দুজন মিলেই বিয়ের কথা গোপন রেখেছিলাম: অপু বিশ্বাস
Published: 10th, November 2025 GMT
ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় জুটি ছিলেন শাকিব খান ও অপু বিশ্বাস। ভালোবাসা, বিবাহ, মাতৃত্ব—সব মিলিয়ে তাদের সম্পর্ক যেন সিনেমার গল্পকেও হার মানায়। সময়ের স্রোতে দুজনের পথ আলাদা হলেও, প্রেমের সেই অধ্যায় আজও রয়ে গেছে আলোচনায়।
পুরোনো সেই গল্পেই আবারও ফিরলেন চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ‘আইজ অন স্টুডিও’ এর ইউটিউব চ্যানেলের প্রথম পডকাস্টে বসে প্রেম, বিয়ে ও জীবনের নানা অনুচ্চারিত অধ্যায়ের কথা বলেন অপু।
আরো পড়ুন:
এবার ঢাকায় ‘ঢালিউড অ্যাওয়ার্ড’
শাকিবের নতুন লুক, পুরোনো বিতর্ক!
অপু বিশ্বাস বলেন, “বিয়ের বিষয়টি আমরা দুজনেই গোপন রেখেছিলাম। তখনকার পরিস্থিতি এমন ছিল যে, আমাদের দুজনেরই ক্যারিয়ার নিয়ে অনেক ভাবনা ছিল। তাই একসঙ্গে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম—এটা আপাতত নিজেদের মধ্যে রাখাই ভালো।”
এর আগেও বহুবার অপু জানিয়েছিলেন, বিয়ের বিষয়টি শাকিব খান লুকিয়ে রাখতে চেয়েছিলেন। কিন্তু এবার প্রথমবারের মতো তিনি বললেন, “এটি কেবল শাকিবের নয়, বরং দুজনেরই সিদ্ধান্ত ছিল।”
বিয়ের পর শাকিব-অপুর জীবনে সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ হয়ে আসে পুত্র আব্রাম খান জয়। সন্তান জন্ম, মাতৃত্বের সংগ্রাম—সবকিছু নিয়েই পডকাস্টে খোলামেলা কথা বলেছেন অপু বিশ্বাস।
ঢাকা/রাহাত/শান্ত
.উৎস: Risingbd
কীওয়ার্ড: চ কর চ কর চলচ চ ত র অপ ব শ ব স
এছাড়াও পড়ুন:
অন্তরঙ্গ দৃশ্যের কারণেই সামান্থার বিবাহবিচ্ছেদ হয়
কিছুদিন আগেই নির্মাতা রাজ নিধুমুরুর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন সামান্থা রুথ প্রভু। এর আগে তিনি বিয়ে করেছিলেন তেলেগু তারকা নাগা চৈতন্যকে; কিন্তু বিয়ের মাত্র তিন বছরের মধ্যেই বিচ্ছেদের ঘোষণা দেন তাঁরা। নির্মাতা রাজ ও ডিকের সিরিজ ‘দ্য ফ্যামিলি ম্যান ২’–এ অভিনয় করেন সামান্থা। সেই সিরিজের একটি ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয় করতে গিয়েই নাকি নাগার সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়।
বিবাহবিচ্ছেদের পেছনের গুঞ্জন
সামান্থা ও নাগা চৈতন্যকে টলিউডের ‘পারফেক্ট কাপল’ হিসেবে ধরা হতো। তবে তাঁদের বিচ্ছেদ ঘোষণা হওয়ার পরই সবাই ভেবেছিলেন, কী কারণে এই সম্পর্ক শেষ হলো। অনেকের মতে, সামান্থার সাহসী চরিত্রের কারণেই সম্পর্কের অবসান ঘটেছে।
একটি সূত্রে জানা যায়, সামান্থার ‘দ্য ফ্যামিলি ম্যান ২’ সিরিজের দৃশ্যটি নাগা ও তাঁর পরিবারের কাছে গ্রহণযোগ্য ছিল না। যদিও সিরিজটির জন্য আরেকটি অন্তরঙ্গ দৃশ্যের শুটিং করেন সামান্থা, কিন্তু পরে সেটা সম্পাদনায় বাদ পড়ে। কিন্তু যে দৃশ্যটি প্রচারিত হয়, সেটা নিয়েও আপত্তি ছিল। নাগা তো বটেই, তাঁর সাবেক শ্বশুর নাগার্জুনারও আপত্তি ছিল। তবে সামান্থা এই ‘পিতৃতান্ত্রিক’ মানসিকতা মানতে অস্বীকার করেন, যা শেষ পর্যন্ত তাঁদের বিচ্ছেদের কারণ হিসেবে বিবেচিত হয়।