অক্সফোর্ডে পড়াশোনা শেষে ফুড ডেলিভারির চাকরি
Published: 8th, July 2025 GMT
যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর শেষ করে ফুড ডেলিভারির কাজ করছেন চীনের এক ব্যক্তি। জুতসই চাকরি না পেয়ে কঠোর পরিশ্রমের এই পেশা বেছে নিয়েছেন তিনি। নিজের পরিশ্রমের গল্প সামাজিক যোগোযোগমাধ্যমে পোস্ট করে তরুণদের উৎসাহ জোগাচ্ছেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ আলোচনা হচ্ছে।
চীনের ওই ব্যক্তির নাম দিং ইউয়াংঝু (৩৯)। তাঁর বাড়ি চীনের ফুজিয়ান প্রদেশে। ২০০৪ সালে চীনের ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ভর্তি পরীক্ষায় ঈর্ষণীয় সাফল্য অর্জন করেন। এই পরীক্ষা গাওকাও নামে পরিচিত।
এরপর সিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রসায়নে স্নাতক পাস করেন দিং। চীনের আরেকটি সম্মানজনক বিশ্ববিদ্যালয় পিকিং ইউনিভার্সিটি থেকে জ্বালানি প্রকৌশল নিয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।
দিং ইউয়াংঝুর উচ্চশিক্ষা এখানেই থেমে যায়নি। এরপর সিঙ্গাপুরের নানাইয়াং টেকনোলজিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জীববিজ্ঞানে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর শীর্ষস্থানীয় অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জীববৈচিত্র্যে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন তিনি।
পড়াশোনা শেষ করে সিঙ্গাপুর ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে পোস্ট ডক্টরাল গবেষক হিসেবে কাজ করেন ইউয়াংঝু। গত মার্চে তাঁর চাকরির চুক্তি শেষ হয়ে যায়। চাকরি হারানোর পর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে একাধিক জীবনবৃত্তান্ত পাঠান। অন্তত ১০টি প্রতিষ্ঠানে মৌখিক পরীক্ষা দেওয়ার ডাক পান। কিন্তু কোথাও ভালো চাকরি মেলেনি।
উপায়ন্তর না দেখে ইউয়াংঝু সিঙ্গাপুরের একটি ফুড ডেলিভারি প্রতিষ্ঠানে কর্মী হিসেবে নিবন্ধন করেন।
দিং ইউয়াংঝু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চাকরি নিয়ে একটি পোস্ট দেন। সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘এটা একটা স্থায়ী চাকরি। এই আয় দিয়ে আমি পরিবারকে সাহায্য করতে পারি।’
কয়েক মাস পর ইউয়াংঝু সিঙ্গাপুর থেকে আবার চীনে ফিরে যান। বর্তমানে বেইজিংয়ের মেইতুয়ানে একজন ফুড ডেলিভারি কর্মী হিসেবে কাজ করছেন। মেইতুয়ান হলো চীনের একটি শীর্ষস্থানীয় কেনাকাটার প্ল্যাটফর্ম।
চীনে প্রতিবছরের জুনে গাওকাও পরীক্ষা হয়। মাস শেষে পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়। সম্প্রতি ইউয়াংঝু একটি ভিডিও পোস্ট করে গাওকাও পরীক্ষা শেষ করা শিক্ষার্থীদের উৎসাহ দিয়েছেন।
.উৎস: Prothomalo
কীওয়ার্ড: পর ক ষ
এছাড়াও পড়ুন:
বিয়ে করে সংসারী পপি, ইরিন নিউজার্সিতে, সিমলা ও জেবা কোথায়
অভিনয়ে কেউ ৩৫ বছর, আবার কেউ–বা পার করেছেন ২৫ বছর। নব্বই দশকে ঢালিউডে আলো ছড়ানো এমন নায়িকা প্রায় ডজনখানেক। তাঁদের কাউকে এখন আর সেই অর্থে অভিনয়ে দেখা যায় না। দু-একজন আবার বিনোদন অঙ্গনে কাজের ধরন বদলে ফেলেছেন। নায়িকার চরিত্রে অভিনয় না করলেও উপস্থাপনা ও বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বিচারকাজে নিজেকে ব্যস্ত রেখেছেন। একনজরে দেখে নেওয়া যাক নব্বই দশকে আলো ছড়ানো নায়িকাদের এখন কে কী করছেন, কোথায় আছেন?
পপি : ছয় ভাইবোনের মধ্যে পপি সবার বড়। তাঁর বাবা আমির হোসেন পেশায় একজন ঠিকাদার। মা মরিয়ম বেগম গৃহিণী। তাঁর জন্ম খুলনা শহরের সোনাডাঙ্গায়। তিনি যখন খুলনার একটি স্কুলে নবম শ্রেণিতে পড়তেন, তখন লাক্স আনন্দ বিচিত্রা ফটোসুন্দরী প্রতিযোগিতা চলছিল। পত্রিকায় এই খবর দেখে তাঁর মা পপির ছবি পাঠান। এরপর মায়ের ইচ্ছায় পপি ওই প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। কিশোরী পপি সবাইকে অবাক করে লাক্স আনন্দ বিচিত্রা ফটোসুন্দরী চ্যাম্পিয়ন হন। এরপর তাঁকে নিয়ে শুরু হয় আলোচনা। এর মধ্যে শেষ হয় স্কুলজীবন। এরপর মাকে সঙ্গে করে পপি চলে আসেন ঢাকায়। ভর্তি হন লালমাটিয়া মহিলা কলেজে।
পপি