বাসের ধাক্কায় প্রাণ গেল কলেজছাত্রের, বন্ধু আহত
Published: 14th, October 2025 GMT
ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় শাহানুর বাবু (২৬) নামে এক কলেজছাত্র নিহত হয়েছেন। তিনি মোটরসাইকেলে করে বন্ধুর সঙ্গে ফরিদপুর যাচ্ছিলেন। এ ঘটনায় মোটরসাইকেলে থাকা তার বন্ধু আরিফ ইসলাম (২৭) আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার সাতৈর ইউনিয়নের কাদিরদী এলাকায় মাজকান্দি-ভাটিয়াপাড়া আঞ্চলিক সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
আরো পড়ুন:
হবিগঞ্জে যাত্রীবাহী বাস উল্টে ৩০ যাত্রী আহত
টাঙ্গাইলে মহাসড়ক থেকে সরলেন আন্দোলনকারীরা, যান চলাচল স্বাভাবিক
বোয়ালমারী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আলামিন সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘‘দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। আইনগত প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।’’
নিহত শাহানুর বাবু আলফাডাঙ্গা ডিগ্রি কলেজ থেকে অনার্স শেষ করে রাজেন্দ্র কলেজে মাস্টার্সে ভর্তির প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তিনি উপজেলার পাড়াগ্রাম উত্তরপাড়া গ্রামের মৃত মান্নান মোল্যার ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শাহানুর বাবু তার বন্ধু আরিফ ইসলামকে নিয়ে মোটরসাইকেলে আলফাডাঙ্গা থেকে ফরিদপুরে যাচ্ছিলেন। কাদিরদী পৌঁছালে দ্রুতগামী গোল্ডেন লাইন পরিবহনের যাত্রীবাহী বাস পেছন থেকে তাদের মোটরসাইকেল ধাক্কা দেয়। ধাক্কা দিয়ে বাসটি দ্রুত পালিয়ে যায়।
স্থানীয়রা তাৎক্ষণিক দুইজনকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। গুরুতর আহত শাহানুর বাবু পথে মারা যায়। আরিফ ইসলাম আশঙ্কামুক্ত।
আহত আরিফ ইসলাম বলেন, ‘‘গোল্ডেন লাইন পরিবহনের দ্রুতগামী বাস মোটরসাইকেলের পেছন ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়। এতে বাবুকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যায়। আমি অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেছি। সামান্য চোট পেয়েছি।’’
ঢাকা/তামিম/বকুল
.উৎস: Risingbd
কীওয়ার্ড: চ কর চ কর সড়ক পর বহন সড়ক দ র ঘটন ন হত আর ফ ইসল ম দ র ঘটন
এছাড়াও পড়ুন:
কলমাকান্দায় গারোদের নবান্ন উৎসব ‘ওয়ানগালা’ আয়োজন
‘শস্য দেবতার’ প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এবং ভালো ফসলের জন্য ধন্যবাদ স্বরূপ নেত্রকোণার কলমাকান্দায় দুই দিনব্যাপী নবান্ন উৎসব ‘ওয়ানগালা’ পালন করেছে গারো সম্প্রদায়।
শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) সকাল থেকে উপজেলার পাঁচগাঁও সেন্ট পিটার্স চার্চ সাব-প্যারিস গীর্জার মাঠে ধর্মীয় আচার, প্রার্থনা, আলোচনা ও নাচ-গানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বছরের সবচেয়ে বড় এই উৎসব।
উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চয়ন রিছিল। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নেত্রকোণা জেলা প্রশাসক সাইফুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ও কথাসাহিত্যিক মঈনুল হাসান, বাংলা একাডেমির কবি ও পরিচালক ড. সরকার আমিন এবং কলমাকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাইযুল ওয়াসীমা নাহাত।
এছাড়া অনুষ্ঠানে অংশ নেন বিএনপির কেন্দ্রীয় আইনবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ পিসিসি সংস্থার পরিচালক সিলভেস্টার গমেজ।
‘ওয়ানগালা’ শুধু উৎসব নয় এটি গারোদের কৃতজ্ঞতা, বিশ্বাস ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের অন্যতম একটি প্রকাশ।
উৎসবের সাংস্কৃতিক পর্বে গারো শিল্পীরা নিজস্ব ভাষায় গান পরিবেশন করেন। ছিল নতুন ধানের ফসল উৎসর্গ এবং ঐতিহ্যবাহী ‘জুম নাচ’। উৎসবে নারী-পুরুষরা ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরে অংশ নেন। কারো মাথায় খুতুপে পাগড়ি, কারো গলায় মোরগের পালক দিয়ে তৈরি অলংকার।
মাঠজুড়ে বসেছিল অস্থায়ী দোকান, যেখানে পাওয়া গেছে আদিবাসীদের হাতে তৈরি পোশাক, অলংকার ও খাবার। উৎসব আয়োজন করেছে বিরিশিরি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কালচারাল একাডেমি। সহযোগিতা করেছে কলমাকান্দার আলোক ও ইসিএলআরসি প্রকল্প।
ঢাকা/ইবাদ/এস