নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁও- সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনের জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত এমপি প্রার্থী প্রিন্সিপাল ড. মো. ইকবাল হোসাইন ভূঁইয়া বৃষ্টি উপেক্ষা করে পিরোজপুর ইউনিয়নের মঙ্গলেরগাঁও, বটতলা বাজার, শান্তির বাজার, দুধঘাটা ও পাঁচআনি এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ করেছেন। পাশাপাশি ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হাসপাতাল গেইট মসজিদের ইমাম মাওলানা আব্দুস সালামকে তার বাসায় দেখতে যান। 

শনিবার (১১ অক্টোবর ) সকাল থেকেই মুষলধারে বৃষ্টি শুরু হলেও তিনি তার পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি বাতিল করেননি। বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও অবিরাম গণসংযোগ চালিয়েছেন সকাল ০৯টা থেকে দুপুর ২:১৫ মি.

পর্যন্ত। 

এ সময় প্রার্থী প্রিন্সিপাল ড. মো. ইকবাল হোসাইন ভূঁইয়া পাঁয়ে হেঁটে হেঁটে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যান এবং ন্যায় ও ইনসাফের প্রতিক দাঁড়িপাল্লায় ভোট প্রার্থনা করেন। তিনি বলেন, আমরা পি আর পদ্ধতিতে নির্বাচন ও জুলাই সনদের গুরুত্বসহ জামায়াতের ৫ দফা দাবির যৌক্তিকতা তুলে ধরে দাঁড়িপাল্লার পক্ষে ভোট চাই ভোটারের ও দোয়া চাই সকলের।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে, প্রিন্সিপাল ড. মো. ইকবাল হোসাইন ভূঁইয়া বলেন, দলের কর্মীদের প্রতি ও জনগণের প্রতি আমার ভালোবাসা এবং তাদের সমর্থন আমাকে এই প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও থামতে দেয়নি। পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি সফল করতে হবে আমি বিশ্বাস করি। বৃষ্টির মতো সামান্য বাধা আমাদেরকে এই দায়িত্ব থেকে দূরে সরাতে পারেন না।

তিনি আরো বলেন, আমি বিশ্বাস করি, জনগণের সেবা করাই আমার প্রধান কর্তব্য। বৃষ্টির মতো সামান্য বাধা আমাদেরকে থামাতে পারে না। বর্তমান রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে প্রবল বৃষ্টি উপেক্ষা করেও জনগণের কাছে যাওয়া, তাদের সাথে সংযোগ স্থাপন করা এখন আমরা দ্বায়িত্ব মনে করছি।

তাই দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া সত্ত্বেও আমাদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বা জনগণের কল্যাণের জন্য কাজ করার অঙ্গীকার নিয়ে জনগণের কাছে পৌছতে চাই। মানুষের দুঃখ কষ্টের সঙ্গী হতে পারলেই তো একজন নেতা সত্যিকারের নেতা হতে পারেন। আমি সেই লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সোনারগাঁ দক্ষিণ এর বায়তুল মাল সেক্রেটারি এবং পিরোজপুর ইউনিয়ন পূর্ব সভাপতি নুরুল ইসলাম, পিরোজপুর ইউনিয়ন পশ্চিম সভাপতি জহিরুল ইসলাম সরকার, উপজেলা কর্ম পরিষদ সদস্য খন্দকার শাহ আলম সেক্রেটারি আবু তালিব, সহ-সভাপতি শাহ আলম খন্দকার, সোনারগাঁ থানা কর্মপরিষদ সদস্য আনোয়ার হোসেন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক  মামুনুর রশিদ, শাহ জালাল, দুধঘাটা ইউনিট সেক্রেটারি রফিকুল ইসলাম, দুর্গা প্রসাদ ইউনিক সভাপতি আলী আকবর, পাঁচআনি ইউনিট সেক্রেটারি নজরুল ইসলাম প্রমুখ।

উৎস: Narayanganj Times

কীওয়ার্ড: স ন রগ ও ন র য়ণগঞ জ ল ইসল ম জনগণ র স ন রগ ইকব ল

এছাড়াও পড়ুন:

এই মুহূর্তে বিচার, সংস্কার, নির্বাচনই দেশের মানুষের প্রধান স্বার্থ: জোনায়েদ সাকি

এই মুহূর্তে বিচার, সংস্কার, নির্বাচনই দেশের মানুষের প্রধান স্বার্থ উল্লেখ করে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেছেন, বর্তমানের বিদ্যমান সংবিধান না বদলালে জনগণের হাতে ক্ষমতা আসবে না। কারণ, সংবিধানের অগণতান্ত্রিকতার সুযোগে একজন ব্যক্তির হাতে সব ক্ষমতা কুক্ষিগত ছিল।

শুক্রবার বিকেলে গণসংহতি আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর শাখার উদ্যোগে আয়োজিত মিছিলের পর সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জোনায়েদ সাকি এ মন্তব্য করেন। ​নগরের খানপুর মেট্রো হলের সামনে থেকে দলের নির্বাচনী প্রতীক ‘মাথাল’ নিয়ে মিছিলটি শুরু হয় এবং শহরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে নিতাইগঞ্জে গিয়ে শেষ হয়।

​সমাবেশে জোনায়েদ সাকি বলেন, শেখ হাসিনা সংবিধানের অগণতান্ত্রিকতার সুযোগ নিয়ে স্বৈরাচার হয়ে উঠতে পেরেছিলেন। সংবিধানে অনেক অধিকারের কথা বলা থাকলেও কার্যত এক ব্যক্তির হাতে সব ক্ষমতা কুক্ষিগত ছিল। এর ফলে বাংলাদেশের মানুষের অধিকার ও ক্ষমতা এত দিন প্রতিষ্ঠিত হয়নি। বর্তমান বিদ্যমান সংবিধান না বদলালে জনগণের হাতে ক্ষমতা আসবে না। এ কথা শুরু থেকে বলে আসছে গণসংহতি আন্দোলন।

জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘অভ্যুত্থানের পরও আমরা কথা বলা থামাইনি। জুলাই সনদ তৈরিতে আমরা গুরুত্বপূর্ণ মতামত দিয়েছি, যাতে ভবিষ্যতে আর কেউ ফ্যাসিস্ট হয়ে উঠতে না পারে। এখন দায়িত্ব জনগণের। চোর-লুটেরাদের ভোট দিলে তারা আবার ফাঁকফোকর খুঁজবে।’

জনগণের স্বার্থই গণসংহতি আন্দোলনের স্বার্থ বলে উল্লেখ করেন জোনায়েদ সাকি। তিনি তাঁর দলের প্রতীক ‘মাথাল’ মার্কায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আমাদের নেতা-কর্মীরা গত ১৬ বছর রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে লড়াই করেছেন, অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তাঁদের ওপর ভরসা রাখুন এবং মাথাল মার্কাকে বিজয়ী করুন।’

জোনায়েদ সাকি বলেন, শেখ হাসিনা গায়ের জোরে তিনটি নির্বাচন করেছিল। এর মাধ্যমেই তারা সারা দেশে সহিংসতা শুরু করার ম্যান্ডেট পেয়েছে। নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যাকে লাশের নদীতে পরিণত করেছে। তিনি বলেন, ‘এই শামীম ওসমান গং ত্বকীকে হত্যা করেছে। সাত খুন করেছে।’

সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন দলের জেলা সমন্বয়কারী তরিকুল সুজন, নির্বাহী সমন্বয়কারী অঞ্জন দাস, মহানগর সমন্বয়কারী বিপ্লব খান, নির্বাহী সমন্বয়কারী পপি রানী সরকার, জেলার যুগ্ম সমন্বয়কারী আলমগীর হোসেন আলম ও মহানগর কমিটির সদস্য ফারহানা মানিক।

সম্পর্কিত নিবন্ধ

  • এই মুহূর্তে বিচার, সংস্কার, নির্বাচনই দেশের মানুষের প্রধান স্বার্থ: জোনায়েদ সাকি
  • জামায়াতের আমিরের দৃষ্টিতে ফ্যাসিবাদীদের ৫ লক্ষণ, সব লক্ষণ এখনো বিদ্যমান
  • স্বাস্থ্যসেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে কাজ করছি : সাখাওয়াত
  • জনতার এই উদ্যোগ প্রশংসনীয়
  • ঈশ্বরদীতে যা ঘটে গেল তা হঠাৎ করে হয়নি: জামায়াত আমির
  • সিলেটের ছয়টি আসনে বিজয় নিশ্চিত করতে বিএনপি ঐক্যবদ্ধ: বিএনপি নেতা কাইয়ুম চৌধুরী
  • জনগণের সম্পত্তির প্রতি শেখ হাসিনার ছিল লোভাতুর দৃষ্টি: আদালত
  • দুর্নীতি প্রতিরোধে ইসলামী শাসনের বিকল্প নেই : ইলিয়াস আহমদ
  • ‘নির্বাচন সামনে রেখে আওয়ামী লীগ আগুন সন্ত্রাসে মেতে উঠেছে’
  • ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে জনগণের টাকা লুট হয়েছে: সাইদ আহমেদ