বন্দরের সমাজ সেবক মোঃ আব্দুল হালিম মিয়া (৮৩) আর নেই। ইন্না লিল্লাহি....... রাজিউন। গত শুক্রবার (১০ অক্টোবর)  রাত সোয়া  ১১ টায় পুরান বন্দর গনপাড়াস্থ তার নিজ বাস ভবনে বার্ধক্য জনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে  নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, তিন ছেলেসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। মরহুমের নামাজের জানাযা শনিবার (১১ অক্টোবর) বেলা ১১ টায় বন্দর কেন্দ্রীয় কবরস্থানে জানাযা শেষে উল্লেখিত কবরস্থানে দাফন সম্পর্ন হয়।

উল্লেখ্য, বন্দর গনপাড়া এলাকার সমাজ সেবক মরহুম আব্দুল হালিম মিয়া বন্দরে প্রবীণ সাংবাদিক এস, এম আব্দুল্লাহ বেয়াই ও বন্দর রাজবাড়ী এলাকার  বিএনপি নেতা মরহুম  রতন মিয়ার পিতা। 
 

.

উৎস: Narayanganj Times

কীওয়ার্ড: ন র য়ণগঞ জ

এছাড়াও পড়ুন:

সাব্বির এখন আর ‘বেওয়ারিশ’ নন

সাব্বির হোসেন মুন্না বাড়ি ফিরে আসবেন—এই অপেক্ষায় দিন গুনছিলেন মা মুক্তা বেগম। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও সন্ধান মেলেনি তাঁর। ‘ছেলে হয়তো কোথাও আছে’ এতটুকু আশা ছিল মায়ের বুকে। গত বছরের ৫ আগস্ট সকাল থেকেই এই আশায় বসে ছিলেন তিনি।

১৬ মাস পর মা মুক্তা বেগমের অপেক্ষার শেষ হয়েছে। গত সোমবার তিনি জানতে পেরেছেন, ছেলে আর ফিরবেন না কোনো দিন। তাঁকে বেওয়ারিশ লাশ হিসেবে দাফন করা হয়েছে জুরাইন কবরস্থানে। এখন কবরের সন্ধান পেয়েছেন, এটুকুতেই সান্ত্বনা খুঁজছেন তিনি।

গত বছরের ৫ আগস্ট জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের চূড়ান্ত দিনে ভোরে কাউকে কিছু না জানিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন ২৪ বছর বয়সী সাব্বির। এরপর আর ফেরেননি।

তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের দমন–পীড়নে কয়েক শ মানুষ নিহত হন ৫ আগস্টের আগেই। সেদিন শেখ হাসিনা ক্ষমতা ছেড়ে ভারতে চলে যাওয়ার আগে–পরেও পুলিশের গুলিতে নিহত হন অনেকে।

নিহত সবার পরিচয় তখন জানা যায়নি। বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করা হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে সাব্বিরও ছিলেন, তা এখন ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া গেল।

শেষ হলো অপেক্ষা

মুঠোফোনে মুক্তা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘এত দিন আশায় ছিলাম। মনে হইছিল অন্য কোথাও আছে। কিন্তু পাইলাম না। পরে শুনলাম, ছেলে নাই। এখন অন্তত জানতেছি—লাশটা কই আছে।’

ডিএনএ পরীক্ষায় মুক্তা বেগম নিশ্চিত হয়েছেন নিখোঁজ ছেলে সাব্বির আর ফিরবে না। ‘বেওয়ারিশ’ হিসেবে যে লাশটি জুরাইন কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে, তা সাব্বিরের। ৪৭৭ দিন বা প্রায় ১৬ মাস পর ছেলের এই খোঁজ পাওয়াটাই এখন এ পরিবারের একমাত্র সান্ত্বনা।

গত বছরের ১৮ আগস্ট নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও থানায় মুক্তা বেগম সাধারণ ডায়েরি করেছিলেন। এতে উল্লেখ করা হয়, ২৪ বছর বয়সী ছেলে সাব্বির ৫ আগস্ট কাউকে কিছু না বলে বাড়ি থেকে বের হন।

রোড নং-১১, লাইন উত্তর (পশ্চিম ১০), কবর নং-২০, জুরাইন কবরস্থান—চিরকুটে লেখা এই ঠিকানায় দাফন করা হয়েছে সাব্বিরের লাশ

সম্পর্কিত নিবন্ধ

  • সাব্বির এখন আর ‘বেওয়ারিশ’ নন