ধূমপানের বদভ্যাসের কথা খোলাখুলি স্বীকার করেছেন আমির খান। নিজেই জানিয়েছেন, তাঁর সাবেক স্ত্রী কিরণ রাও সিগারেটের ধোঁয়া ভীষণ অপছন্দ করতেন। এবার অভিনেতা জানালেন ধূমপান ছাড়ার কথা। গতকাল মুম্বাইয়ে এক অনুষ্ঠানে এ ঘোষণা দেন আমির। খবর হিন্দুস্তান টাইমসের

গতকাল শুক্রবার ছেলে জুনায়েদ খানের নতুন রোমান্টিক–কমেডি সিনেমা ‘লাভইয়াপা’র ট্রেলার প্রকাশ অনুষ্ঠান ছিল। এ অনুষ্ঠানেই আমির ধূমপান ছাড়ার কথা বলেন। ষাটের দোরগোড়ায় এসে স্বাস্থ্য আর পরিবারের কথা চিন্তা করে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আমির। অভিনেতা জানান, তিনি বেশ কিছুদিন ধরেই ছেড়ে সিগারেটের নেশা ত্যাগ করার কথা ভাবছিলেন।

শুক্রবার রাতেও আমির স্বীকার করেছেন যে তিনি ধূমপান ‘উপভোগ করেন’, বছরের পর বছর ধরে এতে আসক্ত। তবে এটি স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক তরুণ প্রজন্মকে বারবার স্মরণ করান ‘মিস্টার পারফেকশনিস্ট’।

ট্রেলার প্রকাশ অনুষ্ঠানে আমির খান, খুশি কাপুর, অদ্বৈত চন্দন ও জুনায়েদ খান। এএনআই.

উৎস: Prothomalo

এছাড়াও পড়ুন:

পুকুর পাহারাদারকে নৃশংসভাবে হত্যা

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলায় মো. তোজ্জামেল হক নামে এক বৃদ্ধ নৈশ্যপ্রহরীকে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। 

শনিবার (২৯ নভেম্বর) দিবাগত রাতে উপজেলার শাহাবাজপুর ইউনিয়নের মুসলিমপুর মাঠের একটি পুকুর পাড়ে এই ঘটনা ঘটে। 

রবিবার (৩০ নভেম্বর) সকালে স্থানীয়রা পুকুরের পাশে তোজ্জামেল হকের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাতে হত্যা করার পাশাপাশি নিহতের একটি চোখ উপড়ে ফেলা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ। নিহত তোজ্জামেল উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়নের পারদিলালপুর গ্রামের মৃত জনাব আলীর ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, নিহত তোজ্জামেল হক একটি পুকুরের নৈশ্যপ্রহরী হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। তিনি প্রতিদিনের মতো শনিবার রাতে পুকুর পাহারা দিতে আসেন। রবিবার সকালে পুকুর পাড়ে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

এ বিষয়ে শিবগঞ্জ থানার ওসি গোলাম কিবরিয়া জানান, তাদের ধারণা দীর্ঘদিনের শত্রুতা অথবা পুকুরের মাছ চুরি সংক্রান্ত বিরোধ থেকে এই হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে। খবর পেয়ে শিবগঞ্জ থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। 

গোলাম কিবরিয়া বলেন, “নিহতের শরীরে ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে এবং তার বাম চোখ উপড়ে নেওয়া হয়। এই নৃশংস ঘটনায় যারা জড়িত, তাদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য তদন্ত চলছে।”

ঢাকা/শিয়াম/এস

সম্পর্কিত নিবন্ধ