কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলায় পৃথক অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদক ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে বিজিবির সদস্যরা। উখিয়া ৬৪ বিজিবি ব্যাটালিয়ন পরিচালিত এ অভিযানে ৭০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

সোমবার (১৩ অক্টোবর) রাতে অভিযান পরিচালনা করা হয় বলে জানিয়েছেন উখিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন।

আরো পড়ুন:

লালন মেলায় মাদক কারবারিদের মারধরে সাংবাদিক আহত

মাদক বিক্রিতে বাধা দেওয়ায় গ্রাম পুলিশকে মারধরের অভিযোগ

লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন জানান, সোমবার (১৩ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে পালংখালী বিওপির বিশেষ টহলদল সীমান্ত পিলার বিডি-১৯ থেকে প্রায় ২ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্ব দিকে কাটাখাল মিজানের ঘের এলাকায় অবস্থান নেয়। এ সময় মিয়ানমার দিক থেকে একজন ধানক্ষেতের ভেতর দিয়ে বাংলাদেশে আসতে দেখে বিজিবি সদস্যরা তাকে চ্যালেঞ্জ করলে তিনি হাতে থাকা রঙিন কাপড়ে মোড়ানো একটি পোটলা ফেলে নাফ নদী পাড়ি দিয়ে পালিয়ে যায়। 

পরে ঘটনাস্থল তল্লাশি করে রঙিন কাপড়ে মোড়ানো ব্যাগে মোট ৩০ হাজার ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

এছাড়া সোমবার (১৩ অক্টোবর) দিবাগত রাত ২টার দিকে হ্নীলা বিওপিতে স্থাপিত রাডারের মাধ্যমে সীমান্ত পিলার বিআরএম-১২ এলাকার উত্তর-পূর্ব দিকে সন্দেহজনক গতিবিধি লক্ষ্য করা যায়। পরে বিজিবির বিশেষ টহলদল সেখানে ফাঁদ পেতে অভিযান চালায়। এক চোরাকারবারি জালিয়াপাড়া সুইচগেটের কাছে আসলে তাকে চ্যালেঞ্জ করলে হাতে থাকা কালো প্লাস্টিক ব্যাগ ফেলে নাফ নদীতে ঝাঁপ দেয়।

ঘটনাস্থল থেকে ব্যাগ উদ্ধার করে তাতে ৪০ হাজার ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়া যায়। 

লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন জানান, পলাতক মাদক চোরাকারবারিদের শনাক্ত করতে গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত ইয়াবা উখিয়া ও টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

ঢাকা/তারেকুর/বকুল

.

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর উদ ধ র ট য বল ট

এছাড়াও পড়ুন:

নতুন প্রজন্মের কণ্ঠে পুরোনো বাংলা গান

ঠিকানা ১৩৮ ইস্ট, গুলশান–১। রাজধানীর গুলশান–১–এর ১৩৮ নম্বর রোডে এর অবস্থান। আগে রেস্তোরাঁ ছিল। এখন ফাঁকা। সেখানে প্রায় ২০০ আসন বসিয়ে দারুণ এক সংগীতসন্ধ্যার আয়োজন দেখা হলো গত শুক্রবার সন্ধ্যায়। দর্শনীর বিনিময়ে প্রায় দুই ঘণ্টা দর্শক শুনলেন বাংলা গান। নতুন প্রজন্মে শিল্পীদের কণ্ঠে চিরায়ত, পুরোনো দিনের বাংলা গান।

নন্দিতা ও শুভেন্দুর গানের দল মোজি অ্যান্ড কোম্পানি ও শিল্পী অনিমেষ রায়কে নিয়ে এই পরিবেশনার নাম ছিল ‘তারা আনপ্লাগড’। কখনো নন্দিতা ও শুভেন্দু, কখনো অনিমেষ আবার কখনো তিনজন মিলে গান গেয়েছেন। সবই বাংলা গান এবং তা পুরোনো আমলের। তাঁরা একে এক গেয়ে শোনান ‘ময়ূরকণ্ঠী’, ‘দাঁড়ালে দুয়ারে’, ‘আকাশ এত মেঘলা’, ‘এ গানে প্রজাপতি’, ‘নাসেক নাসেক’, ‘ভবের দেশ’, ‘লাল পাহাড়ের দেশে’ ইত্যাদি জনপ্রিয় গান। তিনজনে মিলে গাইলেন ‘আহা কী আনন্দ’, ‘কতই রঙ্গ দেখি দুনিয়ায়’। প্রতিটি পরিবেশনা আধুনিক যন্ত্র সংগতে হয়ে উঠেছিল হৃদয়ছোঁয়া।

নন্দিতা ও শুভেন্দুর গানের দল মোজি অ্যান্ড কোম্পানি ও শিল্পী অনিমেষ রায়কে নিয়ে এই পরিবেশনার নাম ছিল ‘তারা আনপ্লাগড’। আয়োজকদের সৌজন্যে

সম্পর্কিত নিবন্ধ