জাপানিরা ড্রয়িংরুমের সাজ-সজ্জায় তিনটি বৈশিষ্ট্যকে প্রাধান্য দিয়ে থাকেন। তাদের মতো ড্রয়িংরুম সাজাতে চাইলে জেনে নিতে পারেন এই তিন উপায়।

কম উচ্চতার আসবাব: জাপানিরা তাদের ড্রংয়িংরুমে কম উচ্চতার আসবারপত্র রাখে। বিশেষ করে কম উচ্চতার টেবিল ব্যবহার করেন। অনেক সময় টেবিলের পরিবর্তে ফ্লোর কুশনও ব্যবহার করে থাকেন তারা।  মেঝেতে ‘তাতামি’ বা ফ্লোর ম্যাট  ব্যবহার করে তাকে জাপানিরা। 

ঘর সাজাতে প্রাকৃতিক উপকরণ: জাপানিরা ঘর সাজাতে প্রাকৃতিক উপদানে তৈরি আসবাবপত্র বেশি ব্যবহার করেন। বিশেষ করে কাঠ বা বাঁশের আসবাবই বেশি ব্যবহার করেন। রুম ডিভাইডার হিসেবে তারা ব্যবহার করেন ‘শোজি স্ক্রিন’ যা রাইস পেপার শিট। এগুলো কাঠের ফ্রেম দিয়ে তৈরি করা হয়। তারা দরজা জানালাতেও কাঠের ফ্রেম ব্যবহার করে থাকেন।

আরো পড়ুন:

নখের যে রং গুরুতর রোগের জানান দেয়

যে অভ্যাসগুলো আপনার আত্মবিশ্বাস কমিয়ে দিতে পারে

আলোর ব্যবহার: জাপানিদের ঘরে তীক্ষ্ন আলোর পরিবর্তে নিয়ন আলোর ব্যবহার বেশি করা হয়। সেক্ষেত্রে কাঠের লণ্ঠন, পেন্ডেন্ট লাইট ব্যবহার করেন তারা। 

ঢাকা/লিপি

.

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর ব যবহ র কর ন

এছাড়াও পড়ুন:

নভেম্বরের ২৯ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ৩২ হাজার কোটি টাকা

চলতি নভেম্বর মাসের প্রথম ২৯ দিনে প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন ২৬৮ কোটি ১১ লাখ (২.৬৮ বিলিয়ন) মার্কিন ডলার। দেশীয় মুদ্রায় এর পরিমাণ ৩২ হাজার ৭১০ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসেবে)।

রবিবার (৩০ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর পুরো নভেম্বর মাসে এসেছিল ২২০ কোটি ডলার। চলতি বছরে নভেম্বর মাসের এক দিন বাকি থাকতেই রেমিট্যান্স আগের বছরের চেয়ে ৪৮ কোটি ডলার বেশি এসেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে পাঠানো প্রবাসী আয় দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে স্বস্তি ফিরিয়েছে। হুন্ডি প্রতিরোধে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ, প্রণোদনা ও ব্যাংকিং ব্যবস্থার উন্নতির কারণেই রেমিট্যান্সে ইতিবাচাক ধারায় আছে।  

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত অক্টোবর মাসে রেমিট্যান্স এসেছে ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ ৮০ হাজার ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ১৬ কোটি ৮৪ লাখ ডলার বেশি। গত বছরের অক্টোবর মাসে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৩৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার।

চলতি অর্থবছরে মাসভিত্তিক প্রবাসী আয়ের প্রবাহ ছিল—জুলাইয়ে ২৪৭ কোটি ৭৮ লাখ মার্কিন ডলার, আগস্টে ২৪২ কোটি ১৯ লাখ ডলার এবং সেপ্টেম্বরে ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ডলার।

চলতি অর্থবছরে প্রথম চার মাসে (জুলাই থেকে অক্টোবর) ১০১ কোটি ৪৯ লাখ মার্কিন ডলার (১০ দশমিক ১৫ বিলিয়ন) দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। দেশীয় মুদ্রায় এর পরিমাণ ১ লাখ ২৪ হাজার ৩২২ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৫০ পয়সা হিসেবে)। 

রেমিট্যান্স আহরণের এ পরিমাণ আগের অর্থবছরের চেয়ে ১৩ দশমিক ৫৬ শতাংশ বেশি। এর আগে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম চার মাসে রেমিট্যান্স এসেছিল ৮৯৩ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার।  

ঢাকা/নাজমুল/রফিক

সম্পর্কিত নিবন্ধ