৪৯তম বিসিএসের (বিশেষ) লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষা শেষ হয়েছে ৯ নভেম্বর। সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) জানিয়েছে, চূড়ান্ত ফল প্রকাশের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। শিগগিরই ফলাফল প্রকাশ করা হবে।

এই বিসিএসে সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের ৬৮৩টি শূন্য পদ পূরণের জন্য প্রার্থী বাছাই করা হয়েছে। পিএসসি সূত্রে জানা গেছে, এ বিসিএসে মোট ৩ লাখ ১২ হাজারের বেশি প্রার্থী আবেদন করেছেন। এমসিকিউ টাইপ লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন ১ হাজার ২১৯ জন। শিক্ষা ক্যাডারের জন্য বিশেষভাবে আয়োজিত এই বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছিল ২১ জুলাই এবং লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় ১০ অক্টোবর।

আরও পড়ুন২০২৬ সালের সরকারি ছুটির প্রজ্ঞাপন জারি১৯ ঘণ্টা আগে

পিএসসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রশাসনিক কোনো জটিলতা না থাকলে শিগগিরই চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা সম্ভব। কমিশন আশা করছে, ফল প্রকাশের পর নিয়োগপ্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন হবে, যাতে প্রার্থীরা সময়মতো দায়িত্ব গ্রহণ করতে পারেন। এই বিসিএস মূলত শিক্ষা ক্যাডারের শূন্য পদ পূরণের জন্য আয়োজন করা হয়েছে।

বর্তমান কমিশন দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে প্রতিবছরের নভেম্বর মাসে নতুন বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ এবং পরের বছরের ৩০ অক্টোবরের মধ্যে চূড়ান্ত ফল প্রকাশের লক্ষ্য নির্ধারণ করে একটি বার্ষিক রোডম্যাপ তৈরি করেছে।

আরও পড়ুনট্রাফিক সহায়কের খণ্ডকালীন চাকরি, শিক্ষার্থীদের সুবিধার থেকে শঙ্কা বেশি ৩ ঘণ্টা আগে

এ সময় পিএসসি একই সঙ্গে তিনটি সাধারণ বিসিএসের কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এর মধ্যে ৪৫তম বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষা চলছে। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন ৬ হাজার ৫৫৮ প্রার্থী। কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ১০ ডিসেম্বর এই বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হবে। এ পরীক্ষার মাধ্যমে ২ হাজার ৩০৯ জন ক্যাডার কর্মকর্তা এবং ১ হাজার ২২ জন নন-ক্যাডার প্রার্থী নিয়োগ পাবেন।

অন্যদিকে ৪৬তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা শেষ হয়েছে এবং বর্তমানে উত্তরপত্র মূল্যায়নের কাজ চলছে। মূল্যায়ন শেষ হলেই মৌখিক পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ করা হবে। এ ছাড়া ৪৭তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে ২৮ সেপ্টেম্বর রাতে। এতে ১০ হাজার ৬৪৪ প্রার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন ৩ লাখ ৭৪ হাজারের বেশি প্রার্থী। পরীক্ষা ঢাকাসহ আট বিভাগীয় শহরের ২৫৬টি কেন্দ্রে একযোগে অনুষ্ঠিত হয়।

আরও পড়ুনমানবিক বিভাগ থেকে পড়েও সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার, শাহীন আক্তারের গল্প যেন অনুপ্রেরণার ৩ ঘণ্টা আগে.

উৎস: Prothomalo

কীওয়ার্ড: ল খ ত পর ক ষ ব স এস র পর ক ষ য় র জন য প এসস

এছাড়াও পড়ুন:

জামালপুরে ইঁদুর মারার ওষুধ খেয়ে দুই বেয়াইয়ের মৃত্যু

জামালপুরে ঘরে থাকা ইঁদুর মারার ওষুধ খেয়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল রোববার দুপুরে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার বানিয়াপাড়া গ্রামে গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ ভেবে ইঁদুর মারার ওষুধ খান দুজন। এ ঘটনায় গতকাল রাতে একজন ও আজ সোমবার সকালে অন্যজনের মৃত্যু হয়েছে।

ওই দুই ব্যক্তির নাম কানকু মিয়া (৪৫) ও কমল মিয়া (৫০)। কানকু মিয়ার বাড়ি দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার পাররাম রামপুর ইউনিয়নের বানিয়াপাড়া গ্রামে। কমল মিয়া একই ইউনিয়নের পোড়াভিটা গ্রামের বাসিন্দা। তাঁরা দুজন সম্পর্কে বেয়াই এবং পেশায় কৃষক।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল দুপুরে কমল মিয়া বেয়াই কানকু মিয়ার বাড়িতে বেড়াতে যান। সবার সঙ্গে তাঁরা দুজন একসঙ্গে দুপুরের খাবার খান। খাওয়ার পর গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা অনুভব করলে ঘরে থাকা ইঁদুর মারার ওষুধকে গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ মনে করে দুজন একসঙ্গে খান। কিছু সময় পর দুজনের মধ্যে বিষক্রিয়া শুরু হয়।

বাড়িতে থাকা স্বজনেরা দুজনকে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁদের দুজনকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পথে গতকাল রাত ১১টার দিকে কানকু মিয়া ও আজ সোমবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কমল মিয়ার মৃত্যু হয়।

দেওয়ানগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, দুজন ব্যক্তি ইঁদুর মারার ওষুধ খেয়ে মারা গেছেন। তবে পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ করা হয়নি। উভয়ের পরিবারের পক্ষ থেকে ময়নাতদন্ত ছাড়া লাশ দাফনের আবেদন করা হয়েছে। পরে তাঁদের লাশ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় পৃথক দুটি অপমৃত্যুর মামলা প্রক্রিয়াধীন।

সম্পর্কিত নিবন্ধ