এফ. কে. ডলার পরিচালিত একক নাটক ‘তুমি আমার কে’। কিছুদিন আগে ইমু এন্টারটেইনমেন্টের ইউটিউব চ্যানেল মুক্তি পায় নাটকটি। ইতোমধ্যে অনলাইনে সাড়া ফেলেছে এটি। নাটকটির উল্লেখযোগ্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন—ইমু শিকদার, সুজন হাবিব, লিটন সানজিদা মিলা, বাঁধন, খোরশেদ আলম প্রমুখ।
দর্শকরা নাটকটি দারুণভাবে গ্রহণ করায় গণমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে ঘরোয়া এক আড্ডার আয়োজন করা হয়। মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টায় মগবাজারের একটি রেস্তোরাঁয় এই আয়োজন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন নাটকটির প্রধান চরিত্র রূপায়নকারী ইমু শিকদার, লিটন সানজিদা মিলা, বাঁধন, খোরশেদ আলম। তাছাড়াও অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রিয় অভিনেতা সাব্বির আহমেদ, মুরাদ পারভেজ, শাহীন মৃধাসহ আরো অনেকে।
আরো পড়ুন:
প্রযোজক হিসেবে ফিরছেন ফারিণ
‘আমাকে বাঁচান’, লাইভে সাহায্য চাইলেন অভিনেত্রী সানজিদা রিন্টু
এ অনুষ্ঠানে নিজের কাজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী ইমু শিকদার। তিনি বলেন, “ডলার ভাই আমার উপর সবসময় ভরসা করেছেন। ‘তুমি আমার কে’ নাটকেও তিনি আমার উপর ভরসা করেছিলেন। এই নাটকে খাদিজা চরিত্রে অভিনয় করেছি। কাজ করার সময় ভাবিনি, এতটা সাড়া পাব। এই নাটকে আমাদের টিমের সবাই জানপ্রাণ দিয়ে কাজ করেছেন। সামনে আমার আরো কিছু কাজ আসছে, যেগুলো সবাইকে মুগ্ধ করবে। সবশেষে সাংবাদিক ভাই-বোনদের নিকট কৃতজ্ঞ, আমাদের পাশে থাকার জন্য।”
সানজিদা মিলা বলেন, “ডলার ভাইয়ের গল্প শুনে আমি বরগুনা থেকে ঢাকায় চলে আসি, কাজটা করার জন্য। অসাধারণ একটি গল্প। এই টিমের সঙ্গে আমার কাজের অভিজ্ঞতা দারুণ।”
জনপ্রিয় অভিনেতা সাব্বির আহমেদ বলেন, “অনেকদিন পর আবার কাজ শুরু করেছি। এই টিমের সঙ্গে আমার ‘মানুষ না মানুষ’ নাটকটি শিগগির রিলিজ হবে। আমি সবার কাছে দোয়া প্রার্থী।”
একই টিমের সঙ্গে কাজ করতে যাচ্ছেন মুরাদ পারভেজ। এ তথ্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আমি অনেকদিন পর কাজ শুরু করেছি। আমি আমার সাংবাদিক ভাইদের সহযোগিতা চাই। এই টিমের সঙ্গে আমার বেশ কিছু কাজ সামনে আসবে। সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন।”
অভিনেতা শাহীন মৃধা বলেন, “ডলার সবসময় সিরিয়াস কাজ করে। বেশ কিছু কাজ হয়েছে তার সঙ্গে। তার সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা দারুণ। আমাদের আরো কিছু কাজ আসবে সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন।”
কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে পরিচালক ফিরোজ কবির ডলার বলেন, “আমি টেলিভিশন মিডিয়ার চাকরি ছেড়ে ইন্ডিভিজুয়্যালি যখন কাজ শুরু করি, তখন শুরুতে তেমন কাজ পাচ্ছিলাম না। পরে একটা টিম ওয়ার্কের ভেতর দিয়ে কিছু কাজ করার চেষ্টা করছি। ইদানীং মানুষ আমার কাজগুলো পছন্দ করছেন। আমি আরো কিছু কাজ নিয়ে শিগগির হাজির হবো। সাংবাদিক ভাইদের কাছে কৃতজ্ঞ, আমার পাশে থাকার জন্য।”
এরপর কেক কেটে ‘তুমি আমার কে’ নাটকের সাফল্য উদযাপন করেন উপস্থিত সকলে।
ঢাকা/রাহাত/শান্ত
.উৎস: Risingbd
কীওয়ার্ড: চ কর চ কর ট ভ ন টক ক জ কর আম র ক র জন য আম দ র ন টকট
এছাড়াও পড়ুন:
সৎপুত্র নাগা চৈতন্যকে নিয়ে যা বললেন অভিনেত্রী অমলা
ভারতের দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা নাগা চৈতন্য। অভিনয় ক্যারিয়ারে অনেক ব্যবসাসফল সিনেমা উপহার দিয়েছেন সামান্থা রুথ প্রভুর এই প্রাক্তন স্বামী। নাগার আরেক পরিচয় তিনি নাগার্জুনা আক্কিনেনির বড় ছেলে ও অভিনেত্রী অমলা আক্কিনেনির সৎপুত্র। অমলা সৎমা হলেও নাগা চৈতন্যর সঙ্গে তার দারুণ সম্পর্ক। এনটিভি-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ নিয়ে কথা বলেছেন অমলা।
নাগা চৈতন্য প্রসঙ্গে অমলা আক্কিনেনি এনটিভি-কে বলেন, “চৈতন্যর সঙ্গে যখন আমার পরিচয় হয়, তখন সে তরুণ। কারণ তার মা চেন্নাইয়ে থাকতেন; সে সেখানেই বড় হয়েছে। কলেজের জন্য সে হায়দরাবাদে এসেছিল। অবশ্যই আমি তার সঙ্গে যোগাযোগে রেখেছিলাম। কিন্তু সত্যিকার অর্থে তাকে জানতে পারি, যখন সে হায়দরাবাদে চলে আসে। চৈতন্য দারুণ একজন মানুষ। বয়সের তুলনায় সে অনেক বেশি পরিণত ও প্রজ্ঞাবান। খুবই দায়িত্বশীল। সে এমন একজন, যে কখনো ভুল করেনি এবং সবসময় বাবার কথা শুনেছে। তাই তার নিজের পরিকল্পনা ও ভাবনা সবসময়ই ছিল।”
আরো পড়ুন:
বারাণসী: বাজেট ১৮০৩ কোটি টাকা, কে কত পারিশ্রমিক নিলেন?
অভিনয় ছেড়ে ধর্মে মনোযোগী অভিনেত্রী
নাগা চৈতন্য সৎ ছেলে হলেও অমলার নিজের পুত্র অভিনেতা আখিল। তার বিষয়ে অমলা বলেন, “আখিল অবশ্যই আমার ছেলে, তার ওপর আমার অনেক প্রভাব আছে। আমরা আমাদের ছেলেদের খুব স্বাধীনভাবে বড় করেছি। ছোটবেলা থেকেই আমরা তাদের নিজেদের সিদ্ধান্ত নিতে শিখিয়েছি। দ্বিধাগ্রস্ত না হয়ে, সিদ্ধান্ত নিয়ে এগিয়ে যেতে শিখিয়েছি। আমাদের উৎসাহে তারা নিজেদের সাফল্য ও ব্যর্থতার মুখোমুখি হতে সক্ষম হয়েছে। তারা সুন্দরভাবে বড় হয়েছে। তারা শুধু পরিবারের নয়, দর্শকদের ভালোবাসা ও সমর্থন পেয়েছে। ভালো-খারাপ সময়—দুটো থেকেই তারা শিখেছে।”
বরেণ্য অভিনেতা নাগার্জুনা আক্কিনেনি ১৯৮৪ সালে পরিচালক-প্রযোজক রামা নাইডুর কন্যা লক্ষ্মী দাগ্গুবতীকে বিয়ে করেন। এ দম্পতির একমাত্র সন্তান নাগা চৈতন্য। ১৯৮৬ সালের ২৩ নভেম্বর জন্মগ্রহণ করেন তিনি। অভিনেতা ভেঙ্কটেশ ও সুরেশ বাবু লক্ষ্মীর সহোদর ভাই। অর্থাৎ নাগা চৈতন্যর মামা। ১৯৯০ সালে বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে নাগার্জুনা-লক্ষ্মীর।
১৯৯২ সালের ১১ জুন ভারতীয় অভিনেত্রী-নৃত্যশিল্পী অমলাকে বিয়ে করেন নাগার্জুনা আক্কিনেনি। এ দম্পতির একমাত্র সন্তান আখিল আক্কিনেনি। ১৯৯৪ সালের ৮ এপ্রিল জন্মগ্রহণ করেন আখিল। বাবা-মা-ভাইয়ের পথ অনুসরণ করে আখিলও অভিনয়ে পা রেখেছেন। যদিও বাবা-ভাইয়ের মতো এখনো অতটা খ্যাতি কুড়াতে পারেননি।
বাবার চাকরির সূত্রে ভারতের বিভিন্ন স্থানে বসবাস করেছেন অমলা। কলকাতায় তার জন্ম, তবে বেড়ে উঠেছেন মাদ্রাজে। ব্যাচেলর অব ফাইন আর্টসে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন অমলা। ১৯৮৬ সালে তামিল ভাষার ‘মিথিলি এন্নাই কাখালি’ সিনেমার মাধ্যমে রুপালি জগতে পা রাখেন। অভিষেক চলচ্চিত্রে সেরা অভিনেত্রী বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার জিতে নেন অমলা। ১৯৯১ সাল পর্যন্ত ভারতের বিভিন্ন ভাষার সিনেমায় নিয়মিত অভিনয় করেন। ৩১ বছর পর ২০২২ সালে তামিল-তেলেগু ভাষার ‘কানাম’ সিনেমায় সর্বশেষ অভিনয় করেন এই অভিনেত্রী।
ঢাকা/শান্ত