গার্মেন্টস ছুটি দিয়ে শ্রমিক দিয়ে মিটিং মিছিল করেন তারা : সাখাওয়াত
Published: 10th, October 2025 GMT
নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এড. সাখাওয়াত হোসেন খান শিল্পপতি মাসুদুজ্জামান মাসুদ ও আবু জাফর আহমেদ বাবুলকে ইঙ্গিত করে বলেন, এমন গার্মেন্টস বাংলাদেশ হাজার হাজার আছে। আপনারা দুজন হচ্ছেন গার্মেন্টসের মালিক হয়েছেন।
গার্মেন্টস ছুটি দিয়ে ওই গার্মেন্টসের শ্রমিক দিয়ে আপনারা মিছিল করে জনগণকে দেখাবেন সেটা কিন্তু নারায়ণগঞ্জের মানুষ বুঝে। আমরা দেখেছি আপনাদের মিটিংয়ে কারা থাকে। থাকে ওই আওয়ামী লীগের দোসরা যারা গত ১৫ বছর বিএনপির সাথে অন্যায় করে বহিষ্কৃত হয়েছে তারা থাকে আপনাদের সামনে।
গত কয়েকদিন আগেও একটি মিছিল হয়েছে সেখানে কোন বিএনপি'র নেতাকর্মীদেরকে দেখি নাই। ওই গার্মেন্টসের শ্রমিক দিয়া আপনি বিএনপি সাজতে চান সেটা হবে না। আমাদের মাঠের কর্মীদের মধ্যে যাকে নমিনেশন দিবে আমরা সেটা মেনে নিব এবং আমরা তার পক্ষে ঝাঁপিয়ে পড়ে ধানের শীষের বিজয়কে ছিনিয়ে আনবো ইনশাল্লাহ।
নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির আওতাধীন বন্দর উপজেলার অন্তর্গত মুছাপুর ইউনিয়ন বিএনপির কর্মীসভা ও বিএনপি'র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতে ৩১ দফা বাস্তবায়নে লক্ষ্যে লিফলেট বিতরণ অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথাগুলো বলেন।
শুক্রবার (১০ অক্টোবর) বিকেল চারটায় মুছাপুর ইউনিয়ন পরিষদের অডিটোরিয়ামে এই কর্মীসভার আয়োজন করা হয়।
তিনি বলেন, আমি একটি কথা বলতে চাই যারা দলে আসতে চান আপনাদেরকে স্বাগতম জানাই যদি ভালো মানুষ হন তাহলে বিএনপিতে স্বাগতম। কিন্তু আইসা সামনে বসা চেষ্টা করবেন না, মিছিলের সামনে যাওয়ার চেষ্টা করবেন না।
আর যারা চেইন অফ কমান্ড মেনে চলবেন তাদের প্রতি আমাদের কোন আপত্তি থাকবে না। কিন্তু অনেকেই এখন এসে এমপি বনে যাচ্ছেন। জনগণ সবাই আপনাদের পক্ষে এই ধরনের কথা বলতে চাচ্ছেন।
এড.
আদেশে আশায় ধুলাবালি। যারা এই ইউনিয়নের মানুষকে বিভ্রান্ত করছেন, আমি জনগণকে বলতে চাই আপনারা ফ্যাসিসদের সাথে যাবেন না। ফ্যাসিসরা আপনাদের কোন উপকারে আসবে না তারা ১৫ বছর আপনাদের সম্পদ লুটেপুটে খেয়ে বড় বড় বাড়ি ও ধনসম্পদের মালিক হয়েছে।
তারা মুছাপুরের মানুষের জমি সম্পত্তি বিক্রয়ের নামে টাকা ও সম্পত্তি হাতিয়ে নিয়েছে। সুতরাং তারা হল এই মুছাপুর ইউনিয়নের জনগণের শত্রু। সেই শত্রুদেরকে আপনারা স্থান দিবেন না।
মুছাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি তারা মিয়ার সভাপতিত্বে ও মুছাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহিন আহমেদের সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এড. সাখাওয়াত হোসেন খান, প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব এড. আবু আল ইউসুফ খান টিপু, বিশেষ অতিথি নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুগ্ম আহ্বায়ক ফতেহ মোহাম্মদ রেজা রিপন, বন্দর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাজহারুল ইসলাম হিরণ, সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ লিটন, সদর থানা বিএনপির সভাপতি মাসুদ রানা প্রমুখ।
এছাড়াও আরও উপস্থিত ছিলেন, বন্দর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মহিউদ্দিন শিশির, মুছাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মাসুদুর, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক আঃ রহিমসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
উৎস: Narayanganj Times
কীওয়ার্ড: ব এনপ ন র য়ণগঞ জ গ র ম ন টস ব এনপ র স ন ব এনপ র আপন দ র আপন র
এছাড়াও পড়ুন:
রূপগঞ্জে শীতলক্ষা নদী বাঁচাতে জামায়াত প্রার্থীর র্যালি
শীতলক্ষ্যা নদী বাঁচাতে ছয় দফা প্রতিশ্রতি বাস্তবায়নে নারায়ণগঞ্জ ১ রূপগঞ্জ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী আনোয়ার হোসেন মোল্লার নেতৃত্বে ‘সেভ শীতলক্ষ্যা’ নামে র্যালি কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) সকালে উপজেলার মুড়াপাড়া কলেজ থেকে রান উইথ আনোয়ার হোসেন মোল্লা টু সেভ শীতলক্ষ্যা ব্যানারে র্যালীটি শুরু হয়ে ৩ কিলোমিটার সড়ক প্রদক্ষিণ করে হাটাব বাজারে গিয়ে শেষ হয়।
নারায়ণগঞ্জ ১ রূপগঞ্জ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী আনোয়ার হোসেন মোল্লার নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত র্যালীতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ জেলা সেক্রেটারি মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান হাফিজুর রহমান।
র্যালী শেষে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাফিজুর রহমান বলেন,এই শীতলক্ষা হচ্ছে রাজধানীর প্রাণ। শীতলক্ষা কে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জে শিল্প কারখানার প্রসার ঘটেছিল। এই শীতলক্ষার স্বচ্ছ পানি ছিল নাব্যতা ছিল।
এই শীতলক্ষাকে ধ্বংস করা হয়েছে অসৎ দুর্নীতিবাজ চাঁদাবাজ নেতৃত্ব আর সুবিধাবাদী ব্যবসায়ীদের কারণে। আসুন আগামীতে শুধু শীতলক্ষ্যা নয় গোটা বাংলাদেশকে নতুন করে গড়ে তোলার জন্য আমরা শপথ গ্রহণ করি। সৎ নেতৃত্বের সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তুলি।
সমাবেশে র্যালীর মূল প্রতিপাদ্য তুলে ধরে বক্তব্য,রাখেন আনোয়ার হোসেন মোল্লা। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, শীতলক্ষ্যা নদী শুধু একটি নদী নয়, এটি আমাদের ইতিহাস, ঐতিহ্য, অর্থনীতি ও পরিবেশের প্রাণ। কিন্তু দুঃখজনকভাবে নদীটি আজ দখল-দূষণ অব্যবস্থাপনা ও অবহেলার শিকার।
আমি আপনাদের সামনে আজ অঙ্গীকার করছি আপনারা যদি আমাকে সুযোগ দেন তাহলে আমি নদী দখলকারীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি, নদীর দুই পাড়ে সবুজ বেষ্টনী, নদীর পানি পরিষ্কার ও দূষণ নিয়ন্ত্রণ, আধুনিক ওয়াকওয়ে, লাইটিং, বিনোদন ক্ষেত্র, পরিবেশবান্ধব নদী পরিবহন ব্যবস্থা, নদীভিত্তিক নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি. শীতলক্ষ্যার পানি পরিষ্কার রাখতে, দখলমুক্ত রাখতে এবং নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনতে আমি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করব।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা কর্ম পরিষদ সদস্য অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী খাঁন,জেলা আইন সম্পাদক এডভোকেট ইসরাফিল, জেলা শিবির সভাপতি আকরাম হোসেন,রূপগঞ্জ উত্তর ও পশ্চিম আমীর আবদুল মজিদ, ও মাওলানা ফারুক আহমাদ,দক্ষিণ, উত্তর ও পশ্চিম সেক্রেটারি, আনিসুর রহমান, খাইরুল ইসলাম, মোহাম্মদ হানিফ ভূঁঞা প্রমুখ।