খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলার রামসুবাজার এলাকায় সাম্প্রতিক সহিংসতায় নিহত, আহত ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও পার্বত্য জেলা পরিষদ।

মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) সকালে গুইমারা সরকারি মডেল হাই স্কুল মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দ্বিতীয় ধাপে ১৬০ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে মোট ৫০ লাখ টাকার এককালীন মানবিক সহায়তা বিতরণ করা হয়।

আরো পড়ুন:

খাগড়াছড়িতে সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে অর্থ সহায়তা

‘খাগড়াছড়িবাসী ইউপিডিফের অপরিপক্ক আন্দোলনের মাশুল গুনছে’  

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সহায়তার অর্থ তুলে দেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা।

এর আগে, প্রথম ধাপে খাগড়াছড়ি সদর ও রামসুবাজার এলাকার নিহত, আহত ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে আরো ৫০ লাখ টাকা প্রদান করা হয়েছিল। ফলে দুই ধাপে মোট ১ কোটি টাকার সহায়তা সম্পন্ন হয়েছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা নোমান হোসেন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হাসান মারুফ, পরিষদের সদস্য কুমার সাচিং প্রু চৌধুরী, মঞ্জিলা ঝুমা প্রমুখ।

ঢাকা/রূপায়ন/মেহেদী

.

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর

এছাড়াও পড়ুন:

সিদ্ধিরগঞ্জে হেরোইন ও ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

সিদ্ধিরগঞ্জে পৃথক দুটি স্থানে বিশেষ অভিযান চালিয়ে হেরোইন ও ইয়াবাসহ চিহ্নিত তিন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে আদমজী বিহারী ক্যাম্প এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলো, রহিম (৪২) মানিক (৩২) জনু (৩০) তারা সকলেই সিদ্ধিরগঞ্জের আদমজী বিহারী ক্যাম্প এলাকার বাসিন্দা।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মাদকবিরোধী অভিযান ও ওয়ারেন্ট তামিল ডিউটি চলাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে, শিমুলপাড়া বিহারী ক্যাম্প এলাকার নিপা স্টোরের সামনে পাকা রাস্তার ওপর মাদক বিক্রির উদ্দেশ্যে ওই কারবারিরা অবস্থান করছিল।

পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করলেও তাদের কৌশলে আটক করা হয়। তল্লাশির সময় রহিম ও মানিকের কাছ থেকে ২০০ পুরিয়া হেরোইন এবং জনুর কাছ থেকে ২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত এই মাদকের বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৭৬ হাজার টাকা।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মহাম্মদ আব্দুল বারিক এ বিষয়ে বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা এই এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি বজায় আছে। আমরা এই এলাকাকে মাদক ও অপরাধমুক্ত করার জন্য দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

তিনি আরও বলেন, কেবল অভিযান চালিয়ে মাদক নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। এর জন্য আমাদের সামাজিক সচেতনতা ও এলাকার সাধারণ মানুষের সক্রিয় সহযোগিতা প্রয়োজন। অভিভাবক এবং স্থানীয়দের অনুরোধ করব, আপনাদের সন্তান বা এলাকার কেউ যেন এই ধ্বংসাত্মক পথে না যায়, সেদিকে নজর রাখুন।

জনগণের সহায়তায় আমরা সমাজ থেকে মাদক নামের এই অভিশাপকে সমূলে উৎপাটন করব। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সম্পর্কিত নিবন্ধ