২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ভেন্যুর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ
Published: 6th, November 2025 GMT
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ভেন্যু চূড়ান্ত করেছে। ভারত ও শ্রীলঙ্কার যৌথ আয়োজনে হতে যাওয়া এই আসরে ভারতের পাঁচটি শহরকে মনোনীত করা হয়েছে। সেগুলো হলো- আহমেদাবাদ, দিল্লি, কলকাতা, চেন্নাই ও মুম্বাই। অন্যদিকে, কলম্বো ও ক্যান্ডি থাকবে শ্রীলঙ্কার প্রধান দুটি ভেন্যু হিসেবে।
টুর্নামেন্টের পর্দা উঠবে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি, আর ৮ মার্চ আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে মেগা ফাইনাল। সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, আইসিসি আগামী সপ্তাহেই প্রকাশ করবে পূর্ণাঙ্গ সূচি। ইতোমধ্যে অংশগ্রহণকারী বেশিরভাগ দল গ্রুপিং ও ম্যাচসূচির অপেক্ষায় রয়েছে। তবে এখনো পর্যন্ত টিকিট বিক্রির কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি আইসিসি।
আরো পড়ুন:
২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে জায়গা পেল নেপাল ও ওমান
বিশ্বকাপে সেঞ্চুরি চান শারমিন
দ্বিপাক্ষিক চুক্তি অনুযায়ী, ভারত ও পাকিস্তান একে অপরের দেশে নয়, নিরপেক্ষ ভেন্যুতে খেলবে। সেই ধারাবাহিকতায় পাকিস্তান দলের সব ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে শ্রীলঙ্কায়। এমনকি তারা ফাইনালে পৌঁছালেও, সেই ম্যাচও হবে শ্রীলঙ্কার মাটিতে।
২০২৪ সালের মতোই থাকছে একই ফরম্যাট। মোট ২০টি দল, ভাগ হবে চারটি গ্রুপে। প্রতিটি গ্রুপে পাঁচটি করে দল। প্রতিটি দল একে অপরের বিপক্ষে একবার করে খেলবে। প্রতিটি গ্রুপের সেরা দুই দল উঠবে সুপার এইট পর্বে। যেখানে থাকবে দুটি গ্রুপ। প্রতিটিতে চার দল করে। সেখান থেকে শীর্ষ দুটি করে দল যাবে সেমিফাইনালে। আর সেখানকার দুই বিজয়ী লড়বে ফাইনালে।
আয়োজক দেশ ভারত ও শ্রীলঙ্কার পাশাপাশি স্বয়ংক্রিয়ভাবে জায়গা পেয়েছে ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেরা সাত দল- আফগানিস্তান, অস্ট্রেলিয়া, বাংলাদেশ, ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, যুক্তরাষ্ট্র ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
র্যাংকিংয়ের ভিত্তিতে সরাসরি সুযোগ পেয়েছে নিউ জিল্যান্ড, পাকিস্তান ও আয়ারল্যান্ড।
বাছাই পর্ব থেকে জায়গা করে নিয়েছে-
আমেরিকা অঞ্চল থেকে: কানাডা,
ইউরোপ অঞ্চল থেকে: ইতালি (প্রথমবারের মতো অংশ নিচ্ছে) ও নেদারল্যান্ডস,
আফ্রিকা অঞ্চল থেকে: নামিবিয়া ও জিম্বাবুয়ে,
এশিয়া-ইএপিপি অঞ্চল থেকে: নেপাল, ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত।
বার্বাডোসে অনুষ্ঠিত ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল ভারত। এবার ঘরের মাঠে তারা নামবে শিরোপা ধরে রাখার মিশনে।
ঢাকা/আমিনুল
.উৎস: Risingbd
কীওয়ার্ড: চ কর চ কর ট ট য় ন ট ব শ বক প ব শ বক প র ফ ইন ল
এছাড়াও পড়ুন:
নাসা কি ঐতিহাসিক গডার্ড স্পেস ফ্লাইট সেন্টার বন্ধ করে দিচ্ছে
হাবল ও জেমস ওয়েব টেলিস্কোপের মতো আইকনিক মিশন পরিচালনা করা হয়েছে নাসার গডার্ড স্পেস ফ্লাইট সেন্টার থেকে। আর তাই নাসার ঐতিহাসিক এই গডার্ড স্পেস ফ্লাইট সেন্টার বন্ধের এক খবর নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। কয়েক মাস ধরে সেখানকার কর্মী ও আইনপ্রণেতারা গডার্ডের মেরিল্যান্ডের গ্রিনবেল্টের প্রধান ক্যাম্পাসে উদ্বেগজনক পরিবর্তন নিয়ে ধারাবাহিকভাবে সতর্কবার্তা দিচ্ছেন। ক্যাম্পাসে ভবন বন্ধ করার মতো ঘটনাও ঘটেছে। তবে নাসা জানিয়েছে, গডার্ডের বিভিন্ন কাজ বন্ধের পদক্ষেপ বহু বছর আগে নেওয়া পরিকল্পনারই অংশ।
ওয়াশিংটন ডিসির ঠিক বাইরে অবস্থিত গডার্ড স্পেস ফ্লাইট সেন্টার মহাকাশ গবেষণার জন্য নাসার অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। গডার্ড সেন্টার মহাবিশ্ব অধ্যয়নের জন্য ব্যবহৃত যন্ত্র তৈরির বৃহত্তম সংস্থা হিসেবেও পরিচিত। আধুনিক রকেটের পথিকৃৎ রবার্ট এইচ গডার্ডের নামানুসারে ১৯৫৯ সালে নাসার প্রথম মহাকাশ ফ্লাইট সেন্টারটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। আজও গডার্ড আইকনিক হাবল স্পেস টেলিস্কোপের কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে। একই সঙ্গে জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ এখানে ২০২০ সালে উৎক্ষেপণের আগে তৈরি করা হয়েছিল। গডার্ডে বিজ্ঞানী ও প্রকৌশলীরা এখন আরও শক্তিশালী ন্যান্সি গ্রেস রোমান স্পেস টেলিস্কোপের চূড়ান্ত কাজ শেষ করছেন। প্রায় সম্পূর্ণ হওয়া এই টেলিস্কোপ মহাবিশ্বের শুরু সম্পর্কে আমাদের ধারণাকে বদলে দেবে বলে আশা করা হচ্ছে। নাসা জানিয়েছে, ন্যান্সি গ্রেস রোমান স্পেস টেলিস্কোপ ২০২৭ সালের মে মাসের মধ্যে উৎক্ষেপণের সময়সূচিতে রয়েছে। এমনকি ২০২৬ সালের শরৎকালেও এটি উৎক্ষেপণ হতে পারে।
অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্র সরকারে শাটডাউন শুরু হওয়ার পর নাসা গডার্ডে গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষাগার ও অফিস ভেঙে ফেলার আশঙ্কা তৈরি হয়। বিভিন্ন গণমাধ্যমে অভিযোগ আসে, এমন সব পদক্ষেপ প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২০২৬ সালের বাজেট কমানোর অংশ। যদিও সেই বাজেট কমানোর পরিকল্পনা এখনো কংগ্রেস অনুমোদন দেয়নি। শাটডাউনের সময় সেখানকার সাইটে থাকা অল্প কয়েকজন কর্মী বিশেষায়িত সরঞ্জাম ও অন্যান্য জিনিসপত্র অপসারণের তথ্য প্রকাশ করেন।
এক বিবৃতিতে গডার্ড ইঞ্জিনিয়ার্স, সায়েন্টিস্টস অ্যান্ড টেকনিশিয়ানস অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, কেন্দ্রের ১৩টি ভবনে প্রায় ১০০টি পরীক্ষাগার রয়েছে। কর্মীদের খুব কম সময়ের নোটিশ দিয়ে ২০২৬ সালের মার্চের মধ্যে তা বন্ধের কাজ চলছে। একটি সংক্ষিপ্ত নোটে সংস্থাটি জানিয়েছে, এত কম সময়ের মধ্যে বিভিন্ন ল্যাব সরানোর কাজ করলে নাসার কৌশলগত ক্ষতি হতে পারে। পাশাপাশি অত্যাধুনিক ও উচ্চ মূল্যের সরঞ্জামের ক্ষতি হতে পারে। ভবিষ্যতে এসব প্রতিস্থাপন করা কঠিন হতে পারে।
সূত্র: ইউএসএ টুডে