2025-11-30@12:06:24 GMT
إجمالي نتائج البحث: 1660

«যখন ম»:

    ছোট ও বড় পর্দার অভিনেত্রী প্রসূন আজাদ। ক্যামেরার পেছনেও কাজ করেছেন। তবে সবকিছু থেকেই এখন অনেকটা দূরে রয়েছেন এই অভিনেত্রী। আপাতত স্বামী-সন্তান নিয়েই তার অধিক সময় কাটছে। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় দারুণ সরব প্রসূন।    দশ বছর আগের শুটিং সেটের একটি ঘটনা ভক্ত-অনুরাগীদের সঙ্গে শেয়ার করেছেন প্রসূন আজাদ। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছেন প্রয়াত গুণী পরিচালক আমজাদ হোসেন।  আরো পড়ুন: অ্যাওয়ার্ড শোয়ে যাওয়ার আগে আমার জ্বর আসে: সাফা কবির বাবা হলেন নিলয় আলমগীর স্মৃতিচারণ করে প্রসূন আজাদ বলেন, “ডিরেক্টর সোহেল আরমান সাহেবের নাটকের শুটিং চলছিল। খুবই খুঁতখুঁতে ডিরেক্টর, যা চায় তা না করতে পারলে ক‍্যামেরা চালু থাকবে। শট শেষ। কঠিন দৃশ‍্য। এক টেকেই আমাকে সংলাপ বলতে হবে, কাঁদতে হবে, নির্ধারিত জোন ত‍্যাগ করে চলেও যেতে হবে। সবই...
    আল্লাহ বলেছেন, “নিশ্চয় আমি আকাশমণ্ডল, পৃথিবী ও পর্বতসমূহের কাছে আমানত পেশ করেছিলাম। অতঃপর তারা তা বহন করতে অস্বীকার করল এবং সে বিষয়ে ভীত হলো; কিন্তু মানুষ তা বহন করল। নিঃসন্দেহে সে ছিল অতিশয় জালিম (স্ব-অত্যাচারী) ও অজ্ঞ।” (সুরা আহযাব, আয়াত: ৭২)কোরআন মাজিদের এই আয়াতটি সৃষ্টির ইতিহাসে এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের কথা তুলে ধরেছে—যখন আকাশ, পৃথিবী এবং সুউচ্চ পর্বতমালা যে গুরুদায়িত্ব গ্রহণে অপারগতা প্রকাশ করেছিল, সেই দায়িত্ব মানুষ স্বেচ্ছায় গ্রহণ করেছিল।এই ‘আমানত’ কী ছিল? কেনই বা মানুষ এটিকে গ্রহণ করল, আর কেনই বা তাকে 'জালিম ও অজ্ঞ' বলে আখ্যায়িত করা হলো?আমানতের অর্থ ও তাৎপর্য এই আয়াতে উল্লিখিত ‘আমানত’-এর ব্যাখ্যা নিয়ে মুফাসসিরদের মধ্যে বহু আলোচনা রয়েছে। তবে অধিকাংশের মতে, এই আমানত বলতে মূলত শরীয়তের দায়িত্ব ও কর্তব্যসমূহ বোঝানো হয়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত...
    বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠীত হয়েছে। শনিবার (২৯ নভেম্বর) শহরের উকিলপাড়া এলাকায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা-জাসাস কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ও নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আনিসুল ইসলাম সানির উদ্যোগে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। দোয়া মাহফিল পূর্বে সংক্ষিপ্ত আলোচনায় আনিসুল ইসলাম সানি বলেন, বিগত সরকার অত্যন্ত কৃত্রিমভাবে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে অসুস্থ করে রেখেছিল। এটা তার স্বাভাবিক অসুস্থতা নয়। একজন নারী পায়ে হেঁটে জেলখানার ভেতরে ঢুকলেন, একটি অন্যায়, অসত্য, মিথ্যা মামলায়। জেলে নেওয়ার পর প্রমাণ ছাড়াই নানা উপায়ে তাকে অসুস্থ করা হয়েছে। শারীরিক অসুস্থতা ও সংকটের মধ্যেও দেশ ছেড়ে যাননি খালেদা জিয়া। তার মতো নেতৃত্ব আমাদের অহংকার। তিনি আমাদের গহীন অন্ধকারে পথ দেখিয়েছেন। সংকটেও কীভাবে মাথা উঁচু করে...
    নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ বলেছেন, আজকে যে তরুণ সমাজ যারা এই খেলার আয়োজক তাদের প্রতি অনেক অনেক ধন্যবাদ রইল, তাদের জন্য দোয়া ভালোবাসা রইল, পাশাপশি তারা যে জাতীয় সংগীত গেয়ে আজকের এই টুর্নামেন্টের উদ্ধোধন করল, জাতীয় সংগীত আমাদের কে দেশ প্রেম শিখায়, জাতীয় সংগীত আমাদের কে দেশ প্রেমের চেতনায় উজ্জীবিত হতে শিখায়। শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) রাতে সিদ্ধিরগঞ্জের জালকুড়ি পূর্বপাড়া তরুণ সমাজের আয়োজেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্মৃতি ফুটবল টুর্ণামেন্টের উদ্ধোধন কালে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি আরো বলেন, দেশ আমাদের মায়ের মত, আমরা যেমন আমাদের মা,কে ভালোবাসি, তেমনি আমরা তার চাইতেও বেশি দেশ,কে ভালোবাসি। দেশ,কে যে মায়ের চাইতে ভালোবাসে তার প্রমান দিতে তারা দেশের ক্রান্তিলগ্নে, যখনি এই দেশ কোন,না,কোন শত্রুর ধারা বিপদগামী হয়,...
    নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ বলেছেন, আজকে যে তরুণ সমাজ যারা এই খেলার আয়োজক তাদের প্রতি অনেক অনেক ধন্যবাদ রইল, তাদের জন্য দোয়া ভালোবাসা রইল, পাশাপশি তারা যে জাতীয় সংগীত গেয়ে আজকের এই টুর্নামেন্টের উদ্ধোধন করল, জাতীয় সংগীত আমাদের কে দেশ প্রেম শিখায়, জাতীয় সংগীত আমাদের কে দেশ প্রেমের চেতনায় উজ¦ীবিত হতে শিখায়। শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) রাতে সিদ্ধিরগঞ্জের জালকুড়ি পূর্বপাড়া তরুণ সমাজের আয়োজেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্মৃতি ফুটবল টুর্ণামেন্টের উদ্ধোধন কালে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি আরো বলেন, দেশ আমাদের মায়ের মত, আমরা যেমন আমাদের মা,কে ভালোবাসি, তেমনি আমরা তার চাইতেও বেশি দেশ,কে ভালোবাসি। দেশ,কে যে মায়ের চাইতে ভালোবাসে তার প্রমান দিতে তারা দেশের ক্রান্তিলগ্নে, যখনি এই দেশ কোন,না,কোন শত্রুর ধারা বিপদগামী হয়,...
    মানুষের জীবন এক অনন্ত জিজ্ঞাসা ও প্রত্যাশার নাম। আমরা প্রতিনিয়ত স্বপ্ন দেখি, আকাঙ্ক্ষা করি এমন কিছু যা আমাদের বর্তমানকে ছাপিয়ে যায়—আরও সুন্দর, আরও নিখুঁত। দুনিয়ার জাঁকজমকপূর্ণ প্রাসাদ, দ্রুতগামী বিলাসবহুল গাড়ি কিংবা প্রযুক্তির অভাবনীয় সব আবিষ্কার—এসবই মানুষের মনকে ক্ষণিকের জন্য তৃপ্তি দেয়, কিন্তু সেই তৃপ্তি দ্রুতই ফুরিয়ে যায়।মন তখন নতুন কিছুর খোঁজে হাঁসফাঁস করে। কিন্তু এই ক্ষণস্থায়ী ভোগ-বিলাসের বাইরেও কি এমন কোনো সুখ আছে যা কোনো চোখ দেখেনি, কোনো কান শোনেনি, এমনকি কোনো মানব হৃদয়েও যার কল্পনা আসেনি? ইসলামি বিশ্বাসে, মুমিনদের জন্য মহান আল্লাহ তেমনই এক চিরন্তন সুখের জগত প্রস্তুত করে রেখেছেন, যা আমাদের সীমিত কল্পনাকে অতিক্রম করে যায়।যা চোখে দেখেনি কেউ একটি হাদিসে কুদসিতে মহান আল্লাহ এই চূড়ান্ত প্রতিশ্রুতির কথা বলেছেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "আল্লাহ তায়ালা বলেন, 'আমি আমার নেককার...
    প্রকৃতিতে আল্লাহর কুদরতি শক্তির অন্যতম নিদর্শন হলো ভূমিকম্প। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘পৃথিবী যখন আপন কম্পনে প্রবলভাবে প্রকম্পিত হবে, পৃথিবী যখন তার ভার বের করে দেবে এবং মানুষ বলবে—এর কী হলো? সেদিন পৃথিবী তার বিবরণ প্রকাশ করবে, কারণ তোমার প্রতিপালক (আল্লাহ) তাকে তা করার নির্দেশ দেবেন। সেদিন মানুষ বিচ্ছিন্ন দলে বেরিয়ে আসবে, যাতে তাদের কৃতকর্ম তাদের সামনে প্রদর্শন করা যায়। যে কেউ অণু পরিমাণ সৎ কর্ম করবে, সে তা দেখবে; আর যে কেউ অণু পরিমাণ অসৎ কর্ম করবে, সে তা–ও দেখবে।’ (সুরা–৯৯ জিলজাল, আয়াত: ১-৮)।মহানবী (সা.) বলেন, ‘যখন অবৈধ উপায়ে সম্পদ অর্জিত হবে, আমানত বিশ্বাস করে গচ্ছিত রাখলে তা আত্মসাৎ করা হবে, জাকাতকে জরিমানা মনে করা হবে, ধর্মীয় শিক্ষা ছাড়া বিদ্যা অর্জন করা হবে, পুরুষ তার স্ত্রীর অনুগত হয়ে মায়ের সঙ্গে...
    ‘একটা বড় জুটি হলেই হতো’ - বারবার তাওহীদ হৃদয় এই কথাটাই বোঝাতে চাচ্ছিলেন একাধিক প্রশ্নে। ১৮২ রানের লক্ষ‌্য তাড়া করতে নেমে ৩৯ রানে ম‌্যাচ হারের পর দলের সেরা ব‌্যাটসম‌্যান বোঝাতে চাইলেন, ‘একটা বড় জুটি হলেই খেলাটা অন‌্যরকম হতে পারত।’  শেষ পর্যন্ত লড়াই করে যাওয়া তাওহীদ ৫০ বলে ৮৩ রানে অপরাজিত থাকেন। ৭ চার ও ৩ ছক্কায় সাজানো ইনিংসটি তার ক‌্যারিয়ার সেরা। তবে, দিন শেষে হাসিটা মুখে রাখতে পারেননি ডানহাতি ব‌্যাটসম‌্যান। স্কোরবোর্ড, উইকেট, লক্ষ‌্য, শিশির, কোনো কিছুই বাংলাদেশের জন‌্য জটিল ছিল না। কিন্তু শীর্ষে থাকা ৪ ব‌্যাটসম‌্যান ম‌্যাচকে উপহার দিয়ে আসেন আয়ারল‌্যান্ডকে।  আরো পড়ুন: খই খই এখন দ্যুতি ছড়াচ্ছেন আন্তর্জাতিক মঞ্চে দারুণ জয়ে ক্রিকেট কার্নিভালের কোয়ার্টার ফাইনালে ওয়ালটন পাওয়ার প্লে’র ৬ ওভারে বাংলাদেশের ৪ ব‌্যাটসম‌্যান সাজঘরে। রান...
    অস্তিত্বের ছায়ালেখাএকবার যে নিজ হতে হারায়—তার পদচিহ্নে ঘাস গজায় না আর,বাতাসও চেনে না তার গন্ধ,কুয়াশায় ভেসে যায় নামের উচ্চারণ।সে তখন দাঁড়িয়ে থাকেঅদৃশ্য কোনো সন্ধ্যার পাড়ে,যেখানে আলো আর অন্ধকারএকই শরীরের দুই নিশ্বাস।তার চোখে জেগে থাকে শূন্য,যেন সময়ের ভেতর সময়ের প্রতিধ্বনি—সে আর ‘আমি’ নয়,সে এক অবিরাম নীরবতার জনপদ।একবার যে নিজ হতে হারায়,সে আর কারোর নয়—সে তখন নদীর অস্থিরতায় মিশে যায়,অথবা বাতাসের অচেনা এক দার্শনিক প্রশ্ন হয়ে থাকে।সত্য ও গল্পগল্পগুলো এমন কেন সত্যগুলো হারিয়ে ফেলে,যেমন নদী নিজের স্রোতে নিজেরই ছায়া মুছে দেয়।অচেতন এক আনুগত্যে সময় আসে—নীরব হাত বাড়িয়ে,এক এক করে পুরোনো অঙ্গীকার লোপ করে নিয়ে যায়।সত্য থাকে কোথাও—ছায়ার আড়ালে,নিস্তব্ধশব্দের মধ্যে, মন—নীরবতার গভীরে কিংবা অস্তিত্বের অন্তঃস্থ গভীর ভাষায়।কিন্তু গল্পেরা, তারা চুপচাপ আসে—সেই সত্যকে মাখিয়ে দেয় মায়ার রঙে, যেন হোলি খেলে চলেপরতে পরতে অচেনা ভুবনে।এক...
    লক্ষ‌্য ১৮২। অথচ রান তাড়া করতে নেমে স্কোরবোর্ডে ৬ ওভারে রান মাত্র ২০। হাতে নেই ৪ উইকেট। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের যে চাহিদা, চার-ছক্কার ফুলঝুরি তা পাওয়ার প্লে’তেই বেশি আসে। মানে প্রথম ৬ ওভারে যখন বৃত্তের বাইরে কেবল ২ জন ফিল্ডার থাকে। আয়ারল‌্যান্ডের বিপক্ষেও চট্টগ্রামে একই সুবিধা পেয়েছে বাংলাদেশ। অথচ বাংলাদেশের প্রথম ৬ ওভারে বাউন্ডারি মাত্র ১টি। সেটাও এসেছে ইনিংসের ২৮তম বলে, সাইফ হাসানের ব‌্যাটে। আরো পড়ুন: বিব্রতকর পরাজয়ের সঙ্গে মিলল ‘ভুয়া, ভুয়া’ দুয়োধ্বনি বাংলাদেশকে চ্যালেঞ্জিং টার্গেট দিল আয়ারল্যান্ড বাকিটা সময় তানজিদ হাসান তামিম, পারভেজ হোসেন ইমন, লিটন দাস ও সাইফ হাসান স্রেফ ধুঁকেছেন। এমন না যে আয়ারল‌্যান্ডের বোলিং অনেকটা ভালো হয়েছে। যুৎসই ছিল। চাইলেই সহজাত ব‌্যাটিংয়ে, ভালো ব‌্যাটিং অ‌্যপ্রোচে বোলিং সামলানো যেত। কিন্তু তালগোল পাকিয়ে নিজেদের উইকেট...
    সব প্রবাসী বাংলাদেশি ভোটারদের ‘পোস্টাল ব্যালটের’ মাধ্যমে ভোট দেওয়ার জন্য নিবন্ধন অ্যাপ উন্মুক্ত করার আড়াই ঘণ্টার মাথায় ঠিকানা–সংক্রান্ত জটিলতায় সাতটি দেশের নিবন্ধন কার্যক্রম স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামীকাল শুক্রবার সকাল থেকে পুনরায় এসব দেশে নিবন্ধন শুরু করার কথা জানিয়েছে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি। গতকাল বুধবার দিবাগত রাত ১২টার পর সবার জন্য নিবন্ধন অ্যাপ উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।বর্তমানে সৌদি আরব, কাতার, বাহরাইন, ওমান, কুয়েত, আরব আমিরাত ও মালয়েশিয়ার ভোটাররা তাঁদের ঠিকানা দিয়ে নিবন্ধন করতে গিয়ে জটিলতায় পড়ে নিবন্ধন করতে পারছেন না।বিষয়টি তুলে ধরে আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন আউট অব কান্ট্রি ভোটিং (ওসিভি) প্রকল্পের টিম লিডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) সালিম আহমেদ খান। তিনি বলেন, ‘কালকে রাতে যখন আমরা শুরু করেছি, শুরু করার পর রেসপন্স...
    বাংলাদেশে নারীর সংখ্যা বেড়েছে। দেশের সর্বশেষ জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুযায়ী, দেশের মোট জনসংখ্যার ৫১ শতাংশ নারী। তবে আশ্চর্যের ব্যাপার হলো, নারী সংখ্যাগরিষ্ঠের এই দেশে অন্যান্য বিষয়ে তো বটেই, এমনকি নারীর একান্ত নিজস্ব বিষয়েও সিদ্ধান্ত নেন পুরুষেরা। এই যেমন তাঁরা কী কাজ করবেন, কোথায় যাবেন, কার সঙ্গে যাবেন, কী পোশাক পরবেন, কীভাবে চলাফেরা করবেন, কী কথা বলবেন, কার সঙ্গে কথা বলবেন ইত্যাদি।এ ক্ষেত্রে সংখ্যা কোনো বিষয় নয়। নারীরা সংখ্যায় লঘিষ্ঠ হোন কিংবা গরিষ্ঠ, ফলাফল কিন্তু একই। যেকোনো বাস্তবতাতেই সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে নারী মুখ্য নন, গৌণ। কারণ, নারীদের উপেক্ষিত হওয়ার বিষয়টি সংখ্যার সঙ্গে যুক্ত নয়; যুক্ত ক্ষমতার রাজনীতির সঙ্গে।আরও পড়ুনসংসদে নারী আসনব্যবস্থা সংস্কারের এখনই সময়১৩ জুলাই ২০২৫সারা বিশ্বেই নারীর ওপর পুরুষের চাপানো সিদ্ধান্তের এই সংস্কৃতি অনেক পুরোনো। বাংলাদেশেও এই সংস্কৃতি বিদ্যমান ও প্রকটভাবেই...
    রোগীরা যখন জিজ্ঞেস করেন যে ডায়াবেটিস নিয়ে এত মাথাব্যথা করব কেন? আমি বলি, ভাই তোমার যে ডায়াবেটিস হলো, তোমার যে বন্ধুটির ডায়াবেটিস নেই তার থেকে তোমার আয়ু এক্ষুনি ৭ বছর কমে গেল। কী সাংঘাতিক কথা! কেন? গ্লুকোজ তো আমার দরকার। প্রতিটি কোষ গ্লুকোজ ব্যবহার করে এনার্জি হিসেবে। আমার মস্তিষ্ক প্রায় পুরোপুরি গ্লুকোজের ওপর নির্ভরশীল। সমস্যা হলো এই এসেনশিয়াল ফুয়েলটা যদি আমি ঠিকমতো ব্যবহার করতে না পারি, সেটা আমার ক্ষতি করবে। এটার জন্যই ডায়াবেটিস হয়। হয় আমার ইনসুলিনটা কমে গেছে (যেটা গ্লুকোজ ব্যবহার করাচ্ছে), অথবা আমার শরীরে প্রচুর ইনসুলিন আছে, কিন্তু নানা কারণে সেটা ঠিকভাবে কাজ করতে পারছে না। তার ফল কী? প্রতিটি কোষ, প্রতিটি ভেসেলে (রক্তনালি) যে এনার্জি ইউটিলাইজেশনের মেকানিজম, সেখানে সমস্যা হচ্ছে। তার ফলে কী হচ্ছে? ধরো, আমার ভেসেলে...
    দেশব্যাপী যখন টাইফয়েডের টিকাদান কর্মসূচি শেষ হলো, তখন গাজীপুরের ভাওয়ালগড় ইউনিয়নের হোতাপাড়া গ্রামের বেদে সম্প্রদায়ের যাযাবর পরিবারগুলো এ সম্পর্কে কিছুই জানতো না। তাঁবুতে বসবাসরত এই জনগোষ্ঠীর শিশুদের জন্য টিকা ছিল নাগালের বাইরে। এটি কেবল একটি স্বাস্থ্য কর্মসূচির ব্যর্থতা নয়; বরং সমাজের প্রান্তিকতম অংশ রাষ্ট্রীয় সুবিধা থেকে কতটা বিচ্ছিন্ন, সেটিও প্রতীয়মান হয়। তবে শেষ পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাদের টিকাদানের ব্যবস্থা করেছে বলে জানা গেছে।প্রথম আলোর প্রতিবেদন জানায়, হোতাপাড়ার এই অভিভাবকেরা জানতেন না টাইফয়েড টিকা কী বা কোথায় এটি দেওয়া হচ্ছে। তাঁদের শিশুরা স্কুলে যায় না, তাঁরা ঘন ঘন স্থান পরিবর্তন করেন এবং সরকারি প্রচারণার কোনো মাধ্যমই তাঁদের কাছে পৌঁছায় না। এ কারণে তাঁদের সন্তানেরা সমাজের অন্য শিশুদের মতো স্বাস্থ্যগত সুরক্ষা পাওয়ার মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।বেদে সম্প্রদায় মূলত নদীভাঙন বা অন্য...
    ভারতের দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা নাগা চৈতন্য। অভিনয় ক্যারিয়ারে অনেক ব্যবসাসফল সিনেমা উপহার দিয়েছেন সামান্থা রুথ প্রভুর এই প্রাক্তন স্বামী। নাগার আরেক পরিচয় তিনি নাগার্জুনা আক্কিনেনির বড় ছেলে ও অভিনেত্রী অমলা আক্কিনেনির সৎপুত্র। অমলা সৎমা হলেও নাগা চৈতন্যর সঙ্গে তার দারুণ সম্পর্ক। এনটিভি-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ নিয়ে কথা বলেছেন অমলা। নাগা চৈতন্য প্রসঙ্গে অমলা আক্কিনেনি এনটিভি-কে বলেন, “চৈতন্যর সঙ্গে যখন আমার পরিচয় হয়, তখন সে তরুণ। কারণ তার মা চেন্নাইয়ে থাকতেন; সে সেখানেই বড় হয়েছে। কলেজের জন্য সে হায়দরাবাদে এসেছিল। অবশ্যই আমি তার সঙ্গে যোগাযোগে রেখেছিলাম। কিন্তু সত্যিকার অর্থে তাকে জানতে পারি, যখন সে হায়দরাবাদে চলে আসে। চৈতন্য দারুণ একজন মানুষ। বয়সের তুলনায় সে অনেক বেশি পরিণত ও প্রজ্ঞাবান। খুবই দায়িত্বশীল। সে এমন একজন, যে কখনো ভুল করেনি এবং...
    মাঝে মাঝে মনে হয়, কবিতায় মিলিত অক্ষরপুঞ্জের কোনো অর্থ নেই; অক্ষর দিয়ে মিলিত শব্দপ্রবাহ যতই প্রেমের, যতই রহস্য-রোমাঞ্চের অভিজ্ঞতা দিক, শব্দবিবাহের দাম্পত্য মধু যতই আলোড়িত করুক, শব্দপরকীয়ার নিষিদ্ধ সুখ যতই ভাসিয়ে দিক। তাহলে কোন অভিঘাতে কবি লিখে ফেলেন এই সব নিঃশব্দ চলিষ্ণু ধ্বনিশব্দবাক্যচরণধারা, যা স্থির থেকেও থাকে কলরবমুখর, নিয়ে যায় দূরত্বে। দূরগামী এই সব পুঞ্জের এত ক্ষমতা কেন! আবেগবিদ্ধ করে কে কবির দ্বারা লিখিয়ে নেয় এই সব চরণ! কে কবিকে সংযত করে প্রবাহিত শৃঙ্খলে! কে কবিকে সংহত করে গতি বিনির্মাণে! কে কবিকে নিবিষ্ট করে শব্দের পরিমিত ব্যবহারে! কে যে করে তা জানার উপায় নেই। কিন্তু ‘করে যে’ তা তো অবধারিত। তাই পেছনের সত্তার খোঁজে না গিয়ে প্রাপ্ত অস্তিত্বের ভেতরে বহমান নিষ্ঠুর রহস্যের দিকে যাই। সেখানে দেখি অনেক কিছু।দুই সেই যে...
    মানুষের জীবনকালে পাঁচ ধাপে মস্তিষ্কের বয়স বৃদ্ধি পায়। এর মধ্যে মূল বদলগুলো আসে ৯, ৩২, ৬৬ ও ৮৩ বছর বয়সে। ৯০ বছর বয়স পর্যন্ত প্রায় ৪ হাজার মানুষের মস্তিষ্ক স্ক্যানিংয়ের মাধ্যমে পরীক্ষা করে এ তথ্য তুলে ধরেছেন যুক্তরাজ্যের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা।গবেষণার ফল গতকাল মঙ্গলবার কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। তাতে দেখা গেছে, আমাদের বয়স যখন ত্রিশের কোঠার শুরুর দিকে পৌঁছায়, তখনো আমাদের মস্তিষ্ক কৈশোরে থাকে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা ও ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি কেন ভিন্ন ভিন্ন হয়, তা বুঝতে সাহায্য করতে পারে এই গবেষণা।মানুষের মস্তিষ্কের বয়সের যে পাঁচটি ধাপ রয়েছে, সেগুলো হলো—শৈশব: জন্ম থেকে ৯ বছর পর্যন্ত; কৈশোর: ৯ থেকে ৩২ বছর পর্যন্ত; প্রাপ্তবয়স্ক অবস্থা: ৩২ থেকে ৬৬ বছর বয়স পর্যন্ত; বার্ধক্যের শুরু: ৬৬ থেকে ৮৩...
    আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে দলে নেই শামীম হোসেন পাটোয়ারী। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজটি শামীমের ভালো যায়নি। কিন্তু এর আগে তার পারপরম্যান্স একেবারে খারাপ ছিল না। এক সিরিজের পারফরম্যান্সে নিয়মিত ক্রিকেটারকে বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া পছন্দ হয়নি অনেকেরই। প্রধান নির্বাচক গাজী আশরাফ হোসেন লিপু গণমাধ্যম এড়িয়ে চলছেন লম্বা সময় ধরেই। দল দিয়ে দেওয়া হচ্ছে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে। কখনো প্রকাশ করা হয় ভিডিও। কখনো হয় না। কিভাবে দল বাছাই করা হলো সেই সব এড়িয়ে যাচ্ছিলেন তিনি। আরো পড়ুন: টি-টোয়েন্টিতে তাসকিন-শামীম বাদ, সুযোগ পেলেন সাইফ উদ্দিন-মাহিদুল এখন অনেকেই বলছে, আমিও ১০০ টেস্ট খেলব: নাজমুল তবে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে চট্টগ্রামে মাঠে নামার আগে অধিনায়ক লিটন দাস জানিয়ে দিলেন, শামীম কেন বাদ তিনি জানেন না। শামীম ইস্যুতে নির্বাচকদের সঙ্গে কোনো কথাও হয়নি...
    ইডিপাস থিবসের পৌরাণিক রাজা, যিনি সফোক্লিসের বিখ্যাত বিয়োগান্ত নাটক ‘ইডিপাস দ্য কিং’-এর কেন্দ্রবিন্দু থিবস। গ্রিক পুরাণের একজন বিয়োগান্তক চরিত্র, যিনি না জেনে তার পিতাকে হত্যা করেন এবং নিজের মাতাকে বিবাহ করেন। তার কাহিনী সফোক্লিস রচিত বিখ্যাত নাটক ‘ইডিপাস রেক্স’-এ (রাজা ইডিপাস) বর্ণিত হয়েছে।  ইডিপাসের মূল গল্প আরো পড়ুন: ‘সাগরের জলদস্যু’ বলা হয় যে পাখিকে অতিরিক্ত হাঁচি হলে শরীরে যেসব পরিবর্তন দেখা দিতে পারে  থিবসের রাজা লাইয়াস এবং রানী জোকাস্টার সন্তান হিসেবে ইডিপাসের জন্ম হয়। জন্মের আগেই এক দৈববাণীতে বলা হয়, এই সন্তান বড় হয়ে তার পিতাকে হত্যা করবে এবং মাতাকে বিয়ে করবে।  এই ভয়াবহ পরিণতি এড়াতে, রাজা লাইয়াস শিশু ইডিপাসকে এক মেষপালকের কাছে দেন এবং তাকে মেরে ফেলতে বলেন। মেষপালক দয়াপরবশ হয়ে শিশুটিকে না মেরে...
    জীবিত মানুষের মস্তিষ্ককালের পাঁচটি স্বতন্ত্র পর্যায় চিহ্নিত করেছেন বিজ্ঞানীরা। তারা জানিয়েছেন, মানুষের জীবনকালে তার মস্তিস্কে ৯,৩২, ৬৬ এবং ৮৩ বছর বয়সে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ঘটে। নেচার কমিউনিকেশনস জার্নালে প্রকাশিত গবেষণা প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এই গবেষণায় ৯০ বছর বয়স পর্যন্ত প্রায় চার হাজার মানুষের মস্তিষ্কের কোষের মধ্যে সংযোগ সনাক্ত করার জন্য স্ক্যান করা হয়েছিল। কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা দেখিয়েছেন, মানুষের বয়স যখন ৩০ এর কোঠায় থাকে, তখন তাদের মস্তিষ্ক বয়ঃসন্ধিকালের পর্যায়ে থাকে। এই ফলাফলগুলো আমাদের বুঝতে সাহায্য করতে পারে কেন মানসিক স্বাস্থ্য ব্যাধি এবং ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি জীবনজুড়ে পরিবর্তিত হয়। গবেষণায় বলা হয়েছে, নতুন জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতার প্রতিক্রিয়ায় মস্তিষ্ক ক্রমাগত পরিবর্তিত হচ্ছে। এটি জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত মসৃণভাবে ঘটে না। জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত মস্তিস্ক পাঁচটি পর্যায় অতিক্রম করে।...
    ‘সোজা ব্যাটে খেলতে খেলতে ১০ হাজার রান করে ফেললি’ - বিসিবির পরিচালক ও ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের চেয়ারম্যান নাজমুল আবেদীন ফাহিম ফোনে এভাবেই শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মার্শাল আইয়ুবকে। বাংলাদেশের চতুর্থ ক্রিকেটার হিসেবে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ১০ হাজার রান পেরিয়েছেন মার্শাল। জাতীয় দলের হয়ে কেবল ৩টি টেস্ট খেলেছেন। কিন্তু তাকে বারবারই বলা হয়েছিল, লম্বা রেসের ঘোড়া। বাদ পড়ার পর তার দিকে ফিরেও তাকায়নি সংশ্লিষ্টরা। কিন্তু নিজের রান ক্ষুধা কমাননি মার্শাল। ২২ গজে মন খুলে খেলে, নিজের সর্বোচ্চটা দিয়ে চেষ্টা করে বছরের পর বছর খেলে যাচ্ছেন। একই নিবেদন, তাড়নায় নিত্যদিন একটু একটু করে এগিয়ে যাচ্ছেন। কেমন ছিল তার পুরো সফর, বর্তমানে ক্যারিয়ার নিয়ে কী ভাবছেন, মাঝে কী হয়েছিল সব কিছু নিয়ে রাইজিংবিডি-র সঙ্গে খোলাখুলি কথা বলেছেন মার্শাল। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন ইয়াসিন হাসান,   এই...
    এই হেমন্তের সকালে যখন পুরান ঢাকার সরু গলিপথে সূর্য মৃদু উত্তাপ ছড়াচ্ছে, আমি তখন পা বাড়ালাম আরমানিটোলার পথে। এই এলাকা এমন এক ঐতিহাসিক স্থান, যা সময়ের আবর্তে হারিয়ে যেতে বসেছে, অথচ এখানে বসবাসকারী আর্মেনিয়ান সম্প্রদায়ের গৌরবগাথা আমাদের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। আকস্মিক এই ভ্রমণে আমার উদ্দেশ্য শুধু দেখা নয়, বরং অনুভব করা—সেই সময়ের মানুষদের জীবনযাত্রা। ধানমন্ডি থেকে রিকশাওয়ালা মামা যখন জিজ্ঞেস করলেন, ‘আরমানিটোলা যাইবেন? ওইখানে তো পুরান গির্জা আছে আর স্কুল আছে, আপনি কোনটায় যাইবেন?’ তখন বুঝলাম যে এই র্গিজার কথা তাহলে সবারই জানা! হ্যাঁ, সেই গির্জাই আমার গন্তব্য—যে গির্জা দাঁড়িয়ে আছে তিন শতাব্দীর বেশি সময় ধরে, সময়ের এক নীরব সাক্ষী হয়ে এই শহরের উত্থান-পতনের সঙ্গে।পুরান ঢাকার রাস্তায় চলতে চলতে মনে হলো, এই শহরের প্রতিটি ইট-পাথরে জড়িয়ে আছে অসংখ্য মানুষের জীবনের...
    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার প্রশাসনের কর্মকর্তাদের মিশর, লেবানন ও জর্ডানে মুসলিম ব্রাদারহুডের শাখাগুলোকে ‘সন্ত্রাসী’ সংগঠন হিসেবে ঘোষণা দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন। ট্রাম্প মুসলিম ব্রাদারহুডের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসকে সমর্থনের অভিযোগ এনেছেন।  মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা।  আরো পড়ুন: প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনার সংশোধনকে স্বাগত জানালেন জেলেনস্কি জিনপিংয়ের সঙ্গে ফোনালাপ, বেইজিং যাচ্ছেন ট্রাম্প প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাম্প স্থানীয় সময় সোমবার (২৪ নভেম্বর) এ সংক্রান্ত একটি ডিক্রি জারি করেছেন। যুক্তরাষ্ট্র এমন সময়ে এই পদক্ষেপ নিলো, যখন মধ্যপ্রাচ্যে শত্রুদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে  ইসরায়েল। ডিক্রিতে জর্ডানের মুসলিম ব্রাদারহুড নেতাদের বিরুদ্ধে হামাস এবং আল-জামা আল-ইসলামিয়া নামে পরিচিত এই গোষ্ঠীর লেবাননের শাখাকে ‘বস্তুগত সহায়তা’ প্রদানের অভিযোগ আনা হয়েছে। ইসরায়েলের সাথে যুদ্ধে হামাস এবং হিজবুল্লাহর পক্ষ নেওয়ার কারণে। ...
    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার প্রশাসনের কর্মকর্তাদের মিশর, লেবানন ও জর্ডানে মুসলিম ব্রাদারহুডের শাখাগুলোকে ‘সন্ত্রাসী’ সংগঠন হিসেবে ঘোষণা দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন। ট্রাম্প মুসলিম ব্রাদারহুডের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসকে সমর্থনের অভিযোগ এনেছেন।  মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা।  আরো পড়ুন: প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনার সংশোধনকে স্বাগত জানালেন জেলেনস্কি জিনপিংয়ের সঙ্গে ফোনালাপ, বেইজিং যাচ্ছেন ট্রাম্প প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাম্প স্থানীয় সময় সোমবার (২৪ নভেম্বর) এ সংক্রান্ত একটি ডিক্রি জারি করেছেন। যুক্তরাষ্ট্র এমন সময়ে এই পদক্ষেপ নিলো, যখন মধ্যপ্রাচ্যে শত্রুদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে  ইসরায়েল। ডিক্রিতে জর্ডানের মুসলিম ব্রাদারহুড নেতাদের বিরুদ্ধে হামাস এবং আল-জামা আল-ইসলামিয়া নামে পরিচিত এই গোষ্ঠীর লেবাননের শাখাকে ‘বস্তুগত সহায়তা’ প্রদানের অভিযোগ আনা হয়েছে। ইসরায়েলের সাথে যুদ্ধে হামাস এবং হিজবুল্লাহর পক্ষ নেওয়ার কারণে। ...
    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের মধ্যে তাইওয়ান এবং দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ফোনালাপ হয়েছে।দক্ষিণ কোরিয়ায় গত মাসে দুই নেতার বৈঠক হওয়ার পর থেকে দুই দেশের (যুক্তরাষ্ট্র–চীন) সম্পর্কে নতুন গতি দেখা যাচ্ছে। আর এর মধ্যেই গতকাল সোমবার সকালে এ ফোনালাপ হয়।কথোপকথনের কয়েক ঘণ্টা পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, সি চিন পিংয়ের সঙ্গে তাঁর ‘দারুণ’ ফোনালাপ হয়েছে। তাঁরা দুজন ইউক্রেন যুদ্ধ, ফেন্টানিল মাদকের পাচার ঠেকানো ও কৃষকদের জন্য একটি চুক্তি করার বিষয়ে আলোচনা করেছেন।ট্রাম্প দুই দেশের মধ্যকার ‘অত্যন্ত দৃঢ়’ সম্পর্কেরও প্রশংসা করেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, তিনি ও চিন পিং দুজনই এক অপরকে নিজেদের দেশে সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।ট্রাম্প বলেন, ‘এখন আমরা বড় বিষয়গুলোর দিকে নজর দিতে পারি…আমরা একমত হয়েছি যে আমাদের মধ্যে ঘন ঘন যোগাযোগ হওয়াটা জরুরি এবং...
    জার্মানির ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক ইনস্টিটিউট ফর সোলার সিস্টেম রিসার্চের বিজ্ঞানীরা চাঁদের উৎপত্তি নিয়ে চাঞ্চল্যকর নতুন তত্ত্ব প্রস্তাব করেছেন। তাঁদের মতে, প্রায় ৪৫০ কোটি বছর আগে থেইয়া নামের মঙ্গল গ্রহ আকৃতির একটি গ্রহাণুর সঙ্গে পৃথিবীর সংঘর্ষের পর চাঁদের জন্ম হয়েছে। সেই সংঘর্ষে থেইয়া সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে যায়। বর্তমানে কেবল পৃথিবীর ভূত্বক ও চাঁদের মধ্যে খনিজের চিহ্ন হিসেবেই থেইয়ার প্রমাণ দেখা যায়।পৃথিবী ও চাঁদের খনিজের অনুপাত সতর্কতার সঙ্গে পরীক্ষা করে থেইয়ার রহস্যময় উৎস উন্মোচনের দাবি করেছেন বিজ্ঞানীরা। এ বিষয়ে বিজ্ঞানী টিমো হপ জানান, গ্রহ গঠনের জন্য সংঘর্ষ হওয়া শত শত গ্রহাণুর ভ্রূণগুলোর মধ্যে থেইয়া সম্ভবত অন্যতম ছিল। থেইয়া একসময় অভ্যন্তরীণ সৌরজগতের মধ্যে একটি স্থিতিশীল কক্ষপথে ছিল। সৌরজগতের বিকাশের প্রথম ১০ কোটি বছর ধরে পৃথিবীর একটি লুকানো প্রতিবেশী ছিল, যা এখন সম্পূর্ণভাবে বিলীন হয়ে...
    প্রায় দেড় বছর আগে বাংলা টাইগার্সের প্রথম যখন ক্যাম্প শুরু হয়, এই ক্যাম্পটিতে প্রথম মুশফিকুরের সাথে কাজ করা। প্রথম দিন মিটিংয়ে মুশফিকুরের প্রতিটি শব্দের উচ্চারণ ছিল খুবই শক্তিশালী, শৃঙ্খলা নির্ভর। প্রথম দিন তিনি সবাইকে বলে দিয়েছিলেন আমরা যদি নিজেদের উন্নতি করতে চাই ফিল্ডিংয়ে বেশি-বেশি মনোযোগ দিতে হবে। ফিল্ডিং কোচ আশিক ভাই, যা করাবে তার থেকেও যেন অতিরিক্ত ফিল্ডিং সবাই করে। প্র্যাকটিস শেষ হলে আমি পগ নেট (ফিল্ডিং কাজে ব‌্যবহৃত নেট) ও বল-ব্যাট নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতাম সাজিয়ে। মুশফিকুর অতিরিক্ত  ফিল্ডিং করতেন এবং সাথে আরো ৮ থেকে ৯ জন খেলোয়াড় নিয়ে চলে আসতেন ফিল্ডিং করতে। তখন মনে পড়ে যায়  নিউ জিল্যান্ডের ফিল্ডিং সংস্কৃতি পরিবর্তন করেছিলেন ব্রেন্ডন ম্যাককালাম, ভারতের মাহেন্দ্র সিং ধোনি ও বিরাট কোহলি, দক্ষিণ আফ্রিকা হ্যানসি ক্রনিয়ে। এবং আমাদেরও একজন...
    রাজবাড়ীতে প্যারোলে মুক্তি পেয়ে বাবার জানাজায় অংশ নিলেন অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইনে গ্রেপ্তার যুবদল নেতা সাইদুল ইসলাম ওরফে তাজেল। তবে জানাজার সময় তাঁর কোমরে দড়ি বেঁধে রাখায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তাঁর দলের নেতা-কর্মীরা।গতকাল সোমবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে সদর উপজেলার খানখানাপুর ইউনিয়নের দত্তপাড়া এলাকায় নিজ বাড়ির উঠানে বাবার জানাজায় অংশ নেন সাইদুল। জানাজা শেষে দাফন হওয়ার পর সন্ধ্যায় তাঁকে আবার কারাগারে নেওয়া হয়।সাইদুল ইসলাম খানখানাপুর ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক। তাঁর বাবার নাম মমিন মিয়া। সাইদুল কেন্দ্রীয় কৃষক দলের সহসভাপতি ও রাজবাড়ী জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আসলাম মিয়ার অনুসারী হিসেবে পরিচিত। ৯ নভেম্বর রাজবাড়ী সদর উপজেলার গোয়ালন্দ মোড় ও খানখানাপুর দত্তপাড়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে সাইদুল ইসলাম ও আকাশ মোল্লাকে আটক করে যৌথ বাহিনী। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার...
    লেট ক্যাপিটালিস্ট এই দুনিয়ায় নয়া-উদারবাদী অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় পোস্ট-মডার্নিস্ট চিন্তাচর্চা ও ডিসকোর্স এখনো দোর্দণ্ড প্রতাপে রাজত্ব করছে। মডার্নিস্ট বিশ্বদৃষ্টির ব্যাপারে পোস্ট-মডার্নিস্ট, বিনির্মাণবাদী তত্ত্বের ক্রিটিক্যাল অবস্থান থাকা সত্ত্বেও নয়া-উদারবাদী অর্থনৈতিক ব্যবস্থা তার আপন উদরে এসব ক্রিটিক গ্রাস করে নেয় এবং ক্ষেত্রবিশেষে পিঠ চাপড়ানি দিয়ে উৎসাহিত করে, নানান ফর্মে জোর-জুলুম-জবরদস্তি জারি রেখেই।এ পরিস্থিতিতে নানান কিসিমের মতাদর্শিক পর্দা মানবেতিহাসের দিগন্তকে অস্পষ্ট ও ঝাপসা করে তোলে। সত্য-অসত্য, মিথ-ইতিহাস, বর্তমান-ভবিষ্যৎ বাদেও মানবিক কর্তাসত্তাকে ঝাপসা করে ফেলার মধ্য দিয়ে বিদ্যমান আইনি-রাজনৈতিক ব্যবস্থা টিকিয়ে রাখে এবং জুলুমিয়াতের পুনরুৎপাদন জারি রাখে। ‘কাশফ’ আমার পড়া পারভেজ আলমের তৃতীয় বই। ‘জিহাদ ও খেলাফতের সিলসিলা’ এবং ‘মদিনা’ যাঁরা পড়েছেন, তাঁরা পারভেজ আলমের চিন্তা ও তৎপরতার এলাকা সম্পর্কে অবহিত আছেন। ‘কাশফ’কে সেই তৎপরতার ধারাবাহিকতা আকারে পড়া সুবিধাজনক।পারভেজ আলমের বরাতেই এই বইয়ের মোটাদাগে দুইটা...
    যখন ডিজিটালাইজেশন হয়ে যাবে, তখন মামলার প্রতিকার পাওয়া সম্ভাবনা বাড়বে। আর সে সময় অনেকে মামলা করবেন। এ উদ্যোগ সফল করার জন্য আইনজীবীদের সহযোগিতা চান আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। আজ সোমবার সকালে মহানগর দায়রা জজ আদালতের জগন্নাথ-সোহেল স্মৃতি মিলনায়তনে ‘ই–পারিবারিক আদালতের কার্যক্রম’ উদ্বোধনের সময় এ কথা বলেন আসিফ নজরুল। অনলাইনের পারিবারিক আদালতের কার্যক্রম প্রসঙ্গে আসিফ নজরুল বলেন, ‘পারিবারিক আদালতে অনলাইনে মামলা করা যাবে। মামলা দায়ের, নথি ব্যবস্থাপনা, শুনানি, রায়—সবকিছুই অনলাইনে পাওয়া যাবে। এটাকে আমরা একটা পেপারলেস কোর্ট বলতে পারি। এটা ভোগান্তি কমাবে, সময় বাঁচাবে, দুর্নীতি কমবে, খরচ কমাবে। এটা নিয়ে আমাদের কারও কোনো সন্দেহ নেই।’আইনজীবীদের উদ্দেশে আসিফ নজরুল বলেন, ‘আপনারা ল ইয়াররা (আইনজীবীরা) এটার গার্ডিয়ান হন। এনসিওর (নিশ্চয়তা দেন) করেন, এটাকে যাতে কেউ পলিউট (কলুষিত) করতে না...
    আদিতে ছিল উচ্ছৃঙ্খল জনতার ভিড় (মব), আর এই ভিড় ছিল মন্দ। এডওয়ার্ড গিবনের ১৭৭৬ খ্রিষ্টাব্দে রচিত বই ‘ডিক্লাইন অ্যান্ড ফল অব দ্য রোমান এম্পায়ার’-এ হরহামেশাই রোমক ‘উচ্ছৃঙ্খল জনতার ভিড়’ দেখা যায়; এবং প্রায়ই তারা কোনো না কোনো আপসহীন কর্তৃত্ববাদী গলাবাজ নেতার প্ররোচনায় শোরগোল তুলে মুফতে খাবারদাবার আর বিনোদনের (রুটি ও সার্কাস) দাবি জানায়। যদিও শাসনক্ষমতা তাদের হাতে যায় না, কিন্তু শাসন কে করবে না করবে সেটা তারা কখনো-সখনো ঠিক করে দেয়।গিবন ছিলেন, যাকে বলে, একধরনের রক্ষণশীল র‍্যাডিক্যাল; খ্রিষ্টধর্ম সম্পর্কে ভীষণ অবজ্ঞা পোষণ করতেন, আর তাঁর গা ঘেঁষাঘেঁষি ছিল মুক্ত চিন্তার অধিকারী এপিকিউরিয়ানিজমের সঙ্গে, অর্থাৎ চতুর্থ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে এথেন্সে বাস করা সেই দার্শনিক এপিকিউরিয়াসের ‘আনন্দ বা সুখই পরম মঙ্গল, এবং সুখ আসে সংযম, সরলতা, বন্ধুত্ব এবং সম্প্রদায় থেকে’, এই মতবাদের অনুসারী ছিলেন...
    ২০২৪–২৫ শিক্ষাবর্ষে ঢাকার বড় সাতটি সরকারি কলেজের জন্য নতুনভাবে প্রস্তাবিত ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির’ অধীন ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। কিন্তু এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে গভীর এক অনিশ্চয়তা, যার ভার পুরোপুরি বহন করতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদেরই।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা যখন পাঁচ মাসের ক্লাস শেষ করতে চলেছেন, এমনকি নতুন শিক্ষাবর্ষের ভর্তিও আসন্ন, তখন সাত কলেজ এখনো ভর্তিপ্রক্রিয়া শেষ করতেই পারেনি। রোববার ক্লাস শুরুর কথা থাকলেও ভর্তির সময় বাড়ানো হয়েছে। ক্লাস শুরুর নতুন তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে ৩০ নভেম্বর। ভর্তি শেষ না হতেই সেশনজট এক নির্মম বাস্তবতা হয়ে দাঁড়িয়েছে।প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির কাঠামো, কর্তৃত্ব, কর্মপদ্ধতি— এখনো স্পষ্ট নয়। ঢাকা কলেজের এক শিক্ষক স্পষ্টই জানিয়েছেন, প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ভর্তি আইনসিদ্ধ নয়। ফলে তাঁদের পক্ষে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ক্লাস নেওয়া সম্ভব নয়। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে, প্রস্তুতিহীন অবস্থায়...
    শামসুল হক
    আমরা আল্লাহর কাছে দোয়া করি, আশা করি, অপেক্ষা করি। আল্লাহ তায়ালা বলেন, “তোমরা যা কিছু চেয়েছ, তিনি তোমাদের তা দিয়েছেন। আল্লাহর নেয়ামত গুণে শেষ করতে পারবে না।” (সুরা ইবরাহিম, আয়াত: ৩৪)এখানে ‘কিছু’ বলেননি, বলেছেন ‘সব’। অর্থাৎ, কোনো দোয়াই ফিরিয়ে দেওয়া হয় না। শুধু চাইতে হবে খাঁটি মনে, একনিষ্ঠভাবে। এই নিয়ম মনে রাখলে আমাদের স্বপ্ন আর আল্লাহর দানের মধ্যে কোনো বাধা থাকবে না।কখনো কখনো দোয়া এমনভাবে কবুল হয় যে আমরা নিজেই অবাক হয়ে যাই। যাকারিয়া (আ.) বৃদ্ধ বয়সে, স্ত্রী বন্ধ্যা তবু সন্তান চেয়েছিলেন। কবুল হওয়ায় বললেন, “হে আমার প্রতিপালক, কীভাবে আমার সন্তান হবে? আমার স্ত্রী তো বন্ধ্যা, আর আমি বার্ধক্যের চরমে পৌঁছেছি।” আল্লাহ বললেন, “এমনই। তোমার প্রতিপালক বলেছেন, এটা আমার জন্য সহজ। আমি তো আগেও তোমাকে সৃষ্টি করেছি, যখন তুমি কিছুই...
    দুঃখের কুন্ত আগ্রাসনের সঙ্গে যখন আমি লড়ছিলাম একাযখন চলছিলাম নানা রকম আগুন-জল সাঁতরে-উজিয়ে,তুমি তখন আলগোছে পালিয়ে গিয়েছিলে প্রেম থেকেহেমন্তের রম্য মাঠে অবশেষে খুঁজে পেলাম তোমাকেযে তুমি হেমচোর, চুরি করে নিয়েছিলে সম্পর্কের সোনাতোমার দু-হাত থেকে ছলকে পড়েসেই সোনা এখনহেমন্তের শোভা দারুণ মাঠে মাঠে জ্বলছেআমি কবি। খাগের কলম হাতে বাঞ্ছা করি—আঁকব তোমার সব রকম মুখ ও চেহারালিখে রাখব তোমার-আমার স্পর্শ আর স্ফুলিঙ্গের কথাদেখো, দেখো চোখা ডাল, ছোট্ট শাবল আর খুন্তি-হাতেধানকুড়ানির দল জড়ো হলো মাঠেঅথচ নিরভিমান আমার হাতে শুধু একটা খাগের কলমধানমাড়াই শেষে কৃত্তিকা ও আর্দ্রা নক্ষত্রের নিচেযখন তুমি ঘুমিয়ে পড়বে, আমি তখনতোমার শিয়রে বসে প্রেমের নৃমুণ্ডমালা আঁকব ধীরে ধীরেখড়ের গাদার নিচে পড়ে থাকবে আমাদের সম্পর্কের সোনা
    ভূমিকম্প একটি প্রাকৃতিক ঘটনা। যা পৃথিবীর ভূত্বককে উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তন করতে পারে। একটি শক্তিশালী ভূমিকম্পের ফলে ভূমিধস হতে পারে, হতে পারে মাটির তরলীকরণ, সমভূমিতে দেখা দিতে পারে ফাটল। আবার ভূমিকম্পের সময় মূলত ভূ-ত্বকের টেকটোনিক প্লেটগুলির সংঘর্ষের ফলে তৈরি হতে পারে পর্বতমালা। কারণ যখন দুটি প্লেট একে অপরের দিকে সরে আসে, তখন চাপ সৃষ্টি হয় এবং শিলাস্তর ভাঁজ হয়ে ওপরে উঠে আসে, যা থেকে পর্বতের সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে ভঙ্গিল পর্বতের সৃষ্টি হয়ে থাকে।  এ ছাড়া ভূমিকম্পের ফলে বদলে যেতে পারে নদীপথ। এমনকি সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতাও বদলে যেতে পারে। আরো পড়ুন: ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল মিয়ানমার ভূমিকম্প সতর্কতা অ্যাপের বিষয়ে ভাবছে সরকার: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা পর্বত মূলত ভূ-ত্বকের টেকটোনিক প্লেটগুলির সংঘর্ষের ফলে সৃষ্টি হয়। যখন দুটি প্লেট একে অপরের দিকে সরে...
    কতটা এগোল বাংলা কবিতা-কতটা এগোল বাংলাদেশ? এই প্রশ্নের উত্তরে কি আশাবাদের দেখা মেলে; নাকি কেবল হতাশায় প্রতিধ্বনিত হয়? সেই কবে আহসান হাবীব ‘আমার সন্তান’ কবিতায় লিখেছিলেন-“ও পথে নিশ্চিত মৃত্যু বলে আমি যখন আবার/অসহায় শিশুর মতোই কাঁদতে থাকি/ তখন বয়স্ক কোনো পিতার কণ্ঠস্বওে খোকা বলে/ ‘মৃত্যুই জীবন’। এবং সে আরো বলে/তুমি আর হাতের আড়ালে রেখো না আমার হাত/ভয়ের কাফনে জড়িয়ে রেখো না আর/অন্ধকার ছড়িয়ে রেখো না/আমার দু চোখে পিতা/তোমার চারপাশে বড় অন্ধকার তাই/ সামনে যাব/আরো সামনে/সূর্যোদয়ে যাব।” আমাদের সূযোদয়ে যাওয়া কতদূর? নিদেনপক্ষে আমরা কি ধাবমান আছি সূর্যোদয়ের পথে? বাংলা ভাষায় নতুন রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, জীবনানন্দ দাশ, জসীমউদ্দীন, আহসান হাবীব, শামসুর রাহমান, আল মাহমুদের কি দেখা মিলল? স্বাধীনতাত্তোর বাংলা কবিতায় এখনও স্বাধীনতা পূর্ববর্তী সময়ের কবিদের প্রাধান্য, রাজর্ষি রূপে বিরাজমান। কবিতার প্রসঙ্গে, আলাপেসালাপে,...
    সিরিজ হার নিশ্চিত হওয়ার পরও শেষ ওয়ানডে ছিল মর্যাদা রক্ষার লড়াই। কিন্তু হ্যামিল্টনের সেডন পার্কে সেই লড়াই টিকল মাত্র কয়েক ঘণ্টা। তিন ম্যাচেই ব্যর্থতা আর ব্যাটিং বিপর্যয়ের রিপ্লে দেখিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হোয়াইটওয়াশের লজ্জা উপহার দিল নিউ জিল্যান্ড। প্রায় আট বছর আগে ২০১৭ সালে ৩-০ ব্যবধানে ধবলধোলাই করেছিল কিউইরা; ২০২৫ সালে এসে যেন পুনরায় সেই দুঃস্বপ্ন দেখল ক্যারিবীয়রা। আরো পড়ুন: জয়ের সুবাতাস পাচ্ছে বাংলাদেশ, তিন বছর পর মিরপুর টেস্ট পঞ্চম দিনে ২৪৭ রান তুলে প্রথম দিন শেষ করল দ. আফ্রিকা প্রথমে ব্যাট করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ যখন থামল মাত্র ১৬১ রানে, তখন ম্যাচের চিত্রটা যেন একতরফাই মনে হচ্ছিল। কিন্তু বাস্তবটা ছিল ভিন্ন। মাত্র ১৬২ রানের লক্ষ্যও নিউ জিল্যান্ডকে দিয়েছে একাধিক ধাক্কা। ১০ ওভার শেষে স্কোরবোর্ডে যখন ৩২/৩,...
    নরসিংদীর মধ্যম মাত্রার ভূমিকম্পের পর আশুলিয়ার বাইপাইলে ভূ-কম্পন অনুভূত হয়েছে। দেশে পরপর এমন ভূমিকম্প হওয়া বিপদ সংকেত বলে মনে করছেন ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞরা। ভূতত্ত্ববিদরা বলছেন, সাতটি প্লেট এবং অসংখ্য ছোট ছোট সাব-প্লেট দিয়ে তৈরি পৃথিবীর ভূখণ্ড। এগুলো নরম পদার্থের ওপর ভাসছে। যখন এসব প্লেট সরে যায়, নড়াচড়া করে, একটি অন্যটিকে ধাক্কা দেয়, তখন ইলাস্টিক এনার্জি শক্তি সঞ্চিত হতে শুরু হয়। বাংলাদেশ ভূ-তাত্ত্বিকভাবে তিনটি বড় প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত যেগুলোর চ্যুতি দিন দিন বাড়ছে। আরো পড়ুন: পশুপাখিরা কী ভূমিকম্পের পূর্বাভাস পায়? মৃত্যু বেড়ে ১০, বড় ভূমিকম্পের আগাম বার্তা বিশেষজ্ঞের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সঞ্চিত শক্তি যখন শিলার ধারণ ক্ষমতা পেরিয়ে যায়, তখন সেই শক্তি কোন বিদ্যমান বা নতুন ফাটল দিয়ে বেরিয়ে আসে। তখন ভূ-পৃষ্টে কম্পন তৈরি হয়। বাংলাদেশে ইন্ডিয়ান-বার্মা প্লেটে সংযোগস্থলে...
    মানুষের চোখ সাধারণত দুঃখ, কষ্ট, ক্ষতি বা আনন্দে ভিজে ওঠে। কিন্তু এক ধরনের অশ্রু আছে, যা আল্লাহর কাছে সবচেয়ে মূল্যবান—এটি সেই চোখের অশ্রু, যা আল্লাহর ভয়, ভালোবাসা, অনুশোচনা ও বিনয় থেকে প্রবাহিত হয়। ইসলামে এই অশ্রুর মর্যাদা অত্যন্ত উঁচু। কারণ এটি হৃদয়ের জাগরণ, ইমানের সতেজতা এবং আল্লাহর প্রতি গভীর সংবেদনশীলতার প্রকাশ।আল্লাহর ভয়ে কাঁদা কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?আল্লাহ মানুষের অন্তরকে সবচেয়ে ভালো জানেন। বাহ্যিক আমলের ওপরে তিনি হৃদয়ের অবস্থা মূল্যায়ন করেন। যখন বান্দা নিঃসঙ্গ কোনো মুহূর্তে, কেউ দেখছে না—এমন অবস্থায় আল্লাহকে স্মরণ করে কাঁদে—তা খাঁটি ইমানের প্রকাশ। এই অশ্রু পুরো দেহকে নরম করে, অহংকার ভেঙে দেয় এবং আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে।আরও পড়ুন নবীজি (সা.)-এর কান্না২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫কোরআনের দিকনির্দেশনাকোরআনে আল্লাহ বলেন, ইমানদাররা যখন আল্লাহর আয়াত শোনে, তখন তাদের চোখ অশ্রুতে ভরে যায়। (সুরা মায়িদা,...
    তুরস্কের ইস্তাম্বুল শহরের বিড়ালপ্রেমের গল্পটা বেশ পুরোনো—সেই অটোমন আমলের। বিড়ালপ্রেম এখনো টিকে আছে। শহরের আনাচকানাচে অগুনতি বিড়ালের উপস্থিতিই তার প্রমাণ। তাই তো বিশ্বজুড়ে বিড়ালপ্রেমীদের কাছে শহরটি আরেক নামে পরিচিত—‘ক্যাটস্তাম্বুল’। আর অনেক ভ্রমণপিপাসুই ইস্তাম্বুলে ছুটে যান শুধু এই বিড়ালের জন্য।ইস্তাম্বুল তুরস্কের সবচেয়ে বড় শহর, খুব ব্যস্ত। শহরটিতে দেড় কোটি মানুষের পাশাপাশি বসবাস করে আনুমানিক আড়াই লাখ বিড়াল। রাস্তাঘাট, মসজিদ, ক্যাফে ও মেট্রোস্টেশনগুলো—কোথায় দেখা যায় না এই বিড়ালগুলোকে। পর্যটকদের ভালোবাসা পেতেও ছুটে যায় বিড়ালগুলো। তাঁরাও তাই বিড়ালের সঙ্গে নিজেদের ক্যামেরাবন্দী করতে ভোলেন না।শহরের সড়কের পাশে একটি বিড়াল
    অভিষেকের আগে লর্ডসে তাঁর প্যাড হাতে নেওয়া সেই ছবিটা এখনো প্রায়ই ভেসে বেড়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। চেহারায় সারল্য আর কৈশোরের ছাপ ছিল স্পষ্ট। সময়ের হিসাবে ২০ বছর পেরিয়ে গেছে এরপর। এখন মুশফিকের মুখভর্তি দাড়ি। তারুণ্য পেরিয়ে এখন তিনি ক্যারিয়ারের শেষ দিকে ছুটছেন।মিরপুরে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ৩৮ বছর বয়সী এই ব্যাটসম্যান খেলছেন নিজের শততম টেস্ট। লম্বা এই যাত্রায় কয়েক প্রজন্মের ক্রিকেটারদের সঙ্গে খেলেছেন মুশফিক। নিজের ক্যারিয়ার ও জীবনেও গেছেন অনেক উত্থান-পতনের ভেতর দিয়ে। এই সময়ে তাঁর কাছে সবচেয়ে কঠিন ও সুন্দর সময় ছিল কখন, আজ মিরপুরে মুশফিকের সংবাদ সম্মেলনে ছিল এমন প্রশ্ন।উত্তরে মুশফিক বলেছেন, ‘বাংলাদেশে হয়তো পরের টেস্ট খেলাই কঠিন। এটা হচ্ছে সবচেয়ে বড় বাস্তবতা। ব্যাটসম্যান হিসেবে প্রতিটা ইনিংসই আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ, প্রতিটা ইনিংসই বিশেষ। আর যদি সুন্দর মুহূর্ত বলেন, তাহলে আমি বলব,...
    তুমুল অবগাহনের পর রাতটাকে তার ফ্যাদা ফ্যাদা লাগে। মনে হয়, তারাগুলো নিভছে না ওই অন্ধকার বাড়িয়ে দিতেই শুধু। আর চাঁদ যা ঝুলে আছে নিছক কলঙ্কের উপহার, তা–ও শূন্যতার ভেতর দৃশ্যের অন্তরালের অন্ধকার দূর করতে পারছে না। সে আরও অন্ধকারে হারিয়ে যাবার লোভে নাদান নাখান্দার মতো পাহাড়ে উঠতে থাকে। রাতের পাহাড় তাকে আরও বেশি গুলিয়ে ফেললে ঝোপ, লতা আর ক্যাকটাসে তার পা জড়িয়ে যায় এবং বৃত্তের ভেতর তার চক্রভ্রমণ তাকে ক্লান্ত, অবসন্ন, বেকার করে দিলে সে এসবকে ঝেড়ে ফেলে এবং মুহূর্তেই সিদ্ধান্ত নেয় যে তাকে পারতেই হবে এবং তার ভেতরের অদম্য জেদ তাকে প্রবহমান রাখে এবং সে বিরামহীন হাঁটতে থাকে, কখনো পায়ে হাঁটে, কখনো হামাগুড়ি দেয়, কখনো বুকে ভর করে সরীসৃপের মতো তার যাত্রা দুর্লঙ্ঘ।পাথর আর ঝুরঝুরে মাটির পাহাড় তাকে পিছলে...
    ইউটিউব ঘাঁটলে ভিডিওটি এখনো মিলবে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সঙ্গে বাংলাদেশের এক দল শিল্পী ও অভিনেতা। দুলে দুলে, তুড়ি বাজিয়ে তাঁরা গাইছেন, ‘তুমি বন্ধু কালা পাখি,/ আমি যেন কী।’ স্মিতহাস্য হাসিনা এক পর্যায়ে তাঁর বোন রেহানাকে হাত ধরে টেনে আনলেন আনন্দ–উৎসবে যোগ দিতে। দরিদ্র এক দেশের পরাক্রমশালী এক প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর স্তাবকদের কেউই তাঁদের এই আনন্দঘন মুহূর্তে ঘুণাক্ষরেও ভাবেননি একদিন; আর সেদিন তেমন দূরেও নয়, যখন এই গান থেমে যাবে। নিভে আসবে এই তারার মেলা। চোরের মতো পালাতে হবে নিজ বাড়ি থেকে, নিজ দেশ থেকে।গত বছরের ৫ আগস্ট যেদিন হাসিনা ও তাঁর বোন চারটি সু৵টকেস হাতে নিয়ে দেশ ছাড়েন, তাঁদের মুখে হাসির জায়গায় স্থান পেয়েছিল ভীতি ও গভীর উদ্বেগ। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, তিনি সিদ্ধান্ত গ্রহণে দ্বিধাগ্রস্ত ছিলেন।...
    লিটন দাসের রান তখন ৯১। ম্যাথু হ্যামফ্রিসের বল লং অনের ওপর দিয়ে তুলে মারলেন। বলটা উড়ে গিয়ে বাউন্ডারির ওপারে পড়তেই মুষ্ঠিবদ্ধ হাত হাওয়ায় ভাসিয়ে দিলেন লিটন। নিজেকেই যেন তিনি বললেন, ‘শাবাশ!’লিটনকে নিয়ে এমন দৃশ্য একটু অপরিচিত। তাঁর মধ্যে আবেগের ঝড় দেখা যায় কমই। তবু স্পিনারকে লং অন দিয়ে ছক্কা মারার তৃপ্তিটা তিনি উদ্‌যাপনই করলেন এভাবেই। দিনভর তাঁর শট অবশ্য আনন্দে ভাসিয়েছে দর্শকদের।লিটন যখন উইকেটে আসেন, তখন সব উপলক্ষ ঘিরে ছিলেন মুশফিকুর রহিম। কাল শেষ বিকেলে যখন সিঙ্গেলস নিয়ে সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে থাকা মুশফিককে স্ট্রাইক দেন, গ্যালারি থেকে ভেসে এসেছে স্লোগান। লিটন নিজের দায়িত্বটা পালন করেছেন ঠিকঠাক।আজও যখনই সুযোগ পেয়েছেন, মুশফিককে দিয়েছেন পাদপ্রদীপের আলো। শততম টেস্টে তাঁর শতকের সময়টাতে সঙ্গী ছিলেন লিটন। মুশফিকের বিদায়ের পর নিজের দিকে আলোটা কেড়ে নেন লিটন।সেঞ্চুরির অপেক্ষা...
    ১. অনুর পাঠশালা মাহমুদুল হকের ‘অনুর পাঠশালা’ (যা আগে ‘যেখানে খঞ্জনা পাখী’ নামে পরিচিত ছিল) ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত ৯১ পাতার একটি উপন্যাস। কাব্যধর্মী, মনস্তাত্ত্বিক ও সমাজ-সচেতন এ উপন্যাসটিতে উচ্চবিত্তের এক বিশাল বাড়ির অভ্যন্তরে কিশোর অনুর বন্দিজীবন এবং তার মনোজগতের মুক্তির আকাঙ্ক্ষা অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটে উঠেছে। হাইকোর্টের প্রভাবশালী উকিল বাবার খুনে মনোবৃত্তি ও অতৃপ্ত মায়ের পরকীয়ার আবহাওয়ায় বেড়ে ওঠা অনু, সেই আস্থাহীন বৈভবের ঘেরাটোপ থেকে মুক্তি পেতে বাড়ির পাশের নিম্ন শ্রেণির বসতিতে পা বাড়ায়; যেখানে ফকিরা, গেনদু, টোকানি এবং বিশেষত চামারপাড়ার কিশোরী সরুদাসীর সাহচর্য তার কৈশোরিক চেতনায় এক ভিন্ন ‘পাঠশালা’ জগৎ খুলে দেয়। সরুদাসীর কাছ থেকে সে জীবন ও যৌনতার স্বাভাবিক পাঠ নেয়, যা তার উচ্চবিত্তের শুচিতাবোধের আবহে অনুপস্থিত। অনুর এই যাত্রা মূলত উচ্চবিত্তের ভড়ংপনা, হ্যাংলামির বিপরীতে নিম্নবিত্তের সহজাত আত্মমর্যাদার সূক্ষ্ম...
    ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে মধ্য এশিয়ায় রাশিয়া তার প্রভাবের বড় অংশটি হারিয়েছে। আসন্ন মাস ও বছরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এ অঞ্চলে নিজেদের উপস্থিতি বাড়াবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কিন্তু চীন যেহেতু মধ্য এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অর্থনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তুলেছে, সে ক্ষেত্রে ওয়াশিংটনের এই উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে বেইজিং কীভাবে দেখছে?কাকতালীয়ভাবে হোক আর যা–ই হোক, ৬ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্র ও চীন উভয় দেশই মধ্য এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছে। ওয়াশিংটনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, উজবেকিস্তান, তাজিকিস্তান ও তুর্কমেনিস্তানের প্রেসিডেন্টদের নিয়ে বৈঠক করেছেন। একই দিনে চীনের জিনজিয়াং প্রদেশের রাজধানী উরুমচিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ১২তম চীন-মধ্য এশিয়া সহযোগিতা ফোরামের বৈঠক।যদিও পশ্চিমা সংবাদমাধ্যমগুলো হোয়াইট হাউসে অনুষ্ঠিত সম্মেলনকে বেশি গুরুত্ব দেয়। তবে জিনজিয়াং প্রদেশের রাজধানীতে অনুষ্ঠিত সম্মেলন এই ইঙ্গিত দিচ্ছে যে মধ্য এশিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক বাড়ালেও...
    ইল্যুশনহ্যাঁ, তোমাকেই তো!যুগ যুগ ধরে খুঁজেছি তোমাকেই।শুধু যুগ? অনন্ত মহাকাল নয় কেন?চেনা–অচেনা সমস্ত মুখের ভিড়ে তোমার আদল...ব্যস্ত সড়ক পার হতে হতেপ্রতিটি পথিকের দিকে খরচোখে তাকিয়েছি।তুমি কোথাও ছিলে না। হয়তো থাকোই না।তুমি যে থাকো না—তুমি যে অলীককেউ বলল না সে কথা। অনেকেই জানে।হয়তো বড় রাস্তার ওই যে পাগলটামাঝে মাঝে মুখোমুখি হয়ে গেলেসন্ত্রস্ত সতর্কতায় দ্রুত সরে যাই, সেও জানে।হয়তো কাউকে একদিন এমন করে সেও খুঁজেছিল।সে জানে! আমি জানি না!শেষ পর্যন্ত জেনেছি আমি‘তুমি’ অ্যালকোহলের ঘোরে তৈরি এক ইল্যুশনখোয়ারি ভাঙার পরেই যা মিলিয়ে যায়।এই অনর্থক বোধের জন্য মানুষ কত পথঅহেতুক হেঁটে গেছে!কেউ কোনো দিন তাকে পায়নি।পায় না।অগ্নিমুখো ড্রাগনএকটা ধূসর জামার ভেতরে রাততার ইনসমনিয়াক দৈত্য পুষে রাখে।আমি রাখতে চেয়েছি ঘুমআরস্বপ্নের ঠিকাদারি।ক্লান্ত দেহ, নিমীলিত চোখতবুকরোটির ভেতর হৈচৈ কোলাহল, কথার মিছিল।নীরবতা—অনায়াস দ্রুততায় বাচাল স্মৃতির অর্গল খুলে ফেলে।কর্নিয়ার...
    বিশ্বরাজনীতিতে ‘ডায়াস্পোরা’ অর্থাৎ প্রবাসী জনগোষ্ঠী এখন একটি খুব গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক শক্তি। শব্দটির উৎপত্তি প্রাচীন গ্রিক ‘ডিএসপাইরেইন’ থেকে, যার অর্থ ছড়িয়ে যাওয়া বা বিচ্ছুরণ; কিন্তু এই ছড়িয়ে যাওয়া শুধু ভৌগোলিক নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে স্মৃতি, আবেগ, পরিচয় এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ—রাজনৈতিক প্রভাব।সমাজবিজ্ঞানী উইলিয়াম সাফরান তাঁর বিখ্যাত প্রবন্ধ ‘ডিএসপোরাস ইন মডার্ন সোসাইটিস’–এ বলেন, ডায়াস্পোরা হলো এমন জনগোষ্ঠী, যারা দেশের বাইরে থাকলেও ‘হোমল্যান্ড’ বা মাতৃভূমিকে মন থেকে কখনো আলাদা করতে পারে না। তাদের অনুভূতি, ভয়–আশঙ্কা, রাজনৈতিক মূল্যবোধ—সবই দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিকে প্রভাবিত করতে পারে।এই ধারণা সবচেয়ে স্পষ্টভাবে বোঝা যায় ইহুদি ডায়াস্পোরার ইতিহাসে। হাজার বছরের যাত্রায় ইহুদিরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ে; কিন্তু বিংশ শতকে ইউরোপের বহু ইহুদি, যাদের বলা হয় ‘আশকেনাজি’—আধুনিক প্যালেস্টাইনে এসে বসতি স্থাপন করলে নতুন এক রাজনৈতিক বাস্তবতা তৈরি হয়।আরও পড়ুনপ্রবাসীদের মেধা...
    রাত ১১টার কাঁটা ছুঁই ছুঁই। সাংবাদিকদের ভরা কক্ষে হামজা চৌধুরী প্রবেশ করতেই করতালিতে ফেটে পড়লেন সবাই। ভারতকে হারানোর আনন্দে মাতোয়ারা সংবাদ সম্মেলন কক্ষ। সামনে বসতেই অভিনন্দন জানানো হলো হামজা চৌধুরীকে, গত রাতে ১–০ গোলে বাংলাদেশের জয়ের অন্যতম নায়ককে।২২ বছর পর ভারতের বিপক্ষে জয়ে জাতীয় স্টেডিয়ামের গ্যালারি তখনো কাঁপছে। লাল-সবুজের ঢেউয়ে ভেসেছে দেশের ফুটবলতীর্থ। ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের জয় শুধুই একটা জয় নয়, এর চেয়েও বেশি কিছু। যখন আপনি জানবেন ভারতের কাছে হারের বা ড্র করার একের পর হতাশার গল্প, যখন জানবেন জিততে জিততে ড্র কিংবা হেরে মন খারাপ করে মাঠ ছাড়ার কাহিনি আছে অনেক, তখন এই জয় শুধু একটি জয়েই সীমাবদ্ধ থাকে না—হয়ে ওঠে অনেক আবেগময়।২০০৩ সালে ঢাকায় সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিফাইনালে যে আবেগে ভেসেছিল গোটা দেশ; মতিউর মুন্নার গোল্ডেন গোলে ভারতকে...
    মানুষ স্বপ্ন দেখে—স্বাস্থ্য, শক্তি, সম্মান, সম্পদের স্বপ্ন। কেউ শুধু স্বপ্ন দেখে বসে থাকে, কেউ রাত-দিন চেষ্টা করে লক্ষ্যের দিকে ছুটে যায়। আর কেউ-বা আল্লাহর প্রতি সুন্দর ধারণা নিয়ে পথ চলে—তাদের পা আরও মজবুত হয়, হৃদয় ভরে উঠে আশায়। আল্লাহ তো ধনী, দয়ালু, আসমান-জমিনের মালিক। তিনি যা চান, তা-ই করেন। কোরআনে বলা হয়েছে, ‘তার আদেশ কেবল এই যে যখন কোনো কিছু করতে চান, তখন বলেন ‘হও’, তখনই তা হয়ে যায়।’ (সুরা ইয়াসিন, আয়াত: ৮২)সুন্দর ধারণা মানে আল্লাহর প্রতি ভালো ভাবনা—তিনি রহমতের মালিক, দয়ার সমুদ্র। হাদিসে নবীজি (সা.) বলেন, ‘আমি আমার বান্দার ধারণা অনুযায়ী আছি।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৭,৪০৫)আল্লাহর রহমত সবকিছুকে ঘিরে, মায়ের চেয়ে বেশি দয়া তিনি বান্দার প্রতি করেন। নবীজি (সা.) একবার যুদ্ধের বন্দীদের মধ্যে এক মা দেখেন—তার স্তন থেকে দুধ ঝরছে, যে শিশু পান তাকেই জড়িয়ে ধরেন। নবীজি (সা.) জিজ্ঞেস করেন, ‘এই মা কি তার...
    মিয়ানমারের সাধারণ জনগণ থেকে শুরু করে বিপ্লবী আন্দোলনের অনেকেই বিশ্বাস করেন, চীন হস্তক্ষেপ না করলে হয়তো ভিন্ন হতো দেশটির বর্তমান বাস্তবতা। অনেকের বিশ্বাস, ২০২৪ সালে সামরিক সরকারবিরোধী অভিযান ‘অপারেশন ১০২৭’ শুরু হওয়ার পর চীন হস্তক্ষেপ না করলে এখন পর্যন্ত প্রতিরোধযোদ্ধারা নেপিডো ঘিরে ফেলতেন; অর্থাৎ বসন্ত বিপ্লব ইতিমধ্যেই পৌঁছে যেত জয়ের খুব কাছে।চীন প্রায়ই মিয়ানমারের সঙ্গে তাদের ‘পওক-ফও’ বা ‘ভ্রাতৃসুলভ’ সম্পর্কের কথা বলে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এই ভ্রাতৃসুলভ সম্পর্ক কি মিয়ানমারের জনগণের সঙ্গে, নাকি কেবল নেপিডোর শাসকদের সঙ্গে?২০২৪ সালের জুনে এমএনডিএএ, টিএনএলএ, এএ এবং পিপলস ডিফেন্স ফোর্স নিয়ে গঠিত ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্সের অপারেশন ১০২৭-এর দ্বিতীয় ধাপ শুরু হয়। এই অভিযান আকারে ও সফলতার ক্ষেত্রে ছিল নজিরবিহীন। উত্তর শান অঙ্গরাজ্যের রাজধানী লাশিও দখলের পর প্রতিরোধযোদ্ধাদের জোট আরও এগিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল।আরও পড়ুনভারত, পাকিস্তান,...
    খোলসটা মুশফিকুর রহিমেরই ভাঙার প্রয়োজন ছিল। নিকট অতীতে তাকে পরিচিতরা কেউ নিজের মতো করে পাননি! অচেনা অভিমান, অজানা কারণে নিজেকে আটকে রেখেছিলেন। যেখানে শুধু প্রবেশাধিকারই নয়, উঁকি-ঝুঁকি দেওয়ার অলিখিত নিষেধাজ্ঞাও ছিল। সেই দেয়ালটা অবশেষে ভাঙল। বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেট ইতিহাসের ২৫ বছরে যা হয়নি, সেই উপলক্ষ পেয়েছে তার বদৌলতে। বাংলাদেশের কেউ একশ টেস্ট খেলবে এই বিশ্বাস অনেকেরই ছিল। কিন্তু কেউ তো ধারে কাছেও যেতে পারেননি! মুশফিকুর রহিম পেরেছেন। তার টেস্টের সংখ্যা এখন ৯৯। আরো পড়ুন: মুশফিকুরের শততম টেস্ট: যেসব আয়োজন রেখেছে বিসিবি বিসিবির নারী বিভাগের প্রধান হলেন রুবাবা দৌলা রাত পোহালেই তার সাফল্যের মুকুটে যোগ হচ্ছে শততম টেস্টের পালক। এমন একটি উপলক্ষ মুশফিকুর নিজেকে গুটিয়ে রাখবেন, খোলা মনে থাকবেন না তা কী করে হয়? নিজের প্রয়োজনে বা...
    রাজেন্দ্রপুরে যখন পৌঁছালাম, রোদের তাপে চারদিক তখন ঝলসে যাচ্ছিল। কোনো দিকে তাকানো যাচ্ছিল না। গাড়ি থেকে নামতেই চোখে পড়ল ছোট ছোট মাচা। তার ওপর পাতা ট্রেতে নীল রঙের গাদের দিকে তাকিয়ে চোখ যেন আরাম পেল। এই আরাম মনকেও ছুঁয়ে গেল যখন নীল রঙের নকশা করা শাড়িগুলো দেখলাম। কারখানার একদিকে নীল পাতা জাগ দেওয়া হচ্ছে, আরেক পাশে বড় চুলায় নীল জ্বাল দিচ্ছেন কর্মীরা। আরেক দিকে গাদটাকে ট্রেতে করে রোদে শুকানো হচ্ছে। চারদিকে চলছে পোশাকে প্রাকৃতিকভাবে টাই-ডাই করার প্রস্তুতি। গোছানো, ছিমছাম এই পরিবেশেই বানানো হচ্ছে অভিজাত নানা পণ্য।কমলা রঙের টাই–ডাই করা শাড়ি
    জান্নাত—যেখানে নেই কষ্ট, নেই মৃত্যু, নেই দুঃখ বা হতাশা। মানুষ সেখানে পাবে সীমাহীন আনন্দ, অপার শান্তি ও চিরন্তন সুখ। কোরআন ও হাদিসে জান্নাতের অসংখ্য নিয়ামতের বর্ণনা এসেছে,  বাগান, নদী, অমর যৌবন, সুন্দর পোশাক, মনোরম খাবার ও অনন্ত প্রশান্তি।কিন্তু এসবের চেয়েও মহান, শ্রেষ্ঠ ও অনন্য এক নিয়ামত আছে,  তা হলো আল্লাহর দর্শন।জান্নাতের সাধারণ নিয়ামতসমূহ কোরআনে আল্লাহ তায়ালা জান্নাতের সৌন্দর্য এভাবে বর্ণনা করেছেন,  “যারা ইমান এনেছে ও সৎকর্ম করেছে, তাদের জান্নাতের বাগানে প্রবেশ করানো হবে, যার তলদেশ দিয়ে নদী প্রবাহিত হবে। সেখানে তাদের জন্য থাকবে সোনার কঙ্কন ও মুক্তার অলঙ্কার, আর তাদের পোশাক হবে রেশম।” (সুরা হাজ্জ, আয়াত: ২৩)অন্যত্র বলেন, “তাদের জন্য থাকবে যা তাদের প্রাণ চায় এবং যা তারা চায় তা-ই সেখানে থাকবে।” (সুরা ফুসসিলাত, আয়াত: ৩১)অর্থাৎ জান্নাতে মানুষ পাবে প্রতিটি...
    রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের বারবার ব্যর্থ হওয়ার কারণ কী? কেন আমরা একটা কার্যকর রাষ্ট্র ও টেকসই প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারছি না? কেন আমরা সবার সঙ্গে সহাবস্থানের ন্যারেটিভ তৈরি করতে পারছি না? ইতিহাসের ছাত্র হিসেবে আমি এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে চাই আমাদের অতীতের ঘটনা বা গল্পগুলোর ভেতরে। কীভাবে সেই ঘটনা বা গল্পগুলো লেখা হয়েছে আর সেই লেখা কীভাবে আমাদের চরিত্র গঠন করেছে, এটা বোঝা জরুরি।২.আমাদের ইতিহাসচর্চায় একটা জিনিস বারবার চোখে পড়ে, আমরা নিজেদের অতীতকে মূলত ভিকটিমহুডের ফ্রেমে (ভুক্তভোগীর আয়নায়) দেখি। সেখানে ‘আমি’ সব সময় নির্যাতিত, বাকি সবাই অত্যাচারী। আমাদের ইতিহাসে যখনই ব্যর্থতার গল্প এসেছে, তখনই আমরা প্রথমে খুঁজেছি—‘কেউ কি আমাদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে?’ বা ‘বাইরের কোনো শক্তি কি আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছে?’এ রকম হয়েছে কারণ, এটা সহজ গল্প; সিনেমার মতো বলা যায়,...
    একটি, দুটি, তিনটি করে মুশফিকুর রহিম এখন শততম টেস্ট খেলার দ্বারপ্রান্তে। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে কাল থেকে শুরু দ্বিতীয় টেস্ট খেলতে নামলেই ১০০ টেস্ট খেলা বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হয়ে যাবেন তিনি।বাংলাদেশের ক্রিকেটে এটি বড় এক ব্যক্তিগত অর্জনই হবে। তবে মুশফিকের কাছে এক শ টেস্ট হয়তো শুধুই একটা সংখ্যা। তাঁর মধ্যে এক শ থেকে আরও এগিয়ে যাওয়ার ক্ষুধাটা এখনো দেখেন বাংলাদেশ দলের কোচ ফিল সিমন্সও। মিরপুর আজ সংবাদ সম্মেলনে কোচ সে কথাই বলেছেন, ‘তাঁর মধ্যে এখনো সেই ইচ্ছা, সেই ক্ষুধা আছে, যা ১৫০ টেস্ট খেলা খেলোয়াড়দের মধ্যেই দেখা যায়। সে ক্রমাগত ভালো করতে চায়, এটাই সবচেয়ে বড় ব্যাপার। নিজেকে আরও উন্নত করার মনোভাবই তাঁকে এখানে নিয়ে এসেছে।’২০০৫ সালের ২৬ মে লর্ডসে অভিষেক। ২০ বছরেরও বেশি সময়ের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ক্যারিয়ারে কাল...
    মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে শেখ হাসিনা তার সহযোগী সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালে দেশে এনে দ্রুত ফাঁসি কার্যকরের দাবি জানিয়েছে জুলাই ঐক্য। একইসঙ্গে বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনের রায় রিভিউয়ের আবেদন জানিয়েছে তারা। সোমবার (১৭ নভেম্বর) বিকেলে হাসিনার রায় পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানায় জুলাই ঐক্যের নেতারা।  আরো পড়ুন: ‘জনশক্তিকে মানবসম্পদে পরিণত করতে শিক্ষা সংস্কারের বিকল্প নেই’ ঢাবি উপাচার্যের নামে ফেসবুকে ভুয়া আইডি, পাঠানো হচ্ছে রিকুয়েস্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সমাজ সেবা সম্পাদক ও জুলাই ঐক্যের সংগঠক এবি জুবায়ের বলেন, “আজকের দিনটি বাংলাদেশের ইতিহাসের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। খুনি হাসিনার ফাঁসির রায় দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আমরা লজ্জিত এটা দেখে যে, আমার ভাইদের ওপর ৩২ নাম্বারে হামলা করা হচ্ছে। জুলাই যোদ্ধাদের রক্তাক্ত করা...
    দীর্ঘ ২০ বছরের ক্যারিয়ার। এই পুরো পথটায় মুশফিকুর রহিম বাংলাদেশ দলের অন্য অনেকের চেয়ে আলাদা হয়ে উঠেছেন তাঁর নিয়মানুবর্তিতা আর পরিশ্রম দিয়ে। আর সেই পথই তাঁকে নিয়ে এসেছে বাংলাদেশের হয়ে প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্ট খেলার দুয়ারে। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে আগামী পরশু থেকে শুরু হতে যাওয়া ম্যাচেই তিনি ছুঁয়ে ফেলবেন এই মাইলফলক, যা শুধু একটি সংখ্যা নয়, মুশফিকের ২০ বছরের সাধনার প্রতিচ্ছবিও।মুশফিককে খুব কাছ থেকে দেখার সুযোগ আয়ারল্যান্ডের কোচ হেনরিখ মালানের বেশি হয়নি। তবু তাঁর এক গুণ আজ মিরপুরে সংবাদ সম্মেলনে আলাদা করে তুলে ধরলেন তিনি। তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছিল— মুশফিকের কাছ থেকে কোন জিনিসটা নিতে বলবেন তাঁর দলের ক্রিকেটারদের?আরও পড়ুনএক ওভারে ৩১ রান, এমন কিছু আগে দেখেননি বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা১৫ নভেম্বর ২০২৫উত্তরে মালান বলেছেন, ‘আমি বলব তাঁর পেশাদারত্ব।...
    ২ / ৬এবার টায়ার নিয়ে দৌড়ানোর পালা
    তরুণ প্রজন্মের জনপ্রিয় তারকা পারসা ইভানা। রিয়্যালিটি শো ‘চ্যানেল আই সেরা নাচিয়ে ২০১৪’তে চ্যাম্পিয়ন হন তিনি। নাচের প্ল্যাটফর্ম থেকে বেরিয়ে অভিনয় শুরু করেন। নাচ ছাপিয়ে তখনই স্বপ্ন দেখতেন, একদিন অভিনেত্রী হবেন। তাঁর সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে আগেই। ইভানা এখন এই সময়ের ব্যস্ত তারকাদের একজন।পারসা ইভানার দাদাবাড়ি চট্টগ্রামের লাভ লেন এলাকায়, নানাবাড়ি রাউজানে। দাদাবাড়ি ও নানাবাড়ি ঘিরে রয়েছে এই তারকার অনেক স্মৃতি। জানালেন, ছোটবেলায় ঈদুল আজহায় সবচেয়ে বেশি মজা হতো। আর মজা হতো বছরের শেষে যখন স্কুল ছুটি হতো। রাউজানে নানাবাড়ির স্মৃতির কথা মনে করে ইভানা বলেন, ‘আমাদের কাজিন গ্রুপ ছিল। সবাই মিলে তখন মাটির চুলায় নিজেরা রান্না করতাম। নানা খেলাধুলায় মেতে থাকতাম। চট্টগ্রামে দারুণ মজার ছিল সেসব দিন।’ঢাকার কোনো রেস্তোরাঁয় যখন চট্টগ্রামের জনপ্রিয় আঞ্চলিক খাবার দেখেন, তখনই চট্টগ্রামের কথা মনে...
    এক নয়, দুই নয়, একশতম টেস্ট খেলার দ্বারপ্রান্তে মুশফিকুর রহিম।  আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ঢাকা টেস্ট দিয়ে বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে একশতম টেস্ট খেলার অপেক্ষায় মুশফিকুর। দীর্ঘ দুই দশকের টেস্ট ক্যারিয়ারে মুশফিকুর নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন বাংলাদেশের অন্যতম সফল ও নির্ভরযোগ্য ব‌্যাটসম‌্যান হিসেবে।  হাবিবুল বাশার সুমনের হাত ধরে লর্ডসে দেশের পতাকা বহন করা শুরু করেছিলেন। সাবেক অধিনায়ক মুশফিকুরকে আখ‌্যায়িত করলেন, পরিপূর্ণ  ও আদর্শ ক্রিকেটার হিসেবে। তার পুরো টেস্ট ক‌্যারিয়ার মূল‌্যায়ন করে দশে সাড়ে নয় নাম্বার দিয়েছেন হাবিবুল।  মুশফিকুরকে কাছ থেকে দেখা, শুরুর সম্ভাবনা, ক‌্যারিয়ারের উঠা-নামা, অধিনায়কত্বের সফর, উইকেট কিপিংয়ের জেদ এবং সর্বোপরি পুরো ক‌্যারিয়ার সম্পর্কে জানা হাবিবুলের। সেসব নিয়েই রাইজিংবিডি-র মুখোমুখি হয়েছিলেন তিনি। তার কথা শুনেছেন, রবিউল ইসলাম… ২০০৫ সালে মুশফিকুর রহিমের মতো তরুণ একজন ক্রিকেটারকে দেখে আপনার প্রথম...
    কবি কাজী নজরুল ইসলামের বহুল প্রচলিত ও জনপ্রিয় একটি গান ‘কারার ঐ লৌহ-কবাট’। গানটি ‘ভাঙার গান’ কাব্যগ্রন্থভুক্ত (মূলত গানের বই)। বইটি প্রকাশিত হয় ১৯২৪ সালের আগস্ট মাস মোতাবেক ১৩৩১ বঙ্গাব্দের শ্রাবণে। (‘তবে মনে হয়, বইটি বের হয়েছিল ভাদ্র মাসের প্রথম দিকে’—বিদ্রোহী রণক্লান্ত, নজরুল জীবনী: গোলাম মুরশিদ, প্রথমা প্রকাশন, ঢাকা, তৃতীয় সংস্করণ, ষষ্ঠ মুদ্রণ, ২০২১)। প্রকাশক ছিল কলকাতার ডি এম লাইব্রেরি এবং যুগবাণীর আর্য পাবলিশিং হাউস। উৎসর্গ করা হয়েছিল মেদিনীপুরবাসীদের উদ্দেশে। একই বছর ১১ নভেম্বর তৎকালীন বঙ্গীয় সরকার বইটি নিষিদ্ধ করে। এই নিষেধাজ্ঞা এখনো বলবৎ রয়েছে। নিষিদ্ধতার খড়্‌গ নিয়েই এর দ্বিতীয় সংস্করণ প্রকাশ পায় ১৯৪৯ সালে।গানটি রচনার প্রেক্ষাপট খুবই চমকপ্রদ। নজরুলের জীবনের মতোই আকস্মিকতাময়, রোমাঞ্চকর ও নাটকীয়। ১৯২১ সালের ডিসেম্বর মাসে দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের সম্পাদনায় বের হয় পত্রিকা ‘বাঙ্গালার কথা’। এ...
    জীবনে হঠাৎ করেই এমন কিছু ঘটে যায়, যা আমাদের পুরো পরিকল্পনাকে ওলট–পালট করে দেয়। একটা গল্প দিয়ে শুরু করি। ধরুন, আপনি প্রতি মাসে গ্রামের বাড়িতে দশ হাজার টাকা পাঠান। বাজেট মিলিয়ে সংসার চলছে কোনো রকমে। হঠাৎ একদিন এমন একটা পরিস্থিতি এল, যেখানে আরও দশ হাজার টাকা বাড়তি খরচ করতে হবে। মাথায় হাত! এত টাকা আসবে কোথা থেকে?প্রথমে মনে হয় আল্লাহ কেন এমন করলেন? কীভাবে সামলাব এত দায়িত্ব? কিন্তু কিছুদিন পরেই দেখা যায়, এক অভাবনীয় জায়গা থেকে রিজিকের ব্যবস্থা হয়ে গেছে। যে দায়িত্বটি নিতে বাধ্য হয়েছিলেন, সেটিই খুলে দিয়েছে নতুন উপার্জনের দরজা। যে কাজটা আপনার করার কথাই ছিল না, আল্লাহ সেখান থেকেই আপনার সম্মানজনক একটি আয়ের ব্যবস্থা করে দিলেন।প্রথমে মনে হয় আল্লাহ কেন এমন করলেন? কীভাবে সামলাব এত দায়িত্ব? কিন্তু কিছুদিন...
    বিশ্ববাজারে সোনার দাম আউন্সপ্রতি চার হাজার ডলার ওঠার পর কমতে শুরু করেছে। গত এক মাসে সোনার দাম আউন্সপ্রতি ৯৯ ডলার ৬২ সেন্ট কমেছে। সেই সঙ্গে পশ্চিমা দুনিয়ার শেষ কার্যদিবস, অর্থাৎ গত শুক্রবার সোনার দাম কমেছে ১০৯ ডলার ৭৩ সেন্ট।সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস ও পুরো মাসে সোনার দাম কমলেও গত সপ্তাহে আউন্সপ্রতি দাম বেড়েছে ২ দশমিক ৩ শতাংশ। সেই সঙ্গে রুপা, প্লাটিনাম ও প্যালাডিয়ামের মতো ধাতুর দামও গত সপ্তাহে বেড়েছে। খবর রয়টার্স ও গোল্ড প্রাইস ডট অর্গএদিকে আগামী ডিসেম্বর মাসের জন্য গোল্ড ফাউচার্স বা সোনার আগাম দাম নির্ধারিত হয়েছে আউন্সপ্রতি ৪ হাজার ৯৪ ডলার। দেখা যাচ্ছে, এ ক্ষেত্রেও দাম কমেছে ২ দশমিক ৪ শতাংশ।বাস্তবতা হলো, যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতির হার বাড়ছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পাল্টা শুল্কের কারণে দেশটির বাজারে আমদানি করা পণ্যের দাম বেড়ে...
    হুমায়ূন আহমেদের বই পড়ার আগেই তাঁর নাম জানা হয়ে গিয়েছিল টিভিতে ‘এইসব দিনরাত্রি’ নাটকের কারণে। নাটকের রাতে পাশের বাসার চাচিরাও চলে আসতেন। কত রকম আলাপ এর চরিত্রগুলোকে ঘিরে। এখনকার মতন তো না যে হাজার হাজার স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মের কোটি কোটি কনটেন্ট। কিছু দেখতে বসলে ব্রাউজ করতে করতেই হয়রান হতে হয়। একটা একান্নবর্তী মধ্যবিত্ত পরিবারকে ঘিরে আবর্তিত হয়েছে নাটকটা। মধ্যবিত্তদের নিয়ে আগেও নাটক হয়েছে অনেক, তবুও এই নাটকটা অন্য রকম লাগত। আমি ক্লাস ফোরে পড়ি তখন। অত কিছু বুঝতাম না, তারপরও ছাদের ঘরের ম্যাজিশিয়ান আনিস ভাই যখন শাহানাকে ম্যাজিক দেখাতে দেখাতে রুমালের ভেতর থেকে বের করে আনতেন আস্ত একটা গোলাপ ফুল, তাজ্জব হয়ে যেতাম! আবুল খায়ের বহুদিন পর্যন্ত আমাদের কাছে ছিলেন ‘সুখি নীলগঞ্জ’। বোহেমিয়ান আর একটু পাগলা মতন ছোট ভাই রফিকের প্রেমেই...
    বঙ্গভঙ্গ রদ হওয়ার ক্ষতিপূরণ হিসেবে ব্রিটিশরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছিল। উদ্দেশ্য ছিল তাঁবেদার ও অনুগত নাগরিক তৈরি করা। কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রথাগত জ্ঞান আহরণের কেন্দ্র না থেকে জাতিরাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে কাজ করেছে। তবে সে গৌরব এখন ম্লান হয়ে গেছে।গতকাল শনিবার রাজধানীর শাহবাগে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরে আয়োজিত সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইতিহাসে, স্মৃতিতে শীর্ষক বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন বক্তারা।আলোচনায় অংশ নিয়ে কথাসাহিত্যিক আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেন, একটি জাতিরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় বিশ্ববিদ্যালয়ের এ রকম ভূমিকা পালনের দৃষ্টান্ত বিশ্বে বিরল। ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের যে পতাকা ওড়ানো হয়েছে, সেটা আর কখনো নামেনি।বইটির মুখবন্ধের উদ্ধৃতি দিয়ে বেসরকারি ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটির এই অধ্যাপক বলেন, সাধারণত বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ জ্ঞান আহরণ, সৃষ্টি ও বিতরণ। কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের...
    আবার শুরু। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নাইজেরিয়ায় সামরিক শক্তি মোতায়েন করার সর্বশেষ হুমকি ওয়াশিংটনের চিরন্তন বিভ্রান্তির আরেকটি অধ্যায় উপস্থাপন করছে। সেটা হলো আমেরিকান শক্তি বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে থাকা একটি জটিল সমাজকেও পুনর্গঠন করতে পারে। সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান, মার্কিন স্বার্থ রক্ষা বা গণতন্ত্রের বিকাশ—যে যুক্তিই দেওয়া হোক না কেন, সেটি অতিপরিচিত চিত্রনাট্যের পুনরাবৃত্তি মাত্র। আমরা সেটি ইরাক, লিবিয়া, সিরিয়া ও আফগানিস্তানে আগেও দেখেছি। এসব গল্পের মূল জমিনটা কখনোই বদলায় না। প্রথমে সামরিক সাফল্য, এরপর সেখানে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা, অনিচ্ছাকৃত পরিণতি এবং শেষমেশ বিশৃঙ্খলভাবে মার্কিনদের পিছু হটা।নাইজেরিয়ার জনসংখ্যা ২২ কোটি। এটি আফ্রিকার বৃহত্তম অর্থনীতি এবং সবচেয়ে জনবহুল দেশ। মুসলিম–অধ্যুষিত উত্তরাঞ্চল এবং খ্রিষ্টান–অধ্যুষিত দক্ষিণাঞ্চল জাতিগত উত্তেজনায় গভীরভাবে বিভক্ত। উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ইসলামপন্থী বিদ্রোহ, দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন দেশটিতে রয়েছে। সারা দেশে দুর্নীতি মহামারির রূপ নিয়েছে। এই জটিল ও অস্থিতিশীল একটি দেশে...
    কম্বোডিয়া নতুন করে ১৭টি যুদ্ধবিমান কেনার জন্য সুইডেনের সঙ্গে ৪.৩ বিলিয়ন ডলারের একটি চুক্তি স্বাক্ষরের ঘোষণা দিয়েছে। এমন এক সময়ে এই ঘোষণা এলো যখন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দেশটির সম্পর্ক তীব্র উত্তেনাজপূর্ণ। বৃহস্পতিবার (১৫ নভেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে আলজাজিরা।  আরো পড়ুন: দুই শতাধিক খাদ্যপণ্যের ওপর থেকে শুল্ক প্রত্যাহার করলেন ট্রাম্প চতুর্থ সন্তানের মা হলেন কার্ডি বি প্রতিবেদনে বলা হয়, কম্বোডিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেট্রো শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সুইডেনের কাছ ১৭টি গ্রিপেন যুদ্ধবিমান কেনার জন্য একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া একটি পোস্টে পেট্রো বলেন, “শান্তি অর্জনের জন্য এটি একটি প্রতিরোধমূলক অস্ত্র।” যুদ্ধবিমান কেনার এই সিদ্ধান্ত এমন এক সময় এলো যখন কলম্বিয়া এবং ল্যাটিন আমেরিকার বেশিরভাগ দেশ এই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক...
    টাকার অভাবে মাধ্যমিকের গণ্ডি পেরোতে পারেননি। বাল্যবিবাহ হয়েছিল। স্বামীর সংসারে গিয়েও অভাব দূর হয়নি; বরং ‘নুন আনতে পান্তা ফুরোয়’ অবস্থা। দুঃখ-কষ্টে যখন দিন কাটছিল, তখন এক মামার কাছ থেকে এক হাজার টাকা ধার নিয়ে কাপড়-সুতা কিনে শুরু করেন নকশিকাঁথা সেলাই।পসার বাড়ে, বদলে যায় জীবনও। এখন তাঁর অধীনে কাজ করছেন অন্তত ৪০০ নারী। পরিশ্রম আর একাগ্রতায় অভাব দূর করা সেই নারী হলেন রুনা বেগম (৩৭)। রুনার বাসা সিলেট নগরের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের শাহি ঈদগাহ হাজারীবাগ এলাকায়। অভাব তাড়াতে ২০০৮ সালে ছোট পরিসরে কাঁথা সেলাইয়ের যে ব্যবসা শুরু করেছিলেন, দেড় দশকের ব্যবধানে তিনি এখন সফল নারী উদ্যোক্তা। অন্যদের কাছে তিনি এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত, এমন মত সিলেট উইমেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি লুবানা ইয়াসমিনের।তিনি ৪৫০ টাকায় কাঁথাটি বিক্রি করেন। এরপর তাঁর মনে...
    কুসংস্কার এমন এক জিনিস  যা শিক্ষিত-অশিক্ষিত কিংবা ধনী-গরীব কোনোকিছুই মানে না। ক্রীড়াক্ষেত্রে বিচিত্র সব কুসংস্কার আছে। ফুটবলে যেমন আছে, ক্রিকেটেও আছে। হালের স্টিভ স্মিথ-স্টুয়ার্ট ব্রড থেকে শুরু করে সেকালের শচীন টেন্ডুলকার, ইমরান খান; সবাই নিজেদের ক্যারিয়ারে কিছু না কিছু কুসংস্কারে বিশ্বাসী ছিলেন। শচীন সবসময় ব্যাট করতে নামার তাঁর বাঁ পায়ের প্যাড আগে পরতেন সবসময়। এরপরই ডান পায়ের প্যাড পরতেন।  স্টিভ ওয়াহ আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের প্রায় পুরোটা সময় পকেটে একটা লাল রঙয়ের ছেঁড়া কাপড় রাখতেন। শ্রীলঙ্কার বিধ্বংসী ফাস্ট বোলার লাসিথ মালিঙ্গা প্রতি বলের আগে বলে ‍চুমু খেতেন। এরকম উদাহরণ ভুড়িভুড়ি রয়েছে। তবে স্টিভেন স্মিথ এমন এক কুসংস্কারের কথা বললেন তা বিশ্বাস-ই করতে কষ্ট হবে যে কারো। অস্ট্রেলিয়ান তারকা স্টিভ স্মিথের একটি অদ্ভুত কুসংস্কার আছে, টেস্ট ম্যাচের প্রথম ইনিংসে ব্যাট...
    পৃথিবীর এক দিকে যখন সূর্যের আলো নিভে আসে, তখন অন্য দিকে শুরু হয় নতুন এক সকাল। এমন সকাল যেখানে কোনো আনন্দ নেই, নেই বিশ্রাম বা বিলাস; আছে শুধু ঘাম কষ্ট আর নীরব সংগ্রাম। সেই সকালেই লাখো বাংলাদেশি শ্রমিক মাথায় হেলমেট পরেন, কেউ হাতে ট্রাউল ধরেন, কেউ স্টিয়ারিংয়ে বসেন, কেউবা মরুভূমির দিকে হাঁটেন। তারা জানেন, তাদের ঘামের প্রতিটি ফোঁটা একদিন দেশের মাটিতে সোনার দানায় রূপ নেবে। এই মানুষগুলো আমাদের অর্থনৈতিক সেনা। তারা অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করেন না, কিন্তু প্রতিদিন যুদ্ধ করেন সময় যন্ত্রণা আর একাকিত্বের সঙ্গে। তারা শুধু নিজের জন্য লড়াই করেন না, তারা লড়ে যান প্রিয়জনের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য, দেশের পতাকা উঁচু রাখার জন্য। আমরা তাদের বলি ‘রেমিট্যান্স যোদ্ধা’। তারা প্রবাস থেকে উপার্জন করে নিবাসে যা পাঠান তাই...
    ঘটনাটি ২০২৫ সালের ১৩ মার্চের। রাত ৯টা-সাড়ে ৯টা হবে। উপসম্পাদক লাজ্জাত ভাই (লাজ্জাত এনাব মহছি) ডাকলেন। মাগুরার শিশুটির মৃত্যুসংবাদের সঙ্গে কোন ছবি যাওয়া উচিত, সেটা নিয়ে মতামত চাইলেন। পরদিন পত্রিকায় খবরটি প্রধান প্রতিবেদন হিসেবে ছাপা হবে। মাগুরার শিশুটির কথা নিশ্চয় আপনাদের মনে আছে। এ বছরের ৫ মার্চ যৌন নির্যাতন, গলায় ফাঁস ও বুকে প্রচণ্ড চাপ দিয়ে ৮ বছরের শিশুটিকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হয়। শিশুটিকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি শিশুটির বোনের শ্বশুরের বিরুদ্ধে ১৭ মে মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছেন মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল। নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনার আধিক্যের মধ্যে খুব কম ঘটনাই স্ফুলিঙ্গ হয়ে ওঠে। মাগুরার শিশুটি ছিল সে রকম খুব কম ঘটনার একটি। রাজধানী ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন থেকে মৃত্যু পর্যন্ত টানা কয়েক...
    সুড়ঙ্গের শেষে আলো দেখা যাচ্ছে কি? যাঁরা দেশ চালান, তাঁদের কথা শুনলে মনে হয়, সব ঠিকঠাক চলছে। পত্রিকার পাতা ওলটালে ভয়ংকর সব খবর পাই। একদল হুমকি দিচ্ছে—তাদের কথামতো না চললে তারা দেশটা অচল করে দেবে। আরেক দল হম্বিতম্বি করছে—দেশটা তাদের; সুতরাং তাদের কথাই চূড়ান্ত। এদিকে অন্য একটি দল ঘোঁট পাকাচ্ছে—কিছুই হতে দেবে না। তারা গোলমাল পাকিয়ে সব গুবলেট করে দিতে চাচ্ছে। সব মিলিয়ে দেশে তৈরি হয়েছে একটি অস্থির অবস্থা, একটি যুদ্ধ যুদ্ধ ভাব।আমাদের দেশের বয়স প্রায় ৫৫। প্রথম বছর গেল গোলার আওয়াজ আর বারুদের গন্ধে। তার পর থেকে সময়ের যে রেখাচিত্র দেখছি, তা কখনো সরলরেখায় চলেনি। কিছুদিন শান্তি তো তারপরই শুরু হয়ে যায় অশান্তি। মানুষ স্বস্তিতে ও নিরাপদে থাকতে চান। তাঁদের চাহিদা খুব অল্প; কিন্তু কিছু লোক সেটি কিছুতেই হতে...
    ইসলামের আলোকে নবীজির জীবন এক অপূর্ব দৃষ্টান্ত। তিনি তো মানুষের মাঝে সর্বোত্তম আদর্শ। কিন্তু একটা প্রশ্ন অনেকের মনেই ঘুরপাক খায়, যদি নবীগণ গুনাহ থেকে পবিত্র থাকেন, তাহলে কেন আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা চাইতে বলেছেন? আর কেন তিনি দিনরাত এত বেশি ইস্তিগফার (ক্ষমা প্রার্থনা) করতেন?আজ এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজব আমরা।আল্লাহ তায়ালা সুরা মুহাম্মাদে বলেছেন, ‘অতএব জেনে রাখো, আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই এবং তোমার গুনাহের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করো, আর মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারীদের জন্যও।’ (সুরা মুহাম্মাদ, আয়াত: ১৯)এই আয়াতে নবীজিকে নিজের গুনাহের জন্য ইস্তিগফার করতে বলা হয়েছে। কিন্তু নবী তো গুনাহমুক্ত, তাহলে এর অর্থ কী?ইমাম কুরতুবি তাঁর তাফসিরে বলেছেন, এটা কয়েকভাবে বোঝা যায়। প্রথমত, এটা প্রতিরোধমূলক, অর্থাৎ, যেন আল্লাহ তাঁকে ভবিষ্যতে গুনাহ থেকে আরও সুরক্ষিত রাখেন। দ্বিতীয়ত, এটা উম্মতকে শেখানোর জন্য, যাতে আমরা বুঝি ইস্তিগফার কত জরুরি। তৃতীয়ত, নবীজি নিজে এটা করে...
    দেশের নাগরিক যখন কোনো সংস্থার কাছে থেকে ঋণ নেন, তখন তাঁর প্রয়োজন হয় জামিনদারের। আর যখন কোনো সংস্থা নাগরিকের কাছ থেকে আমানত নেয়, তখন? জামিনদারের ভূমিকায় তখন অবতীর্ণ হয় রাষ্ট্র। কারণ, সরকারি নিবন্ধন দেওয়ার মাধ্যমে রাষ্ট্র নিশ্চিত করে সেই সংস্থার বৈধতা। জামালপুরে সমবায় সমিতির কাছে নিঃস্ব হওয়া মানুষের দায়িত্ব কি রাষ্ট্র নেবে না?প্রথম আলোর খবরে এসেছে, জামালপুরের মাদারগঞ্জে ২৩টি সমবায় সমিতি আমানতকারীদের হাজার কোটি টাকা নিয়ে পালিয়েছে। মাদারগঞ্জে হাজারো আমানতকারী নিজের কষ্টার্জিত টাকা ফেরত পেতে টানা তিন দিন উপজেলা পরিষদ ঘেরাও করে রেখেছেন। এই চিত্র শুধু মাদারগঞ্জের নয়, এটি বাংলাদেশের আর্থিক শৃঙ্খলার ভঙ্গুরতার চিত্রও বটে। কয়েক বছর ধরে ২৩টি সমবায় সমিতি উচ্চ মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে শত শত কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে, অথচ ২০২২ সাল থেকে সেই টাকার...
    পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে বিবিসির মহাপরিচালক টিম ডেভির পদত্যাগ করা একটি বড় ধাক্কা। এটি এমন সময়ে প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পর্যায়ে শূন্যতা তৈরি করল, যখন নেতৃত্বের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ছিল। ডেভি জোর দিয়ে বলেছেন, এই সিদ্ধান্ত একান্তই তাঁর নিজের; বোর্ড, ডানপন্থী রাজনীতিক ও সংবাদমাধ্যমের সমন্বিত আক্রমণে নেতৃত্ব দেওয়া অনেকেই এটি প্রত্যাশা করেনি। এখন ডেভি ও বিবিসি নিউজের সিইও ডেবোরাহ টারনেস—উভয়ের পদত্যাগ দেখিয়ে দিল, চাপ প্রয়োগ করলে ফল পাওয়া যায়।সবচেয়ে বিস্ময়ের বিষয় হলো, এই পুরো ঘটনা শুরু হয়েছিল মাত্র এক সপ্তাহ আগে, যখন টেলিগ্রাফ পত্রিকায় প্রকাশিত হলো মাইকেল প্রেসকটের তৈরি ১৯ পাতার একটি ‘বিধ্বংসী নথি’। প্রেসকট একজন সাবেক রাজনৈতিক সাংবাদিক, যিনি তিন বছর বিবিসির বাহ্যিক উপদেষ্টা ছিলেন। ওই নথিতে অভিযোগ করা হয়, বিবিসি প্যানোরামা ট্রাম্পের এক ভাষণকে এমনভাবে সম্পাদনা করেছে, যেন মনে হয় তিনি ৬...
    দ্য থার্ড ম্যান চলচ্চিত্রে হ্যারি লাইম চরিত্রে অভিনয় করেছেন অরসন ওয়েলস। ওই চলচ্চিত্রে তাঁর একটি সংলাপ ছিল এমন—‘ইতালিতে বোর্জিয়া পরিবারের শাসনের ৩০ বছরে যুদ্ধ, আতঙ্ক, হত্যা আর রক্তপাত চলেছিল, কিন্তু তারা তৈরি করেছিল মাইকেলেঞ্জেলো ও লেওনার্দো দা ভিঞ্চির মতো শিল্পী আর রেনেসাঁ। অন্যদিকে সুইজারল্যান্ডে ছিল ভ্রাতৃত্বপূর্ণ ভালোবাসা, ৫০০ বছরের গণতন্ত্র ও শান্তি, অথচ তারা কী সৃষ্টি করল? কুকু ক্লক বা কোকিল ঘড়ি।’ঔপন্যাসিক গ্রাহাম গ্রিন এই চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্যের সহলেখক ছিলেন। তাঁর ভাষায়, এটি এই চলচ্চিত্রের সেরা সংলাপ। আর তিনি দাবি করেন, সংলাপটি ওয়েলস নিজেই লিখেছিলেন।এই লাইন আজ এমন একটি ধারণার প্রতীক হয়ে উঠেছে যে দুঃখ, কষ্ট ও সামাজিক অস্থিরতার মধ্য থেকেই জন্ম নেয় শিল্প–সাহিত্য। আমি অবশ্য স্বীকার করব, আমিও একসময় একই মনোভাব নিয়েই এই উক্তি ব্যবহার করেছি।যুক্তরাজ্যের ইউরোপীয় ইউনিয়ন ছাড়ার (ব্রেক্সিট)...
    চীনের দক্ষিণাঞ্চলে মাছের একটি পুকুর এখন অনলাইনে ভাইরাল। পুকুরের মালিক জানিয়েছেন, তিনি প্রতিদিন তাঁর পুকুরের মাছগুলোকে নানা ধরনের ৫ হাজার কেজি মরিচ খাওয়ান। তাঁর দাবি, এতে মাছগুলো দেখতে আরও চকচকে হয় এবং স্বাদেও ভালো লাগে। এই পুকুরটি চীনের হুনান প্রদেশের চাংশায় অবস্থিত। এই এলাকা চীনের ঝাল খাবারের জন্য বিখ্যাত। সম্প্রতি এই পুকুরের মাছকে মরিচ খাওয়ানোর ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে এটি ভাইরাল হয়ে যায়। পুকুরটি দেখভাল করেন ৪০ বছর বয়সী মাছচাষি জিয়াং শেং ও তাঁর স্কুলজীবনের বন্ধু কুয়াং কে। কুয়াং বলেন, পুকুরটির আয়তন প্রায় ১০ একর। আর এখানে ২ হাজারের বেশি মাছ আছে। এসব মাছকে নিয়মিত নানা ধরনের মরিচ খাওয়ানো হয়।পুকুরের মালিক বলেন, ‘আমরা দিনে প্রায় ৫ হাজার কেজি মরিচ খাওয়াই। মানুষের খাওয়ার মতো একই মরিচই মাছকে খাওয়ানো যায়। এই মরিচের মধ্যে...
    কেন হয়, উপসর্গ কী এটা হওয়ার একটা কারণ ডিস্ক প্রোলাপ্স বা হার্নিয়েশন। অর্থাৎ হাড়ের মাঝখানের ডিস্ক ফুলে গিয়ে বা ছিঁড়ে স্নায়ুতে চাপ দেয়। দ্বিতীয়ত, হাড়ের স্পার বা অস্টিওফাইট। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হাড়ের ধারালো গজানো অংশ স্নায়ু চেপে ধরে। তৃতীয়ত, আঘাতজনিত পরিবর্তন। দুর্ঘটনা বা ট্রমায় স্নায়ুতে চাপ পড়তে পারে। চতুর্থত, খারাপ ভঙ্গি। দীর্ঘ সময় নিচু হয়ে মুঠোফোন দেখা বা একটানা ডেস্কে বসা।এ ব্যথার অন্যতম উপসর্গ ঘাড় থেকে কাঁধ হয়ে হাত ও আঙুল পর্যন্ত ছড়িয়ে যাওয়া। ঝিনঝিনে অনুভূতি, অবশ ভাব হয়। হাত বা বাহু দুর্বল হয়ে যায়। ঘাড় নড়াচড়া করলে ব্যথা বেড়ে যায়। কখনো হাতের গ্রিপ দুর্বল হয়ে যেতে পারে।আরও পড়ুনকোমর মোচড়ানো কি নিরাপদ, বিজ্ঞান কী বলে৬ ঘণ্টা আগেচিকিৎসা সম্পূর্ণ বিশ্রামের দরকার নেই। তবে অতিরিক্ত পরিশ্রম ও ভারী কাজ এড়িয়ে চলতে...
    চট্টগ্রামের অন্যতম শাস্ত্রীয় নৃত্যশিক্ষা প্রতিষ্ঠান ‘ওডিসি অ্যান্ড ট্যাগোর ড্যান্স মুভমেন্ট সেন্টার’ সম্প্রতি উদ্‌যাপন করেছে তাদের ২৫ বছরের পথচলার উৎসব। ৮ ও ৯ নভেম্বর থিয়েটার ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে নৃত্যালেখ্য ও ওডিশি নৃত্যকলার অনুপম পরিবেশনা প্রাণভরে উপভোগ করেছেন মুগ্ধ দর্শক। সিকি শতাব্দীর নিরন্তর সৃজনযাত্রার উৎসবে মঞ্চজুড়ে নবীন ও পুরোনো শিল্পীদের নৃত্যের তালে তালে নূপুরের শব্দ আর সুরের অনুরণনে সময় যেন থেমে ছিল। দর্শকেরা শুধু অনুষ্ঠান দেখছিলেন না, তাঁরা যেন প্রত্যক্ষ করছিলেন এক গৌরবময় ইতিহাস—চট্টগ্রামের বুকে জন্ম নেওয়া এক শিল্প আন্দোলনের অনন্য পর্ব।প্রথম দিন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবন ও সাহিত্য নিয়ে নৃত্যালেখ্য ‘বাঁশরী ও তূর্য হাতে কবি’ পরিবেশনায় কবির সাহিত্যের দ্রোহ, প্রতিবাদ, প্রণয়, আধ্যাত্মচেতনা, প্রকৃতিপ্রেম, সমসাময়িক গ্রামবাংলার চিত্র অনন্য মুদ্রায় আর শিল্পীদের দেহভাষায় ফুটে উঠেছে। দ্বিতীয় দিনের আকর্ষণ ছিল ‘ওডিশি নৃত্যকলা’। ওডিসি...
    ইরানি সুফি দার্শনিক শামস তাবরিজি বিশ্বের মানুষের কাছে জালাল উদ্দিন রুমির আধ্যাত্মিক পথপ্রদর্শক হিসেবে সর্বাধিক পরিচিত। তার গভীর জ্ঞান এবং দর্শন রুমির জীবন ও কবিতাকে আমূল বদলে দিয়েছিল। শামস তাবরিজির বিখ্যাত ১০টি উক্তি নিচে দেওয়া হলো— এক. আল্লাহ ভালোবেসেই আমা‌দেরকে সৃ‌ষ্টি ক‌রে‌ছেন, তাই আমা‌দের উ‌চিত আল্লাহকে ভা‌লোবাসা। আরো পড়ুন: শীতের লিপস্টিক কেমন হওয়া উচিত কী কী আছে মরুভূমি সাহারায়? দুই. ভবিষ্যতে স্বর্গ এবং নরক খুঁজো না। দুটোই এখন বর্তমান। যখনই আমরা প্রত্যাশা, হিসাব-নিকাশ, আলোচনা ছাড়াই ভালোবাসতে পারি, তখনই আমরা প্রকৃতপক্ষে স্বর্গে থাকি। তিন. যে রাস্তা খোদার কাছে গেছে তা বুদ্ধির নয়; তা হৃদয়ের মেহনতের রাস্তা। মন নয়, হৃদয়কেই তুমি সারথি বানাও। চার. কৃতজ্ঞ হও! তুমি যা চাও তা পাওয়ার পর শুকরিয়া করা তো সহজ,...
    নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা যেখানে খুবই প্রিয়, সেখানে একদিন কঠিন পরিণতির মুখোমুখি হতে হয়। সত্যকে দমন করতে যে শক্তি একসময় বাইরের সমালোচকদের মুখ চেপে ধরত, সেই শক্তিই এ সময় গ্রাস করতে শুরু করে ‘ভেতরের’ মানুষদেরও। বিশেষ করে বিবেকবানদের। এমন মুহূর্ত সাধারণত বিস্ফোরণ বা বিদ্রোহের মতো দামামা বাজিয়ে আসে না। আসে নীরবে। ইসরায়েল এখন এমনই এক মুহূর্তের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছে। দেশটির সামরিক প্রধান প্রসিকিউটর ইয়িফাত তোমের-ইরুশালমির গ্রেপ্তার হয়েছেন। তিনি নাকি এক ফিলিস্তিনি বন্দীকে নির্যাতনের ভিডিও ফাঁস করেছিলেন। ব্যাপারটা ইসরায়েলের জন্য শুধু আইনি কেলেঙ্কারির বিষয় নয়। সেই ভিডিওর মাধ্যমে তৈরি হয়েছে এমন এক আয়না, যেখানে একটি জাতি নিজের মুখোমুখি দাঁড়াতে বাধ্য হচ্ছে। তোমের-ইরুশালমি কোনো বহিরাগত বা শত্রু ছিলেন না। এই নারী ছিলেন ইসরায়েলের সবচেয়ে সুরক্ষিত কেন্দ্রের অংশ। ছিলেন সেই আইন ও সামরিক কাঠামোর অংশ, যা...
    নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপি সদস্য সচিব এড. আবুল আল ইউছুফ  খান টিপু বলেন খুনি ফেসিদ হাসিনার অবৈধ লকডাউনেরবিরুদ্ধে আমরা নারায়ণগঞ্জ শহরের প্রধান প্রধান সড়কে পদক্ষিণ করলাম কিন্তু কোথাও ছাত্রলীগ যুবলীগ আওয়ামী লীগ খুঁজে পাই নাই। ‘‘খুনি আছি ১৬ বছর বাংলার মানুষকে শান্তিতে থাকতে দাও নাই বাংলার স্বাধীনতা কেড়ে নিয়েছো মৌলিক অধিকার কেড়ে নিয়েছো মানুষ অধিকার কেড়ে নিয়েছো ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছো। অজস্র ভাই বোনকে হত্যা করেছ। বুধবার (১২ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত শেখ হাসিনার ফাঁসির দাবিতে মানবতাবিরোধী গণহত্যার রায়কে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের ডাকা লকডাউনের প্রতিবাদে নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপি বিক্ষোভ মিছিল করেছে। মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত বক্ত্যবে তিনি এ কথা বলেন।  এ বিক্ষোভ মিছিল শহরের প্রধান প্রধান সড়ক অতিক্রম করে। মিছিলে মহানগর বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের শত শত নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন।...
    মানুষের প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস ইলা মিত্রকে কিংবদন্তিতে পরিণত করেছিল। তিনি যে সাম্যবাদী আদর্শে বিশ্বাস করতেন, তা নিজের জীবনাচরণে পরিণত করেছিলেন। যে দৃষ্টান্ত তিনি স্থাপন করেছেন বৈষম্যহীন সমাজ নির্মাণের জন্য, তা অনুপ্রেরণা হয়ে থাকব বলে আলোচকেরা মন্তব্য করেছেন।আজ বুধবার বিকেলে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ আয়োজিত ‘তেভাগা আন্দোলনের বিপ্লবী নেত্রী ইলা মিত্রর জন্মশতবর্ষ পালন’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে আলোচকেরা এ মন্তব্য করেন। মহিলা পরিষদ তাদের সেগুনবাগিচা কার্যালয়ের আনোয়ারা বেগম-মুনিরা খান মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানের শুরুতেই মহিলা পরিষদের নেত্রীরা ইলা মিত্রের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর তাঁর জীবন ও কর্মের ওপর নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র রানিমা প্রদর্শন করা হয়। সেখানে ইলা মিত্র এক সাক্ষাৎকারে বলছিলেন, জীবনের যত নির্যাতন, লাঞ্ছনা-বঞ্চনা সহ্য করেছেন, এসব নিয়ে তাঁর কোনো আফসোস নেই।...
    ‘অবৈধ’ বলে হকার উচ্ছেদের যৌক্তিকতা কতটুকু, তা নিয়ে লিখেছেন মোশাহিদা সুলতানা২০০০-এর দশকে পেরুভিয়ান অর্থনীতিবিদ হার্নান্দো দে সোতো ক্যারিশম্যাটিক বক্তা হিসেবে বেশ পরিচিত ছিলেন। তিনি মনে করতেন, পুঁজিবাদী অর্থনীতির পূর্ণাঙ্গ বিকাশ অর্থাৎ ব্যক্তিমালিকানা প্রতিষ্ঠিত হয়নি বলেই উন্নয়নশীল বিশ্বে অপ্রাতিষ্ঠানিক খাত ৮০ শতাংশের বেশি। তাই ব্যক্তিমালিকানা নিশ্চিত হলেই উন্নয়ন হবে।বাংলাদেশেও অনেক মানুষ ব্যক্তিমালিকানাকে বৈধতার মাপকাঠি মনে করেন। যখন দে সোতোকে শ্রোতারা প্রশ্ন করতেন, ভূমিসংকটে নিমজ্জিত শহরে, খাসজমিতে এই যে ভাসমান মানুষ এদিক–সেদিক ছড়িয়ে আছে, রাস্তায় দোকান খুলে বসেছে, তাদের কিসের ভিত্তিতে মালিকানা দেওয়া হবে? তিনি তাদের গল্প শুনিয়ে কিছু দিকনির্দেশনা দিতেন।তাঁর গল্পটা ছিল এ রকম: একদিন তিনি ইন্দোনেশিয়ার বালিতে একটা গ্রামের ধানখেতের মধ্য দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন। হাঁটার সময় বোঝা যাচ্ছিল না কোন খেতের মালিক কে। তিনি দেখলেন কিছু দূর পরপর ভিন্ন ভিন্ন...
    মুসলিম সভ্যতায় ছিল শিক্ষাব্যবস্থার বৈচিত্র্য ও উন্মুক্ততা। এই ব্যবস্থার জোরেই মুসলিমরা একদিন দুনিয়ার সব শহরের সেরা হয়ে উঠেছিল, জ্ঞান আর চিন্তার জগতে। যেকোনো সাংস্কৃতিক জাগরণের তো মূল ভিত্তিই তো জ্ঞান ও শিক্ষা।ইসলামই হলো জ্ঞানচর্চার প্রথম এবং প্রধান অনুপ্রেরণা। ইসলাম জ্ঞান অর্জনের কথা বলে। জ্ঞান সঞ্চয়ের জন্য উৎসাহ দেয়। সেই জ্ঞান লিখে রাখতে আর ছড়িয়ে দিতে প্রেরণা জোগায়। আবার জ্ঞানকে লুকিয়ে রাখাকেও সে পাপ বলে মনে করে। ইসলামের বারবার বলা হয়েছে জ্ঞান, শিক্ষা আর শেখানোর গুরুত্বের কথা; ইহকালে ও পরকালে তার সম্মান ও মর্যাদার কথা।এই গুরুত্বের দিকটা মাথায় রেখেই, মুসলিমরা জ্ঞান অর্জনে আশ্রয় নিয়েছে বিচিত্র পদ্ধতির। কোনো একটা নির্দিষ্ট শিক্ষাক্ষেত্র, শিক্ষাধারা বা সিলেবাসে আবদ্ধ থাকেনি। এ জন্য মুসলিমদের জ্ঞান–বিজ্ঞানের স্বর্ণযুগে বিভিন্ন ধরনের উন্মুক্ত শিক্ষালয় দেখা যায়। স্বতন্ত্র শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বাইরে যেসব শিক্ষাক্ষেত্র...
    ‘সাংস্কৃতিক বৈষম্য’ কোনো শব্দবন্ধ হিসেবে কতটা দরকারি, তা নির্ভর করে আপনি কীভাবে সংস্কৃতিকে সংজ্ঞায়িত করছেন, তার ওপর। সংস্কৃতিকে আপনি যদি স্রেফ শিল্প, সাহিত্য, সংগীত—এ রকম কিছু কর্মকাণ্ডে আটকিয়ে ফেলেন, তখন হয়তো বৈষম্য জিনিসটার প্রায়োগিক মানে দাঁড়ায়। কিন্তু সংস্কৃতি যদি হয় গণমানুষের সাবজেক্টিভিটিকে আমূল বদলে দেওয়ার চর্চা, সেখানে ‘বৈষম্য’ প্রত্যয়টার অর্থ আলাদাভাবে বোধগম্য নয়। ওই জায়গায় সাংস্কৃতিক বৈষম্য জিনিসটাকে বুঝতে হবে সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য ও ঐতিহাসিকভাবে সাংস্কৃতিক বিপ্লবের পটভূমি দিয়ে।সব মিলিয়েই আমিআমরা যার যার কুঠুরির মধ্যে বাস করতে পছন্দ করি। এটাকে সাংস্কৃতিক কুঠুরি বলা যায়। আমার অভ্যাস, আমার প্রার্থনা, আমার গান, আমার আচার, আমার বিশ্বাস—এসব মিলিয়েই আমি। অন্য থেকে নিজেকে আলাদা করার মাধ্যমে আমি আমার সংস্কৃতিকে চিনতে ও চেনাতে পারি—দেরিদার ভাষায় যাকে বলে ‘ডিফার’ ও ‘ডেফার’ করা। আত্ম-আবিষ্কারের এই যে নিরন্তর পিচ্ছিল...
    এশিয়া থেকে আফ্রিকা, ইউরোপ থেকে লাতিন আমেরিকা—বিশ্বজুড়ে যখন জাতিগত ও ভূরাজনৈতিক সংঘাতের উত্তেজনা প্রবল, এমন সময়ে মানুষে মানুষে সহমর্মিতা, ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেওয়া এবং বিভেদ দূরীকরণে চলচ্চিত্রের অন্তর্নিহিত শক্তির ওপর গুরুত্ব দিয়ে শেষ হলো ৩৮তম টোকিও আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব (টিফ ২০২৫)। এশিয়ার অন্যতম প্রভাবশালী এই আয়োজনের মূল বার্তাই ছিল—চলচ্চিত্র শুধু বিনোদন নয়, বরং বোঝাপড়ার ও ঐক্যের মাধ্যম।টোকিওর হিবিয়া, মারুনোচি, ইউরাকুচো ও গিনজা এলাকায় অনুষ্ঠিত এই উৎসবে গত ২৭ অক্টোবর পর্দা ওঠে এবং ১০ দিনব্যাপী প্রদর্শিত হয় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মোট ১৮৪টি চলচ্চিত্র। লালগালিচার জাঁকজমক থেকে শুরু করে চলচ্চিত্রবিষয়ক সেমিনার, রেট্রোস্পেকটিভ প্রদর্শনী, মাস্টারক্লাস ও আন্তর্জাতিক সংলাপে মুখর ছিল গোটা উৎসব প্রাঙ্গণ।৫ নভেম্বর হিবিয়ার তোহো সিনেমায় আয়োজিত সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের চলচ্চিত্র নির্মাতা, তারকা ও সমালোচকদের উপস্থিতিতে ঘোষণা করা হয় বিজয়ীদের...
    জনসংযোগ বা Public Relations এই দুটি শব্দ অনেকেই আজও সমার্থকভাবে ব্যবহার করেন প্রচারণা বা ‘ইমেজ ম্যানেজমেন্ট’র সঙ্গে। কিন্তু জনসংযোগ আসলে তার চেয়ে অনেক বেশি গভীর, মানবিক ও সূক্ষ্ম এক শিল্প। এটি এমন এক প্রক্রিয়া, যেখানে যোগাযোগ কেবল বার্তা বিনিময় নয়, বরং বোঝাপড়া, বিশ্বাস ও সম্পর্ক গড়ার এক দীর্ঘমেয়াদি অনুশীলন। আধুনিক বিশ্বে তথ্যের বিস্ফোরণ ঘটেছে। সংবাদ, মতামত, ছবি, ভিডিও সবকিছুই মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়ছে কোটি মানুষের মধ্যে। এমন বাস্তবতায় প্রতিষ্ঠান, সংগঠন কিংবা সরকার সকলেই চায় জনগণের কাছে তাদের ভাবমূর্তি ইতিবাচক রাখার নিশ্চয়তা। কিন্তু এই প্রতিযোগিতার ভিড়ে মানুষ আজ আর শুধুই বার্তা শুনতে চায় না; তারা খোঁজে সত্যতা, আন্তরিকতা ও সহমর্মিতা। যোগাযোগের আসল সার্থকতা তখনই আসে, যখন তা কেবল বলা নয়, বোঝানোর ক্ষমতা অর্জন করে। এ কারণেই জনসংযোগের সূক্ষ্মতা লুকিয়ে আছে সেই...
    অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে আছেন বলিউড তারকা ধর্মেন্দ্র। আজ মঙ্গলবার সকালে তাঁর মৃত্যুর খবর আসে ভারতের বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে। ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, কবি–চিত্রনাট্যকার জাভেদ আখতারসহ বিভিন্নজন শোকবার্তাও দেন। এসবের ভিত্তিতে অন্য দেশগুলোর সংবাদমাধ্যমেও খবর আসে। ৮৯ বছর বয়সী ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর খবরে যখন গণমাধ্যম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সয়লাব, তখন তাঁর মেয়ে এষা দেওল জানান, তাঁর বাবা এখনো বেঁচে আছেন।ভারতের বিভিন্ন সংবাদপত্রের ওয়েবসাইট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই খবরটি প্রথম আসে সোমবার দিবাগত রাত তিনটা দশ মিনিটে। ইন্ডিয়া টুডে তাদের সোশ্যাল মিডিয়া পেজে পোস্ট দেয়—‘বলিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা ধর্মেন্দ্র মঙ্গলবার মারা গেছেন বলে তাঁর টিম নিশ্চিত করেছে।’এখানে ইন্ডিয়া টুডে সূত্র হিসেবে ‘ধর্মেন্দ্রর টিম’কে ব্যবহার করলেও কারও নাম উল্লেখ করেনি।এর কিছুক্ষণের মধ্যেই ‘আজ তক’ মিডিয়া তাদের প্ল্যাটফর্মে একই সংবাদ প্রকাশ করে। তবে...
    সমুদ্রের ঢেউ পাড়ে আছড়ে পড়ার মধ্যে অল্প হলেও একটি বিরতি থাকে। একটি ঢেউয়ের পর আরেকটি ঢেউয়ের জন্য আমাদের অপেক্ষা করতে হয়। চাইলে কেউ ঢেউগুলো গুনতেও পারেন। কিন্তু আমরা এখন এমন এক যুগে ঢুকে পড়েছি, যেখানে খবরের সমুদ্রে ঢেউগুলোর মধ্যে সময়ের কোনো বিরতি নেই। এই ঢেউয়ের ঝাপটায় আমরা যেন বিপর্যস্ত, আমাদের এখন অনেকটাই খেই হারানোর দশা। অথচ আমাদের খবর বা সংবাদ জানা এবং সংবাদপত্র পড়ার অভিজ্ঞতা শুরু হয়েছিল কত ভিন্নভাবে! সত্তরের দশকের শেষের দিকে যখন পত্রিকা হাতে নিতে শুরু করি, তখন সংবাদপত্রই ছিল আমার কাছে খবরের একমাত্র সূত্র। আমার বেড়ে ওঠা ঢাকা শহরে। বাসায় তখন একটি পত্রিকাই রাখা হতো। একাধিক পত্রিকা রাখার আর্থিক সংগতি তখন ছিল না। বাবা তত দিনে সরকারি চাকরি থেকে অবসর নিয়েছেন। তিনি দিনের প্রথম ভাগের সময় কাটাতেন মূলত...
    অজু অনেক ইবাদতের পূর্বশর্ত। আমরা দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের জন্য অজু করি। এ ছাড়া কোরআন তিলাওয়াত, নফল নামাজ, জানাজা, তিলাওয়াতের সেজদা ও শোকরের সেজদার জন্যও অজু করা আবশ্যক।অজু আমাদের বাহ্যিক অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে পরিচ্ছন্ন করে, শরীরের ক্লান্তি দূর করে, প্রোডাকটিভিটি বৃদ্ধি করে, পাশাপাশি হৃদয়কেও পবিত্র করে।১. ক্ষমা লাভের কারণ পাপ আমাদের হৃদয়কে ভারী করে তোলে এবং আত্মিক প্রশান্তি কেড়ে নেয়। পাপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হৃদয় কালিমায় ছেয়ে যায়। অজু সেই পাপকে দূর করে আত্মিক প্রশান্তি বয়ে আনে।আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত একটি হাদিসে আছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যখন কোনো মুসলমান বা মুমিন বান্দা অজু করে, তখন মুখ ধোয়ার সঙ্গে (অথবা পানির শেষ ফোঁটার সঙ্গে) তার সেসব গুনাহ বের হয়ে যায়, যার দিকে তার চোখের দৃষ্টি গিয়েছিল।অজু অনেক ইবাদতের পূর্বশর্ত। অজু আমাদের...
    কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগের ৪৩ শতাংশ, জাতীয় পার্টির (জাপা) শতাংশ, আমাদের আছে শতাংশ ভোট। যদি আওয়ামী লীগের ভোটাররা ভোট দিতে না পারে, যদি জাতীয় পার্টি ও বামপন্থী ১৪ দলীয় জোটকে নির্বাচনের বাইরে রাখা হয়, তাহলে আমি গামছা নিয়ে ভোটে যাব না। আমরা জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে চাই। শুধু বিএনপি, শুধু জামায়াত নির্বাচন করলে নির্বাচনে আসব, তা হবে না।’টাঙ্গাইলের সখীপুরে বহেড়াতৈল ইউনিয়ন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কাদের সিদ্দিকী এসব কথা বলেন।অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে উদ্দেশ করে কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘ইউনূস সাহেবকে অনেক বড় মানুষ ভাবছিলাম। শেখ হাসিনা যখন আপনাকে সুদখোর বলত, তখন আমি আপনার পাশে ছিলাম। আপনি খোদার ঘর বাইন্ধা আসেন নাই। গ্রামীণ ব্যাংক ও গ্রামীণ...
    জনসংখ্যা, উন্নয়ন ও বৈষম্য গভীরভাবে সম্পর্কিত। সাধারণত জনসংখ্যা বলতে আমরা বুঝি একটি নির্দিষ্ট ভূখণ্ডে নির্দিষ্ট সময়ে বসবাসকারী মানুষের সংখ্যা। আর বৈষম্য হলো রাষ্ট্র ও সমাজস্থ এসব মানুষের মধ্যে সম্পদ, সুযোগ, আয় ও মর্যাদার অসম বণ্টন।লক্ষণীয় যে জনসংখ্যার আকার, বৃদ্ধি হার, ঘনত্ব ও গঠন (বয়স, জেন্ডার/লিঙ্গ, পেশা, অঞ্চল, ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী, উপগোষ্ঠী ইত্যাদি) সমাজের উন্নয়ন ও বৈষম্যের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে থাকে। এটি সমাজের অর্থনৈতিক উন্নয়নকে যেমন প্রভাবিত করে, তেমনি বৈষম্যের মাত্রাকেও নির্ধারণ করে।জনসংখ্যার যেমন পরিমাণগত দিক রয়েছে, তেমনই রয়েছে গুণগত দিক, যা আইসিপিডি, ১৯৯৪ (জনসংখ্যা ও উন্নয়নবিষয়ক আন্তর্জাতিক সন্মেলন, কায়রো, মিসর) থেকে স্বীকৃত। আইসিপিডি জনসংখ্যা ও উন্নয়ন আন্তসম্পর্কে একটি প্যারাডাইম শিফট (চালচিত্র পরিবর্তন)।২.এ ক্ষেত্রে উন্নয়নের লক্ষ্য হলো, সব মানুষের জীবনের গুণগত উন্নয়ন, যেখানে মানব উন্নয়নের কেন্দ্রে রয়েছে পছন্দকে বেছে নেওয়ার স্বাধীনতা,...
    ‘এতটুকু তো আমি আশা করতেই পারি…’, মুখে একটা মুচকি হাসি রেখে কথাটা বললেন নাজমুল হোসেন। তা বাংলাদেশ অধিনায়কের কী সেই আশা? টেস্ট ক্রিকেটের প্রচারটা যেন আরেকটু বেশি হয়!প্রচারের জন্য যে মাঠের পারফরম্যান্সও দরকার, তা অজানা নয় নাজমুলের। সাংবাদিকদের কাছে লাল বলের ক্রিকেটের প্রচার বাড়ানোর অনুরোধের আগে তাই তিনি এই সংস্করণে পিছিয়ে থাকার দায়টাও তুলে নিয়েছেন নিজের কাঁধেই।আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে টেস্ট সিরিজের প্রথমটি আজ শুরু হচ্ছে সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে। টেস্টের প্রতিপক্ষ হিসেবে আয়ারল্যান্ড খুব একটা সবল নয়। ২০২৩ সালে দুই দলের মুখোমুখি হওয়া একমাত্র টেস্টে জিতেছিল বাংলাদেশই। কিন্তু অস্বস্তিটা প্রথম টেস্টের ভেন্যু নিয়ে। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এর আগে খেলা ৪ টেস্টের তিনটিতেই যে হেরেছে বাংলাদেশ!টেস্টে সিলেট স্টেডিয়ামে স্মৃতিটা ভালো নয় বাংলাদেশের
    সন্ত রবিদাস (রইদাস, রবিদাসজি) পঞ্চদশ থেকে ষোড়শ শতকের এক মহান ভারতীয় সাধক, কবি ও সমাজসংস্কারক। উত্তর ভারতের ভক্তি আন্দোলনের তিনি অন্যতম পুরোধা। তাঁর অনুসারীরা রবিদাসিয়া নামে পরিচিত। তাঁর কাব্য ও শিক্ষা বর্ণভেদপ্রথার বিরুদ্ধে অবস্থান নেয় এবং এক ঈশ্বরপ্রেমমূলক, সমতাভিত্তিক সমাজের স্বপ্ন দেখায়। পাঞ্জাবি, হিন্দি ও ব্রজ ভাষায় রচিত তাঁর বহু পদ ‘গুরু গ্রন্থ সাহিব’-এ অন্তর্ভুক্ত হয়েছে, যা তাকে শিখধর্মের মধ্যেও বিশেষ মর্যাদা দিয়েছে।সন্ত রবিদাসজির জন্ম ১৪৫০ সালের আশপাশে (কিছু মতে ১৩৭৭/১৩৮৮) বর্তমান উত্তর প্রদেশের বারানসি (কাশী) শহরের কাছে সীর গোবর্ধনপুর গ্রামে এক চর্মকার পরিবারে। তাঁর পিতা সন্তোক দাস ও মাতা কলসী দেবী ছিলেন সমাজে নিম্নবর্ণভুক্ত। পিতার পেশা ছিল চর্মশিল্প। রবিদাস ছোটবেলা থেকেই আধ্যাত্মিক ভাবধারায় আকৃষ্ট হন। সংসারধর্মে অত আগ্রহ ছিল না তাঁর।সন্ত রবিদাস (রইদাস, রবিদাসজি) পঞ্চদশ থেকে ষোড়শ শতকের এক...
    জামায়াতে ইসলামী বিভিন্ন অজুহাত তুলে দেশকে একটা অস্থিতিশীল অবস্থার দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ সোমবার বিকেলে সদর উপজেলার বরদ্বেশ্বরী বাজার ও রুহিয়া উচ্চবিদ্যালয়ের মাঠে থানা বিএনপির আয়োজনে ইউনিয়নবাসীর সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।মতবিনিময় সভায় মির্জা ফখরুল বলেন, ‘একটি দেশ তখনই উন্নয়নে যেতে পারে, যখন জনগণ ঐক্যবদ্ধ হয়। যখন জনগণ চায়, আমরা উন্নতি করব। জনগণের মধ্যে সারাক্ষণ দ্বন্দ্ব-বিবাদ, ফেতনা, ঝগড়াঝাঁটি যদি থাকে, তাহলে কি উন্নতি হতে পারে? যখন গণ-অভ্যুত্থান হলো, তখন আমরা ভেবেছিলাম, ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে পারব। কিন্তু দুর্ভাগ্য আমাদের, আমরা দেখলাম কিছু কিছু দল বিভেদ সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে। আমি পরিষ্কার করে বলতে চাই, আজকে জামায়াতে ইসলামী বিভিন্ন অজুহাত তুলে দেশকে একটা অস্থিতিশীল অবস্থার...