জ্যাকি চ্যানের মৃত্যুর গুঞ্জনে যা জানা গেল
Published: 11th, November 2025 GMT
বিশ্ব নন্দিত বরেণ্য অভিনেতা জ্যাকি চ্যান। মার্শাল আর্টসের কারিকুরি আর কৌতুকপূর্ণ অভিনয়ে বুঁদ হয়ে থাকেন কোটি কোটি ভক্ত। সোমবার (১০ নভেম্বর) বিকালে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে—“৭১ বছর বয়সে মারা গেছেন জ্যাকি চ্যান।” তার মৃত্যুর খবরে হতবাক হয়ে যান নেটিজেনরা।
জ্যাকি চ্যানের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে তার মৃত্যুর খবর জানানো হয়। একটি ছবিতে দেখা যায়, অসুস্থ জ্যাকি চ্যান হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে আছেন। এ ছবির ওপরে লেখা হয়েছে, “বিশ্বের সবচেয়ে প্রিয় চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব, আমাদের সবার হৃদয়ের মানুষ, বিশেষ করে এই প্রজন্মের যোগ্য একজন অভিনেতা, কুংফু খেলোয়াড়, মজার হাসির মানুষ জ্যাকি চ্যান আজ আমাদের মাঝ থেকে চলে গেছেন।”
আরো পড়ুন:
‘জেমস বন্ড’ সিরিজের পরিচালক মারা গেছেন
অস্কার মনোনীত অভিনেত্রী ডায়ান মারা গেছেন
মূলত, এভাবেই জ্যাকি চ্যানের মৃত্যুর খবর অন্তর্জালে ছড়িয়ে পড়ে। তারপর জ্যাকির ভক্তরা উদ্বেগের সঙ্গে জানতে চান, “জ্যাকি চ্যান কী মারা গেছেন?”, “জ্যাকি চ্যান মারা গেছেন?” ‘জ্যাকি চ্যানের মৃত্যু।”—এসব প্রশ্ন গতকাল সন্ধ্যায় গুগলে সবচেয়ে বেশি খোঁজা হয়েছে। কিন্তু সত্যি কী মারা গেছেন জ্যাকি চ্যান?
ডেইলি মেইল এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, জ্যাকি চ্যান মারা যাননি। তিনি বেঁচে আছেন এবং সুস্থ আছেন।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) অ্যাপ্লিকেশন গ্রোক জানিয়েছে, “জ্যাকি চ্যান মারা যাননি। এটা গুজব। জ্যাকি চ্যান জীবিত এবং ভালো আছেন। আর সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া জ্যাকি চ্যানের ছবিগুলো এআই দিয়ে তৈরি করা।
এবারই প্রথম নয় ২০১৩ সালে জ্যাকি চ্যানের মৃত্যুর গুঞ্জন ছড়িয়েছিল। পরবর্তীতে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট দিয়ে মিথ্যা খবর উড়িয়ে দেন এই অভিনেতা। এবারো জ্যাকি চ্যানের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের অপেক্ষায় তার ভক্ত-অনুরাগীরা।
ঢাকা/শান্ত
.উৎস: Risingbd
কীওয়ার্ড: চ কর চ কর চলচ চ ত র
এছাড়াও পড়ুন:
জকসু নির্বাচনে প্রার্থীদের ডোপ টেস্ট
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীদের ডোপ টেস্ট (মাদক পরীক্ষা) করানো হচ্ছে।
মঙ্গলবার (৮ ডিসেম্বর) প্রথম দিনের মতো সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্যাথলজি বিভাগে (নতুন ভবন, ২০৪ নম্বর কক্ষ) টেস্ট হয়। এ সময় চিকিৎসকদের পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।
আগামীকালও এ পরীক্ষা করা যাবে। ডোপ টেস্টের খরচ বহন করছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
এর আগে গতকাল জকসুর প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক মোস্তফা হাসান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জকসু নির্বাচনি আচরণবিধির ৩ নম্বর শর্ত অনুযায়ী ডোপ টেস্টে অংশ না নিলে প্রার্থীর প্রার্থিতা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে। টেস্টের সময় প্রার্থীদের পাসপোর্ট আকারের এক কপি ছবি, জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের আইডি কার্ডের ফটোকপি সঙ্গে আনতে হবে।
৪ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভা শেষে নির্বাচনের নতুন তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। তফসিলে বলা হয়, চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে ১১ ও ১২ ডিসেম্বর। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন ১৪ ডিসেম্বর। প্রার্থীরা ১৪ থেকে ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রচারণা চালাতে পারবেন। ভোট গ্রহণ হবে ৩০ ডিসেম্বর।
২০০৫ সালে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর থেকে ছাত্র সংসদ নির্বাচন হয়নি। দীর্ঘ আন্দোলন ও শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রথমবারের মতো জকসু নির্বাচনের আয়োজন করে প্রশাসন।
ঢাকা/লিমন/ইভা