জাপানের ওকায়ামা শোকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর
Published: 10th, November 2025 GMT
বাংলাদেশের ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি এবং জাপানের ওকায়ামা শোকা বিশ্ববিদ্যালয় আজ সোমবার (১০ নভেম্বর ২০২৫) শিক্ষার্থী বিনিময় কর্মসূচি চালুর লক্ষ্যে জাপানের ওকায়ামাতে এক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে।
ওকায়ামা শোকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক আকিও ইজিরি এবং ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির পক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির সহ–উপাচার্য আসিক মোসাদ্দিক এই সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত জাপানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো.
বর্তমানে ওকায়ামা শোকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে চীনের ৬০টি এবং দক্ষিণ কোরিয়ার ৩টি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বিনিময় কর্মসূচি রয়েছে, পাশাপাশি ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে নতুন অংশীদারত্ব প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়া চলছে।
সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের মাধ্যমে দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে পারস্পরিক শিক্ষার্থী বিনিময়, সাংস্কৃতিক সহযোগিতা, যৌথ গবেষণা ও শিক্ষা খাতে সহযোগিতা আরও জোরদার এবং স্নাতক কোর্সের তৃতীয় ও চতুর্থ বর্ষে জাপানের শোকা বিশ্ববিদ্যালয়য়ে পড়াশোনা করার সুযোগ সৃষ্টি হবে। এর ফলে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য জাপানে কর্মসংস্থানের সুযোগও বৃদ্ধি পাবে।
আরও পড়ুনসহকারী শিক্ষকদের বেতন গ্রেড ১১ করতে মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব, হলে কত টাকা লাগবে০৯ নভেম্বর ২০২৫শিক্ষার্থী বিনিময় কর্মসূচির বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া ও প্রথম পর্যায়ের সূচি শিগগিরই ঘোষণা করা হবে। বিজ্ঞপ্তি
উৎস: Prothomalo
এছাড়াও পড়ুন:
নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত জেলেনস্কি
প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন, ইউক্রেন ‘নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত।’ কিয়েভ নির্বাচন এড়াতে ‘যুদ্ধকে ব্যবহার করছে’ বলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করার পরে বুধবার জেলেনস্কি এ ঘোষণা দিলেন।
প্রেসিডেন্ট হিসেবে জেলেনস্কির পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৪ সালের মে মাসে শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু রাশিয়ার আক্রমণের পর সামরিক আইন জারি হওয়ায় ইউক্রেনে নির্বাচন স্থগিত রয়েছে।
পলিটিকোতে ট্রাম্পের ব্যাপক সমালোচনামূলক সাক্ষাৎকারের ব্যাপারে জানতে চাইলে জেলেনস্কি জানান, তিনি আইন পরিবর্তনের জন্য প্রস্তাব তৈরি করতে বলবেন। যদি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং অন্যান্য মিত্রদের সহায়তায় ভোটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয় তবে আগামী ৬০ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে।
তিনি বলেন, “আমি এখনই অনুরোধ করছি, এবং আমি প্রকাশ্যেই বলছি, নির্বাচনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আমাকে, সম্ভবত আমাদের ইউরোপীয় সহকর্মীদের সঙ্গে মিলে সাহায্য করুক। আমাদের অংশীদারদের প্রতি যথাযথ শ্রদ্ধা রেখে বলছি, আমি বিশ্বাস করি, ইউক্রেনে নির্বাচনের বিষয়টি সর্বপ্রথম আমাদের জনগণের উপর নির্ভর করে এবং এটি ইউক্রেনের জনগণের জন্য একটি প্রশ্ন, অন্যান্য দেশের জনগণের উপর নয়।”
তিনি আরো বলেন, “আমি বলতে শুনেছি যে আমরা ক্ষমতা আঁকড়ে আছি অথবা আমি ব্যক্তিগতভাবে রাষ্ট্রপতির পদ আঁকড়ে আছি এবং কারণেই যুদ্ধ শেষ হচ্ছে না। এটি সম্পূর্ণ অযৌক্তিক আখ্যান।”
প্রসঙ্গত, জেলেনস্কি ২০১৯ সালে ৭৩ শতাংশেরও বেশি ভোট পেয়ে নির্বাচনে জয়লাভ করেছিলেন।
ঢাকা/শাহেদ