প্রেমের সম্পর্কে মজেছেন লামিনে ইয়ামালের বাবার মুনির নাসরাউয়ি। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম মেইল অনলাইন ও স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম মার্কার দাবি তেমনই।

মার্কা তো এককাঠি সরেস হয়ে এটাও বলেছে, বিয়ের ঘণ্টা বাজছে ইয়ামালের বাবার!
ইয়ামালের ৩৯ বছর বয়সী বাবা মুনির গত শনিবার তাঁর ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডলে করা পোস্টে বাগ্‌দানের ইঙ্গিত দিয়েছেন বলে মনে করছে ইউরোপের কিছু সংবাদমাধ্যম।

মুনির নাসরাউয়ি যে নারীর সঙ্গে ছবিটি পোস্ট করেছেন, তাঁর নাম খ্রিস্তিনা। ক্যাপশনে দুটো ইমোজি ছিল—একটি কালো রঙের হৃদয়ের, অন্যটি বাগ্‌দানের আংটির।

মার্কার দাবি, মুনির এই পোস্টের মাধ্যমে বুঝিয়েছেন, সামনে কিছু একটা ঘটতে যাচ্ছে। সেটা যে বিয়ে, তা–ও স্পষ্ট করে বলেছে সংবাদমাধ্যমটি। খ্রিস্তিনার বয়স ২৩ বছর। মুনিরের চেয়ে তিনি ১৬ বছরের ছোট।

কদিন আগে খ্রিস্তিনাকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মুনির নিজেই পরিচয় করিয়ে দেন। বয়সের পার্থক্যের কারণে দুজনকে নিয়ে সমালোচনাও শুরু হয়। তবে মুনির ও খ্রিস্তিনা দুজনই সমালোচনা পাত্তা না দিয়ে নিজেদের সম্পর্ককে পরবর্তী ধাপে উন্নীত করেছেন বলে জানিয়েছে মার্কা।

মেইল অনলাইনের দাবি, এই জুটি সমালোচনা পাশ কাটিয়ে চলতি সপ্তাহে বাগ্‌দানের ঘোষণা দিয়েছেন, যা সবাইকে বিস্মিত করেছে। যদিও মুনিরের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে পোস্টটি ছাড়া কোনো পক্ষ থেকেই এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।

মুনিরের ১৮ বছর বয়সী ছেলে ইয়ামাল বর্তমান বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়। বার্সেলোনার হয়ে এরই মধ্যে দুবার লা লিগা ও স্পেনের হয়ে ইউরো জিতেছেন ইয়ামাল। তাঁর বাবা মুনির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যক্তিত্ব। ইনস্টাগ্রামে মুনিরের অনুসারীর সংখ্যা ১৩ লাখ।

বাবা, মা ও সৎ ভাইয়ের সঙ্গে ইয়ামাল.

উৎস: Prothomalo

এছাড়াও পড়ুন:

থাইল্যান্ড: পরাধীনতাকে জয় করা এক জাতির গল্প

বিশ্বের মানচিত্রে বিজয়ের সংজ্ঞা সব সময় যুদ্ধক্ষেত্র বা বারুদের গন্ধে সীমাবদ্ধ থাকে না। কখনো কখনো বিজয় মানে হলো হাজারো ঝড়ের মধ্যেও মাথা নত না করা। আজ ৫ ডিসেম্বর, আমাদের প্রতিবেশী দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ থাইল্যান্ডের ‘জাতীয় দিবস’। একই সঙ্গে দিনটি উদ্‌যাপিত হয় দেশটির ‘ফাদার্স ডে’ বা বাবা দিবস হিসেবেও। কারণ, ১৯২৭ সালের এই দিনেই জন্ম নিয়েছিলেন থাইল্যান্ডের আধুনিক ইতিহাসের রূপকার প্রয়াত রাজা ভূমিবল অতুল্যতেজ (নবম রামা)।

ডিসেম্বর মাসের বিজয়ের গল্পে থাইল্যান্ডের নাম উঠে আসে এক অনন্য কারণে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একমাত্র দেশ হিসেবে থাইল্যান্ড (সাবেক নাম ‘শ্যামদেশ’) কখনোই ইউরোপীয় কোনো শক্তির উপনিবেশ ছিল না। যখন প্রতিবেশী মিয়ানমার, লাওস, কম্বোডিয়া বা ভিয়েতনাম ব্রিটিশ কিংবা ফরাসি শাসনের শৃঙ্খলে বন্দী ছিল, তখন থাইল্যান্ড তার কূটনৈতিক প্রজ্ঞা ও জাতীয় ঐক্যের জোরে স্বাধীন অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখেছিল। তাদের এই স্বাধীনতা রক্ষা করাটাই ছিল সবচেয়ে বড় বিজয়। আর আধুনিক যুগে সেই স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে আগলে রাখার প্রতীক ছিলেন রাজা ভূমিবল।

থাইল্যান্ডের আধুনিক ইতিহাসের রূপকার রাজা ভূমিবল অতুল্যতেজ

সম্পর্কিত নিবন্ধ