ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী অর্চিতা স্পর্শিয়া। শুধু অভিনেত্রী নন, স্পষ্টভাষী হিসেবেও তার সুনাম রয়েছে। ফলে প্রায়ই আলোচনায় থাকেন। এবার মেয়েদের নিয়ে যারা কটূক্তি করেন, তাদের উদ্দেশ্যে বিশেষ বার্তা দিয়েছেন এই অভিনেত্রী।  

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্টে অর্চিতা স্পর্শিয়া বলেন, “যাকে নিয়ে যা ইচ্ছা তা বানিয়ে বলে দিলেই কিছু প্রমাণ হয় না। না তো যাকে ছোট করার চেষ্টা করেন সে ছোট হয়, না তো কাউকে ছোট করে আপনি বড় হন। অযথা শুধু নোংরামি ছড়ানো হয়।” 

আরো পড়ুন:

বিয়ে করেছেন প্রিয়াঙ্কা জামান

ছাগলের তিন নাম্বার বাচ্চা থেকে নায়ক হয়েছি: শুভ

পরামর্শ দিয়ে অর্চিতা স্পর্শিয়া বলেন, “আর কোনো মেয়েকে নিয়ে বাজে কথা বলা পারিবারিক মানসিক অসুস্থতা। দেশ, সমাজ এবং আমাদের জীবন চলা উচিত—সুস্থ রাজনীতি, সুস্থ মন-মানসিকতা এবং সুশিক্ষার ওপর।” 

অর্চিতার এই বক্তব্য দ্রুতই ছড়িয়ে পড়ে অনলাইনে। অনেকেই তার সরল ও দৃঢ় অবস্থানের প্রশংসা করেন, কেউ কেউ বিষয়টিকে বর্তমান সমাজে নারীদের প্রতি অবমাননাকর আচরণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ভাষা হিসেবে দেখছেন। তবে কী কারণে এই স্ট্যাটাস দিয়েছেন সে বিষয়টি পরিষ্কার করেননি এই অভিনেত্রী।  

অর্চিতা স্পর্শিয়া অভিনয়জীবন শুরু করেন ‘বন্ধু তিন দিন’ শিরোনামের বিজ্ঞাপনচিত্রের মাধ্যমে, যা ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। এরপর একের পর এক নাটক ও বিজ্ঞাপনে নিজের প্রতিভার ছাপ রেখে দর্শকদের প্রিয় মুখ হয়ে উঠেছেন। বিশেষ করে ‘ইম্পসিবল ৫’ নাটকে তার অভিনয় ব্যাপক পরিচিতি ও জনপ্রিয়তা এনে দেয়। তাছাড়া ওয়েব সিরিজ কিংবা চলচ্চিত্র—সব মাধ্যমেই নিজের অবস্থান প্রমাণ করেছেন স্পর্শিয়া।

ঢাকা/রাহাত/শান্ত

.

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর ট ভ ন টক চলচ চ ত র স পর শ য় অর চ ত

এছাড়াও পড়ুন:

রায়েদ সাদকে হত্যা যুদ্ধবিরতির স্পষ্ট লঙ্ঘন: হামাস

গাজা নগরীতে ইসরায়েলের হামলায় দলের জ্যেষ্ঠ কমান্ডার রায়েদ সাদ নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করেছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। এর আগে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী এক বিবৃতিতে গতকাল শনিবার হামাসের এই নেতাকে হত্যার দাবি করেছিল।

শনিবারের ওই হামলায় ৫ জন নিহত এবং অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ।

হামাস এ হামলার বিষয়ে বিবৃতি দিলেও প্রথমে রায়েদ সাদ নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেনি। তখন হামাস বলেছিল, গাজা নগরের বাইরে একটি বেসামরিক গাড়িতে হামলা হয়েছে। এই হামলা অক্টোবর থেকে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

পরে আজ রোববার এক ভিডিও বার্তায় হামাসের গাজাপ্রধান খলিল আল-হাইয়া বলেন, গাজায় ইসরায়েলের হামলায় নিহত পাঁচজনের মধ্যে রায়েদ সাদও রয়েছেন।

খলিল আল-হাইয়া বলেন, ‘ইসরায়েল বারবার যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে যাচ্ছে, যার সর্বশেষ সংযোজন হামাস কমান্ডারকে (রায়েদ সাদ) হত্যা। গতকালই এ ঘটনা ঘটেছে। এই প্রেক্ষাপটে আমরা সব মধ্যস্থতাকারী এবং বিশেষ করে চুক্তির প্রধান নিশ্চয়তাদাতা হিসেবে মার্কিন প্রশাসন ও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে আহ্বান জানাই, তাঁরা যেন ইসরায়েলকে যুদ্ধবিরতি চুক্তি সম্মান করতে ও তা মেনে চলতে বাধ্য করেন।’

রায়েদ সাদ হত্যাকাণ্ড অক্টোবরে গাজায় একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হওয়ার পর হামাসের শীর্ষ পর্যায়ের কোনো নেতাকে হত্যার প্রথম ঘটনা।

এর আগে টেলিগ্রামে এক পোস্টে ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী বলেছিল, ওই কমান্ডার (রায়েদ সাদ) হামাসের সক্ষমতা পুনর্গঠনে কাজ করছিলেন। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর গাজা থেকে ইসরায়েলে হামাসের হামলা পরিকল্পনাকারীদের একজন ছিলেন তিনি।

আরও পড়ুনজ্যেষ্ঠ হামাস নেতা রায়েদ সাদকে হত্যার দাবি ইসরায়েলের১৭ ঘণ্টা আগে

রায়েদ সাদ হত্যাকাণ্ড অক্টোবরে গাজায় একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হওয়ার পর হামাসের শীর্ষ পর্যায়ের কোনো নেতাকে হত্যার প্রথম ঘটনা।

একজন ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে বলেছেন, রায়েদ সাদকে লক্ষ্য করেই এ হামলা চালানো হয়েছিল। তিনি রায়েদ সাদকে হামাসের অস্ত্র তৈরি শাখার প্রধান বলে দাবি করেন।

হামাস সূত্র রায়েদ সাদকে হামাসের সশস্ত্র শাখা কাসাম ব্রিগেডের সেকেন্ড ইন কমান্ড তথা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ কর্মকর্তা বলে জানিয়েছে। এই সূত্রগুলো বলেছে, সাদ আগে হামাসের গাজা সিটি ব্যাটালিয়নের প্রধান ছিলেন। হামাসের সবচেয়ে বড় ও অস্ত্রসজ্জিত ব্যাটালিয়নের একটি এটি।

অক্টোবরে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও গাজায় ইসরায়েলের হামলা থামেনি। অক্টোবরে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর ইসরায়েলের প্রায় ৮০০ বার গাজায় হামলা চালিয়ে কমপক্ষে ৩৮৬ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে

আরও পড়ুনগাজার ‘হলুদ রেখা’ থেকে সরবে না সেনা, এটিই নতুন সীমান্ত: ইসরায়েলি বাহিনীর প্রধান০৯ ডিসেম্বর ২০২৫

সম্পর্কিত নিবন্ধ