ফতুল্লার এনায়েতনগর জামে মসজিদের সামনে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ও দলের সব নেতাকর্মীদের সুস্থতার জন্য দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী মশিউর রহমান রনি। 

এনায়েতনগর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি এডভোকেট মাহমুদুল হক আলমগীরের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সিনিয়র সহ সভাপতি শাহাদাত হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক সাইফুর রহমান প্রধান, জেলা মহিলা দলের সহ সভাপতি রোজিনা মেম্বার, ফতুল্লা থানা ওলামা দলের আহ্বায়ক জিলানী ফকির, এনায়েত নগর ইউনিয়  দপ্তর সম্পাদক মাজেদুল ইসলাম বাবুল, বিএনপির ৮ নং ওয়ার্ড সভাপতি জসিম উদ্দিন প্রধান, ৭ নং ওয়ার্ড সভাপতি মিজানুর রহমান প্রধান, ৪ নং ওয়ার্ড সভাপতি আক্কাস আলী, ৭ নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক সেলিম সরদার, ২ নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান মানিক, ৫ নং ওয়ার্ডের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মোহাম্মদ রায়হান, ৯ নং ওয়ার্ড সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ খান প্রমুখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম। 

দোয়া পরিচালনা করেন এনায়েতনগর জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস। দেশনেত্রি বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা সহ দলের সব কর্মীর সুস্থতা এবং ডেঙ্গু এবং চিকুনগুনিয়া মহামারী সহ সমস্ত রোগ ব্যধি দেশকে মুক্ত রাখতে মহান রবের দরবারে মোনাজাত করা হয়।
 

.

উৎস: Narayanganj Times

কীওয়ার্ড: ব এনপ ন র য়ণগঞ জ র রহম ন এন য় ত

এছাড়াও পড়ুন:

অন্তরঙ্গ দৃশ্যের কারণেই সামান্থার বিবাহবিচ্ছেদ হয়

কিছুদিন আগেই নির্মাতা রাজ নিধুমুরুর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন সামান্থা রুথ প্রভু। এর আগে তিনি বিয়ে করেছিলেন তেলেগু তারকা নাগা চৈতন্যকে; কিন্তু বিয়ের মাত্র তিন বছরের মধ্যেই বিচ্ছেদের ঘোষণা দেন তাঁরা। নির্মাতা রাজ ও ডিকের সিরিজ ‘দ্য ফ্যামিলি ম্যান ২’–এ অভিনয় করেন সামান্থা। সেই সিরিজের একটি ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয় করতে গিয়েই নাকি নাগার সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়।

বিবাহবিচ্ছেদের পেছনের গুঞ্জন
সামান্থা ও নাগা চৈতন্যকে টলিউডের ‘পারফেক্ট কাপল’ হিসেবে ধরা হতো। তবে তাঁদের বিচ্ছেদ ঘোষণা হওয়ার পরই সবাই ভেবেছিলেন, কী কারণে এই সম্পর্ক শেষ হলো। অনেকের মতে, সামান্থার সাহসী চরিত্রের কারণেই সম্পর্কের অবসান ঘটেছে।
একটি সূত্রে জানা যায়, সামান্থার ‘দ্য ফ্যামিলি ম্যান ২’ সিরিজের দৃশ্যটি নাগা ও তাঁর পরিবারের কাছে গ্রহণযোগ্য ছিল না। যদিও সিরিজটির জন্য আরেকটি অন্তরঙ্গ দৃশ্যের শুটিং করেন সামান্থা, কিন্তু পরে সেটা সম্পাদনায় বাদ পড়ে। কিন্তু যে দৃশ্যটি প্রচারিত হয়, সেটা নিয়েও আপত্তি ছিল। নাগা তো বটেই, তাঁর সাবেক শ্বশুর নাগার্জুনারও আপত্তি ছিল। তবে সামান্থা এই ‘পিতৃতান্ত্রিক’ মানসিকতা মানতে অস্বীকার করেন, যা শেষ পর্যন্ত তাঁদের বিচ্ছেদের কারণ হিসেবে বিবেচিত হয়।

বিয়ের দিন নাগা চৈতন্য ও সামান্থা

সম্পর্কিত নিবন্ধ