যে ৭টি বিষয় আমরা কেবল ভয়াবহ দুঃসময়ে আবিষ্কার করি
Published: 10th, November 2025 GMT
১. আপনার শক্তি
তীব্র বেদনা, হতাশা, বিষণ্নতা আমাদের ভেতর থেকে চুরমার করে দেয়। সেই সঙ্গে নিজেকে নতুন করে চিনতেও শেখায়। বেঁচে থাকার সংগ্রাম আপনার নিজেরই এমন এক সংস্করণের মুখোমুখি দাঁড় করায়, যাকে আপনি চিনতেন না।
আপনার ভেতরে যে সেই সত্তা সুপ্ত ছিল, আপনি কখনো জানতেন না। নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে থাকার লড়াইয়ে আপনি কখনো জানতেন না—এই তুমুল স্রোতের বিপরীতে আপনি এভাবেও প্রতিরোধ গড়ে টিকে থাকতে পারতেন।
এটাই খারাপ সময়ের সৌন্দর্য, নিজের ভেতরের শক্তি বের করে আনে। আপনার সঙ্গে যখন আপনার পদ, পদবি, সম্পদ, সম্পর্ক, স্বস্তি—কিছুই থাকে না, তখন আপনি সত্যিকারের ‘আমার আমি’র মুখোমুখি হন।
নিজের সঙ্গে আপনার নিজের বোঝাপড়া দৃঢ় হয়। এ জন্যই বলা হয়—‘লুজ এভ্রিথিং টু ফাইন্ড ইয়োরসেলফ’। আপনি কি সব হারিয়ে নিজেকে পাওয়ার জন্য প্রস্তুত?
২.কেউ কাউকে উদ্ধার করতে আসে না
আপনি যখন চূড়ান্ত বিপদে পড়েন, তখন আপনার সঙ্গে একমাত্র যে থাকে, সে আপনি নিজে। আপনি মনের গহিনে, মাথার ভেতরে যে অন্ধকার সুড়ঙ্গ পার করেন, সেখানে কেউ আপনার সঙ্গী হয় না।
সেই যাত্রার একমাত্র যাত্রী আপনি নিজে। আর আপনি নিজেই নিজেকে উদ্ধার করেন। আপনজন বা বন্ধুবান্ধব আপনাকে ওই সুড়ঙ্গ থেকে বের হতে সাহায্য করেন; তবে নিজেকে বের করে নিয়ে আসেন আপনি নিজেই।
আরও পড়ুনকলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটির গবেষণা: পরিবারের সঙ্গে বসে খাবার খেলে শিশু–কিশোরদের পরীক্ষার ফল ভালো হয়৮ ঘণ্টা আগে৩. সম্পদের চেয়ে স্থিতি, শান্তিই আপনার কাছে মুখ্য হয়ে ওঠেএকবার সবকিছু হারিয়ে ফেলার পর আপনার কাছে বস্তুবাচক জিনিস আর মুখ্য থাকে না। তখন আপনার মানসিক শান্তি, নিরাপত্তা আর স্থিতিশীলতাই জরুরি হয়ে ওঠে। আপনি ‘আরও চাই’ থেকে ‘যা আছে তা-ই যথেষ্ট’–তে বিশ্বাসী হয়ে ওঠেন।
৪. দুঃসময়ে আপনি নিজেকে চেনেন, চেনেন অন্যকেওআপনি যখন জীবনের খারাপ সময়ের ভেতর দিয়ে যান, আপনার ফোন খুব কমই বেজে ওঠে। সে সময়েও যেসব মানুষ আপনার খোঁজখবর নেন, পাশে থাকেন, ভালো অনুভব করান, কেবল তাঁদেরই জীবনে রাখুন।
একবার যখন আপনি জীবনে সব হারিয়ে ফেলেন, তখনই আপনি বোঝেন, মানুষের ভালোভাবে বেঁচে থাকার জন্য আদতে খুব বেশি কিছুর প্রয়োজন নেইউৎস: Prothomalo
এছাড়াও পড়ুন:
অন্তরঙ্গ দৃশ্যের কারণেই সামান্থার বিবাহবিচ্ছেদ হয়
কিছুদিন আগেই নির্মাতা রাজ নিধুমুরুর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন সামান্থা রুথ প্রভু। এর আগে তিনি বিয়ে করেছিলেন তেলেগু তারকা নাগা চৈতন্যকে; কিন্তু বিয়ের মাত্র তিন বছরের মধ্যেই বিচ্ছেদের ঘোষণা দেন তাঁরা। নির্মাতা রাজ ও ডিকের সিরিজ ‘দ্য ফ্যামিলি ম্যান ২’–এ অভিনয় করেন সামান্থা। সেই সিরিজের একটি ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয় করতে গিয়েই নাকি নাগার সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়।
বিবাহবিচ্ছেদের পেছনের গুঞ্জন
সামান্থা ও নাগা চৈতন্যকে টলিউডের ‘পারফেক্ট কাপল’ হিসেবে ধরা হতো। তবে তাঁদের বিচ্ছেদ ঘোষণা হওয়ার পরই সবাই ভেবেছিলেন, কী কারণে এই সম্পর্ক শেষ হলো। অনেকের মতে, সামান্থার সাহসী চরিত্রের কারণেই সম্পর্কের অবসান ঘটেছে।
একটি সূত্রে জানা যায়, সামান্থার ‘দ্য ফ্যামিলি ম্যান ২’ সিরিজের দৃশ্যটি নাগা ও তাঁর পরিবারের কাছে গ্রহণযোগ্য ছিল না। যদিও সিরিজটির জন্য আরেকটি অন্তরঙ্গ দৃশ্যের শুটিং করেন সামান্থা, কিন্তু পরে সেটা সম্পাদনায় বাদ পড়ে। কিন্তু যে দৃশ্যটি প্রচারিত হয়, সেটা নিয়েও আপত্তি ছিল। নাগা তো বটেই, তাঁর সাবেক শ্বশুর নাগার্জুনারও আপত্তি ছিল। তবে সামান্থা এই ‘পিতৃতান্ত্রিক’ মানসিকতা মানতে অস্বীকার করেন, যা শেষ পর্যন্ত তাঁদের বিচ্ছেদের কারণ হিসেবে বিবেচিত হয়।