বাংলাবান্ধায় আমদানি-রপ্তানি ৯ দিন বন্ধ
Published: 27th, March 2025 GMT
দেশের একমাত্র চার দেশীয় স্থলবন্দর পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে টানা নয় দিন বন্ধ থাকবে। ঈদুল ফিতর ও সাপ্তাহিক ছুটির কারণে এই নয় দিন আমদানি-রপ্তানি হবে না। তবে স্থলবন্দরের ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে ভিসাধারীরা স্বাভাবিকভাবে যাতায়াত করতে পারবে।
বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) রাতে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর লিমিটেডের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ এ সব তথ্য জানিয়েছেন।
স্থলবন্দর সূত্র জানায়, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আগামী শনিবার (২৯ মার্চ) থেকে পরের শনিবার (৫ এপ্রিল) সাত দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ ঘোষণা করা হয়। তবে ঈদের ছুটির আগে ও পরে দুই দিন শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির কারণে টানা নয় দিন আমদানি-রপ্তানি হবে না। বাংলাবান্ধা সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন ও ভারতের ফুলবাড়ী এক্সপোর্টার অ্যান্ড ইমপোর্টার ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের যৌথ আলোচনায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আরো পড়ুন:
বাংলাবান্ধা দিয়ে নেপালে গেল ২৩১ মেট্রিক টন আলু
সোনামসজিদ স্থলবন্দরে ছুটি ৯দিন
বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ জানান, পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ভারত, নেপাল ও ভুটানের ব্যবসায়ীসহ কয়েকটি সংগঠনের যৌথ আলোচনা সভায় আমদানি-রপ্তানি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে একটি চিঠিও বাংলাবান্ধা সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন, কাস্টমস ও বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষকে দেওয়া হয়েছে। আগামী ৬ এপ্রিল আবারো বন্দর সচল হবে।
বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফিরোজ কবির জানান, পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলেও ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে ভিসাধারীদের যাতায়াত স্বাভাবিক থাকবে।
ঢাকা/নাঈম/বকুল
.উৎস: Risingbd
কীওয়ার্ড: চ কর চ কর আমদ ন আমদ ন
এছাড়াও পড়ুন:
সারা দেশে ‘রোড শো’ করবে বিএনপি, ১৬ ডিসেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশ
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে মাসব্যাপী নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। কর্মসূচির অংশ হিসেবে ১ ডিসেম্বর থেকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশব্যাপী অনুষ্ঠিত হবে ‘বিজয় মশাল রোড শো’। এছাড়া ১৬ ডিসেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) বিকেলে গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ তথ্য জানান।
আরো পড়ুন:
বিদেশে নেওয়ার মতো অবস্থায় নেই খালেদা জিয়া
ভিন্নমত পোষণ করলেই তাকে শত্রু মনে করা হয়: ফখরুল
তিনি জানান, ১ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম থেকে শুরু হয়ে পর্যায়ক্রমে কুমিল্লা, সিলেট, ময়মনসিংহ, বগুড়া, রংপুর, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, ফরিদপুরে বিজয় মশাল রোড শো এবং সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি বিভাগে মশাল বহন করবেন সংশ্লিষ্ট বিভাগের একজন প্রখ্যাত মুক্তিযোদ্ধা এবং একজন জুলাইযোদ্ধা।
১৬ ডিসেম্বর ঢাকার মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে মহাসমাবেশের মধ্য দিয়ে শেষ হবে বিজয় মশাল রোড শো। এতে পরিবেশিত হবে বিএনপির থিম সং, 'সবার আগে বাংলাদেশ'।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, “মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের স্মৃতিবিজড়িত চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বিজয় মশাল যাত্রা শুরু করবে। সেখান থেকে যাত্রা শুরু করে একই দিন চট্টগ্রামের বিপ্লব উদ্যানে পৌঁছাবে। বিজয় মিছিলের মশাল বহন করবেন ১৯৭১ সালের একজন বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা এবং ২০১৪ সালের একজন জুলাইযোদ্ধা। আমরা মনে করি, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ ছিল দেশের স্বাধীনতা অর্জনের আর ২০২৪ হলো দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার।”
বিএনপি মহাসচিব জানান, দুই সপ্তাহের এই বিশেষ 'রোড শো' উদযাপনের সময় বিভিন্ন বিভাগের স্বাধীনতা এবং মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত ঐতিহাসিক স্থান পরিদর্শন, জাতীয় সংগীত, মুক্তিযুদ্ধের গান, দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন, জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বক্তব্যের নির্বাচিত অংশ প্রচার, জাসাসের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং ডকুমেন্টারি প্রদর্শন হবে।
একইসঙ্গে জনগণের সামনে তুলে ধরা হবে একটি নিরাপদ, সমৃদ্ধ এবং গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে বিএনপির ৩১ দফা কর্মসূচি।
তিনি জানান বিভাগ ঘুরে বিজয় মশাল সবশেষে ১৬ ডিসেম্বর ঢাকায় এসে পৌঁছাবে। একইদিন ঢাকার মানিক মিয়া এভিনিউতে মহাসমাবেশ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শেষ হবে 'বিজয়ের মাসে বিজয় মশাল রোড শো'। বিজয় মাস উপলক্ষে এই বিশেষ কর্মসূচি ছাড়াও অন্যান্য কর্মসূচি উদযাপিত হতে থাকবে।
ঢাকা/রায়হান/সাইফ