নতুন রাজনৈতিক দল আমজনতা দল নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিবন্ধন না পাওয়ায় দলটির সদস্য সচিব তারেক রহমান আমরণ অনশন শুরু করেছেন। গত মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) থেকে তিনি ইসি ভবনের সামনে এই অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন এবং নিবন্ধন না পাওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

এই অনশন কর্মসূচিতে এবার সংহতি জানিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) আমজনতা দলের দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে অনশনস্থলে উপস্থিত হন।

আরো পড়ুন:

পাশের দেশে পালান ব্যক্তিকে ফেরাতে সুড়ঙ্গ তৈরির চেষ্টা চলছে: রিজভী

আহত বিএনপি নেতা রফিকের শয‌্যাপা‌শে রিজভী

রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘‘তারেকের আমজনতার দল নিবন্ধিত হয়নি। আমি দেখেছি, কিছু গুরুত্বহীন দলও নিবন্ধিত হয়েছে। কিন্তু তারেকের দলকে নিবন্ধন দেওয়া হলো না কেন আমি বুঝতে পারলাম না। তারেক এই দেশের স্বার্থে, আগ্রাসনের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন; দেশের সার্বভৌমত্বের পক্ষে কথা বলেছেন।’’ 

রিজভী আরো বলেন, ‘‘তারেক একটি রাজনৈতিক দল গঠন করেছেন এবং সেটির নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেছেন। তিনি তো কোনো গোপন রাজনৈতিক দল করতে চাননি। আইনসম্মতভাবে রাজনীতি করতে চেয়েছেন। তিনি স্বাধীনতার পক্ষে কাজ করেছেন। আজকে তার দলের নিবন্ধন দেবেন না, তাহলে আপনারা কাদের নিবন্ধন দেবেন?’’

তারেকের প্রতি সংহতি জানিয়ে রিজভী বলেন, ‘‘তারেক যে রাজনৈতিক দল গঠন করেছেন, তার নিবন্ধন অবশ্যই প্রাপ্য। এই ন্যায়সঙ্গত কারণে তিনি যে অনশন কর্মসূচি পালন করছেন, তার প্রতি আমি বাংলাদেশ জাতীয়তাবদী দল-বিএনপির পক্ষ থেকে পূর্ণ সংহতি জ্ঞাপন করছি।’’ 

ঢাকা/আসাদ/বকুল

.

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর ইস ইস কর ছ ন

এছাড়াও পড়ুন:

থাইল্যান্ড: পরাধীনতাকে জয় করা এক জাতির গল্প

বিশ্বের মানচিত্রে বিজয়ের সংজ্ঞা সব সময় যুদ্ধক্ষেত্র বা বারুদের গন্ধে সীমাবদ্ধ থাকে না। কখনো কখনো বিজয় মানে হলো হাজারো ঝড়ের মধ্যেও মাথা নত না করা। আজ ৫ ডিসেম্বর, আমাদের প্রতিবেশী দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ থাইল্যান্ডের ‘জাতীয় দিবস’। একই সঙ্গে দিনটি উদ্‌যাপিত হয় দেশটির ‘ফাদার্স ডে’ বা বাবা দিবস হিসেবেও। কারণ, ১৯২৭ সালের এই দিনেই জন্ম নিয়েছিলেন থাইল্যান্ডের আধুনিক ইতিহাসের রূপকার প্রয়াত রাজা ভূমিবল অতুল্যতেজ (নবম রামা)।

ডিসেম্বর মাসের বিজয়ের গল্পে থাইল্যান্ডের নাম উঠে আসে এক অনন্য কারণে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একমাত্র দেশ হিসেবে থাইল্যান্ড (সাবেক নাম ‘শ্যামদেশ’) কখনোই ইউরোপীয় কোনো শক্তির উপনিবেশ ছিল না। যখন প্রতিবেশী মিয়ানমার, লাওস, কম্বোডিয়া বা ভিয়েতনাম ব্রিটিশ কিংবা ফরাসি শাসনের শৃঙ্খলে বন্দী ছিল, তখন থাইল্যান্ড তার কূটনৈতিক প্রজ্ঞা ও জাতীয় ঐক্যের জোরে স্বাধীন অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখেছিল। তাদের এই স্বাধীনতা রক্ষা করাটাই ছিল সবচেয়ে বড় বিজয়। আর আধুনিক যুগে সেই স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে আগলে রাখার প্রতীক ছিলেন রাজা ভূমিবল।

থাইল্যান্ডের আধুনিক ইতিহাসের রূপকার রাজা ভূমিবল অতুল্যতেজ

সম্পর্কিত নিবন্ধ