এক্সপ্রেসওয়েতে ট্রাকচাপায় ২ বন্ধুর মৃত্যু
Published: 14th, October 2025 GMT
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের কেরাণীগঞ্জের আব্দুল্লাহপুর এলাকায় ট্রাক চাপায় দুই মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১৩ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে দুর্ঘটনার শিকার হন তারা।
নিহতরা হলেন- আহমেদ রোমান (৩৫) ও মুজিবুল হক দুর্জয় (৩৫)। তারা সম্পর্কে বন্ধু। তাদের বাড়ি মাদারীপুরের শিবচর থানায়।
আরো পড়ুন:
হবিগঞ্জে যাত্রীবাহী বাস উল্টে ৩০ যাত্রী আহত
অসুস্থ নাতিকে দেখা হলো না নানা-নানির
হাসাড়া হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, রোমান ও দুর্জয় মোটরসাইকেলে করে মাওয়ার দিকে যাচ্ছিলেন। আব্দুল্লাহপুর এলাকায় পেছন থেকে দ্রুতগতির একটি ট্রাক তাদের মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয়। স্থানীয়রা দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
হাসাড়া হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এটিএম মাহমুদুল হক বলেন, “স্বজনরা মরদেহ শনাক্ত করেছেন। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের হস্তান্তর করা হয়েছে।”
ঢাকা/রতন/মাসুদ
.উৎস: Risingbd
কীওয়ার্ড: চ কর চ কর সড়ক দ র ঘটন ন হত
এছাড়াও পড়ুন:
কলমাকান্দায় গারোদের নবান্ন উৎসব ‘ওয়ানগালা’ আয়োজন
‘শস্য দেবতার’ প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এবং ভালো ফসলের জন্য ধন্যবাদ স্বরূপ নেত্রকোণার কলমাকান্দায় দুই দিনব্যাপী নবান্ন উৎসব ‘ওয়ানগালা’ পালন করেছে গারো সম্প্রদায়।
শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) সকাল থেকে উপজেলার পাঁচগাঁও সেন্ট পিটার্স চার্চ সাব-প্যারিস গীর্জার মাঠে ধর্মীয় আচার, প্রার্থনা, আলোচনা ও নাচ-গানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বছরের সবচেয়ে বড় এই উৎসব।
উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চয়ন রিছিল। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নেত্রকোণা জেলা প্রশাসক সাইফুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ও কথাসাহিত্যিক মঈনুল হাসান, বাংলা একাডেমির কবি ও পরিচালক ড. সরকার আমিন এবং কলমাকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাইযুল ওয়াসীমা নাহাত।
এছাড়া অনুষ্ঠানে অংশ নেন বিএনপির কেন্দ্রীয় আইনবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ পিসিসি সংস্থার পরিচালক সিলভেস্টার গমেজ।
‘ওয়ানগালা’ শুধু উৎসব নয় এটি গারোদের কৃতজ্ঞতা, বিশ্বাস ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের অন্যতম একটি প্রকাশ।
উৎসবের সাংস্কৃতিক পর্বে গারো শিল্পীরা নিজস্ব ভাষায় গান পরিবেশন করেন। ছিল নতুন ধানের ফসল উৎসর্গ এবং ঐতিহ্যবাহী ‘জুম নাচ’। উৎসবে নারী-পুরুষরা ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরে অংশ নেন। কারো মাথায় খুতুপে পাগড়ি, কারো গলায় মোরগের পালক দিয়ে তৈরি অলংকার।
মাঠজুড়ে বসেছিল অস্থায়ী দোকান, যেখানে পাওয়া গেছে আদিবাসীদের হাতে তৈরি পোশাক, অলংকার ও খাবার। উৎসব আয়োজন করেছে বিরিশিরি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কালচারাল একাডেমি। সহযোগিতা করেছে কলমাকান্দার আলোক ও ইসিএলআরসি প্রকল্প।
ঢাকা/ইবাদ/এস