ফিরে দেখা আমেরিকায় যে সংঘাত থেকে শুরু হয় স্বাধীনতা সংগ্রাম
Published: 4th, July 2025 GMT
আজ থেকে ২৪৯ বছর আগে এই দিনে শোষণের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন (ডিক্লারেশন অব ইনডিপেনডেন্স) তৎকালীন ১৩টি ব্রিটিশ উপনিবেশের প্রতিনিধিরা, জন্ম হয় এক নতুন রাষ্ট্রের। সময়ের পরিক্রমায় তারাই আজকের পৃথিবীর সবচেয়ে প্রভাবশালী রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে।
বলছি যুক্তরাষ্ট্রের কথা। ১৭৭৬ সালের ৪ জুলাই, যুক্তরাষ্ট্রের ফিলাডেলফিয়ার এক বৈঠকে তৎকালীন ১৩টি ব্রিটিশ উপনিবেশের প্রতিনিধিরা একজোট হয়ে ঘোষণা করলেন, তাঁদের স্বাধীনতা চাই। এ ঘোষণাপত্র শুধু একটি কাগজ ছিল না; বরং ছিল একটি জাতির আত্মপরিচয় প্রকাশের সূচনা। ইতিহাসের পাতায় ওই ঘোষণাপত্র ‘ডিক্লারেশন অব ইনডিপেনডেন্স’ নামে পরিচিত।
মার্কিনরা বিপুল উৎসব আয়োজনে ৪ জুলাই নিজেদের স্বাধীনতা দিবস পালন করেন। জাতীয় পতাকা উত্তোলন, জাতীয় সংগীত, আতশবাজি, প্যারেড, বারবিকিউ পার্টি আর দেশাত্মবোধক গানে-স্লোগানে দিনটি উদ্যাপন করা হয়। আয়োজনে কোনো কিছুর কমতি থাকে না।
তবে ৪ জুলাই মার্কিনদের জন্য শুধু স্বাধীনতা উদ্যাপনের দিন নয়; বরং পরবর্তী সময়ে স্বাধীনতার এ ঘোষণাপত্র ঘিরে দ্বন্দ্ব আর প্রতিজ্ঞার ইতিহাসের কারণে অনেক মার্কিন দিনটিকে আত্মসমালোচনার দিনও মনে করেন।
যেখান থেকে জ্বলে ওঠে বিপ্লবের আগুন
১৭৭৫ সালের দিকে আটলান্টিক উপকূলে উত্তর আমেরিকায় উপনিবেশগুলোতে ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে প্রবল ক্ষোভ জন্ম নিতে শুরু করে। কর আরোপে অনিয়ম, ব্রিটিশ সরকারে উপনিবেশগুলো থেকে কোনো প্রতিনিধি না থাকা, ব্রিটিশ সেনাদের দমনমূলক উপস্থিতি—সব মিলিয়ে উত্তেজনা চরমে ওঠে।
সেই ছেলেবেলা থেকে তেমুজিনকে নিয়ে জানাশোনা। আমার পরিণত ভ্রমণপ্রেম তাই সংগত কারণেই তাঁর ভূখণ্ড দেখার জন্য ব্যাকুল হবেই। কিন্তু পরিকল্পনা বারবার ভেস্তে যাচ্ছিল। ভাবলাম, আবার চেষ্টা করি।‘প্রতিনিধিত্ব ছাড়া কর আদায় নয়’ স্লোগানে মুখর হয় তখনকার বোস্টন থেকে ভার্জিনিয়া। উপনিবেশবাসীর দাবি, প্রতিনিধি না থাকায় তাঁরা ব্রিটিশ আইন ও করনীতি প্রণয়নে কোনো মতামত দিতে পারেন না। তাঁদের ওপর ইচ্ছেমতো করের বোঝা চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে, যা অন্যায়।
উপনিবেশগুলোতে ব্রিটিশ শাসন ও শোষণের বিরুদ্ধে যখন ক্ষোভ দানা বাঁধছে, সে সময়ে ১৭৭৫ সালের এপ্রিল মাসে লেক্সিংটন ও কনকর্ডে ব্রিটিশ সরকারের পাঠানো সৈন্য দলের সঙ্গে আমেরিকার মিলিশিয়াদের রক্তক্ষয়ী সংঘাত হয়। সেখান থেকেই সূচনা হয় এক গণ-অভ্যুত্থানের, অল্প দিনের মধ্যে যা স্বাধীনতার সংগ্রামে রূপ নেয়।
টমাস জেফারসনের হাতে লেখা যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের (ডিক্লারেশন অব ইনডিপেনডেন্স) খসড়া.উৎস: Prothomalo
কীওয়ার্ড: র স ব ধ নত উপন ব শ
এছাড়াও পড়ুন:
ডিজাইন ও স্থপতিবান্ধব উদ্যোগে সমৃদ্ধ আকিজ সিরামিকসের প্যাভিলিয়ন
যে ঘরে আমরা থাকি, যে অফিসে কাজ করি, যে রেস্তোরাঁয় বসে সময় কাটাই—প্রতিটি স্থানের সৌন্দর্য, আরাম ও কার্যকারিতা অনেকটাই নির্ভর করে সেই স্থানের অন্দরসজ্জার ওপর। যার মধ্যে অন্যতম টাইলস, স্যানিটারি ও টেবিলওয়্যারের মতো সিরামিক উপকরণ। তাই এ ধরনের পণ্য এখন আর বিলাসিতা নয়, বরং নির্মাণের দরকারি অংশ।
ভোক্তাদের আধুনিক জীবনযাপনের পরিবর্তন, ডিজাইনের নতুন ধারা এবং টেকসই নির্মাণের চাহিদা বোঝাতে রাজধানীর আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টার বসুন্ধরার এক্সপো জোনের টেন্ট হলে চলছে ‘সিরামিক এক্সপো বাংলাদেশ ২০২৫’।
বাংলাদেশ সিরামিক ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিসিএমইএ) আয়োজনে বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) থেকে শুরু হওয়া চার দিনব্যাপী এক্সপো শেষ হবে রোববার (৩০ নভেম্বর)। দুই বছর পরপর অনুষ্ঠিত এক্সপোটির চতুর্থ আসরে প্লাটিনাম স্পনসর আকিজ সিরামিকস।
গত বৃহস্পতিবার অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বাণিজ্য এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন এক্সপোর উদ্বোধন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিসিএমইএর সভাপতি ময়নুল ইসলাম, জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি মো. মামুনুর রশিদ ও আবদুল হাকিম এবং সাধারণ সম্পাদক ইরফান উদ্দিন।
নিজেদের সর্বাধুনিক পণ্য, নতুন প্রযুক্তি ও ভবিষ্যৎমুখী ডিজাইন কনসেপ্ট নিয়ে এই এক্সপোতে ২৫টি দেশের ৩০০টি প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে, যার মধ্যে অন্যতম বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় সিরামিক উৎপাদন ও রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান আকিজ সিরামিকস।
বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামে ছয়বারের দেশসেরা সিরামিকস ব্র্যান্ডের খেতাবপ্রাপ্ত আকিজ সিরামিকস এক্সপোতে প্লাটিনাম প্যাভিলিয়নে নিয়ে এসেছে শতাধিক নতুন কালেকশন, যেখানে এক ছাদের নিচে থাকছে আকিজ সিরামিকস, রোসা স্যানিটারিওয়্যার এবং আকিজ টেবিলওয়্যারের আধুনিক পণ্যসম্ভার।
দেশি-বিদেশি ব্র্যান্ডের অংশগ্রহণে এ আয়োজনটি পরিণত হয়েছে সিরামিকস, স্যানিটারি, বাথওয়্যার ও টেবিলওয়্যার খাতের গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্মে, যেখানে রয়েছে নতুন প্রযুক্তি, ডিজাইন ট্রেন্ড এবং ভবিষ্যতের হোম সলিউশনগুলোর বিস্তৃত প্রদর্শনী।
আগামী দিনের স্থপতিদের জন্য আয়োজন করা হয়েছে ‘আর্কফিউচার’ প্রতিযোগিতা