে বিশ্বাস বলেন, ওমর ফারুক নামের ওই ব্যক্তিকে হাসপাতালে আনার আগেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। তাঁর শরীরে একাধিক জখমের চিহ্ন পাওয়া গেছে।
রাজশাহী মহানগর জামায়াতে ইসলামী এ হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। গতকাল বুধবার রাতে এক বিবৃতিতে মহানগর জামায়াতের আমির কেরামত আলী ও সেক্রেটারি ইমাজ উদ্দিন মণ্ডল অভিযোগ করেন, কাশিয়াডাঙ্গা থানার আলীগঞ্জ এলাকায় সুদের কারবারি স্থানীয় যুবলীগ কর্মী নয়ন, রুবেল ও রিপনের সঙ্গে হালিম নামের এক ব্যক্তির সুদের টাকা নিয়ে গতকাল সন্ধ্যায় তর্ক চলছিল। এ সময় জামায়াত কর্মী ওমর ফারুক তাঁদের থামাতে যান। তখন সুদের কারবারিরা তাঁকে ছুরিকাঘাত করেন।
বিবৃতিতে জামায়াত নেতারা এ নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানান। একই সঙ্গে নিহত ব্যক্তির পরিবারের প্রতি শোক ও সমবেদনা জ্ঞাপন করেন তাঁরা।
রাজপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল মালেক বলেন, তাঁরা প্রাথমিকভাবে দুটি বিষয় জানতে পেরেছেন। একটি হলো সুদের টাকার বিরোধে ওমর ফারুক মধ্যস্থতাকারী হিসেবে গিয়েছিলেন। অন্যটি জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে ঘটনা। এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন।