কয়েক মাসের বিদ্যুৎ বিল একসঙ্গে, আর্থিক চাপে কালীগঞ্জের গ্রাহকরা
Published: 10th, November 2025 GMT
গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার জাংগালিয়া ইউনিয়নের সরিষারচালা, বরাইয়া উত্তর পাড়া ও দুবরিয়া গ্রামে পল্লী বিদ্যুতের প্রায় ৮০০ গ্রাহককে কয়েক মাসের বিদ্যুৎ বিল ও জরিমানা একসঙ্গে দিতে হচ্ছে। গ্রাহকদের অভিযোগ, পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের গাফিলতির কারণে তাদেরকে আর্থিক চাপে পড়তে হচ্ছে।
দুবরিয়া গ্রামের অটোরিকশাচালক মো.
দুবরিয়া বাজারের রিকশা মেকার মুসাদ শেখ বলেন, “আমার বিল এসেছে ৫ হাজার টাকা। এত টাকা একসাথে পরিশোধ করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। সংসার চালাব নাকি বিল পরিশোধ করব, এই দ্বিধায় পড়েছি।”
স্থানীয় মুদি দোকানদার শামসুল ভূঁইয়া বলেন, “প্রতি মাসে আমাদের বিল পাঠানো হোক, এতে সমস্যা নেই। কিন্তু, তিন-চার মাসের বিল একত্রে পাঠিয়ে জরিমানা নেওয়া পল্লী বিদ্যুতের দোষ। আমাদের কাছ থেকে কেন তা নেওয়া হবে?”
কলেজ শিক্ষার্থী কাউছার বলেন, “গ্রামে বিভিন্ন শ্রেণির মানুষ বসবাস করে। সব মানুষের পক্ষে একত্রে কয়েক মাসের বিল পরিশোধ করা সম্ভব নয়। মাসে মাসে বিল না নেওয়ায় সমস্যা হচ্ছে।”
বরাইয়া গ্রামের আব্দুল মান্নান ফকির বলেন, “আমরা বারবার ডিজিএমকে জানিয়েছি। তারপরও কয়েক মাসের বিল একত্রে পাঠানো হয়েছে। মিটার রিডিং নেওয়ার জন্য কেউ আমাদের বাড়িতে আসেনি।”
একই গ্রামের গৃহিনী আছমা বলেন, “আমরা প্রতি মাসে বিদ্যুৎ বিল দিই। চার মাস ধরে কোনো বিল আসেনি। এখন চার মাসের বিলসহ জরিমানা দিতে হচ্ছে। খেয়ে না খেয়ে বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে। এ সমস্যা আমরা করি না, অথচ জরিমানা দিতে হচ্ছে।”
এ বিষয়ে পল্লী বিদ্যুতের কালীগঞ্জ জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) আক্তার হোসেন রাইজিংবিডি ডটকমকে বলেছেন, “গত মাসে একটি অভিযোগ পেয়েছিলাম। প্রাথমিক তদন্তে শেষ মাসের বিলের সত্যতা পেয়েছি। আগের মাসের বিষয়গুলো আমাদের জানা ছিল না। গ্রাহকরা বিল না পেলে সাথে সাথে অফিসে জানাতে হবে। চাইলে কালীগঞ্জ অফিসে এসে বিলগুলো ভেঙে ভেঙে নেওয়া সম্ভব। যে কর্মচারী এই কর্মকাণ্ডে জড়িত, তাকে লিখিত অভিযোগসহ পল্লী বিদ্যুৎ গাজীপুর জেনারেল ম্যানেজারের (জিএম) কাছে পাঠানো হয়েছে।”
ঢাকা/রফিক সরকার/রফিক
উৎস: Risingbd
কীওয়ার্ড: চ কর চ কর আম দ র একত র
এছাড়াও পড়ুন:
শিক্ষা ক্যাডারে বড় পদোন্নতি, সহযোগী অধ্যাপক ও অধ্যাপক হলেন ২৭০৬ জন
বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারে বড় পদোন্নতি দিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার অধ্যাপক ও সহযোগী অধ্যপক পদে একসঙ্গে ২ হাজার ৭০৬ জন কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৯৯৫ জন সহযোগী অধ্যাপককে অধ্যাপক এবং সহকারী অধ্যাপক পর্যায়ের ১ হাজার ৭১১ জনকে সহযোগী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই পদোন্নতির কথা জানিয়েছে। পদোন্নতি পাওয়া শিক্ষকেরা আগের পদেই দায়িত্ব পালন করে যাবেন বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এর আগে গত ২০ নভেম্বর একসঙ্গে ১ হাজার ৮৭০ প্রভাষককে পদোন্নতি দিয়ে সহকারী অধ্যাপক করা হয়। এর মধ্যে দিয়ে তিন সপ্তাহের মধ্যে সহকারী অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক এবং অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দেওয়া হলো। অর্থাৎ শিক্ষা ক্যাডারে পদোন্নতিযোগ্য তিনটি স্তরেই পদোন্নতি দেওয়া হলো।
আরও পড়ুনএলোমেলো শিক্ষা খাত, বাড়ছে সংকট২০ নভেম্বর ২০২৫