যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কনীতি এবং বাংলাদেশের বাণিজ্যিক ভবিষ্যৎ
Published: 8th, July 2025 GMT
স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য ছিল চা, পাট এবং চামড়া। যুদ্ধবিধ্বস্ত কৃষিনির্ভর বাংলাদেশের নাজুক অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে অসৎ, মুনাফালোভী ব্যবসায়ী এবং রাজনীতিবিদের কারণে ১৯৭৪ সালে দেশে নেমে আসে ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ। এ সময় দেশের অর্থনীতি হয়ে ওঠে নাজুক ভঙ্গুর। বিশ্ব অর্থনীতির ধারায় নিজেদের সম্পৃক্ত করার বদলে স্বাধীনতা-পরবর্তী চার বছর বাংলাদেশের অর্থনৈতিক দুরবস্থা এবং অস্থিরতার চিত্র উঠে আসে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে। ’৭৫-পরবর্তী সময়ে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ আর বিধ্বস্ত অর্থনীতির বাংলাদেশকে নতুন করে নতুন পরিচয়ে তুলে ধরেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।
দেশের অর্থনীতির গতি বাড়িয়ে নতুন স্বপ্ন আর উদ্দীপনায় বলীয়ান বাংলাদেশকে তুলে ধরেন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে। বাংলাদেশের নুয়ে পরা অর্থনীতি এগিয়ে যায় নতুন পথে। কেবলমাত্র চা, পাট এবং চামড়া রপ্তানির বাংলাদেশ মধ্যপ্রাচ্য সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জনশক্তি রপ্তানি করে অর্থনীতিতে সৃষ্টি করে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার। এ সময় তৈরি হয় দেশের রেডিমেট গার্মেন্টস খাতের ভিত। কেবল মধ্যপ্রাচ্য নয়, এ সময় ইউরোপ, আমেরিকা সহ পশ্চিমা দেশগুলোও দৃষ্টি দেয় বাংলাদেশের প্রতি।
প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় আসার পর, দেশের জিডিপি বৃদ্ধির হার সর্বাধিক করার প্রাথমিক লক্ষ্য নিয়ে বেসরকারি উদ্যোগকে উৎসাহিত করার জন্য নতুন কৌশল গ্রহণ করেন। বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে এবং রপ্তানি শিল্পকে উৎসাহিত করার জন্য তৈরি করা হয় রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড) নামে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল। ফলে বাড়তে থাকে দেশের অর্থনীতির কলেবর। প্রেসিডেন্ট জিয়ার সৃষ্টি করা এই অর্থনৈতিক ভিত্তির হাত ধরেই ৮০ থেকে পরবর্তী তিন যুগেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশে অর্থনীতিতে রপ্তানি পণ্য হিসেবে বাড়ে রেডিমেড গার্মেন্টেন্সের অবস্থান। দেশের গার্মেন্টস খাতে রপ্তানির প্রধান বাজার হয়ে ওঠে ইউরোপ এবং মধ্যপ্রাচ্য।
এ ছাড়াও বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি বাড়াতে ১৯৯৫ সালে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সংযুক্তি ছিলো একটি মাইলফলক। ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প থেকে ৫.
সম্প্রতি ২০২৫ সালের প্রথম চার মাসে বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোষাক রপ্তানি ২৯.৩৩ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২.৯৮ বিলিয়ন ডলারে। কিন্তু সবকিছুকে শঙ্কার কালো মেঘ ঢেকে দেয় হঠাৎ বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যে ট্রাম্পের ৩৫% শুল্ক আরোপের বিষয়টি। ৮ জুলাই যুক্তরাষ্ট্র সরকার বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের উপর যে ৩৫% আমদানি শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে, তা বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য সম্পর্কে দীর্ঘমেয়াদি অভিঘাত তৈরি করবে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদেরা।
এই সিদ্ধান্তের পেছনে একটি বড় রাজনৈতিক এবং বাণিজ্যিক পটভূমি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমেরিকা ফার্স্ট নীতি। যেখানে তিনি উন্নয়নশীল দেশগুলো থেকে আমদানি হওয়া পণ্যের উপর পারস্পরিক শুল্ক আরোপের কথা বলেন। অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্র যে হারে শুল্ক দেয়, সেই হারে আমদানিকৃত পণ্যেও শুল্ক বসানো হবে। এরই অংশ হিসেবে বাংলাদেশকে ৩৫% শুল্কের আওতায় আনা হয়, যদিও কিছু বিশ্লেষকের এখনও বলছেন, এটি রাজনৈতিক চাপ প্রয়োগের একটি কৌশল। যার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আলোচনায় সুবিধাজনক অবস্থান তৈরি করা সম্ভব।
যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাজার, যেখানে বছরে প্রায় ৯ বিলিয়ন ডলারের পোশাক রপ্তানি হয়ে আসছে। বর্তমানে এসব পণ্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় শুল্কমুক্ত বা স্বল্প শুল্কে প্রবেশ করত। কিন্তু ৩৫% শুল্ক আরোপের ফলে রপ্তানিকারকদের জন্য পণ্যের দাম প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে যাবে। ক্রেতারা সস্তা ও সহজলভ্য বিকল্প খুঁজতে গিয়ে বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে অন্য দেশ যেমন ভিয়েতনাম, ভারত, কিংবা মেক্সিকোর দিকে ঝুঁকতে পারেন। ফলে বাংলাদেশের অনেক পোশাক কারখানা বন্ধ হয়ে যেতে পারে এবং কয়েক লাখ শ্রমিক চাকরি হারাতে পারেন।
বাংলাদেশের গার্মেন্ট শিল্প সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বিজিএমইএ এবং বিকেএমইএ ইতোমধ্যেই গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তাদের মতে, এই শুল্ক শুধু পোশাক শিল্পে নয়, বরং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকিং, পরিবহন, প্যাকেজিং এবং রফতানি লজিস্টিক খাতেও ধস নামাবে। ফলে জাতীয় অর্থনীতির সামগ্রিক প্রবৃদ্ধি হার হ্রাস পাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
অর্থনৈতিক সংকটের পাশাপাশি এই শুল্ক রাজনৈতিক এবং কূটনৈতিক সম্পর্কেও প্রভাব ফেলবে। যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশে অন্যতম বৃহত্তম বিনিয়োগকারী এবং দাতা দেশ। যুক্তরাষ্ট্রের এই শুল্ক আরোপ অনেকের দৃষ্টিতে ব্যবসার মোড়কে রাজনৈতিক চাপ প্রয়োগের কৌশল। যদিও হোয়াইট হাউস থেকে বলা হচ্ছে এটি বাণিজ্যনীতি সংশোধনের অংশ, তবুও বাংলাদেশের নীতিনির্ধারকদের চোখে এটি একটি কূটনৈতিক বার্তা।
আগামী ১ আগস্ট থেকে কার্যকর হতে যাওয়া এই শুল্ক কাঠামোর বিষয়ে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা শফিকুল আলম জানিয়েছেন, ঢাকার পক্ষ থেকে ওয়াশিংটনের সঙ্গে লাভজনক শুল্কচুক্তির বিষয়ে আলোচনা চলছে এবং আগামী ৯ জুলাই আরেক দফা আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
১৪ দেশের শুল্ক বাড়ানোর ঘোষণার পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, আগামী আগস্টের মধ্যে চুক্তিতে পৌঁছাতে যে সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে, সেটি নমনীয় হতে পারে।
বাংলাদেশ ছাড়াও দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের পণ্যের ওপর নতুন করে ২৫ শতাংশ, মিয়ানমার ও লাওসের পণ্যের ওপর ৪০ শতাংশ, দক্ষিণ আফ্রিকার ওপর ৩০ শতাংশ, মালয়েশিয়ার ওপর ২৫ শতাংশ, তিউনিসিয়ার ওপর ২৫ শতাংশ, ইন্দোনেশিয়ার ওপর ৩২ শতাংশ, বসনিয়ার ওপর ৩০ শতাংশ, সার্বিয়ার ওপর ৩৫ শতাংশ, কম্বোডিয়া ও থাইল্যান্ডের ওপর ৩৬ শতাংশ শুল্ক নির্ধারণ করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। অন্যদিকে মাত্র ২৬% শুল্ক থাকায় যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বড় অর্থনৈতিক সুবিধা লাভ করবে ভারত। বিশ্ব বানিজ্যের এই জটিল খেলায় বাংলাদেশের দৃষ্টি এখন প্রধান উপদেষ্টা নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের দিকে। সামনের দিনে দেশ ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের অস্তিত্ব এবং অবস্থান তৈরি এই সন্ধিক্ষণে ড. ইউনূসের যোগ্য নেতৃত্বের দিকেই চেয়ে আছে দেশের মানুষ।
রাজু আলীম: কবি ও সাংবাদিক
উৎস: Samakal
কীওয়ার্ড: য ক তর ষ ট র য ক তর ষ ট র র শ ল ক আর প র র জন ত ক এই শ ল ক য় র ওপর পরবর ত এ সময়
এছাড়াও পড়ুন:
বিপিএল নিলাম আজ, যা যা জানা প্রয়োজন
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের ১২তম আসরের খেলোয়াড় বাছাই প্রক্রিয়া ‘প্লেয়ার্স অকশন’ বা খেলোয়াড় নিলাম আজ বিকেল ৪টায় রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত হবে। ছয় ফ্রাঞ্চাইজিদের নিয়ে হবে বিপিএলের পরবর্তী আসরের খেলোয়াড় নিলাম।
এই প্রক্রিয়া আগে ছিল, প্লেয়ার্স ড্রাফট। প্লেয়ার্স ড্রাফট ছিল অনেকটাই ভাগ্যের পরীক্ষা। সফলতা-ব্যর্থতা নির্ভর করতো ভাগ্যের ওপর। নতুন করে বিপিএল শুরুর অপেক্ষায় থাকা বিপিএলে তাই পুরোনো দল বাছাইয়ের প্রক্রিয়া বাদ। ড্রাফট বাদ দিয়ে নিলামের মাধ্যমে দল গোছানোর সুযোগ পাচ্ছে ফ্রাঞ্চাইজিরা। সেখানে অবশ্য নির্দিষ্ট সীমানা ঠিক করে দিয়েছে বিসিবি।
নিলামের আগে যা যা জানা প্রয়োজন এক নজরে তা দেখে নেওয়া যাক,
নিলাম কবে, কখন, কোথায়:
৩০ নভেম্বর, বিকেল ৪টা, হোটেল র্যাডিসন
নিলামে অংশগ্রহণ করবে কারা:
ঢাকা ক্যাপিটালস, সিলেট টাইটান্স, রংপুর রাইডার্স, নোয়াখালী এক্সপ্রেস, চট্টগ্রাম রয়্যালস, রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।
নিলামে কত ক্রিকেটার
বিসিবির পাঠানো চূড়ান্ত খেলোয়াড় তালিকা থেকে জানা গেছে, নিলামে উঠবেন ১৪৭ স্থানীয় ক্রিকেটার। বিদেশি ক্রিকেটার আছেন ২৬০ জন।
ক্রিকেটারদের ভিত্তিমূল্য
স্থানীয় ১৪৭ ও বিদেশি ২৬০ ক্রিকেটারের জন্য আলাদা আলাদা ক্যাটাগরি এবং আলাদা আলাদা পারিশ্রমিক নির্ধারণ করে দিয়েছে বিসিবি। স্থানীয় ক্রিকেটারদের জন্য পারিশ্রমিকের ছয়টি ক্যাটাগরি করেছে বোর্ড। এ ক্যাটাগরির পারিশ্রমিক ৫০ লাখ। এরপর যথাক্রমে ৩৫, ২২, ১৮, ১৪ ও ১১ লাখ। বিদেশি খেলোয়াড়দের জন্য পাঁচটি ক্যাটাগরি করা হয়েছে। এ ক্যাটাগরিতে সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক ৩৫ হাজার ডলার। এরপর রয়েছে বি, সি, ডি এবং ই। পারিশ্রমিক যথাক্রমে ২৫, ২০, ১৫ ও ১০ হাজার ডলার।
কীভাবে হবে নিলাম
স্থানীয় ক্রিকেটারদের এ ক্যাটাগরিতে প্রতিটি ডাকে মূল্য বাড়ানো যাবে ৫ লাখ টাকা। বি ক্যাটাগরির প্রতিটি ডাক মূল্য ৩ লাখ টাকা। এরপর সি ক্যাটাগরিতে ১ লাখ, ডি-ই-এফ ক্যাটাগরিতে প্রতিটি ডাকের মূল্যা ৫০ হাজার টাকা। বিদেশি ক্রিকেটারদের ক্ষেত্রে ক্যাটাগরি অনুসারে যথাক্রমে প্রতি ডাকে বাড়বে ৫ হাজার ডলার, ৩ হাজার ডলার, ২ হাজার ডলার, ১ হাজার ৫০০ ডলার এবং ১ হাজার ডলার।
সরাসরি চুক্তিতে স্থানীয় ক্রিকেটার
মেহেদী হাসান মিরাজ (সিলেট টাইটান্স), নাসুম আহমেদ (সিলেট টাইটান্স), মোস্তাফিজুর রহমান (রংপুর রাইডার্স), নুরুল হাসান সোহান (রংপুর রাইডার্স), তাসকিন আহমেদ (ঢাকা ক্যাপিটালস), সাইফ হাসান (ঢাকা ক্যাপিটালস), হাসান মাহমুদ (নোয়াখালী এক্সপ্রেস), সৌম্য সরকার (নোয়াখালী এক্সপ্রেস), শেখ মেহেদী হাসান (চট্টগ্রাম রয়্যালস), তানভীর ইসলাম (চট্টগ্রাম রয়্যালস), নাজমুল হোসেন শান্ত (রাজশাহী ওয়ারিয়র্স) ও তানজিদ হাসান তামিম (রাজশাহী ওয়ারিয়র্স)।
সরাসরি চুক্তিতে বিদেশি ক্রিকেটার
অ্যালেক্স হেলস (ঢাকা ক্যাপিটালস), উসমান খান (ঢাকা ক্যাপিটালস), আহমেদ আবরার (চিটাগং রয়্যালস), মোহাম্মদ নওয়াজ (রাজশাহী ওয়ারিয়র্স), শাহিবজাদা ফারহান (রাজশাহী ওয়ারিয়র্স), খাজা নাফি (রংপুর রাইডার্স), শাফিয়ান মুকিম (রংপুর রাইডার্স), সাইম আইয়ুব (সিলেট টাইটান্স), মোহাম্মদ আমির (সিলেট টাইটান্স), কুশল মেন্ডিস (নোয়াখালী এক্সপ্রেস) ও জনসন চার্লস (নোয়াখালী এক্সপ্রেস)।
স্থানীয় ক্রিকেটারদের ক্রয়সীমা
সর্বনিম্ন ১৪ জন স্থানীয় ক্রিকেটার ফ্রাঞ্চাইজিতে থাকতেই হবে। সর্বোচ্চ ১৬ জন স্থানীয় ক্রিকেটার রাখা হবে। সরাসরি সাইন করা বাদে দলগুলো স্থানীয় ক্রিকেটারদের জন্য খরচ করতে পারবে সাড়ে চার কোটি টাকা। নিলাম থেকে অন্তত ১২ জন খেলোয়াড়কে কিনতেই হবে।
ক্যাটাগরি অনুযায়ী আলাদা নিয়মও আছে। এ এবং বি ক্যাটাগরি থেকে ২ জন স্থানীয় ক্রিকেটার থাকতেই হবে। সি এবং ডি ক্যাটাগরির খেলোয়াড় থাকতে হবে ৬ জন। ই এবং এফ ক্যাটাগরি থেকে খেলোয়াড় থাকতে হবে ৪ জন।
বিদেশি ক্রিকেটারদের জন্য পৃথক নিময়
যেকোনো সময়, যেকোনো পরিস্থিতিতে যেকোনো বিদেশি ক্রিকেটার রেজিস্ট্রি করে বিপিএলে অংশ নিতে পারবে। নিলাম থেকে দলগুলোকে অন্তত ২ জন বিদেশি ক্রিকেটার কিনতে হবে। সরাসরি সাইন করা খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক মিলিয়ে ফ্রাঞ্চাইজিগুলো বিদেশি ক্রিকেটারদের জন্য ৩ লাখ ৫০ হাজার ডলার ব্যয় করতে পারবে।
পারিশ্রমিক পরিশোধের নির্দেশনা
খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক নিশ্চিতকরণে নির্দেশনা দিয়েছে বিসিবি। মাঠে নামার আগেই ২৫ শতাংশ টাকা পাবেন ক্রিকেটাররা। আরো ৫০ শতাংশ টাকা পেয়ে যাবেন ফাইনাল লিগ খেলার আগে এবং বাকি ২৫ শতাংশ টাকা পাবেন টুর্নামেন্ট শেষ হবার ৩০ দিনের মধ্যে।
পরবর্তী আসরের জন্য..
বিপিএলের পরের আসরে যারা অংশগ্রহণ করবে তারা স্কোয়াড থেকে দুজন খেলোয়াড়কে রিটেইন করতে পারবে। বিদেশিদের ক্ষেত্রেও বিষয়টি একই। নতুন করে যদি কোনো দল আসে তারা আগেভাগেই সরাসরি সাইনে দল বাছাই করতে পারবে।
নিলাম পরিচালনা করবেন
বিপিএলে নিলাম পরিচালনা করবেন রাফে নিজাম। এর আগেও তিনি বিপিএলে কাজ করেছেন।
ঢাকা/ইয়াসিন