আয়ারল্যান্ডের ওপেনার রস অ্যাডেয়ার হাঁটুর হাড়ের ইনজুরিতে পড়ে বাংলাদেশের বিপক্ষে আসন্ন টি-টোয়েন্টি সিরিজ থেকে ছিটকে পড়েছেন। তার বদলে জর্ডান নীল থাকছেন দলে। যিনি বাংলাদেশের বিপক্ষে দুটি টেস্ট শেষ করেই টি-টোয়েন্টি স্কোয়াডে যোগ দেবেন।

গত বছর দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৫৮ বলে শতক হাঁকিয়ে আলোচনায় আসেন অ্যাডেয়ার। তবে সাম্প্রতিক সময়ে তাকে নানা চোটের সমস্যার মধ্য দিয়েই যেতে হয়েছে। চলতি বছর এখন পর্যন্ত তিনটি টি-টোয়েন্টিতে তিনি ভালো ফর্মে ছিলেন; ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৪৮, আর ইংল্যান্ডের বিপক্ষে করেছেন ২৬ ও ৩৩ রান। কিন্তু ইনজুরির কারণে বাংলাদেশ সফর থেকে সরে দাঁড়াতে হলো তাকে।

আরো পড়ুন:

১৫১ বছরের পুরনো ঘড়ির সামনে ট্রফি উন্মোচন

‘আমরা যা করছি, রেকর্ড হয়ে যাচ্ছে’

অন্যদিকে, এই সফরের জন্য ঘোষিত ১৫ সদস্যের টেস্ট স্কোয়াডে থাকা জর্ডান নীল এখন থাকছেন টি-টোয়েন্টি সিরিজেও। চলতি বছরের মে মাসে আয়ারল্যান্ডের জার্সিতে তার আন্তর্জাতিক অভিষেক হয়েছে। যদিও ফিল্ডিংয়ের সময় চোট পেয়ে মৌসুমের বড় অংশ মিস করেন।

আয়ারল্যান্ডের প্রধান নির্বাচক অ্যান্ড্রু হোয়াইট বলেন, “বাংলাদেশ সফরের প্রাক্কালে রসকে হারানো সত্যিই দুর্ভাগ্যজনক। ২০২৫ সালে সীমিত সুযোগে সে টি-টোয়েন্টির টপ অর্ডারে নিজের সামর্থ প্রমাণ করেছিল। আমরা তার পারফরম্যান্স দেখার অপেক্ষায় ছিলাম।”

তিনি আরও যোগ করেন, “আগামী বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে সামনে রেখে আমরা কয়েকটি নতুন কম্বিনেশন নিয়ে পরীক্ষা করতে চাই। জর্ডান নীল দলে থেকে সেই প্রক্রিয়ায় সহায়তা করবে। আমাদের এমন কিছু খেলোয়াড় আছে যারা টপ অর্ডারে বিকল্প হিসেবে কার্যকর হতে পারে। এতে ব্যাটিং লাইনআপে নমনীয়তা আসবে।”

এছাড়া হোয়াইট উল্লেখ করেন, “বাঁহাতি ব্যাটার বেন ক্যালিটজ মিডল অর্ডারে আসায় আমাদের ব্যাটিংয়ে প্রয়োজনীয় বৈচিত্র্য আসবে। যেটির অভাব আমরা গত কয়েক বছর ধরে টের পেয়েছি। এই সফর তাই গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ এনে দিচ্ছে, যাতে দেখা যাবে বিভিন্ন খেলোয়াড় ভিন্ন ভিন্ন পরিস্থিতি ও কন্ডিশনে কেমন মানিয়ে নিতে পারে।”

আয়ারল্যান্ড তাদের বাংলাদেশ সফর শুরু করবে ১১ নভেম্বর সিলেটে প্রথম টেস্ট দিয়ে। দ্বিতীয় টেস্ট হবে ১৯ নভেম্বর মিরপুরে। এরপর দুই দল মুখোমুখি হবে ৩ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে। যা শুরু হবে ২৭ নভেম্বর।

ঢাকা/আমিনুল

.

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর

এছাড়াও পড়ুন:

গাজার লাখ লাখ বাসিন্দার আশ্রয় স্থল প্লাবিত

জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা জানিয়েছে, ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে গাজার লাখ লাখ বাসিন্দা এবং তাদের আশ্রয়স্থল প্লাবিত হয়েছে। এই সময়ে আশ্রয়স্থলের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ এবং বালির বস্তা ছিটমহলে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। শুক্রবার সংস্থাটি এ তথ্য জানিয়েছে।

বৃহস্পতিবার গাজা উপত্যকাজুড়ে মুষলধারে বৃষ্টিপাতের ফলে দুই বছরের যুদ্ধে বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোর আশ্রয়স্থল শত শত তাঁবু প্লাবিত হয়েছে। এর ফলে একটি কন্যা শিশু কন্যার মৃত্যু হয়েছে বলে স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

অভিবাসন সংস্থা জানিয়েছে, নিচু, ধ্বংসস্তূপে ভরা এলাকায় প্রায় ৭ লাখ ৯৫ হাজার বাস্তুচ্যুত মানুষ সম্ভাব্য বিপজ্জনক বন্যার ঝুঁকিতে রয়েছে। সেখানে পরিবারগুলো অনিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে বাস করছে। অপর্যাপ্ত নিষ্কাশন এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা রোগের প্রাদুর্ভাবের ঝুঁকিও বাড়িয়েছে।

কাঠ এবং প্লাইউডের মতো আশ্রয়কেন্দ্রগুলোকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করার জন্য উপকরণ, সেইসাথে বন্যা মোকাবেলায় সহায়তা করার জন্য বালির বস্তা এবং পানির পাম্পগুরো চলমান প্রবেশ নিষেধাজ্ঞার কারণে গাজায় প্রবেশ করতে বিলম্বিত হচ্ছে।

ইসরায়েল জানিয়েছে, তারা তাদের দায়িত্ব পালন করছে এবং সংস্থাগুলোর বিরুদ্ধে অদক্ষতা ও হামাসের চুরি রোধে ব্যর্থতার অভিযোগ এনেছে। তবে হামাস এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

অক্টোবর থেকে গাজায় যুদ্ধবিরতি চললেও ইসরায়েলি বাহিনী প্রতিনিয়ত হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। ইসরায়েল গাজার বেশিরভাগ অবকাঠামো ধ্বংস করেছে এবং জীবনযাত্রার অবস্থা ভয়াবহ করে তুলেছে। 

ঢাকা/শাহেদ

সম্পর্কিত নিবন্ধ