কুষ্টিয়ায় পুকুর থেকে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার
Published: 11th, October 2025 GMT
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের পুকুর থেকে অনন্যা ইসলাম যুথি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার (১১ অক্টোবর) সকাল ৯টার দিকে স্থানীয়রা ও চিকিৎসাধীন রোগীর স্বজনরা হাসপাতাল প্রাঙ্গণে অবস্থিত পুকুরে মরদেহ দেখতে পান। খবর পেয়ে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কুষ্টিয়া মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে ওই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করে। পরে মরদেহ কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
আরো পড়ুন:
খাগড়াছড়িতে নবজাতকের মৃতদেহ উদ্ধার
শ্বাসরোধে ইবি শিক্ষার্থী সাজিদের মৃত্যু: ভিসেরা রিপোর্ট
নিহত অনন্যা ইসলাম যুথি (৩০) কুষ্টিয়া শহরের পেয়ারাতলা এলাকার মৃত নুরুল ইসলাম বাচ্চুর মেয়ে। ৪ বছর আগে কুষ্টিয়া শহরের চৌড়হাস ফুলতলা এলাকার নাহিদের সঙ্গে প্রেম করে বিয়ে করেন তিনি।
নিহত যুথির মা জহুরা খাতুন বলেন, “আমার মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে। যুথিকে মাঝেমধ্যেই মারধর করতো তার স্বামী নাহিদ। সে মাদকাসক্ত ও মাদক কারবারি। নাহিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।”
তিনি বলেন, “যুথির সঙ্গে ১০ দিন আগে মোবাইলে কথা হয়েছে। ২ মাস আগে তাদের আড়াই বছর বয়সী কন্যা নন্দিতা হারিয়ে যায়। সে এখনো নিখোঁজ রয়েছে। আমার মেয়েকে হত্যা করেছে নাহিদ। তার ফাঁসি চাই এবং নিখোঁজ কন্যা শিশুর সন্ধান চাই।”
এ বিষয়ে কথা বলার জন্য যোগাযোগ করলেও অভিযুক্ত নাহিদ ও তার পরিবারের সদস্যদের কাউকেই পাওয়া যায়নি।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা.
কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশারফ হোসেন বলেন, “হাসপাতালের পুকুর থেকে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
ঢাকা/কাঞ্চন/মেহেদী
উৎস: Risingbd
কীওয়ার্ড: চ কর চ কর ময়ন তদন ত ময়ন তদন ত মরদ হ
এছাড়াও পড়ুন:
হাসিনার ফাঁসি দেখা পর্যন্ত খালেদা জিয়া যেন বেঁচে থাকেন: হাসনাত
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি অতীতে চিকিৎসায় অবহেলা করা হয়েছে দাবি করে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, খালেদা জিয়াকে জেলের মধ্যে সঠিকভাবে চিকিৎসা নিতে দেওয়া হয়নি।
তিনি বলেন, "যার কারণে উনার (খালেদা জিয়ার) এই পরিণতি হয়েছে, ক্লিনিক্যাল একটা অপারেশনের মধ্য দিয়ে উনি গিয়েছেন। মেডিক্যালি অত্যাচারের মধ্য দিয়ে উনি গিয়েছেন। হাসিনার ফাঁসি দেখা পর্যন্ত আল্লাহ যেন উনাকে বাঁচিয়ে রাখেন।”
শনিবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে খালেদা জিয়াকে দেখে এসে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, "উনাকে (খালেদা জিয়া) জেলের মধ্যে সঠিকভাবে চিকিৎসা নিতে দেওয়া হয়নি। আমরা আজকে শুনেছি, যদি কোনো ডাক্তার চিকিৎসা করাতে আসতেন তখন ওই ডাক্তারকে হয়রানি করানো হতো। বিভিন্ন ডাক্তারকে ভয় ভীতি দেখানো হতে উনাকে যারা চিকিৎসা করাতে আসতো। এভাবে ক্রমশ আমাদের বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের অবনতি হয়েছে।”
খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া চেয়ে তিনি বলেন, “সবাই দোয়া করবেন উনার জন্য। আল্লাহ যেন উনাকে দ্রুত সুস্থ করে দেন। আমাদের গণতান্ত্রিক উত্তরণের পথে ওনাদের যে লড়াই, এই লড়াইয়ের যে গণতান্ত্রিক উত্তরণের দিকে যাচ্ছে সেটি যেন উনি দেখে যেতে পারেন।”
তিনি আরো বলেন, “দেশের প্রত্যেকটা প্রান্তের প্রত্যেকটা দলের মানুষ, মতের মানুষ, ফ্যাসিবাদবিরোধী রাজনৈতিক দলের মানুষ, পৃথিবীর সবাই উনার জন্য দোয়া করছেন। উনি যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন। ফ্যাসিস্ট খুনি হাসিনার ফাঁসি দেখে যেতে পারেন।"
এসময় এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, “দোয়া চাওয়া ছাড়া আমাদের কিছু করার নেই। দেশবাসীসহ সকলের কাছে খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া চাই।”
এর আগে সকাল ১০টা ১০ মিনিটের খালেদা জিয়াকে দেখতে হাসপাতালে যান এনসিপির একটি প্রতিনিধিদল। তারা খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা এবং চলমান চিকিৎসার বিষয়ে চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন।
ঢাকা/রায়হান/ইভা