প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আইসেস্কো মহাপরিচালকের সাক্ষাৎ
Published: 6th, October 2025 GMT
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে ইসলামিক ওয়ার্ল্ড এডুকেশনাল, সায়েন্টিফিক অ্যান্ড কালচারাল অর্গানাইজেশনের (আইসেস্কো) মহাপরিচালক সালিম এম আল মালিক সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। আজ সোমবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে আল মালিক প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস ও তাঁর বিশ্বব্যাপী প্রভাব বিস্তারকারী উদ্যোগগুলোর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘আমি যখন চিকিৎসাশাস্ত্রের ছাত্র, স্নাতক শেষের পথে, তখনই প্রথম আপনার ও গ্রামীণ ব্যাংকের কথা শুনেছিলাম। আপনার থ্রি জিরো তত্ত্ব (জিরো দারিদ্র্য, জিরো বেকারত্ব ও জিরো নেট কার্বন নিঃসরণ) তখন ব্যাংকিং থেকে খেলাধুলা, এমনকি পরিবেশ বৈঠক পর্যন্ত সর্বত্র আলোচিত ছিল। সেটি ছিল সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক।’
প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার কর্মসূচির প্রশংসা করে আইসেস্কো মহাপরিচালক বলেন, ‘বাংলাদেশে আসার পর আমি বেশ কয়েকজন উপদেষ্টার সঙ্গে দেখা করেছি এবং সংস্কার কর্মসূচি সম্পর্কে জেনেছি। আপনাদের উদ্যোগের প্রতি আমার পূর্ণ সমর্থন রয়েছে।’
আল মালিক বৈঠকে অধ্যাপক ইউনূসের থ্রি জিরো তত্ত্বকে আইসেস্কোর শিক্ষা, যুব উন্নয়ন ও পরিবেশবিষয়ক কৌশলগত পরিকল্পনায় যুক্ত করার অনুমতি চান। তিনি বলেন, ‘আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে আপনার তত্ত্বটিকে আমাদের মূল কৌশলের অংশ হিসেবে গ্রহণের অনুমতি চাইতে এসেছি। আপনার দৃষ্টিভঙ্গি আমাদের মিশনের সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ।’
আইসেস্কোর চলমান কার্যক্রমের কথা তুলে ধরে মালিক জানান, সংস্থাটি সদস্যদেশগুলোকে খাদ্য অপচয় ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে সহায়তা করছে। ব্রুনেই, আলজেরিয়া ও নাইজেরিয়ার মতো দেশগুলো ইতিমধ্যে আইসেস্কোর সহায়তায় উদ্যোক্তা কার্যক্রমকে সামাজিক ব্যবসা মডেলে রূপান্তর করেছে।
প্রতিক্রিয়ায় অধ্যাপক ইউনূস আইসেস্কোর শিক্ষা ও টেকসই উন্নয়নমূলক প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতে তরুণদের ক্ষমতায়ন ও সামাজিক ব্যবসা সম্প্রসারণে যৌথ উদ্যোগের সম্ভাবনাকে স্বাগত জানান। বৈঠকে শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক সি আর আবরার উপস্থিত ছিলেন।
.উৎস: Prothomalo
কীওয়ার্ড: আইস স ক র আপন র ইউন স
এছাড়াও পড়ুন:
সাংবাদিককে প্রশ্ন মেহেদীর, ‘এক মাস এক চ্যানেলে, আরেক মাস অন্য চ্যানেলে চাকরি করলে স্বাচ্ছন্দ্য পাবেন?’
প্রশ্নের উত্তরে সাংবাদিককেই উল্টো প্রশ্নই ছুড়ে দিলেন মেহেদী হাসান। কবে একাদশে থাকবেন, এ নিয়ে একটা অনিশ্চয়তা সব সময়ই থাকে তাঁর। প্রায় নিয়মিত পারফর্ম করেও থাকতে হয় একাদশের বাইরে।
এ নিয়ে একটা প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে আজ চট্টগ্রামে তিনি এক সাংবাদিককে বলেন, ‘আপনি যে চ্যানেলে চাকরি করেন, এক মাস এক চ্যানেলে, এক মাস আরেক চ্যানেলে হলে সেটা স্বাচ্ছন্দ্যের হবে না। একই জিনিস আমার ক্ষেত্রেও। কিন্তু চেষ্টা করছি…ভালো হচ্ছে।’