নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার (অব.) সাখাওয়াত হোসেনের ভাই হেমায়েত হোসেন সোহরাব সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে আগ্রহের কথা জানিয়েছেন।

শনিবার বরিশালের হিজলায় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে তিনি বলেন, ‘আগামী নির্বাচনে আমি বিএনপির মনোনয়ন চাইব। বরিশাল-৪ (মেহেন্দীগঞ্জ-হিজলা) আসনে প্রার্থী হতে চাই।’

হিজলার গুয়াবাড়িয়া ইউনিয়নে বাড়িসংলগ্ন ডা.

খাদেম হোসেন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সোহরাবের এ সভায় বিএনপির কোনো নেতাকর্মী ছিলেন না।

ছাত্রজীবনে সোহরাব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল করেছেন। তবে এরপর প্রত্যক্ষভাবে রাজনীতিতে ছিলেন না। ব্যবসায়ী সোহরাব জানান, ১৯৮১-৮৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের এসএম হল শাখার সাধারণ সম্পাদক, ১৯৮২-৮৫ সালে কেন্দ্রীয় কমিটির সহদপ্তর সম্পাদক, ১৯৮৬-৯০ সালে কেন্দ্রীয় কৃষক দলের সহসাহিত্য সম্পাদক ছিলেন তিনি।

সোহরাব বলেন, মেঘনাবেষ্টিত হিজলা-মেহেন্দীগঞ্জ উন্নয়নে অনেক পিছিয়ে। এ জনপদের উন্নয়নে আমি প্রত্যক্ষ ভূমিকা রাখতে চাই।

এ ব্যাপারে হিজলার বাসিন্দা ও উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক দেওয়ান মো. শহিদুল্লাহ বলেন, ‘সোহরাব বিএনপির প্রাথমিক সদস্যও নন। তাঁর পরিবারের কেউ সক্রিয়ভাবে কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ততা নেই।’

তিনি বলেন, ‘সোহরাব নির্বাচন করার বিষয়ে স্থানীয় বিএনপির কারও সঙ্গে আলাপ করেননি। এমনকি কারও সঙ্গে যোগাযোগ পর্যন্ত নেই। মনোনয়নের প্রত্যাশা যে কেউ করতে পারেন। এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে দলের হাইকমান্ড।’

উৎস: Samakal

কীওয়ার্ড: বর শ ল ব এনপ ব এনপ র

এছাড়াও পড়ুন:

ক্ষতিগ্রস্ত জাহাজে আটকে পড়া বাংলাদেশি নাবিক বললেন, ‘আমাদের জীবন ঝুঁকিতে’

কৃষ্ণসাগরে গত ২৮ নভেম্বর একটি তেল পরিবহনকারী জাহাজে ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় প্রাণে বেঁচে গিয়েছিলেন বাংলাদেশের ৪জনসহ ২৫ নাবিক। হামলার দুই দিন পর ক্ষতিগ্রস্ত জাহাজটি তীরের কাছে আনতে গিয়ে উল্টো এখন জাহাজটিতে আটকা পড়েছেন বাংলাদেশিসহ ১০ নাবিক। বাংলাদেশি ওই নাবিকের নাম মাহফুজুল ইসলাম।

আজ শনিবার হোয়াটসঅ্যাপে ওই নাবিকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অচল জাহাজটি তুরস্কের উপকূল ছেড়ে ঢেউয়ে ভাসতে ভাসতে বুলগেরিয়ার জলসীমায় চলে যায়। ড্রোন হামলায় এর ইঞ্জিন ধ্বংস হয়ে গেছে। এ অবস্থায় তাঁদের উদ্ধারে কেউ সাড়া না দেওয়ায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন নাবিকেরা।

তুরস্কের উপকূলে কৃষ্ণসাগর অতিক্রম করার সময় গত ২৮ নভেম্বর জাহাজটিতে হামলা করেছিল ইউক্রেনের নৌবাহিনী। জাহাজের ২৫ নাবিকের চারজন ছিলেন বাংলাদেশি। জ্বালানি তেলবাহী জাহাজটি রাশিয়ার ‘ছায়া নৌবহরের’ অংশ বলে বিবিসি জানায়।

হামলার পর নাবিকদের উদ্ধার করে তুরস্কের কোস্টগার্ড। ইতিমধ্যে জাহাজটিতে থাকা বাংলাদেশের তিনজন নাবিক দেশের উদ্দেশে তুরস্ক থেকে রওনা হয়েছেন। এই তিনজন হলেন কুষ্টিয়ার আল আমিন, ঢাকার ধামরাইয়ের হাবিবুর রহমান এবং চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার আজগর হোসাইন। তবে মাহফুজুল ইসলামসহ মোট ১০ জনকে জাহাজটি নিরাপদে তীরে আনার দায়িত্ব দেওয়া হয়। আর জাহাজটি তীরে আনতে গিয়ে আটকা পড়েন মাহফুজুল ইসলাম।

ড্রোন হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত জাহাজটির ইঞ্জিন বিকল। বাইরে প্রচণ্ড ঠান্ডায় জীবনের ঝুঁকিতে পড়েছেন নাবিকেরা

সম্পর্কিত নিবন্ধ