বলিউডের ‘সিংঘম’ অজয় দেবগন—যাকে পর্দায় দেখা যায় শান্ত, গম্ভীর ও নিয়ন্ত্রিত একজন মানুষ হিসেবে—সম্প্রতি নিজের জীবনের এক অজানা দিক প্রকাশ করেছেন। অভিনেতা জানিয়েছেন, খুব অল্প বয়সেই তিনি মদ্যপানে আসক্ত হয়ে পড়েছিলেন এবং একসময় ছিলেন এক ‘হেভি ড্রিঙ্কার’।

১৪ বছর বয়সে শুরু হয়েছিল অভ্যাস
অজয় দেবগনের কথায়, তাঁর মদ্যপানের শুরু হয় মাত্র ১৪ বছর বয়সে—বন্ধুদের উৎসাহে প্রথমবার অ্যালকোহল নেওয়ার চেষ্টা করেন তিনি। তখন ভাবেন, এটা কেবল একবারের ব্যাপার, কিন্তু তা ধীরে ধীরে অভ্যাসে পরিণত হয়।

বলিউড তারকা অজয় দেবগন.

উৎস: Prothomalo

এছাড়াও পড়ুন:

থাইল্যান্ড: পরাধীনতাকে জয় করা এক জাতির গল্প

বিশ্বের মানচিত্রে বিজয়ের সংজ্ঞা সব সময় যুদ্ধক্ষেত্র বা বারুদের গন্ধে সীমাবদ্ধ থাকে না। কখনো কখনো বিজয় মানে হলো হাজারো ঝড়ের মধ্যেও মাথা নত না করা। আজ ৫ ডিসেম্বর, আমাদের প্রতিবেশী দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ থাইল্যান্ডের ‘জাতীয় দিবস’। একই সঙ্গে দিনটি উদ্‌যাপিত হয় দেশটির ‘ফাদার্স ডে’ বা বাবা দিবস হিসেবেও। কারণ, ১৯২৭ সালের এই দিনেই জন্ম নিয়েছিলেন থাইল্যান্ডের আধুনিক ইতিহাসের রূপকার প্রয়াত রাজা ভূমিবল অতুল্যতেজ (নবম রামা)।

ডিসেম্বর মাসের বিজয়ের গল্পে থাইল্যান্ডের নাম উঠে আসে এক অনন্য কারণে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একমাত্র দেশ হিসেবে থাইল্যান্ড (সাবেক নাম ‘শ্যামদেশ’) কখনোই ইউরোপীয় কোনো শক্তির উপনিবেশ ছিল না। যখন প্রতিবেশী মিয়ানমার, লাওস, কম্বোডিয়া বা ভিয়েতনাম ব্রিটিশ কিংবা ফরাসি শাসনের শৃঙ্খলে বন্দী ছিল, তখন থাইল্যান্ড তার কূটনৈতিক প্রজ্ঞা ও জাতীয় ঐক্যের জোরে স্বাধীন অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখেছিল। তাদের এই স্বাধীনতা রক্ষা করাটাই ছিল সবচেয়ে বড় বিজয়। আর আধুনিক যুগে সেই স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে আগলে রাখার প্রতীক ছিলেন রাজা ভূমিবল।

থাইল্যান্ডের আধুনিক ইতিহাসের রূপকার রাজা ভূমিবল অতুল্যতেজ

সম্পর্কিত নিবন্ধ