কুয়েট ও হা-মীম গ্রুপের মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই
Published: 15th, January 2025 GMT
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষা, গবেষণা ও কর্মসংস্থানে পেশাগত উন্নয়নে কুয়েটের টেক্সটাইল ডিপার্টমেন্ট ও হা-মীম গ্রুপের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছে।
বুধবার কুয়েট ক্যাম্পাসে স্পেকট্রাম ক্লাব কর্তৃক আয়োজিত দুই দিনব্যাপী জব ফেয়ার ‘জবস্পেস-২০২৫’ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে এ সমঝোতা স্মারক সই হয়।
এ সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে হা-মীম গ্রুপ কুয়েটের টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপের সুযোগ দেবে এবং স্নাতক উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের চাকরি প্রাপ্তির সুবিধার্থে হা-মীম গ্রুপ ও টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ যৌথভাবে কাজ করবে। এছাড়াও ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষা, গবেষণা ও কর্মসংস্থানে পেশাগত উন্নয়নে কাজ করবে।
সমঝোতা স্মারক সই অনুষ্ঠানে কুয়েটের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন- উপাচার্য অধ্যাপক ড.
উৎস: Samakal
কীওয়ার্ড: সমঝ ত
এছাড়াও পড়ুন:
যশোর আইনজীবী সমিতি: বিএনপিপন্থীদের জয়, সভাপতি সাবেরুল ও সম্পাদক গফুর
যশোর জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপিপন্থী জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম একচেটিয়া জয় পেয়েছে। তারা ১৩টি পদের মধ্যে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ ১১টি পদ পেয়েছে। দুটি পদে জিতেছেন জামায়াত–সমর্থিত ল ইয়ার্স কাউন্সিলের প্রার্থীরা। ভোট গণনা শেষে গতকাল শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান মোহসীন আলী।
আগামী এক বছরের জন্য জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি হলেন যশোর জেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাবেরুল হক ও সাধারণ সম্পাদক হলেন এম এ গফুর। বিএনপি–সমর্থিত ফোরাম থেকে অন্য বিজয়ীরা হলেন সহসভাপতির দুই পদে গোলাম মোস্তফা ও বাসুদেব বিশ্বাস, যুগ্ম সম্পাদক নূর আলম, সহকারী সম্পাদক সেলিম রেজা ও আশরাফুল আলম, গ্রন্থাগার সম্পাদক কামরুল হাসান, কার্যকরী সদস্যের পাঁচটি পদের তিনটিতে বিএনপি ও দুটিতে জামায়াত–সমর্থিতরা জয়লাভ করেন। বিএনপি–সমর্থিত রেহেনা খাতুন, মঞ্জুরুল মাহমুদ ও মৌলুদা পারভীন। এ ছাড়া সদস্যপদে জামায়াত–সমর্থিত শফিকুল ইসলাম ও আজহারুল ইসলাম জয়লাভ করেন।
আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রতিবছর বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ প্যানেল দিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলেও এবার তারা কোনো প্যানেল দেয়নি। এমনকি আওয়ামী লীগ–সমর্থিত কোনো ভোটার নির্বাচনী মাঠে সরবও হননি। তাঁরা অনেকটা নীরবে বিএনপি–সমর্থিত প্রার্থীদের পক্ষে ভোট দিয়েছেন। ভোট গ্রহণের দুই দিন আগে বাম গণতান্ত্রিক আইনজীবী ফোরামের দুজন প্রার্থীকে যুক্ত করে পূর্ণ প্যানেল ঘোষণা করেন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম। বিএনপি–সমর্থিত প্যানেল যখন বামপন্থী আইনজীবীদের নিয়ে শক্তিশালী ফোরাম গড়ে তোলে, তখন বসে থাকেনি জামায়াত–সমর্থিত প্যানেলও। বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত নেতা আইনজীবী সমিতির বর্তমান সভাপতি আবু মোর্তজাকে (ছোট) সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী করে গঠন করে লতিফ-ছোট ঐক্য পরিষদ।
এবারের নির্বাচনে ১৩টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ২১ জন প্রার্থী। এর মধ্যে বিএনপি–সমর্থিত সাবু-গফুর ঐক্য প্যানেলের ১৩ প্রার্থী, জামায়াত–সমর্থিত লতিফ-ছোট ঐক্য পরিষদের ৭ প্রার্থী ও সাধারণ সম্পাদক পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন কাজী রেফাত রেজওয়ান।