মুশফিকুরের শততম টেস্ট পাঁচদিন উদযাপন ও উপভোগ করতে চায় বাংলাদেশ
Published: 10th, November 2025 GMT
বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে ১০০তম টেস্ট খেলার অপেক্ষায় মুশফিকুর রহিম। আগামীকাল মঙ্গলবার সিলেটে শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ ও আয়ারল্যান্ডের মধ্যকার প্রথম টেস্ট। ঢাকায় দ্বিতীয় টেস্ট ১৯ নভেম্বর থেকে।
৯৮ টেস্ট খেলা মুশফিকুরের সব ঠিকঠাক থাকলে ঢাকা টেস্ট হতে যাচ্ছে শততম টেস্ট। যা বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য বিরাট এক মাইলফলক। ২০০৫ সালে তার লর্ডসে যাত্রা শুরু হয়েছিল। দুই দশকে মুশফিকুর খেলতে যাচ্ছেন ১০০তম টেস্ট। অনেক চড়াই-উৎরাই, উঠা-নামা, সাফল্য-ব্যর্থতা, মান-অভিমানের পর্ব পেরিয়ে অজুত-নিযুত ঘামবিন্দু ঝরিয়ে বিশেষ এক ক্ষণে জাতীয় দলের অন্যতম তারকা।
তিনটি ডাবল সেঞ্চুরি তার নামের পাশে। রয়েছে আরো একাধিক সেঞ্চুরি। প্রাপ্তির ডালায়, অর্জনের মালায় রয়েছে আরো অনেক কিছু। তাইতো বিশেষ সেই ক্ষণটাকে উদযাপন করবে বাংলাদেশ দল। মুশফিকুরের সঙ্গে উপভোগ করবে গোটা সময়। এমনটাই জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।
সিলেটে ম্যাচ পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে নাজমুল বলেছেন, ‘‘খুবই রোমাঞ্চিত। কালকে ৯৯তম ম্যাচ হবে। আমি ব্যক্তিগতভাবে এই দুইটি টেস্ট ম্যাচ উদযাপন করতে চাই। উপভোগ করতে চাই সবাই মিলে একসঙ্গে। পুরো দিনটাই উদযাপন করবো। বিশেষ করে ১০০তম ম্যাচটা যদি তিনি সুস্থ থেকে ওভাবে খেলতে পারেন, ওই পাঁচটি দিন সবাই দিলে সেলিব্রেট করবো এবং ভালোভাবে উপভোগ করতে চাই। খুবই আশাবাদী আমরা উনি সুস্থভাবে দুইটি টেস্ট ম্যাচ খেলবে।’’
মুশফিকুরের অভিজ্ঞা, উপস্থিতি ড্রেসিংরুমে কতটা প্রয়োজন তা বোঝা গেল নাজমুলের কথায়, ‘‘উনি ড্রেসিংরুমে থাকা আমাদের জন্য সব সময়ই ভালো লাগার বিষয়। টেস্ট ক্রিকেটে আমরা সব সময় অভিজ্ঞতাকে মূল্যায়ন করি। উনার এতো বছরের একটা ক্যারিয়ার। উনার অভিজ্ঞতা আমাদেরকেও হেল্প করে। কঠিন মুহূর্তে কিভাবে চাপটা সামলে নেওয়া যায়। এই বিষয়গুলো সব সময়ই আলাপ আলোচনা হয়।’’
ঢাকা/ইয়াসিন
.উৎস: Risingbd
এছাড়াও পড়ুন:
দেশের তরুণেরা সব সময়ই ন্যায়বিচার ও গণতন্ত্রের আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছে: আইন উপদেষ্টা
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে দেশের তরুণদের বীরত্বপূর্ণ ভূমিকার প্রশংসা করেছেন আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। তিনি বলেন, ‘মহান জুলাই অভ্যুত্থানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা যে বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে, তা গর্বের সঙ্গে স্মরণ করছি। তবে এটি নতুন নয়, আমাদের তরুণেরা সব সময় দেশে ন্যায়বিচার ও গণতন্ত্রের আন্দোলনের অগ্রভাগে ছিল।’
আজ শুক্রবার রাজধানীর ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আয়োজিত ষষ্ঠ জেসাপ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আসিফ নজরুল এ কথা বলেন।
আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেন, ‘এ বছর ৫২টি বিশ্ববিদ্যালয় এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করছে। আন্তর্জাতিক আইন শেখা এবং বিতর্কের জন্য জাতীয় আবেগের প্রতিফলন এটি। জেসাপ বাংলাদেশ এখন বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম জেসাপ যোগ্যতা অর্জনকারী প্রতিযোগিতা। এই অর্জন আমাদের শিক্ষার্থী, কোচ, আয়োজক ও প্রাণবন্ত মুট কোর্ট সমাজের নিষ্ঠার প্রতিফলন।’
আসিফ নজরুল বলেন, জেসাপ কেবল একটি প্রতিযোগিতা নয়। এটি কঠোর গবেষণা দক্ষতা, স্পষ্ট লেখা, অ্যাডভোকেসি ও কার্যকর দলবদ্ধতা তৈরি করে। তিনি আশা করেন, এই কর্মশালা তরুণদের দক্ষতা আরও তীক্ষ্ণ করবে। ন্যায়বিচার ও আইনের শাসনের প্রতি তরুণদের অঙ্গীকারকে আরও শক্তিশালী করবে।
কর্মশালাটি অ্যাডভোকেসি দক্ষতা বৃদ্ধি এবং ফিলিপ সি জেসাপ আন্তর্জাতিক আইন মুট কোর্ট প্রতিযোগিতার (জেসাপ) ১০ম বাংলাদেশ যোগ্যতা অর্জনের রাউন্ডে সফলভাবে অংশগ্রহণের জন্য শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত করতে ডিজাইন করা হয়েছে। জেসাপ মুটিং আন্তর্জাতিক আইন মুট কোর্টের ‘বিশ্বকাপ’ হিসেবে পরিচিত।
কর্মশালাটি দুই দিনের। শিরোনাম ‘মে ইট প্লিজ দ্য কোর্ট: দ্য কেস কনসার্নিং দ্য ক্রাফট অব জেসাপ অ্যাডভোকেসি’। আয়োজক জেসাপ বাংলাদেশ ও ইন্টারন্যাশনাল ল স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন (আইএলএসএ)।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের আবাসিক আইন উপদেষ্টা সেরা সেথলিকাই, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ডেভ ডাওল্যান্ড, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ল-এর সহকারী অধ্যাপক মো. মোস্তফা হোসেন, আন্তর্জাতিক আইন ছাত্র সমিতির জাতীয় সমন্বয়কারী নূরান চৌধুরী, হার্থ বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক পরব নাসের সিদ্দিক, জেসাপ বাংলাদেশের জাতীয় প্রশাসক মাইমুনা সৈয়দ আহমেদ।