ময়মনসিংহের ভালুকায় বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী স্বামী-স্ত্রী মারা গেছেন।

রবিবার (৯ নভেম্বর) রাত ৮টার দিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ভালুকার হাজীরবাজার এলাকায় দুর্ঘটনার শিকার হন তারা।

আরো পড়ুন:

গোপালগঞ্জে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে মোটরসাইকেলের ধাক্কা, নিহত ২

খুলনায় ইজিবাইকের চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে তরুণীর মৃত্যু

নিহতরা হলেন- সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা উপজেলার মজিবুর রহমান (৬০) ও তার স্ত্রী হোসনেয়ারা বেগম (৫০)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, মজিবুর রহমান তার স্ত্রী হোসনেয়ারাকে নিয়ে মোটরসাইকেলে করে ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। ভালুকার হাজীরবাজার এলাকায় পেছন থেকে তাদের বহনকারী মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেয় সরকার পরিবহনের একটি বাস। ফলে সড়কে ছিটকে পড়ে আহত হন তারা।  স্থানীয়রা দুইজনকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানকার চিকিৎসক মজিবুর রহমান ও তার স্ত্রী হোসনেয়ারাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ভরাডোবা হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এবিএম মেহেদী মাসুদ বলেন, “দুর্ঘটনা কবলিত বাস ও মোটরসাইকেল পুলিশ হেফাজতে আছে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।”

ঢাকা/মিলন/মাসুদ

.

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর সড়ক দ র ঘটন

এছাড়াও পড়ুন:

শিরোপা উদযাপনে বগুড়ায় থেকে গিয়েছিলেন আকবররা

মধ‌ুর সম‌স‌্যা যাকে বলে সেটাই হয়েছে আকবর আলীদের সঙ্গে। বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে নিজেদের শেষ চারদিনের ম‌্যাচ তিনদিনেই তারা জিতে নিয়েছে। খুলনা বিভাগকে ৭ উইকেটে উড়িয়ে জাতীয় ক্রিকেট লিগে শিরোপা জয়ের কাজটা করে রেখেছে। 

শিরোপা নিশ্চিত হতে তাদের অপেক্ষা করতে হবে আরো একদিন। সচরাচর যেটা হয়, ম‌্যাচের পর ক্রিকেটাররা যার যার মতো করে বাসায় ফিরে যান। জাতীয় ক্রিকেট লিগের লম্বা টুর্নামেন্ট খেলে ক্রিকেটাররা ছিলেন ক্লান্ত। কিন্তু রংপুরের শিরোপা জয়ের সুযোগ থাকায় আকবরদের বাড়তি একদিন অপেক্ষা করতে হয় বগুড়ায়। 

আরো পড়ুন:

টি-টোয়েন্টির পর প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটেও চ‌্যাম্পিয়ন রংপুর

জাতীয় ক্রিকেট লিগ: শেষ রাউন্ডে শিরোপার ফয়সালা

সোমবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত হোটেলে কাটিয়েছেন তারা। শেষ বিকেলে ফিরেছেন মাঠে? গায়ে সাদা জার্সি, মাথায় ক‌্যাপ, পায়ে কেডস পরে আবার মাঠে নেমেছিলেন। কেন? শিরোপা উদযাপনে।

রাইজিংবিডিকে সেই গল্প শোনালেন আকবর, ‘‘আমরা কালকে জয়ের পর বগুড়ায় থেকে গিয়েছিলাম। আমাদের টুর্নামেন্ট জেতার সুযোগ আছে বলে আমরা অপেক্ষায় ছিলাম। পুরো দলই আজ শিরোপার জন‌্য অপেক্ষা করছিল। এটা দারুণ। এরকমটা আগে হয়নি। আগে তো খেলা শেষেই চলে যেতাম।’’ - আকবর বলছিলেন আর হাসছিলেন। 

আকবরদের শিরোপা জয়ের বাঁধা হয়ে ছিল দুই দল। ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগ। মঙ্গলবার সাত সকালেই সিলেটে ময়মনসিংহ বিভাগ হেরে যায় রাজশাহী বিভাগের কাছে। আকবরদের সামনে তখন কেবল সিলেটের বাঁধা। যদি রাজশাহীতে সিলেট বরিশালকে হারাতে পারে তাহলে তারা শিরোপা জিতবে। আকবররা হবে রানার্সআপ।

সকালের সেশনের পরপরই রংপুর বুঝে গিয়েছিল শিরোপা তাদের হতে চলছে। কেননা বরিশালের ওপেনার ইফতির সেঞ্চুরিতে তখন লিড তিনশ পেরিয়ে। শেষ দুই সেশনে সিলেট এই রান তাড়া করতে পারবে না ধরেই নেওয়া হচ্ছিল। সেভাবেই শুরু হয় আয়োজকদের প্রস্তুতি। রংপুরেরও অপেক্ষা ফুরানোর পালা।

বিকেল ৪টা ৬ মিনিটে সিলেট ও বরিশালের ম‌্যাচ ড্র হয়। সিলেট ২৮ পয়েন্ট নিয়ে রানার্সআপ। ৩১ পয়েন্ট নিয়ে চ‌্যাম্পিয়ন রংপুর। রংপুর শিরোপা উল্লাস করে চ‌্যাম্পিয়ন ট্রফি নিয়ে। রাজশাহীতে মুশফিকুর-জাকিরদের হাতে রানার্সআপ ট্রফি।

ঢাকা/ইয়াসিন/আমিনুল

সম্পর্কিত নিবন্ধ

  • শিরোপা উদযাপনে বগুড়ায় থেকে গিয়েছিলেন আকবররা
  • খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় রাজশাহীর মানুষ
  • গাজীপুরের মহাসড়কে নরকের সাজা কমানোর কেউ নেই?