শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে বিশ্বব্যাপী উদ্বেগ বাড়ছে। সেই পরিপ্রেক্ষিতে ডেনমার্ক সম্প্রতি বড় বড় প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে। দেশটি ১৫ বছরের কম বয়সী ব্যবহারকারীদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধ করার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। এই পদক্ষেপের ফলে ডেনমার্ক এমন দেশের তালিকায় যুক্ত হলো, যারা অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নিষিদ্ধ বা সীমিত করছে।

যদিও এই নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হবে না। ডেনমার্ক সরকার এই আইন প্রয়োগের অংশ হিসেবে একটি আনুষ্ঠানিক বয়স যাচাইকরণ অ্যাপ চালুর পরিকল্পনা করছে। এ ছাড়া একটি মূল্যায়নপ্রক্রিয়ার পর মা–বাবাকে ১৩ বছর বয়সী শিশুদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রবেশাধিকার দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হতে পারে ডেনমার্কে। যদি ডেনমার্ক এ আইন প্রণয়ন করতে পারে, তবে সরকার ও মেটার মতো প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্যকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করতে হবে। এর ফলে ব্যবহারকারীর বয়স যাচাই করার দায়িত্ব কার হবে, তা নিয়ে এখনই আলাপ চলছে। টেক প্ল্যাটফর্ম, মা–বাবা নাকি অ্যাপ স্টোরের—কার দায়িত্ব হবে?

এদিকে অস্ট্রেলিয়া আগামী ডিসেম্বরে অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা বিশ্বের প্রথম দেশ হতে যাচ্ছে। অস্ট্রেলিয়ায় নিষেধাজ্ঞার ফলে টিকটক, স্ন্যাপচ্যাট ও রেডিটের মতো প্ল্যাটফর্ম আইন অমান্য করলে ৫০ মিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলার বা (৩৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে।

ডেনমার্কের মতো বিশ্বের বেশ কিছু দেশ একই ধরনের ব্যবস্থা নিচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র বা যুক্তরাজ্যে কোনো দেশব্যাপী নিষেধাজ্ঞা নেই, তবে যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকটি রাজ্যে অপ্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যবহার সীমিত করার জন্য আইন প্রণয়ন বা প্রস্তাব করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের নেব্রাস্কায় ১৮ বছরের কম বয়সী কারও অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য মা–বাবার অনুমোদনের প্রয়োজন হয়।

সূত্র: ম্যাশেবল

.

উৎস: Prothomalo

এছাড়াও পড়ুন:

ইবিসাসের উদীয়মান লেখক পুরস্কার পেয়েছেন রাইজিংবিডির তানিম তানভীর

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির (ইবিসাস) ২০২৫ সালের বর্ষসেরা উদীয়মান লেখক পুরস্কার পেয়েছেন রাইজিংবিডি ডটকমের ক্যাম্পাস প্রতিনিধি তানিম তানভীর।

রবিবার (৭ ডিসেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেস কর্নারে সংগঠনটির ‘কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন ২০২৬’ শেষে দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠানে এই পুরস্কার দেওয়া হয়।

আরো পড়ুন:

নানা আয়োজনে ইবির ৪৭তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপিত

ইবিতে দলিল ও খতিয়ান-বিষয়ক কর্মশালা

সংগঠনটির সদস্যদের করা প্রতিবেদন ও ফিচারের বিচার-বিশ্লেষণ করে চারটি ক্যাটাগরিতে পাঁচজনকে পুরস্কৃত করা হয়েছে। চারটি ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পাওয়া অন্যরা হলেন বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড ক্যাটাগরিতে দৈনিক দিনকালের ইদুল হাসান ফারহান, বেস্ট ফিচার লেখক ক্যাটাগরিতে দৈনিক সংগ্রামের সাকীফ বিন আলম, বেস্ট কন্ট্রিবিউটর অ্যাওয়ার্ড এডুকেশন টাইমসের এম এইচ পিয়াস এবং মেইল বিডির বিপ্লব হোসেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক এম. এয়াকুব আলী ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম।

নির্বাচন কমিশনার ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ওবায়দুল ইসলামসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতা এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

উপস্থিত অতিথিরা বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

ঢাকা/তানিম/রাসেল

সম্পর্কিত নিবন্ধ