বাসে স্কুলছাত্রীর শ্লীলতাহানির অভিযোগ, চালক আটক
Published: 14th, October 2025 GMT
বন্ধুর সঙ্গে বগুড়ায় বেড়াতে যাওয়ার সময় বাসে দশম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রী শ্লীলতাহানির শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত বাসচালক শাকিবকে (২৮) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনার সঙ্গে জড়িত বাসের হেলপার পলাতক।
সোমবার (১৩ অক্টোবর) সন্ধ্যার পর বিষয়টি জানাজানি হয়। এর আগে, দুপুর ৩টার দিকে শহরতলীর বনানী এলাকার একটি মোটর গ্যারেজে ঘটনাটি ঘটে।
আরো পড়ুন:
১০ হাজার ইয়াবাসহ রেলওয়ে পুলিশ সদস্য গ্রেপ্তার
রাকসু নির্বাচন: ২ হাজার পুলিশ, ৬ প্লাটুন বিজিবি ও ১২ প্লাটুন র্যাব মোতায়ন
আটক শাকিব বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার মাঝিড়া বি-ব্লক এলাকার বাসিন্দা। রাত ৯টার দিকে টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা থেকে তাকে বগুড়া ডিবি পুলিশ আটক করে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, শ্লীলতাহানির শিকার স্কুলছাত্রী সিরাজগঞ্জের বাসিন্দা। ঢাকার মিরপুরের এক স্কুলছাত্রের সঙ্গে তার মোবাইল ফোনে পরিচয় হয়। সোমবার সকালে ছেলেটি ঢাকা থেকে কিশোরীর সঙ্গে দেখা করতে সিরাজগঞ্জের কড্ডার মোড়ে যান। এরপর তারা সেখান থেকে বগুড়াগামী ‘আর কে ট্রাভেলস’এর একটি বাসে ওঠেন। যাত্রাপথে হেলপার বুঝতে পারেন তারা বন্ধু।
দুপুর আড়াইটার দিকে বাসটি বগুড়ার বনানী মোড়ে পৌঁছানোর পর সব যাত্রী নেমে যান। কিশোরী ও তার বন্ধু বাস থেকে নামতে চাইলে তাদের বাধা দিয়ে বাসটি পর্যটন মোটেলের পাশে থাকা একটি মোটর গ্যারেজে নিয়ে যান চালক ও হেলপার। সেখানে হেলপার ওই ছাত্রীর বন্ধুকে ভয় দেখিয়ে সরিয়ে দেন। এরপর চালক শাকিব বাসের ভেতর কিশোরীর শ্লীলতাহানি করেন। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তারা ঠনঠনিয়া বাস টার্মিনালে ফিরে আসেন। কিশোরীর কান্না দেখে কয়েকজন শ্রমিক ঘটনাটি জানতে পারেন। পরে তারা কিশোরী এবং তার বন্ধুকে ঢাকাগামী আরেকটি বাসে তুলে দেন।
বগুড়া জেলা পুলিশের মিডিয়া মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আতোয়ার রহমান বলেন, “বিষয়টি জানার পরপরই আমরা ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আটকের চেষ্টা চালাই। সিরাজগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশের সহযোগিতায় রাত ৯টায় টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা থেকে শাকিবকে আমাদের ডিবি পুলিশ আটক করে।”
তিনি বলেন, “ভুক্তভোগী আমাদের হেফাজতে আছেন। তার সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে ভুক্তভোগী আমাদের জানিয়েছেন, বাসচালক তার শ্লীলতাহানি করেছে। আমরা মেয়েটির অভিভাবককে ডেকেছি। তারা আসছেন। তারা যেভাবে অভিযোগ দেবেন, আমরা সেভাবে ব্যবস্থা নেব।”
ঢাকা/এনাম/মাসুদ
.উৎস: Risingbd
কীওয়ার্ড: চ কর চ কর আটক অভ য গ
এছাড়াও পড়ুন:
বিয়ে করে সংসারী পপি, ইরিন নিউজার্সিতে, সিমলা ও জেবা কোথায়
অভিনয়ে কেউ ৩৫ বছর, আবার কেউ–বা পার করেছেন ২৫ বছর। নব্বই দশকে ঢালিউডে আলো ছড়ানো এমন নায়িকা প্রায় ডজনখানেক। তাঁদের কাউকে এখন আর সেই অর্থে অভিনয়ে দেখা যায় না। দু-একজন আবার বিনোদন অঙ্গনে কাজের ধরন বদলে ফেলেছেন। নায়িকার চরিত্রে অভিনয় না করলেও উপস্থাপনা ও বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বিচারকাজে নিজেকে ব্যস্ত রেখেছেন। একনজরে দেখে নেওয়া যাক নব্বই দশকে আলো ছড়ানো নায়িকাদের এখন কে কী করছেন, কোথায় আছেন?
পপি : ছয় ভাইবোনের মধ্যে পপি সবার বড়। তাঁর বাবা আমির হোসেন পেশায় একজন ঠিকাদার। মা মরিয়ম বেগম গৃহিণী। তাঁর জন্ম খুলনা শহরের সোনাডাঙ্গায়। তিনি যখন খুলনার একটি স্কুলে নবম শ্রেণিতে পড়তেন, তখন লাক্স আনন্দ বিচিত্রা ফটোসুন্দরী প্রতিযোগিতা চলছিল। পত্রিকায় এই খবর দেখে তাঁর মা পপির ছবি পাঠান। এরপর মায়ের ইচ্ছায় পপি ওই প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। কিশোরী পপি সবাইকে অবাক করে লাক্স আনন্দ বিচিত্রা ফটোসুন্দরী চ্যাম্পিয়ন হন। এরপর তাঁকে নিয়ে শুরু হয় আলোচনা। এর মধ্যে শেষ হয় স্কুলজীবন। এরপর মাকে সঙ্গে করে পপি চলে আসেন ঢাকায়। ভর্তি হন লালমাটিয়া মহিলা কলেজে।
পপি