বাংলাদেশের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-২০ সিরিজের দল ঘোষণা করেছে শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট বোর্ড। দলে ফিরেছেন টি-২০ দলের সাবেক অধিনায়ক দাশুন শানাকা। এছাড়া চামিকা করুনারত্নেকে ফেরানো হয়েছে টি-২০ দলে। 

লঙ্কানদের টি-২০ দলের বাকি সদস্যরা অনুমিতভাবে দলে জায়গা পেয়েছেন। টপ অর্ডার ব্যাটার পাথুন নিশাঙ্কা, আভিস্কা ফার্নান্দো ও কুশল পেরেরা আছেন দলে। কুশল মেন্ডিসের সঙ্গে দিনেশ চান্দিমালও আছেন টি-২০ দলে। টি-২০ বিশেষজ্ঞ পেসার মাথিশা পাথিরানা ও বিনুমা ফার্নান্দোকে নেওয়া হয়েছে। 

এছাড় ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা, জেফরে ভ্যান্ডারসে দলে জায়গা পেয়েছেন। বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা মঙ্গলবার সিরিজের শেষ ওয়ানডে খেলবে। এরপর ১০ জুলাই থেকে টি-২০ সিরিজ শুরু হবে। প্রথম টি-২০ হবে পাল্লেকেলে, দ্বিতীয়টি ১৩ জুলাই ডাম্বুলা ও শেষ টি-২০ ১৬ জুলাই প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে মাঠে গড়াবে। 

শ্রীলঙ্কার টি-২০ দল: চারিথা আশালঙ্কা (অধিনায়ক), পাথুম নিশাঙ্কা, কুশল মেন্ডিস, দিনেশ চান্দিমাল, কুশল পেরেরা, কামিন্দু মেন্ডিস, আভিস্কা ফার্নান্দো, দাশুন শানাকা, দুনিথ ভেল্লালাগে, ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা, মহেশ থিকসানা, জেফরে ভ্যান্ডারসে, চামিকা করুণারত্নে, মাথিশা পাথিরানা, নুয়ান থুসারা, বিনুরা ফার্নান্দো, এসান মালিঙ্কা। 
 

.

উৎস: Samakal

কীওয়ার্ড: ট ২০ স র জ ২০ দল

এছাড়াও পড়ুন:

চোট নিয়েও যে কারণে খেললেন নেইমার, পেলেন গোলও

ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম ‘গ্লোবো’ গত মঙ্গলবার জানিয়েছিল, বাঁ পায়ের হাঁটুতে মেনিসকাস চোটে পড়েছেন নেইমার। সান্তোস ফরোয়ার্ডের এ বছর আর মাঠে না নামার সম্ভাবনাই বেশি।

ক্লাবের চিকিৎসক এবং নেইমারের ব্যক্তিগত স্টাফরা সুস্থ হয়ে উঠতে তাঁকে এ বছর মাঠে না নামার পরামর্শ দিয়েছিলেন। কারণ সামনে ২০২৬ বিশ্বকাপ। নেইমার দুই বছরের বেশি সময় হলো ব্রাজিল জাতীয় দলের বাইরে। এমন পরিস্থিতিতে তাঁকে নিয়ে কেউ অতিরিক্ত ঝুঁকি নিতে চাননি।

কিন্তু সবাইকে অবাক করে ব্রাজিলিয়ান সিরি আ-তে আজ সান্তোসের হয়ে মাঠে নামেন নেইমার। স্পোর্টের বিপক্ষে সান্তোসের ৩-০ গোলের জয়ে একটি গোল করার পাশাপাশি সতীর্থকে দিয়েও গোল করান ব্রাজিলিয়ান তারকা।

জয়ের পর চোট নিয়ে খেলার ব্যাখ্যা দেন নেইমার। সান্তোসকে ব্রাজিলিয়ান সিরি আ-তে টিকে থাকতে সাহায্য করতেই মাঠে নেমেছেন বলে জানান, ‘চোটটি দুঃখজনক ও বিরক্তিকর। কিন্তু আমাকে কিছু করা থেকে এটা (চোট) বিরত রাখতে পারবে না। এ কারণেই খেলছি। এখন সান্তোসকে নিয়ে ভাবার সময়। সান্তোসকে এমন জায়গায় রাখতে হবে যেখানে তারা যোগ্য, সেটা হলো ব্রাজিলিয়ান সিরি আ।’

ম্যাচের ২৫ মিনিটে গোল করা নেইমার সতীর্থ হোয়াও সিমিতকে দিয়ে একটি গোলও করান। ৮৯ মিনিট পর্যন্ত মাঠে ছিলেন। বাঁ পায়ে প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিয়েই মাঠে নেমেছিলেন তিনি। চিকিৎসকের পরামর্শ অগ্রাহ্য করে খেলেছেন কি না—এই প্রশ্নের উত্তরে নেইমার বলেন, ‘এগুলো অভ্যন্তরীণ বিষয়। আমি চিকিৎসকদের অগ্রাহ্য করিনি। এটা যৌথ সিদ্ধান্ত। তবে আমাকে এটা করতে হতো।’

চোট নিয়ে মাঠে নেমেও ভালোই খেলেন নেইমার। ছবিটি তাঁর গোলের পর তোলা

সম্পর্কিত নিবন্ধ