দেশের আলোচিত নারী উদ্যোক্তা ও ইনফ্লুয়েন্সার রোবাইয়াত ফাতিমা তনির স্বামী শাহাদাৎ হোসাইন মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। ব্যাংককের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরে সেখানে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তনি স্বামীর মৃত্যুর নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, সে আর নাই। ব্যাংকক সময় রাত ৩টা ৩ মিনিটে আমাকে সারা জীবনের মত একা করে চলে গেছে।

তনির দ্বিতীয় স্বামী শাহাদাৎ হোসাইন ছিলেন একজন সফল ব্যবসায়ী। প্রথম স্বামীর সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় বিচ্ছেদের পথে হাঁটেন তিনি। এরপর ভালোবেসে বিয়ে করেন শাহাদাৎকে। তনি ও তাঁর স্বামীর মধ্যকার বয়সের ব্যবধান নিয়ে সবসময় সমালোচনার শিকার হয়েছেন তিনি।

ফেসবুক লাইভে এলে নানারকম ট্রলের মুখে পড়েন এই নারী উদ্যেক্তা। এসবে তার কোনও তোয়াক্কা নেই। তিনি দিনশেষে নিজের ঘরে শান্তিতে থাকতে চান বলেই অভিমত দিয়েছেন নানা সংবাদমাধ্যমে। বর্তমানে ফ্যাশন হাউস 'সানভিস বাই তনি'-এর স্বত্বাধিকারী তনি। সারা দেশে তার ১২টি শোরুম রয়েছে।

.

উৎস: Samakal

এছাড়াও পড়ুন:

ইমিগ্রেশনে ঘুষ-জালিয়াতির অভিযোগে শাহজালাল বিমানবন্দরে দুদকের অভিযান

হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন শাখায় ঘুষ গ্রহণ ও জাল–ভুয়া কাগজপত্রের মাধ্যমে ইমিগ্রেশন ছাড়পত্র দেওয়ার অভিযোগে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের প্রধান কার্যালয়ের কর্মকর্তারা রোববার বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন এলাকায় উপস্থিত হয়ে অভিযোগ–সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন রেকর্ডপত্র সংগ্রহ করেন। এ সময় ইমিগ্রেশন পুলিশ সুপারসহ দায়িত্বপ্রাপ্ত অন্য কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

দুদক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের যোগসাজশে ঘুষ লেনদেন ও জাল কাগজপত্র ব্যবহার করে যাত্রীদের ছাড়পত্র দেওয়ার অভিযোগের ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। সংগৃহীত রেকর্ডপত্র ও তথ্য–উপাত্ত যাচাই–বাছাই করে বিস্তারিত প্রতিবেদন তৈরি করে পরে কমিশনে দাখিল করা হবে।

দুদক বলছে, প্রাথমিক অভিযোগের সত্যতা যাচাই ও অনিয়মের উৎস শনাক্ত করতে এই অভিযান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সম্পর্কিত নিবন্ধ