সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের একবছর পূর্তি উপলক্ষে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞাপ্তিতে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

সংবাদ বিজ্ঞাপ্তিতে কেন্দ্রীয় সভাপতি সালমান সিদ্দিকী ও সাধারণ সম্পাদক রাফিকুজ্জামান ফরিদ বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা জাগ্রত থাকবে এখানকার মানুষের লড়াই-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে। জুলাই জাগ্রত থাকবে সামাজিক-সাংস্কৃতিক-রাজনৈতিক জীবনে জুলাইয়ের শিক্ষাকে চর্চার মধ্য দিয়ে। জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে ছাত্রজনতা রক্ত দিয়ে যে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে, তা ভবিষ্যতের সব লড়াই–সংগ্রামের প্রেরণা হয়ে থাকবে। যুগে যুগে তাঁরাও এই লড়াইকে স্মরণ করবেন, স্মরণ করবেন এই লড়াইয়ের শহীদদের।

সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের কর্মসূচিগুলো হলো—১ থেকে ১৫ জুলাই: শহীদ পরিবার ও আহতদের সঙ্গে সাক্ষাৎ; ১৬ জুলাই: দেশব্যাপী শহীদ আবু সাঈদ দিবস পালন ও শহীদদের স্মরণ; ১৭ জুলাই থেকে ৪ আগস্ট: বিভিন্ন জেলায় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আলোচনা সভা, র‍্যালি, সেমিনার, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আলোকচিত্র প্রদর্শনী, চিত্রাঙ্কন, মোমবাতি প্রজ্বালন, সাইকেল র‍্যালি ইত্যাদি; ২৬ জুলাই: ‘কারফিউ ভাঙ্গার গান’; ৯ আগস্ট: ঢাকায় কেন্দ্রীয়ভাবে সমাপনী সমাবেশ ‘জুলাই জাগরণী’ অনুষ্ঠিত হবে।

.

উৎস: Prothomalo

এছাড়াও পড়ুন:

সারা দেশে ‘রোড শো’ করবে বিএনপি, ১৬ ডিসেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশ

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে মাসব্যাপী নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। কর্মসূচির অংশ হিসেবে ১ ডিসেম্বর থেকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশব্যাপী অনুষ্ঠিত হবে ‘বিজয় মশাল রোড শো’। এছাড়া ১৬ ডিসেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

শনিবার (২৯ নভেম্বর) বিকেলে গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ তথ্য জানান।

আরো পড়ুন:

বিদেশে নেওয়ার মতো অবস্থায় নেই খালেদা জিয়া

ভিন্নমত পোষণ করলেই তাকে শত্রু মনে করা হয়: ফখরুল

তিনি জানান, ১ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম থেকে শুরু হয়ে পর্যায়ক্রমে কুমিল্লা, সিলেট, ময়মনসিংহ, বগুড়া, রংপুর, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, ফরিদপুরে বিজয় মশাল রোড শো এবং সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি বিভাগে মশাল বহন করবেন সংশ্লিষ্ট বিভাগের একজন প্রখ্যাত মুক্তিযোদ্ধা এবং একজন জুলাইযোদ্ধা।

১৬ ডিসেম্বর ঢাকার মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে মহাসমাবেশের মধ্য দিয়ে শেষ হবে বিজয় মশাল রোড শো। এতে পরিবেশিত হবে বিএনপির থিম সং, 'সবার আগে বাংলাদেশ'।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, “মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের স্মৃতিবিজড়িত চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বিজয় মশাল যাত্রা শুরু করবে। সেখান থেকে যাত্রা শুরু করে একই দিন চট্টগ্রামের বিপ্লব উদ্যানে পৌঁছাবে। বিজয় মিছিলের মশাল বহন করবেন ১৯৭১ সালের একজন বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা এবং ২০১৪ সালের একজন জুলাইযোদ্ধা। আমরা মনে করি, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ ছিল দেশের স্বাধীনতা অর্জনের আর ২০২৪ হলো দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার।”

বিএনপি মহাসচিব জানান, দুই সপ্তাহের এই বিশেষ 'রোড শো' উদযাপনের সময় বিভিন্ন বিভাগের স্বাধীনতা এবং মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত ঐতিহাসিক স্থান পরিদর্শন, জাতীয় সংগীত, মুক্তিযুদ্ধের গান, দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন, জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বক্তব্যের নির্বাচিত অংশ প্রচার, জাসাসের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং ডকুমেন্টারি প্রদর্শন হবে।

একইসঙ্গে জনগণের সামনে তুলে ধরা হবে একটি নিরাপদ, সমৃদ্ধ এবং গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে বিএনপির ৩১ দফা কর্মসূচি।

তিনি জানান বিভাগ ঘুরে বিজয় মশাল সবশেষে ১৬ ডিসেম্বর ঢাকায় এসে পৌঁছাবে। একইদিন ঢাকার মানিক মিয়া এভিনিউতে মহাসমাবেশ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শেষ হবে 'বিজয়ের মাসে বিজয় মশাল রোড শো'। বিজয় মাস উপলক্ষে এই বিশেষ কর্মসূচি ছাড়াও অন্যান্য কর্মসূচি উদযাপিত হতে থাকবে।

ঢাকা/রায়হান/সাইফ

সম্পর্কিত নিবন্ধ

  • রশু’র ২য় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে কবর জিয়ারত ও শ্রদ্ধাঞ্জলি
  • সারা দেশে ‘রোড শো’ করবে বিএনপি, ১৬ ডিসেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশ
  • সিরামিক এক্সপো উপলক্ষে ডিবিএলের সৌজন্যে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ