সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে ইঁদুর মারা ফাঁদে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আশরাফ হোসেন (৪০) নামে এক বর্গা চাষির মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১১ অক্টোবর) রাতে উপজেলার রামনগর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। আশরাফ হোসেন ওই গ্রামের মৃত আব্দুল বারী তরফদারের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, রামনগর গ্রামের জাহাঙ্গীরের মাছের ঘের বর্গা নিয়ে সেখানে ধান চাষ ও ঘের দেখভালের কাজ করতেন আশরাফ। তবে, ধান ক্ষেতে ইঁদুরের উৎপাতে বিপাকে ছিলেন আশরাফ ও পাশের ঘেরের মালিক জব্বার আলী। এ অবস্থায় আশরাফ ও জব্বার যৌথভাবে জিআই তারের মাধ্যমে বিদ্যুতের সংযোগ দিয়ে ধান রক্ষার জন্য ইঁদুর মারা ফাঁদ তৈরি করেন। শনিবার সন্ধ্যার পর জব্বার ইঁদুর মারার ফাঁদে বিদ্যুৎ সংযোগ দেন। কিন্তু, বিষয়টি জানতেন না আশরাফ। মাগরিবের নামাজ শেষে আশরাফ ধান ক্ষেতে আঁটল পাততে গেলে অসাবধানতাবশত ইঁদুর মারা ফাঁদে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।

আরো পড়ুন:

হাওরে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু

শেরপুর কারাগারে হাজতির মৃত্যু

কালিগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, ‘‘খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মরদেহ উদ্ধার করেছে। রবিবার সকালে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।’’

ঢাকা/শাহীন/রাজীব

.

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর আশর ফ

এছাড়াও পড়ুন:

খুলনায় সোহেল হত্যার দায় স্বীকার করলেন আসাদুল 

খুলনার রূপসায় সোহেল হাওলাদার হত্যা মামলার আসামি আসাদুল খাঁকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তিনি আদালতে ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে সোহেল হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।

বুধবার (২৬ নভেম্বর) রাতে রূপসা উপজেলার নৈহাটী ইউনিয়নের রামনগর এলাকা থেকে রূপসা থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। 

পুলিশ জানিয়েছে, রূপসা উপজেলার নৈহাটী ইউনিয়নের রামনগর এলাকায় গত ৬ নভেম্বর সোহেলকে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় নিহতের মা নুরজাহান বেগম বাদী হয়ে রূপসা থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আশরাফুল আলম বলেছেন, সোহেল হাওলাদার হত্যা মামলার আসামি বি-কোম্পানির সদস্য ও মাদক ব্যবসায়ী আসাদুলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আদালতে ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে সোহেল হত্যার দায় স্বীকার করেছে আসাদুল। তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

ঢাকা/নূরুজ্জামান/রফিক

সম্পর্কিত নিবন্ধ

  • খুলনায় সোহেল হত্যার দায় স্বীকার করলেন আসাদুল