বাংলাদেশ অভিজ্ঞ দল, কামব্যাক করতেই পারে: জয়সুরিয়া
Published: 4th, July 2025 GMT
চলমান ওয়ানডে সিরিজে প্রথম ম্যাচে ৭৭ রানে হেরে পিছিয়ে পড়েছে বাংলাদেশ। ব্যাটিং ব্যর্থতা, আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি সব মিলিয়ে সময়টা ভালো যাচ্ছে না লাল-সবুজের। তবে সিরিজে এখনই হতাশ হওয়ার কারণ দেখছেন না প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কার প্রধান কোচ সনাৎ জয়সুরিয়া।
আগামীকাল (৫ জুলাই) অনুষ্ঠিতব্য দ্বিতীয় ওয়ানডের আগে সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রশংসা করেন সাবেক এই লঙ্কান কিংবদন্তি। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ অভিজ্ঞ ও ভালো দল। তারা অনেক আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলেছে। আমার বিশ্বাস, তারা কামব্যাক করতেই পারে।’
প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কার জয়ের নায়ক ছিলেন লেগ স্পিনার ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা। রিশাদ হোসেনকে একাদশে ফেরানো হলে বাংলাদেশের পক্ষ থেকেও হতে পারে পাল্টা স্পিন আক্রমণ। এ বিষয়ে জয়সুরিয়া বলেন, ‘আমি জানি না তারা কাকে খেলাবে। তবে যে দলই আসুক না কেন, আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে। আত্মবিশ্বাসী হলেও কোনো কিছু আমরা হালকাভাবে নিচ্ছি না। জিততে হলে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে।’
প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশের ব্যাটিং ধস সম্পর্কে জয়সুরিয়ার বিশ্লেষণ, ‘প্রথম ১৫ ওভারে বাংলাদেশ খুব ভালো খেলছিল। তবে আমরা শান্ত থেকে চাপ ধরে রেখেছি। মিলান রাথনায়েকে গুরুত্বপূর্ণ ব্রেকথ্রু এনে দেয়, এরপর লিয়ানাগের অসাধারণ ক্যাচ খেলা ঘুরিয়ে দেয়। এরপর থেকে আমরা ধারাবাহিকভাবে চাপ বাড়িয়ে যাই।’
কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডে অনুষ্ঠিত হবে আগামীকাল ৫ জুলাই। ম্যাচ জিতলে সিরিজে সমতা ফেরাতে পারবে বাংলাদেশ, হারলে সিরিজ হাতছাড়া।
.উৎস: Samakal
এছাড়াও পড়ুন:
বিয়ে করে সংসারী পপি, ইরিন নিউজার্সিতে, সিমলা ও জেবা কোথায়
অভিনয়ে কেউ ৩৫ বছর, আবার কেউ–বা পার করেছেন ২৫ বছর। নব্বই দশকে ঢালিউডে আলো ছড়ানো এমন নায়িকা প্রায় ডজনখানেক। তাঁদের কাউকে এখন আর সেই অর্থে অভিনয়ে দেখা যায় না। দু-একজন আবার বিনোদন অঙ্গনে কাজের ধরন বদলে ফেলেছেন। নায়িকার চরিত্রে অভিনয় না করলেও উপস্থাপনা ও বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বিচারকাজে নিজেকে ব্যস্ত রেখেছেন। একনজরে দেখে নেওয়া যাক নব্বই দশকে আলো ছড়ানো নায়িকাদের এখন কে কী করছেন, কোথায় আছেন?
পপি : ছয় ভাইবোনের মধ্যে পপি সবার বড়। তাঁর বাবা আমির হোসেন পেশায় একজন ঠিকাদার। মা মরিয়ম বেগম গৃহিণী। তাঁর জন্ম খুলনা শহরের সোনাডাঙ্গায়। তিনি যখন খুলনার একটি স্কুলে নবম শ্রেণিতে পড়তেন, তখন লাক্স আনন্দ বিচিত্রা ফটোসুন্দরী প্রতিযোগিতা চলছিল। পত্রিকায় এই খবর দেখে তাঁর মা পপির ছবি পাঠান। এরপর মায়ের ইচ্ছায় পপি ওই প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। কিশোরী পপি সবাইকে অবাক করে লাক্স আনন্দ বিচিত্রা ফটোসুন্দরী চ্যাম্পিয়ন হন। এরপর তাঁকে নিয়ে শুরু হয় আলোচনা। এর মধ্যে শেষ হয় স্কুলজীবন। এরপর মাকে সঙ্গে করে পপি চলে আসেন ঢাকায়। ভর্তি হন লালমাটিয়া মহিলা কলেজে।
পপি