পুঁজিবাজারে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেডের ক্যাটাগরি পরিবর্তন করা হয়েছে। কোম্পানিটিকে ‘এ’ ক্যাটাগরি থেকে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে স্থানান্তর করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

আরো পড়ুন:

পুঁজিবাজারে দরপতন অব্যাহত

পুঁজিবাজারে সূচকের পতনে সপ্তাহ শুরু

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) শর্ত অনুযায়ী, পরপর দুই বছর লভ্যাংশ ঘোষণা করতে ব্যর্থ হওয়ায় পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেডকে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে স্থানান্তর করা হয়। মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) থেকে কোম্পানিটি ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে লেনদেন করছে।

এদিকে, ক্যাটাগরি পরিবর্তনের কারণে পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেডকে ঋণ সুবিধা দিতে ব্রোকার হাউজ এবং মার্চেন্ট ব্যাংককে নিষেধ করেছে ডিএসই, যা মঙ্গলবার থেকে কার্যকর হয়েছে।

ঢাকা/এনটি/রফিক

.

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর

এছাড়াও পড়ুন:

বন্দর ইজারার কাজ বন্ধ না করলে অবরোধ-ধর্মঘটের হুঁশিয়ারি স্কপের

চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশিদের ইজারা দেওয়ার কার্যক্রম স্থগিত না করলে অবরোধ ও ধর্মঘট করবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদ (স্কপ)।

আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মশালমিছিল করে এই হুঁশিয়ারি দেয় সংগঠনটি। পরে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বিষয়টি জানায় স্কপ।

সমাবেশে স্কপ দাবি জানায়, অবিলম্বে চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং টার্মিনাল বিদেশিদের কাছে ইজারা দেওয়ার কার্যক্রম স্থগিত এবং লালদিয়া ও পানগাঁও ইজারা চুক্তি বাতিল করতে হবে। একই সঙ্গে আইন করে জাতীয় ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ এবং শ্রমজীবীদের কর্মসংস্থান ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

আহসান হাবিব বুলবুলের সঞ্চালনায় সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন স্কপের যুগ্ম সমন্বয়ক আবদুল কাদের হাওলাদার।

সমাবেশে সংগঠনটির নেতারা বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং টার্মিনাল বিদেশিদের কাছে ইজারা প্রক্রিয়ার বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টে একটি রিট বিচারাধীন ছিল। কিন্তু সেই রিটের বিচারকাজ চলার সময়েই সরকার শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের রায়ের দিনে লালদিয়া ও পানগাঁও ইজারা চুক্তি করেছেন।

সরকার অবিলম্বে বন্দর ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়া বন্ধের ঘোষণা না করলে অবরোধ-ধর্মঘটের মতো কর্মসূচির ঘোষণা করবেন বলে হুঁশিয়ারি দেন সংগঠনটির নেতারা। সমাবেশ থেকে ১০ ডিসেম্বর বেলা ১১টায় চট্টগ্রামে বন্দর অভিমুখে লাল পতাকা মিছিল, সিলেট বিভাগীয় কনভেনশন এবং সারা দেশে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন স্কপ নেতা ও জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন, জাতীয় শ্রমিক জোটের সভাপতি মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের সভাপতি রাজেকুজ্জামান রতন, বাংলাদেশ লেবার ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সাকিল আক্তার চৌধুরী, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘের সভাপতি চৌধুরী আশিকুল আলম, জাতীয় শ্রমিক জোট বাংলাদেশের সভাপতি সাইফুজ্জামান বাদশা ও সাধারণ সম্পাদক নইমুল আহসান জুয়েল, বাংলাদেশের জাতীয় শ্রমিক জোটের সাধারণ সম্পাদক বাদল খান।

সম্পর্কিত নিবন্ধ