পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বেক্সিমকো ও বিডি ফাইন্যান্সের শেয়ার কারসাজির দায়ে ২২ বিনিয়োগকারীকে প্রায় ৪০০ কোটি টাকার অর্থদণ্ড বহাল রেখেছেন উচ্চ আদালত।

বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) বিচারপতি কাজী জিনাত হক এবং বিচারপতি আইনুন নাহার সিদ্দিকার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ বিনিয়োগকারীদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিত জারি করা স্থগিতাদেশ খারিজ করে দেন।

আরো পড়ুন:

বিএসইসির নতুন মার্জিন রুলসের গেজেট প্রকাশ

টানা ৫ কার্যদিবসে পুঁজিবাজারে সূচকের পতন

দীর্ঘ ছয় মাস শুনানির পর বিজ্ঞ আদালত এই রায় দেন। ফলে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড একচেঞ্জের (বিএসইসি) অর্থদণ্ডের আদেশ বহাল থাকল।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের শুরুতে বেক্সিমকো এবং বিডি ফাইন্যান্সের শেয়ারের দাম কারসাজি করায় বিএসইসি আরোপিত ৪০০ কোটি টাকার অর্থদণ্ডের বিরুদ্ধে ২২ অভিযুক্ত বিনিয়োগকারী উচ্চ আদালতে ২২টি রিট মামলা দাখিল করেন। উচ্চ আদালত শুনানির পর গত মার্চ মাসে কমিশনের উপর রুল জারিসহ দণ্ডাদেশের উপর স্থগিতাদেশ দেন।

স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে কমিশন আপিল বিভাগে ২২টি সিভিল পিটিশন দাখিল করলে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত এক আদেশে হাইকোর্ট ডিভিশনের দ্বৈত বেঞ্চে রুল চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন‍্য পাঠিয়ে দেন।

রিট আবেদনকারীদের পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক, ব্যারিস্টার মাসুম ও ইকরামুল হক টুটুল। বিএসইসির পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাটর্নি জেনারেল আসাদুজ্জামান, শাহদীন মালিক এবং ব্যারিস্টার এ কে আজাদ। 

 

ঢাকা/এনটি/বকুল 

.

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর ব এসইস

এছাড়াও পড়ুন:

নেগেটিভ ইক্যুইটি ও লস প্রভিশনিংয়ের সময় পাচ্ছে আরো ১১ প্রতিষ্ঠান

পুঁজিবাজারের মধ্যস্থতাকারী আরো ১১ প্রতিষ্ঠানের নেগেটিভ ইক্যুইটি ও আনরিয়েলাইজড লসের প্রভিশন সংরক্ষণ ও সমন্বয়ের জন্য শর্তসাপেক্ষে সময়সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

এই তালিকায় স্টকব্রোকার, ডিলার ও মার্চেন্ট ব্যাংকসহ একাধিক বাজার মধ্যস্থতাকারী রয়েছে।

আরো পড়ুন:

দুই কোম্পানির ক্রেডিট রেটিং নির্ণয়

প্রিমিয়ার ব্যাংক পারপেচুয়াল বন্ডের কুপন প্রদানের রেকর্ড ডেট ঘোষণা

মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) অনুষ্ঠিত বিএসইসির চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদের সভাপতিত্বে ৯৮৬তম কমিশন সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিএসইসির পরিচালক ও মুখপাত্র মো. আবুল কালাম স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানগুলো হলো-ফিন্ট্রা সিকিউরিটিজ লিমিটেড, শেলটেক ব্রোকারেজ লিমিটেড, জয়তুন সিকিউরিটিজ ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড, বিডিবিএল ইনভেস্টমেন্ট সার্ভিসেস লিমিটেড, হযরত আমানত শাহ সিকিউরিটিজ লিমিটেড, জিএমএফ সিকিউরিটিজ লিমিটেড, ওয়াইফাং সিকিউরিটিজ লিমিটেড, বিআরবি সিকিউরিটিজ লিমিটেড, বিএনবি সিকিউরিটিজ লিমিটেড, বিএমএসএল ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড ও মিডাস ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

বিএসইসির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কমিশন সভায় স্টক ব্রোকার, স্টক ডিলার ও মার্চেন্ট ব্যাংকার কর্তৃক কমিশনের নিকট দাখিলকৃত বোর্ড অনুমোদিত নেগেটিভ ইক্যুইটি ও আনরিয়েলাইজড লসের প্রভিশন সংরক্ষণ ও সমন্বয় সংক্রান্ত অ্যাকশন প্ল্যান বিবেচনাপূর্বক উল্লিখিত ছকের স্টক ব্রোকার, স্টক ডিলার ও মার্চেন্ট ব্যাংকারদের নেগেটিভ ইক্যুইটি ও আনরিয়েলাইজড লসের বিপরীতে প্রভিশন সংরক্ষণ ও সমন্বয় করার সময়সীমা বর্ধিত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

স্টক ব্রোকার, স্টক ডিলার ও মার্চেন্ট ব্যাংকাদের নেগেটিভ ইকুইটি ও আনরিয়েলাইজড লস এর প্রভিশন ও সমন্বয়ের সময়সীমা কমিশনের আদেশ (বিএসইসি/এসএমএমআইডি/এনই/এপি/২০২৫/১০৮/৬২৯; তারিখ ১৩ নভেম্বর ২০২৫) পরিপালন সাপেক্ষে বর্ধিত করার সিদ্ধান্ত হয়েছে যার মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য হলো নেগেটিভ ইক্যুইটি ও আনরিয়েলাইজড লস এর বিপরীতে বর্ধিত সময়কালে প্রভিশন সংরক্ষণ ও সমন্বয়ের ক্ষেত্রে স্টক ব্রোকার, স্টক ডিলার ও মার্চেন্ট ব্যাংকারের নিট সম্পদের ঘাটতি সংক্রান্ত বিধান পরিপালনে সাময়িক শিথিলতা থাকবে। এতদসংক্রান্ত কমিশনের আদেশটি কমিশনের ওয়েবসাইটের ‘সিকিউরিটিজ ল’স মেনুর ‘সিকিউরিটিজ ল’স, রুলস, রেগুরেশনস সাব মেনুতে পাওয়া যাবে।

এর আগে গত ১৪ নভেম্বর অনুষ্ঠিত ৯৮৪তম কমিশন সভায় ২৮ প্রতিষ্ঠানকে নেতিবাচক ইক্যুইটি ও অবাস্তব লোকসানের বিপরীতে প্রভিশন সংরক্ষণ ও সমন্বয়ের জন্য শর্তসাপেক্ষে সময় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয় বিএসইসি।

পরবর্তীতে ২৫ নভেম্বর অনুষ্ঠিত ৯৮৫তম কমিশন সভায় পুঁজিবাজারের মধ্যস্থতাকারী আরো ৮ প্রতিষ্ঠানের নেগেটিভ ইক্যুইটি ও আনরিয়েলাইজড লসের প্রভিশন সংরক্ষণ ও সমন্বয়ের জন্য শর্তসাপেক্ষে সময়সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয় বিএসইসি।

ঢাকা/এনটি/এসবি

সম্পর্কিত নিবন্ধ

  • কে. এইচ. বি. সিকিউরিটিজের অনিয়ম তদন্তে বিএসইসি
  • নেগেটিভ ইক্যুইটি ও লস প্রভিশনিংয়ের সময় পাচ্ছে আরো ১১ প্রতিষ্ঠান
  • ব্যাংকের এমডি নিয়োগে নতুন বিধান