ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় দুই বন্ধু নিহত হয়েছেন। গতকাল সোমবার রাত সোয়া ৯টার দিকে এক্সপ্রেসওয়ের মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান ও ঢাকার কেরানীগঞ্জের সীমানায় আবদুল্লাপুর টোল প্লাজা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত ব্যক্তিরা হলেন আহমেদ নোমান (২৮) ও মুজিবুল হক (২৮)। তাঁরা দুজন বন্ধু ছিলেন। তাঁদের দুজনের বাড়ি মাদারীপুরের শিবচর উপজেলায়। তাঁরা মোটরসাইকেলে করে ঢাকা থেকে মাওয়ার দিকে যাচ্ছিলেন।

শ্রীনগর হাসাড়া হাইওয়ে থানা-পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গতকাল রাতে মোটরসাইকেলে করে দুই বন্ধু নোমান ও মজিবুল মাওয়ার দিকে যাচ্ছিলেন। তাঁদের মোটরসাইকেলটি রাত সোয়া ৯টার দিকে আবদুল্লাপুর টোল প্লাজা এলাকায় পৌঁছালে পেছন থেকে একটি গাড়ি ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়। এ সময় মোটরসাইকেলসহ রোমান ও মজিবুল সড়কে ছিটকে পড়ে নিহত হন।

হাসাড়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ টি এম মাহমুদুল হক আজ মঙ্গলবার সকালে প্রথম আলোকে বলেন, রাতে নিহত ব্যক্তিদের স্বজনেরা মরদেহ শনাক্ত করে নিয়ে গেছেন। ধাক্কা দেওয়া গাড়িটি শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।

.

উৎস: Prothomalo

এছাড়াও পড়ুন:

কলমাকান্দায় গারোদের নবান্ন উৎসব ‘ওয়ানগালা’ আয়োজন

‘শস্য দেবতার’ প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এবং ভালো ফসলের জন্য ধন্যবাদ স্বরূপ নেত্রকোণার কলমাকান্দায় দুই দিনব্যাপী নবান্ন উৎসব ‘ওয়ানগালা’ পালন করেছে গারো সম্প্রদায়।

শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) সকাল থেকে উপজেলার পাঁচগাঁও সেন্ট পিটার্স চার্চ সাব-প্যারিস গীর্জার মাঠে ধর্মীয় আচার, প্রার্থনা, আলোচনা ও নাচ-গানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বছরের সবচেয়ে বড় এই উৎসব।

উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চয়ন রিছিল। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নেত্রকোণা জেলা প্রশাসক সাইফুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ও কথাসাহিত্যিক মঈনুল হাসান, বাংলা একাডেমির কবি ও পরিচালক ড. সরকার আমিন এবং কলমাকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাইযুল ওয়াসীমা নাহাত। 

এছাড়া অনুষ্ঠানে অংশ নেন বিএনপির কেন্দ্রীয় আইনবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ পিসিসি সংস্থার পরিচালক সিলভেস্টার গমেজ।

‘ওয়ানগালা’ শুধু উৎসব নয় এটি গারোদের কৃতজ্ঞতা, বিশ্বাস ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের অন্যতম একটি প্রকাশ।

উৎসবের সাংস্কৃতিক পর্বে গারো শিল্পীরা নিজস্ব ভাষায় গান পরিবেশন করেন। ছিল নতুন ধানের ফসল উৎসর্গ এবং ঐতিহ্যবাহী ‘জুম নাচ’। উৎসবে নারী-পুরুষরা ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরে অংশ নেন। কারো মাথায় খুতুপে পাগড়ি, কারো গলায় মোরগের পালক দিয়ে তৈরি অলংকার।

মাঠজুড়ে বসেছিল অস্থায়ী দোকান, যেখানে পাওয়া গেছে আদিবাসীদের হাতে তৈরি পোশাক, অলংকার ও খাবার। উৎসব আয়োজন করেছে বিরিশিরি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কালচারাল একাডেমি। সহযোগিতা করেছে কলমাকান্দার আলোক ও ইসিএলআরসি প্রকল্প।

ঢাকা/ইবাদ/এস

সম্পর্কিত নিবন্ধ