ডুয়েটে শিক্ষকসহ ২০ ক্যাটাগরির পদে নিয়োগ
Published: 11th, November 2025 GMT
ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ৪র্থ থেকে ২০তম গ্রেডের ৩৫টি পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করতে হবে। আবেদনের শেষ সময় ২ ডিসেম্বর ২০২৫।
পদের নাম ও বিবরণ
১. সহযোগী অধ্যাপক
পদসংখ্যা: ০২ (পুরকৌশল বিভাগ–০১, যন্ত্রকৌশল বিভাগ–০১)
বেতন স্কেল ও গ্রেড: ৫০,০০০-৭১,২০০ টাকা (গ্রেড–৪)
২. প্রভাষক
পদসংখ্যা: ০৬ (পুরকৌশল বিভাগ-০১, তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগ–০২, যন্ত্রকৌশল বিভাগ-০২, ম্যাটেরিয়ালস অ্যান্ড মেডিলার্জিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ–০১)
বেতন স্কেল ও গ্রেড: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা (গ্রেড-৯)
৩.
পদসংখ্যা: ০২ (ইনস্টিটিউট অব এনার্জি ইঞ্জিনিয়ারিং–০১, ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি–০১)
বেতন স্কেল ও গ্রেড: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা (গ্রেড-৯)
৪. প্রভাষক
পদসংখ্যা: ০১ (সেন্টার ফর ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি রিসার্চ)
বেতন স্কেল ও গ্রেড: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা (গ্রেড-৯)
৫. প্রভাষক
পদসংখ্যা: ০১ (ইনস্টিটিউট অব ওয়াটার অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট)
বেতন স্কেল ও গ্রেড: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা (গ্রেড-৯)
৬. পরিকল্পনা ও উন্নয়ন কর্মকর্তা
পদসংখ্যা: ০১
বেতন স্কেল ও গ্রেড: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা (গ্রেড-৯)
৭. প্রকিউরমেন্ট অফিসার
পদসংখ্যা: ০১
বেতন স্কেল ও গ্রেড: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা (গ্রেড-৯)
৮. অ্যাসিস্ট্যান্ট নেটওয়ার্ক ইঞ্জিনিয়ার (আইসিটি সেল)
পদসংখ্যা: ০১
বেতন স্কেল ও গ্রেড: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা (গ্রেড-৯)
৯. সেকশন অফিসার (ডিন অফিস, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদ)
পদসংখ্যা: ০১
বেতন স্কেল ও গ্রেড: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা (গ্রেড-৯)
১০. সহকারী টেকনিক্যাল অফিসার (যন্ত্রকৌশল বিভাগ)
পদসংখ্যা: ০১
বেতন স্কেল ও গ্রেড: ১৬,০০০-৩৮,৬৪০ টাকা (গ্রেড-১০)আরও পড়ুনট্রাফিক সহায়কের খণ্ডকালীন চাকরি, শিক্ষার্থীদের সুবিধার থেকে শঙ্কা বেশি ১১ ঘণ্টা আগে
১১. ক্যাশিয়ার (কম্পট্রোলার অফিস)
পদসংখ্যা: ০১
বেতন স্কেল ও গ্রেড: ১১,৩০০-২৭,৩০০ টাকা (গ্রেড-১২)
১২. সিনিয়র অফিস অ্যাসিস্ট্যান্ট কাম কম্পিউটার অপারেটর (সংস্থাপন শাখা, রেজিস্ট্রার অফিস)
পদসংখ্যা: ০২
বেতন স্কেল ও গ্রেড: ১১,০০০-২৬,৫৯০ টাকা (গ্রেড-১৩)
১৩. ল্যাব সহকারী (যন্ত্রকৌশল বিভাগ)
পদসংখ্যা: ০১
বেতন স্কেল ও গ্রেড: ১১,০০০-২৬,৫৯০ টাকা (গ্রেড-১৩)
১৪. অফিস অ্যাসিস্ট্যান্ট কাম কম্পিউটার অপারেটর
পদসংখ্যা: ০১
বেতন স্কেল ও গ্রেড: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা (গ্রেড-১৬)
১৫. প্লাম্বার (প্রকৌশল অফিস)
পদসংখ্যা: ০১
বেতন স্কেল ও গ্রেড: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা (গ্রেড-১৬)
১৬. সাব-স্টেশন অ্যাটেনডেন্ট/জেনারেটর অপারেটর (প্রকৌশল অফিস)
পদসংখ্যা: ০১
বেতন স্কেল ও গ্রেড: ৯,০০০-২১,৮০০ টাকা (গ্রেড-১৭)
১৭. অফিস সহায়ক
পদসংখ্যা: ০১
বেতন স্কেল ও গ্রেড: ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা (গ্রেড-২০)
১৮. সহকারী বাবুর্চি
পদসংখ্যা: ০১
বেতন স্কেল ও গ্রেড: ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা (গ্রেড-২০)
১৯. নিরাপত্তাপ্রহরী
পদসংখ্যা: ০৬
বেতন স্কেল ও গ্রেড: ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা (গ্রেড-২০)
২০. পরিচ্ছন্নতাকর্মী
পদসংখ্যা: ০৩
বেতন স্কেল ও গ্রেড: ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা (গ্রেড-২০)
বয়সসীমা
৬ থেকে ১৮ নম্বর পদের জন্য ১৮ থেকে ৩২ বছর।
আবেদনের নিয়ম
https://career.duetbd.org/ ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। ১ নম্বর পদের জন্য অনলাইনে আবেদন করার পর করার আবেদনপত্র প্রিন্ট করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ ডাকযোগে প্রেরণ করতে হবে।
আবেদন ফি
০১ থেকে ১০ নম্বর পদের জন্য ২০০টাকা।
১১ নম্বর পদের জন্য ১৫০ টাকা।
১২ থেকে ১৬ নম্বর পদের জন্য ১০০ টাকা।
১৭ থেকে ২০ নম্বর পদের জন্য ৫০ টাকা।
আবেদনের শেষ তারিখ: ২ ডিসেম্বর ২০২৫, রাত ১১টা ৫৯ মিনিট।
পূর্ণাঙ্গ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি https://www.duet.ac.bd/notice/career-notices লিংকে পাওয়া যাইবে।
উৎস: Prothomalo
এছাড়াও পড়ুন:
বিজয়ের পরদিনও চলে শিরোমণির ট্যাংকযুদ্ধ
একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে ১৬ ডিসেম্বর ঢাকায় পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের খবরে মানুষ যখন বিজয় উল্লাসে ব্যস্ত, তখনো খুলনায় যুদ্ধ চলছিল।
খুলনার জাহানাবাদ সেনানিবাস এলাকায় মুক্তিযুদ্ধে সম্মুখ সমর স্মৃতিস্তম্ভের শিলালিপিতে লেখা আছে, ‘যৌথ বাহিনীকে খুলনার দিকে অগ্রসরে বাধা দেওয়ার জন্য পাকিস্তান বাহিনী শিরোমণি এলাকায় শক্ত অবস্থান নেয়। ১৫ ও ১৬ ডিসেম্বরের পর যৌথ বাহিনী আবার ত্রিমুখী আক্রমণ করলে পাকিস্তান সেনাদের মনোবল ভেঙে যায়। ১৭ ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনী শিরোমনিতে চর্তুমুখী আক্রমণের মুখে পড়ে। সকাল ১০টা-বেলা ১১টার দিকে ব্রিগেডিয়ার হায়াতের নেতৃত্বে ৩ হাজার ৭০০ সেনা যৌথ বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে।’ এটি ‘শিরোমনি যুদ্ধ’ নামে পরিচিত।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রকাশিত মুক্তিযুদ্ধে সামরিক অভিযান (সপ্তম খণ্ড) বইয়ে বলা হয়েছে, শিরোমণি যুদ্ধে পাকিস্তানি বাহিনীর আনুমানিক ২০০ জন নিহত এবং ২০০ জন আহত হয়। যৌথ বাহিনীর ২৫০-৩০০ জন শহীদ এবং ৩০০ জন আহত হন।
শিরোমণির যুদ্ধে মিত্রবাহিনীর সঙ্গে ছিলেন খুলনার বীর মুক্তিযোদ্ধা স. ম. রেজওয়ান। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, একাত্তরের নভেম্বরে তাঁরা সাতক্ষীরার কলারোয়ায় পাকিস্তানি বাহিনীর ওপর নিয়মিত গেরিলা আক্রমণ চালাতেন। ডিসেম্বরের শুরুতে মিত্রবাহিনী যশোরের বেনাপোল বন্দর দিয়ে বাংলাদেশে ঢুকে। যশোর ক্যান্টনমেন্ট নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয়। মেজর মহেন্দ্র সিংহের নেতৃত্বে একটি দল কলারোয়া থেকে তাঁদের চারজনকে সঙ্গে নেয় পথ দেখানোর জন্য। ভারতে প্রশিক্ষণ নেওয়ার সময় মহেন্দ্র সিংহ তাঁর প্রশিক্ষক ছিলেন।
আগামী প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত একাত্তরের বিজয়গাথা বইয়ে ‘খুলনা’ শিরোনামে মানিক সাহার লেখায় বলা হয়েছে, যশোর সেনানিবাস ছেড়ে পাকিস্তানি বাহিনী খুলনায় চলে আসে। আশপাশের আরও কিছু এলাকা থেকে এসে কৌশলগত দিক বিবেচনা করে যশোর-খুলনা মহাসড়কের পাশে শিরোমণি এলাকায় শক্তিশালী ঘাঁটি গড়ে তোলে তারা। আর মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনী তখন খুলনার দিকে অগ্রসর হতে থাকে। ১০ ডিসেম্বর শিরোমণির অদূরে ফুলতলার ১৪ মাইল এলাকায় ঘাঁটি স্থাপন করে মিত্রবাহিনী।
১০ ডিসেম্বর রাতে পাকিস্তানি বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনীর গোলাগুলি হয়। তবে প্রবল যুদ্ধ শুরু হয় ১১ ডিসেম্বর সকাল থেকে। এই তথ্য জানিয়ে খুলনার বীর মুক্তিযোদ্ধা স. ম. রেজওয়ান বলেন, ১৩ ডিসেম্বর বিকেল পর্যন্ত চলে লড়াই। ওই দিন বিকেলের পর সারা রাত শিরোমণি থেকে পাকিস্তানি বাহিনীর গোলাগুলির আওয়াজ না পেয়ে তারা ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছে বলে ধরে নেয় মিত্রবাহিনী। ১৪ ডিসেম্বর সকালে খুলনার উদ্দেশে বেরিয়ে পড়ে মিত্রবাহিনী। মিত্র বাহিনীর বহরটি শিরোমণি বাদামতলা এলাকায় আসামাত্র পাকিস্তানি বাহিনীর ট্যাংক হামলার মুখে পড়ে।
মুক্তিযুদ্ধের কথা স্মরণ করে বীর মুক্তিযোদ্ধা স. ম. রেজওয়ান বলেন, ওই ঘটনার পর ১৫ ডিসেম্বর মুক্তিযুদ্ধের ৮ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার মেজর এম এ মঞ্জুর ও মিত্রবাহিনীর রাজপুত ব্যাটালিয়নের প্রধান মেজর দলবীর সিংহের নেতৃত্বে আফিল গেট থেকে শুরু করে ফুলবাড়ি গেট, বিলডাকাতিয়ার শলুয়া, রংপুর, আড়ংঘাটা এবং ভৈরব নদের ওপারে ধুলগ্রাম, সিদ্দিপাশা, বারাকপুর, লাখোহাটি পর্যন্ত চারদিক থেকে পাকিস্তানি বাহিনীকে ঘিরে ফেলা হয়। তারপর শুরু হয় আক্রমণ। পাশাপাশি আকাশপথে আক্রমণও চলে।
১৯৭১ সালের ১৭ ডিসেম্বর বেলা ১১টার দিকে বাইসাইকেল নিয়ে যুদ্ধের এলাকা ঘুরতে বের হয়েছিলেন আনোয়ারুল কাদির। তিনি একজন শিক্ষাবিদ। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, এত মরদেহ পড়ে ছিল, যা চোখে দেখা যায় না। পুরো এলাকা ছিল লন্ডভন্ড। রাস্তায় একটু পরপর ট্যাংক বিধ্বংসী মাইন পুঁতে রাখার কারণে মিত্রবাহিনীর ট্যাংকগুলো রাস্তার পাশের নালাসদৃশ নিচু জায়গা দিয়ে অগ্রসর হয়েছিল, সেই দাগ তখনো স্পষ্ট ছিল। আত্মসমর্পণের সময় শিরোমণির দিক থেকে খুলনার দিকে আসছিলেন মিত্রবাহিনীর সদস্যরা। আর পাকিস্তানি সেনারা ওই সময় শিরোমণির দিকে যাচ্ছিল। শীতের ওই সময় এলাকাবাসী মিত্রবাহিনীর দিকে ফুলের পাপড়ি ছিটিয়ে দিচ্ছিলেন। আর পাকিস্তানি সেনাদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করছিলেন।