নড়াইলের কালিয়া উপজেলায় হেরোইন ও ইয়াবাসহ রিক্তা বেগম (৩০) নামে এক নারী মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

সোমবার (১০ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার জামরিলডাঙ্গা গ্রামের বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রিক্তা একই গ্রামের বিল্লাল শেখের স্ত্রী।

আরো পড়ুন:

টেকনাফে ১০ হাজার পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক

সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে  মাদকবিরোধী কার্যক্রমে এগিয়ে আসতে হবে: জবি উপাচার্য

নড়াইল মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, রিক্তা ও তার স্বামী বিল্লালের বিরুদ্ধে মাদক কারবারের অভিযোগ ছিল। গোপনে সংবাদ পেয়ে সোমবার রাত সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে জামরিলডাঙ্গা গ্রামে রিক্তার অবস্থান নিশ্চিত হয়ে অভিযান চালানো হয়। বসত ঘর থেকে রিক্তাকে গ্রেপ্তার করা গেলেও তার স্বামী বিল্লাল আগেই পালিয়ে যান। অভিযানের সময় গ্রেপ্তারকৃতের ঘর থেকে ১৯ পুরিয়া হেরোইন ও ১৫ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়। পাশাপাশি মাদক বিক্রির ২১ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।

নড়াইল মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক আব্দুল মান্নান জানান, আটক রিক্তাকে কালিয়া থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে রাতে মামলা করা হয়েছে।

ঢাকা/শরিফুল/মাসুদ

.

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর

এছাড়াও পড়ুন:

যুবদলকর্মীকে কুপিয়ে হত্যার পর বাড়িতে আগুন

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে নয়ন (৩২) নামের এক যুবদলকর্মীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষ। 

সোমবার (৮ ডিসেম্বর) রাতে শিবগঞ্জ উপজেলার নয়ালাভাঙ্গা বাবুপুর মোড়ে নয়নকে কোপানো হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে ও পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তার মৃত্যু হয় বলে নিশ্চিত করেছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ এন এম ওয়াসিম ফিরোজ। 

পরে নিহত নয়নের বাড়িতে আগুন দেয় হামলাকারীরা। নয়ন নয়ালাভাঙ্গা গ্রামের আব্দুল করিমের ছেলে।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, সোমবার সন্ধ্যায় বাবুপুর মোড়ে একদল দুষ্কৃতকারী দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে নয়নকে মারাত্মক জখম করে। নয়নের ভাইসহ স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে প্রথমে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে নেন। সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে রামেক হাসপাতালে রেফার করা হয়। 

নয়নকে কুপিয়ে জখম করার পর হামলাকারীরা তার বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। খবর পেয়ে শিবগঞ্জ থেকে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল এসে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ এন এম ওয়াসিম ফিরোজ ঘটনাটি নিশ্চিত করে বলেছেন, প্রতিপক্ষের হামলায় নয়ন নামের এক ব্যক্তি মারা গেছেন। আধিপত্য বিস্তার নাকি অন্য কোনো কারণে এ হত্যাকাণ্ড, সে বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি।

তিনি আরো জানান, নয়নের নামে সন্ত্রাসী কার্যক্রমে যুক্ত থাকার অভিযোগে থানায় একাধিক মামলা আছে। এলাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

নয়ন শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আশরাফুল হকের অনুসারী এবং নয়ালাভাঙ্গা ইউনিয়ন যুবদলের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। এ হত্যাকাণ্ডের পর এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

ঢাকা/শিয়াম/রফিক

সম্পর্কিত নিবন্ধ