দক্ষিণ কোরিয়া দেবে ৩০০ স্কলারশিপ, আবেদন শেষ ১৬ অক্টোবর
Published: 15th, October 2025 GMT
ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে (UST) স্কলারশিপের আবেদনপ্রক্রিয়া চলছে। ২০২৬ সালের স্প্রিং সেমিস্টারের জন্য এ আবেদনের সুযোগ আছে আর দুই দিন। বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় এই বিশ্ববিদ্যালয় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য মাস্টার্স ও পিএইচডি প্রোগ্রামে পূর্ণ ও আংশিক বৃত্তি প্রদান করে থাকে।
ইউএসটি বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রা শুরু হয়েছে ২০০৩ সালে। বর্তমানে প্রায় ৩০টি গবেষণা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছে যেখানে চিকিৎসা, প্রকৌশল, বিজ্ঞানসহ বিভিন্ন বিষয়ে গবেষণার সুযোগ রয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ এই বৃত্তি বিশ্বের শীর্ষ ১০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে স্থান পাওয়া প্রতিষ্ঠান থেকে উচ্চশিক্ষার সুযোগ করে দেবে।
প্রতিবছর প্রায় ৩০০টি বৃত্তি প্রদান করা হয়, যা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য উন্মুক্ত। এই বৃত্তি শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি, স্বাস্থ্য বিমা ও মাসিক ভাতা প্রদান করবে। মাস্টার্স শিক্ষার্থীরা মাসিক ১৪ লাখ ৩০ হাজার কোরিয়ান উন এবং পিএইচডি শিক্ষার্থীরা ১৯ লাখ কোরিয়ান উন ভাতা পাবেন।
দক্ষিণ কোরিয়ার অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ এই বৃত্তি বিশ্বের শীর্ষ ১০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে স্থান পাওয়া প্রতিষ্ঠান থেকে উচ্চশিক্ষার সুযোগ করে দেবে.উৎস: Prothomalo
এছাড়াও পড়ুন:
ব্যাটসম্যানদের ব্যাট উড়বে তো?
তাওহীদ হৃদয়ের ব্যাটিং দেখে আফতাব আহমেদ মনে একটা প্রশ্নই জাগল, ‘বাকিরা কি ভিন্ন উইকেট আর ভিন্ন বোলিং অ্যাটাকের বিরুদ্ধে খেলেছে।’
আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে চট্টগ্রামে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে তাওহীদ করেছেন ক্যারিয়ার সেরা ৮৩ রান। অপরাজিত থেকে শেষ করেছেন ইনিংস। দলের রান ১৪২। সেখানে তাওহীদের একার ব্যাটেই আসে ৮৩ রান। বাংলাদেশ ম্যাচ হেরেছে ৩৯ রানের বড় ব্যবধানে।
যুক্তরাষ্ট্রে থাকা আফতাব দূরে বসেও লাইভে খেলা দেখেছেন। কিন্তু ব্যাটসম্যানদের ভুগতে দেখে রীতিমত অবাক হয়েছেন। শুরুতে উইকেট হারানের পর কেউ অ্যাটাকিং মুডে গেল না কেন সেই প্রশ্নও উঠছে তার মনে, ‘‘আপনি শুরুতে তো একটা উইকেট হারাতে পারেন। প্রচন্ড বাজে ব্যাটিং করলেও আরেকটা। পরে যে আসবে তার তো উইকেট আগলে রাখার কিছু নেই। স্কোরবোর্ডে বড় রান তাড়া করতে হবে। ওই চেষ্টাই দেখলাম না।’’
টি-টোয়েন্টিতে ব্যাটিংয়ের ভিত গড়ে দেয় পাওয়ার প্লে’র ব্যাটিং। বৃত্তের বাইরে মাত্র দুজন ফিল্ডার থাকে। এই সময়ে নতুন ব্যাটসম্যানরা আক্রমণাত্মক ক্রিকেট বেছে নিয়ে চার-ছক্কার ফুলঝুরি ছোটান। অথচ আইরিশদের গড়পড়তা বোলিংয়ের বিপক্ষেও পাওয়ার প্লে’তে মাত্র ১ বাউন্ডারি পায় বাংলাদেশ। ৪ উইকেট হারিয়ে স্কোরবোর্ডে রান ২০।
আফতাব অবাক হন ব্যাটসম্যানদের ব্যাটিং অ্যাপ্রোচে, ‘‘আয়ারল্যান্ড এমন আর কী বোলিং করেছে…শিশির পড়ছে। বল ভিজজে। গ্রিপ করতে কষ্ট হচ্ছে। তবুও কেন ওরা চড়াও হয়ে উঠবে। যদি অনেক ভালো বোলিংও করে ধরে নেই, ব্যাটসম্যানরা তাদের সামলানোর জন্য কি করেছে? কাউকে তো দেখলাম না ইনোভেটিব কিছু করতে।’’
সীমিত পরিসরে ব্যাটিং বাংলাদেশের জন্য ভয়ের অন্যতম কারণ হয়ে উঠেছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তিন টি-টোয়েন্টি হারের পর আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষেও ব্যাটিং দূর্বলতা খোলস ছেড়ে বেরিয়ে এসেছে। অথচ বিশ্বকাপের আগে এই সিরিজ হতে পারত ব্যাটসম্যানদের নিজেদের ফিরে পাওয়ার সেরা মঞ্চ। প্রস্তুতির শেষ সুযোগ। বড় রান করা, আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলা, মানানসই স্কোর করে নিজেকে চনমনে করে তোলা। কিন্তু সব কিছুই যাচ্ছে বিপরীত মুখে।
তাইতো প্রশ্ন উঠছে, আজ দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ব্যাটসম্যানদের ব্যাট উড়বে তো? আফতাব বড় আশা নিয়ে আজও বসবেন টিভির সামনে, ‘‘আশা তো প্রতি ম্যাচেই বড় রান করুক ব্যাটসম্যানরা। প্রতি সিরিজই জিতুক। বিশ্বকাপের আগে এই সিরিজটা এমনিতেই গুরুত্বপূর্ণ আমাদের জন্য। আশা করছি তো দল ভালো করবে, ব্যাটসম্যানরা রান করবে ও আমরা জিততে পারব।’’
ঢাকা/ইয়াসিন