ফরিদপুরে মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ও হেরোইনসহ আরজু আক্তার (২৪) নামের এক তরুণীকে আটক করেছে সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ দল।

রবিবার (১২ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে ফরিদপুর শহরের গুহলক্ষ্মীপুর রেল বস্তি এলাকায় এ মাদকবিরোধী অভিযান চালানো হয়। আরজু আক্তার ওই এলাকার রিয়াজ শেখের স্ত্রী।

কোতয়ালী থানার উপ-পরিদর্শক আহাদুজ্জামান সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে প্রথমে সেনাবাহিনী বাড়িটি ঘিরে ফেলে এবং পরে থানা পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। আরজু আক্তারের বসতঘরে তল্লাশি চালিয়ে পাঁচটি প্যাকেটে থাকা মোট ১ হাজার পিস ইয়াবা এবং কিছু হেরোইন জব্দ করা হয়। তাৎক্ষণিকভাবে হেরোইনের পরিমাণ নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি। এ সময় মাদক বিক্রির ১৯ হাজার টাকা এবং মাদক ব্যবসায় ৪ লাখ টাকা লেনদেনের তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে।

আটক আরজু আক্তারের মা সাহেদা বেগম (৪০) ফরিদপুরে ‘মাদক সম্রাজ্ঞী’ হিসেবে পরিচিত। তিনি একই এলাকার বাসিন্দা। তার বিরুদ্ধে ফরিদপুরের কোতয়ালী থানায় ২৬টি মাদক মামলা আছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে একাধিকবার গ্রেপ্তার হয়েছেন সাহেদা বেগম। সর্বশেষ গত বছরের ২০ মে ২৫০ পিস ইয়াবাসহ পুলিশের হাতে ধরা পড়েন তিনি।

ফরিদপুর কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.

আসাদউজ্জামান বলেছেন, সেনাবাহিনী ও পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে আরজু আক্তারকে আটক করেছে। তার নামে থানায় কোনো মামলা আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আরজু আক্তারের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

ঢাকা/তামিম/রফিক

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর

এছাড়াও পড়ুন:

রাজশাহীতে হোটেলে যুবকের ঝুলন্ত লাশ

রাজশাহীর একটি আবাসিক হোটেল থেকে সবুজ কুমার অধিকারী (২৮) নামে এক যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নগরের নিউমার্কেট এলাকার ওয়ে হোম আবাসিক হোটেল থেকে শনিবার (২৯ নভেম্বর) বিকেলে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় লাশটি ঝুলছিল। 

সবুজের বাড়ি সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার আটঘরিয়া গ্রামে। তার বাবার নাম বিমল চন্দ্র অধিকারী। সবুজ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে বগুড়ায় কর্মরত ছিলেন। শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) তিনি রাজশাহীর এই আবাসিক হোটেলের একটি কক্ষে ওঠেন। শনিবার তার হোটেল ছাড়ার কথা ছিল।

আরো পড়ুন:

জমি নিয়ে বিরোধে এ হত্যাকাণ্ড: পুলিশ

বন্ধুকে হত্যার পর কুড়াল নিয়ে থানায় হাজির

নগরের বোয়ালিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘‘নির্ধারিত সময়ে সবুজ হোটেল ত্যাগ না করলে কর্মীরা ডাকাডাকি করেন। এতে সাড়া পাওয়া যায়নি। পরে জানালা দিয়ে তারা সবুজের ঝুলন্ত লাশ দেখে পুলিশে খবর দেন।’’ 

ওসি জানান, কক্ষের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ ছিল। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা গিয়ে দরজা ভাঙেন। তার লাশ ময়নাতদন্ত করতে রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে। 

এ নিয়ে থানায় অপমৃত্যুর মামলা হবে। পরিবারের সদস্যরা আসার পর লাশ হস্তান্তর করা হবে বলে জানান তিনি। 

ঢাকা/কেয়া/বকুল 

সম্পর্কিত নিবন্ধ