মূলত মোটরসাইকেলে চলাচলের সময় আঘাত থেকে সুরক্ষিত থাকতে আমরা হেলমেট পরি। কিন্তু এই উপকারী জিনিস কখনো কখনো আপনার চুল ও মাথার ত্বকের ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। হেলমেটের কারণে মাথার ত্বকে খুশকি, এমনকি ব্রণও হতে পারে। অপরিষ্কার হেলমেট পরে দীর্ঘ সময় ভ্রমণ করলে দেখা দিতে পারে বেশ কিছু সমস্যা। যেমন চুল ভেঙে যাওয়া, মাথায় জ্বালাপোড়া, লোমকূপ বন্ধ হয়ে যাওয়া ইত্যাদি। চলুন জেনে নেওয়া যাক, এসব সমস্যা মোকাবিলা করার কিছু উপায়।

প্রতিদিন আপনার হেলমেটের লাইনার ধুয়ে নিন

শুনতে একটু ঝামেলার মনে হতে পারে। কিন্তু মনে রাখবেন, হেলমেট ভেতরের প্যাডিংয়ের সঙ্গে আটকে থাকা ধুলা, তেল ও ঘামের প্রায় সবই ধরে রাখে, যা ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাকের বসবাসের উপযুক্ত জায়গা তৈরি করে। ফলে দুর্গন্ধের পাশাপাশি মাথার ত্বকে জ্বালাপোড়ার সৃষ্টি হয়। তাই সাবান-পানি দিয়ে আপনার হেলমেটের লাইনারটি খুলে স্বাভাবিকভাবে শুকিয়ে নেওয়ার অভ্যাস করুন।

আরও পড়ুনহালফ্যাশনের হেলমেট১৩ আগস্ট ২০১৮পরিষ্কার আন্ডারক্যাপ ব্যবহার করুন

আপনি পরিষ্কার হেলমেট পরে থাকলেও মাথার ত্বকের সরাসরি সংস্পর্শে ঘাম ও তাপ আটকে থাকতে পারে। তাই হেলমেটের নিচে একটি পাতলা, সুতির আন্ডারক্যাপ পরুন। এটি আপনার মাথার ত্বক ও চুলকে হেলমেটের সরাসরি সংস্পর্শ থেকে সুরক্ষিত রাখবে। এসব টুপি মোটরসাইকেল চালানোর সময় ঘাম শোষণ করে। ফলে মাথার ত্বকে ঘাম বসে যায় না। ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ও ময়লা মাথার ত্বকে মিশে যেতে পারে না। এটি চুল ছিঁড়ে যাওয়া রোধ করে এবং মাথার ত্বকে জ্বালাপোড়ার আশঙ্কাও কমিয়ে দেয়।

হেলমেট পরে বের হওয়ার আগে মাথায় তেল, জেল, ওয়াক্স ইত্যাদি চুলে লাগাবেন না.

উৎস: Prothomalo

কীওয়ার্ড: ম থ র ত বক আপন র

এছাড়াও পড়ুন:

কলমাকান্দায় গারোদের নবান্ন উৎসব ‘ওয়ানগালা’ আয়োজন

‘শস্য দেবতার’ প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এবং ভালো ফসলের জন্য ধন্যবাদ স্বরূপ নেত্রকোণার কলমাকান্দায় দুই দিনব্যাপী নবান্ন উৎসব ‘ওয়ানগালা’ পালন করেছে গারো সম্প্রদায়।

শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) সকাল থেকে উপজেলার পাঁচগাঁও সেন্ট পিটার্স চার্চ সাব-প্যারিস গীর্জার মাঠে ধর্মীয় আচার, প্রার্থনা, আলোচনা ও নাচ-গানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বছরের সবচেয়ে বড় এই উৎসব।

উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চয়ন রিছিল। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নেত্রকোণা জেলা প্রশাসক সাইফুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ও কথাসাহিত্যিক মঈনুল হাসান, বাংলা একাডেমির কবি ও পরিচালক ড. সরকার আমিন এবং কলমাকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাইযুল ওয়াসীমা নাহাত। 

এছাড়া অনুষ্ঠানে অংশ নেন বিএনপির কেন্দ্রীয় আইনবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ পিসিসি সংস্থার পরিচালক সিলভেস্টার গমেজ।

‘ওয়ানগালা’ শুধু উৎসব নয় এটি গারোদের কৃতজ্ঞতা, বিশ্বাস ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের অন্যতম একটি প্রকাশ।

উৎসবের সাংস্কৃতিক পর্বে গারো শিল্পীরা নিজস্ব ভাষায় গান পরিবেশন করেন। ছিল নতুন ধানের ফসল উৎসর্গ এবং ঐতিহ্যবাহী ‘জুম নাচ’। উৎসবে নারী-পুরুষরা ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরে অংশ নেন। কারো মাথায় খুতুপে পাগড়ি, কারো গলায় মোরগের পালক দিয়ে তৈরি অলংকার।

মাঠজুড়ে বসেছিল অস্থায়ী দোকান, যেখানে পাওয়া গেছে আদিবাসীদের হাতে তৈরি পোশাক, অলংকার ও খাবার। উৎসব আয়োজন করেছে বিরিশিরি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কালচারাল একাডেমি। সহযোগিতা করেছে কলমাকান্দার আলোক ও ইসিএলআরসি প্রকল্প।

ঢাকা/ইবাদ/এস

সম্পর্কিত নিবন্ধ